সংগ্রহের ইতিকথাঃ যদি বিবর্তনবাদকে মানি,তাহলে হয়তো প্রথম সংগ্রহের সূচনা হয়েছিলো বাসা বানানোর উপকরনের প্রয়োজন থেকে,তারপরে আসে অনুসন্ধিৎসা তারপর আসে অলঙ্করন এবং সঙ্গী আকর্ষনের চেষ্টা এবং ধীরে ধীরে মস্তিস্কের বিকাশের সাথে সাথে অন্যান্য অনুভূতি সম্পর্কিত প্রবণতা সমুহ দেখা দেয়। সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে বস্তুগত সম্পদের প্রতি আমাদের আকর্ষণ এবং লোভ, সামাজিক জটিলতা, বৃদ্ধি পাওয়াতে ;নির্দিষ্ট জিনিসপত্র সংগ্রহ শুরু হয়।
সংগ্রহের সম্ভ্যাব্য
কারন সমুহঃ জীবনের যে কোন
কাজের মতো, যদি আপনি
কিছু সংগ্রহ করেন বাঁ শুরু করতে চান, প্রথমেই আপনাকে গন্ত্যব্য
নিয়ে নিজের মধ্যে একটি আত্ম উপলব্ধি নিয়ে আসতে হবে । মনে রাখবেন হাঁটলেই পথিক হওয়া যায় না। হয়তো আপনি পথচারী হিসাবেই রয়ে যাবেন যদি না গন্ত্যব্য ঠিক করে হাঁটেন।
এখন আপনি যদি
নিজেকে শুধু পথচারী হিসাবে পরিচয় দেন এবং তাতে আপনার আপত্তি না থাকে,তাহলে আমার এই সম্পূর্ণ লেখাটি ই উপেক্ষা
করতে পারেন। তবে যদি আপনি বলেন যে আপনি পথিক বাঁ পথিক হতে চাচ্ছেন
তাহলে আপনাকে এই পথের ধুলূ কাঁকরের সাথে পরিচিত হতে হবে। এই পথের চলার জুতোজোড়া পড়ে নিয়েছেন তো? সাথে ছাতা নিয়েছেন তো? বৃষ্টি আসলে তা
থেকে বাঁচার সামগ্রি নিয়েছেন তো? নিজে এই পথের রাস্তা জানেন তো?যদি অন্য কেউ এই পথে চলতে চায়,তাকে পথ দেখাতে পারবেন
কি? পথে চলার রসদ, ধৈয,সাহস,উদ্দম এগুলু সাথে আছে? এই
হচ্ছে প্রশ্ন। এবার আপনি এর উত্তর “হাঁ” সূচক ভাবে
দিলে আপনি হয়তো পথিক বাঁ পথিক হতে পারবেন। আর “না”
সুচক ভাবে দিলে হয়তো আপনি পথচারী এবং একদিন আপনার পথ পরিবর্তন হতে পারে।
একজন পথিকের
এই চিন্তা থাকাটা নিতান্তই স্বাভাবিক যে, কিভাবে গন্তব্যে সহজে নিরাপদে এবং দ্রুত পৌঁছানো যায়। আর তাঁর জন্যই Trust
Collector. [বিস্তারিত আলোচনা অন্য পোস্টে] পথে
চলতে চলতে হয়তো আপনি পথ থেকে আরও শিখতে পারেন এবং তাঁর থেকে হাটার ধরন,বিশ্রামের অনসূচী তৈরি করতে পারেন, অন্য পথিকদের এই পথ
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, পথ চলার উদ্দম ধরে রাখার জন্য
অন্য পথিকদের সাথে সময় কাটিয়ে গল্প করতে পারেন,এমন বহুবিধ কাজ
আছে।