জুলাই ২৯, ২০২২

Characteristics of a good seller and ethical business model (Surface thought)

একটি নোট একজন সংগ্রাহকের হাতে আসার আগে কি কি হয়?
কেনো আপনি UNC আইটেম ফেস ভ্যালু তে পাবেন না?
এখানে আমি একটি খুব সিম্পল ভাবে আইটেম বাজারে আসার ধারাবাহিক বর্ননা দিচ্ছি। বিঃদ্রঃ এটা কেবল Tip of the iceberg.

প্রথমে সেই দেশের একজন অনেক অর্থ লগ্নি করে ভাড়া দিয়ে গিয়ে অনেকগুলু বান্ডেল ব্যাংক থেকে নিয়ে আনে। (ডিলার পর্যায়).

তারপর স্থানীয় ১ম স্তরের (ডিস্ট্রিবিউটর) গন কয়েকটি করে বান্ডেল তাদের থেকে কিনে নিয়ে অনলাইন বা অকশন এ সেল করে।
তারপর ১ম বা ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউটর গন আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোকে ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাবে পাঠায়

২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাব থেকে সেই দেশের স্থানীয় ডিলারগন বান্ডেল বা লট হিসেবে কিনে নেয়।
সেই ডিলারগন তারপর সেই দেশের ১ম স্তরের রিসেলার কাছে সেল করে যারা ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে পন্য পৌঁছে দেয়।
সেই ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে থেকে সাধারন জনগণ কেনে।

তাহলে এবার ভাবুন- এতো হাত হয়ে আসলে আপনার পন্যের দাম তো বাড়বে ই। কারন প্রত্যেকে ব্যাবসায়ীই তাদের সময়,অর্থ কিছু লাভের আশায় বিনিয়োগ করে। তাই UNC নোট হাতে আসতে আসতে তার দাম কয়েকগুন বেড়ে যায়।
সমাধানঃ সাধারণত যতো কম হাত হয়ে আসবে,ভোক্তা হিসেবে ততো সাশ্রয়ী ভাবে আপনি পন্য পাবেন। সেজন্য কেন্দ্রীয় বাজার ব্যাবস্থার জুড়ি নেই,কারন প্রতিযোগিতা এবং সবার সমান সুযোগ কেবল সেখানেই নিশ্চিত করা সম্ভব। কোন গ্রুপ ই ১০০℅ বাক স্বাধীনতা দিতে পারে না তাদের পলিসির কারনে।

পন্যের দাম এছাড়া আর কিভাবে বেড়ে যায়?

Lost shipment
Extra import charges
Changes on currency exchanhe rate
overall market inflession
Price increase on world market
Higher demand on the local market with relatively low supply
Price surge from the source
Higher restrictions on importing goods and people's movement
Capitalism
loses on personal level (Seller's)
High overhead cost
High obtainment cost
Small scale reselling
Limited industry knowledge
Sourcing from a bottom tier supplier
Cost of reputation and approval( Giving gift as gratitude,influence or loyality).

 এরকম অজস্র কারন থাকতে পারে। তাই ক্রেতাদের উদ্দেশ্য এই পরামর্শ যেনো তারা যাচি বাছাই করে কেনাকাটা করেন।

Why we don't get UNC item in fav value and associated cost of a business

একটি নোট একজন সংগ্রাহকের হাতে আসার আগে কি কি হয়?
কেনো আপনি UNC আইটেম ফেস ভ্যালু তে পাবেন না?
এখানে আমি একটি খুব সিম্পল ভাবে আইটেম বাজারে আসার ধারাবাহিক বর্ননা দিচ্ছি। বিঃদ্রঃ এটা কেবল Tip of the iceberg.

প্রথমে সেই দেশের একজন অনেক অর্থ লগ্নি করে ভাড়া দিয়ে গিয়ে অনেকগুলু বান্ডেল ব্যাংক থেকে নিয়ে আনে। (ডিলার পর্যায়).

তারপর স্থানীয় ১ম স্তরের (ডিস্ট্রিবিউটর) গন কয়েকটি করে বান্ডেল তাদের থেকে কিনে নিয়ে অনলাইন বা অকশন এ সেল করে।
তারপর ১ম বা ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউটর গন আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোকে ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাবে পাঠায়

২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাব থেকে সেই দেশের স্থানীয় ডিলারগন বান্ডেল বা লট হিসেবে কিনে নেয়।
সেই ডিলারগন তারপর সেই দেশের ১ম স্তরের রিসেলার কাছে সেল করে যারা ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে পন্য পৌঁছে দেয়।
সেই ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে থেকে সাধারন জনগণ কেনে।

তাহলে এবার ভাবুন- এতো হাত হয়ে আসলে আপনার পন্যের দাম তো বাড়বে ই। কারন প্রত্যেকে ব্যাবসায়ীই তাদের সময়,অর্থ কিছু লাভের আশায় বিনিয়োগ করে। তাই UNC নোট হাতে আসতে আসতে তার দাম কয়েকগুন বেড়ে যায়।
সমাধানঃ সাধারণত যতো কম হাত হয়ে আসবে,ভোক্তা হিসেবে ততো সাশ্রয়ী ভাবে আপনি পন্য পাবেন। সেজন্য কেন্দ্রীয় বাজার ব্যাবস্থার জুড়ি নেই,কারন প্রতিযোগিতা এবং সবার সমান সুযোগ কেবল সেখানেই নিশ্চিত করা সম্ভব। কোন গ্রুপ ই ১০০℅ বাক স্বাধীনতা দিতে পারে না তাদের পলিসির কারনে।


এখন যদি বলেন কোন বিদেশী আত্মীয়ের মাধ্যমে নতুন নোট আনাবেন, তাহলে ATM, e যে নতুন পাওয়াই যাবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। তাছাড়া ক্রমে ক্যাশলেস ইকোনোমি হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের হয়তো এটিএম বা ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তারপর এটিএম বা ব্যাংকে যাওয়ার সময়ই নেই কারো। কারণ প্রত্যেকেই ব্যস্ত। আর ব্যাংকে গেলেই যে নতুন নোট দিয়ে দেবে সেটা বাধ্যতামূলক নয়। তার মানে এর জন্য কয়েক ঘন্টা মাথা ঘামাতে হবে। যার মূল্য এমনিতেই অনেক বেশি। 

পন্যের দাম এছাড়া আর কিভাবে বেড়ে যায়?

Lost shipment
Extra import charges
Changes on currency exchanhe rate
overall market inflession
Price increase on world market
Higher demand on the local market with relatively low supply
Price surge from the source
Higher restrictions on importing goods and people's movement
Capitalism
loses on personal level (Seller's)
High overhead cost
High obtainment cost
Small scale reselling
Limited industry knowledge
Sourcing from a bottom tier supplier
Cost of reputation and approval( Giving gift as gratitude,influence or loyality).

 এরকম অজস্র কারন থাকতে পারে। তাই ক্রেতাদের উদ্দেশ্য এই পরামর্শ যেনো তারা যাচি বাছাই করে কেনাকাটা করেন।

স্ট্রিট কালেলশন [Street collection]

স্ট্রিট কালেকশন কি?
বাজারে প্রচলিত আইটেম, কোন সরবরাহকারী থেকে না কিনে, নিজের উদ্যোগে উৎস থেকে সংগ্রহ করাকে অনেকে "স্ট্রিট কালেকশন" বলে থাকে। যেহেতু তা বাজারে প্রচলিত তাই তা UNC বা অব্যাহতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কেবলে মনে খোরাক যোগানো যেখানে প্রধান উদ্দেশ্য সেখানে অতিরিক্ত খরিচ না করে প্রায় ফেস ভ্যালু তে পাওয়া জিনিস ই সাধারনত স্ট্রিট কালেকশন এর অংশ হয়ে থাকে।
সুবিধাঃ কেবল যা গায়ের মূল্য তা ই সাধারণ পরিশোধ করতে হয়। প্রিমিয়াম দিতে হয় না। যাদের বাজেট নিয়ে ভাবতে হয় কিন্তু সংগ্রহের স্বাদ আস্বাদন করতে চান তাদের জন্য পারফেক্ট। বুঝে শুনে করতে পারলে কখোনও কখোনও সামগ্রিক মূল্য বৃদ্ধি পায়।কখনো কখনো এমন জিনিসও পেয়ে যেতে পারেন যা অন্যের কাছে মূল্যবান,সেই ক্ষেত্রে লাভে বিক্রি করে সেই লাভ দিয়ে নিজের কালেকশনে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
অসুবিধাঃ এর ভবিষ্যৎ মূল্য তুলনায় মূলক অনেক কম। আইটেম যেহেতু পুরনো তাই কন্ডিশন অনেক সময় ই দৃষ্টিনন্দন হয় না। কোন বৃহৎ কিছু করতে হলে অনেক সময় এবং ধৈর্যর প্রয়োজন। সাধারণ কেবল স্ট্রিট কালেকশন করে বড় অংকের কিছু করে ফেলা যায় না।কেননে ভালো জিনিস তো আর রাস্তায় পড়ে থাকে না। সাধারণ দূর্লভ জিনিস পাওয়ার সম্ভাবনা কম,পুরনো আইটেম পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

স্ট্রিট কালেকশন বা ফেস ভ্যালুতে আইটেম সংগ্রহ করার কিছু আইডিয়া।

আমি বিদেশী আইটেমের ব্যাপারে বলছিঃ

১) প্রথমেই সংগ্রাহকদের সাথে লিনক আপ শুরু করুন। যেখানে সংগ্রাহক রা সমাবেশ করে সেখানে থাকার বা সেই আলোচনায় থাকার চেষ্টা করুন।
২) স্থানীয় কারেন্সী এক্সচেঞ্জ অফিস গুলুর সাথে সম্পর্ক এবং যথাক্রমে সুসম্পর্ক গড়ে তুলার চেষ্টা করুন।
৩) সিনিয়র কাউকে মেন্টর হিসেবে নেয়ার চেষ্টা করুন এবং তার জন্য কাজ করুন
৪) বিভিন্ন গ্রুপ, সোসাইটি এবং সাইটের অফার,গিফট ইত্যাদি পোস্ট এবং ক্যেম্পেইন গুলুতে এক্টিভিটি বাড়ান এবং এক্টিভ্লি পার্টিসিপেট করুন।
৫) গ্রুপ,সাইট,পেজ বা ফোরামে আপনার কিসে ইন্টারেস্ট আছে তা সক্রিয় ভাবে প্রকাশ করুন
৬) অন্যের সাথে শেয়ার করার মনমানসিকতা গড়ে
তুলুন তাহলে অন্যরা ও হয়তো শেয়ার করবে।
৭) বিভিন্ন মন্দির,মসজিদ,দরগা ইত্যাদিতে যেখানে দান বাক্সের ব্যাবস্থা আছে সেখানে যোগাযোগ রাখবেন।
৮) সংস্লিষ্ট দেশের না যেতে পারলে যারা সেই দেশে থাকে তাদের সাথে সখ্যতা রাখবেন।
৯) যেখানে ক্যাশ লেনদেন করেন সেখানে চোখ খোলা রাখবেন এবং পরিবার ও বন্ধুবান্ধব দের আইটেম চিনতে শেখান যেন তারা আপনার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
১০)নিয়মিত কেরেন্সি এক্সচেঞ্জ অফিস গুলুতে গিয়ে সময় দিতে পারেন, যেন কোন ভালো ডিল আসলে তাদের আগে আপনি দেখতে পান।
১১) গুলিস্তানের টাকার হাটের মতো যায়গা গুলুতে নিয়মিত আনাগোনা করতে পারেন।
১২) কোন নোট টা কি সেটা ভালো করে মাথায় নিয়ে নিতে হবে।
১৩) একটা উদ্দেশ্য ক্যাটালগ করতে হবে যে কি কালেক্ট করতে চাচ্ছেন, যা অতিরিক্ত করবেন তা অন্যের সাথে ফোরাম, সাইট, পেজ ব্যাবহার করে সোয়াপ করে ফেলুন। সবকিছু একসাথে ধরলে উল্লেখযোগ্য ভাবে কিছুই পারবেন না।

এমন উপদেশ অনেকেই দেয়া যায়। কিন্তু আসল হার্ড ওয়ার্ক আপনাকেই করতে হবে।

জুলাই ১৭, ২০২২

নিলাম বা অকশন রুল।Ethics and ethos of auction

দর্শন বিজ্ঞানে গ্রাজুয়েশন এর সময়কালে, একটা সময়ে ইংল্যান্ড এর হেরিটেজ অকশন হাউজের সাথেও কাজ দেখার সুযোগ হয়েছিলো। সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।

যেভাবে ভিডিও সেল দুইভাবে হতে দেখেছি-  অকশন এবং সরাসরি বাই। সাধারন অকশন এর আবার দুটি প্রধান প্রকরন আছে - আবদ্ধ নিলাম, উন্মূক্ত নিলাম। 
বাংলাদেশের নিউমিস্মেটিক এবং ফিলাটিলিক বাজারে আমি উন্মূক্ত নিলাম ই বেশী দেখে যাচ্ছি। কিন্তু খেয়াল করার বিষয় এই যে অ একেই আবদ্ধ/গোপন নিলাম পছন্দ করেন,যেখানে কে বিড করছে তা জানা যাবে না। কেবল আউটবিড নোটিফিকেশন পাওয়া যাবে এবং নতুন বিড করা যাবে। বহির্বিশ্বে আবদ্ধ নিলাম গুলুই বেশী আকর্শন পায়। 

পরামর্শঃ
✔️ব্রকগ্রাউন্ডে বিড স্ল্যাব লিখা রাখা । 
✔️বিড প্রতি কমপক্ষে ১৫ সেকেন্ড স্ল্যাব রাখা ভালো।কোন বিড না পড়লে পরবর্তী আইটেম এ যাওয়া যাওয়াই উত্তম এবং বিড পরলে সেটার ই ৩ বার কল করার পর হ্যামার করা উচিৎ। 
✔️আইটেম কে যেনো ক্রেতারা ভালো ভাবে পর্যবেক্ষন করতে পারে সেটা নিলামকারীর কর্তব্য।

🤙অকশন বা নিলামের কিছু নীতি আছে যা আমাকে শিখতে হয়েছিলো যেমনঃ সততা,সম্মান,গোপনীয়তা, আনুগত্য,সম্মতি, বিশ্বস্ততা এবং পেশাদ্বারিত্ব।এই গুন গুলু একজন সফল নিলামকারীর মধ্যে থাকতেই হবে। যার জন্য লেখাপড়া করর NAA এর মেম্বারশিপ আবেদন করেও আমি পাই নি। 
পেশাদ্বারীত্ব বলতে -একজন অকশনিয়ার হিসেবে "অনেক কমে চলে যাচ্ছে", "এখনো কেনা ই উঠে নি"," আরে ভাই আরও বাড়ান" এইসব আনপ্রফেশনাল উক্তি ব্যাবহার করা উচিৎ না। একজন অকশনিয়ার নিরপেক্ষ হয়। নিলামকারীর পরিচিত বা পরিবারের লোক নিলামে অংশগ্রহণ করলে তা আগেই প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তাই নিলাম কারীকে নিরপেক্ষ হতে হয়।
জালিয়াতি, ভূল তথ্য উপস্থাপন, অন্যের প্রডাক্ট বা দাম এর উপর উক্তি করা ইত্যাদি থেকে অনেক দূরে থাকা উচিৎ। কেননা এগুলু একজন নিলামকারীর দ্বায়িত্বের ভেতর পড়ে।

✔️নিউট্রাল ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যাবহার করা উচিৎ যেনো প্রডাক্ট কালার এবং ত্রুটির সহজে বুঝা যায়।
✔️যেহেতু আইটেম আগে থেকে দেখে চয়েজ করার সুবিধা বায়ার রা পাচ্ছে না তাই যে কোন আইটেম বিবরনি তে নিচের গুলু থাকা উচিৎ। 

প্রডাক্ট কন্ডিশন এবং ত্রুটির(যদি থাকে)
নোটের মটিফ এর বিবরনি (কে বা কি আছে)
দেশের নাম
ক্যাটালগ নাম্বার
সাল
সেই দেশের লোকেশন
নোটের সিকিউরিটি ফিচার
থিম বৈশিষ্ট্য যদি থাকে (ডেনো, ওমেন, ব্রিজ, মিউজিক ইত্যাদি)

প্রতিটি নিলামের একটি কন্টিজেন্সি প্ল্যান থাকে যে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং তারা টাকা না দিলে কি করা যায়। প্রত্যেকে অংশগ্রহণ কারীর KYC নেয়া এবং সেই মোতাবেক তাদের একটা ক্রেডিট রেটিং এর আওতায় ফেললে নিলাম সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

✔️এছাড়াও যদি সম্ভব হয় তাহলে ক্রেতারা, এই টাইপের আইটেম আগে কতো তে বিক্রি হচ্ছে এবং বর্তমানে কতো তে বিক্রি হচ্ছে তা কোথায় দেখার ব্যাবস্থা রাখলে তা ভালো হয়। কিন্তু ফেসবুকে শিশুসুলভ সিস্টেমের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়। এজন্যই সবাইকে বর্তমানে এই সকল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র প্লাটফর্ম www.trust-collector.com ব্যাবহার করতে উদবুদ্ধ করি।

চুরি প্রতিরোধ [Temper proof posting/Anti theft shipment]

চুরি প্রতিরোধ করতে আপনাকে টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং ব্যাবহার করতে হবে। যেন চোরের কষ্ট তো হয় ই সাথে সাথে চুরি হলে তাঁর যাথেষ্ট আলামত থেকে যায়।

আর প্রতিকার পেতে আপনাকে টমম্পার প্রুফ প্যাক্যেজিং ব্যাবহার করতে হবে,কিন্তু সেটা বেশ ব্যায় সাপেক্ষ এবং সস্তা মূল্যের আইটেমের জন্য যথাযথ বিকল্প নয়। তাই টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং এর সাথে সাথে ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেন্দ্রীয় ফিডব্যাক সিস্টেমের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষীয় ফিডব্যাক দিলে পরবর্তী ক্রেতা বিক্রেতা রা সেটা দেখে যাচাই করতে পারে। তাছাড়া কিভাবে পোষ্ট করা হয়েছে তাঁর ছবি দিয়ে দিলে বায়ার সেটা দেখে ই প্রডাক্ট রিসিভ করতে পারে। সেই সকল ব্যাবস্থা ট্রাষ্ট কালেক্টর মার্কেটপ্লেসে আছে।

হেরিটেজে শিক্ষানবিশ থাকাকালীন দেখেছি যে তাঁরা বিশেষ টেম্পার প্রুফ এবং টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং ব্যাবহার করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারের জন্য হয়তো অনেকই সেই খরচ করেন না। তাই আমি সহজে টেম্পার রেসিস্টেন্ট নীতিমালা গুলু ব্যাবহার করে একটি প্যাকেজিং স্ট্যাইল দেখাচ্ছি যা চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন।

ধাপ ১-  আইটেম কে তাঁর চেয়া বড় পাউচ/পলি তে নেবেন। এবং কার্ডবোর্ড/হার্ড পেপার নেবেন।

ধাপ ২- পলিতে আইটেম ঢুকাবেন এবং মুখ টেপ দিয়ে বন্ধ করবেন (*)।

ধাপ ৩ - চিকন এবং পাতলা সেলোটেপ নেবেন (*) ।

ধাপ ৪- আইটেম যেনো হার্ড পেপারের ভেতর থাকে এভাবে রাখবেন।

ধাপ ৫- আইটেমের চারিদিকে টেপ দিয়ে সেটাকে হার্ড পেপারের সাথে লাগিয়ে দেবেন (*)

ধাপ ৬- পলির মুখ ভাল ভাবে হার্ড পেপারের সাথে টেপ দিয়ে লাগিয়ে দেবেন (*)

ধাপ ৭-একটি খাম বাঁ এমন কাগজ নেবেন যেটা দিয়ে আপনার হার্ড পেপার টি মুড়িয়ে রাখা যায়।

ধাপ ৮- আঠা নেবেন

ধাপ ৯- আঠাকে হার্ড পেপারের পেছনের দিকে ভালো করে লাগাবেন।

ধাপ ১০- এবার হার্ড পেপার টি নোট সহ সেই খাম বাঁ কাগজী আবরিনীর ভেতরে ঢুকিয়ে ভালো করে চাপ দিন যেনো তা (*)

ধাপ ১১- এবার সেই খাম/কাগজী আবরণীর দুই দিকে ভালো করে আঠা লাগান।

ধাপ ১২- যে ফাইনাল খামে এই সব ঢুকাবেন সেটি হাতে নিন এবং ঠিকানা লিখে নিন যা ধাপ নং ১৬ তে আছে।

ধাপ ১৩- দুই দিকে আঠা লাগানো খাম/কাগজী আবরনী টি এবার আপনার  ফাইনাল খামে ঢুকান এবং খালি স্থানে হাল্কা আঠা দিয়ে দিন (*) ।

ধাপ ১৪- ফাইনাল খাম টি কে ভালো করে চাপ দিন যেনো আঠা ভালো ভাবে দুই দিক কে চেপে ধরে রাখে। চেক করুন যে ফাইনাল খামের মুখ আগের মতো আর খোলা যাচ্ছে না।

ধাপ ১৫- ফাইনাল খামের মুখ বন্ধ করুন আঠা দিয়ে। দেখেবন যে আঠার আদ্রতার জন্য খামের উপর এবড়ো থেবড়ো হয়ে আছে। সেটি ভালো

ধাপ ১৬- খামের উপর যথাযথা স্থান তৈরি করে প্রেরক এবং প্রাপকের ঠিকানা মোবাইল নাম্বার সহ ভিন্ন কালিতে লিখুন (যেনো সেটা সহজেই কপি না করা যায়)। এছাড়া অন্য কোথাও কিছু লিখবেন না।

ধাপ ১৭- খামের চারিদিকের পরিধি বরাবর পাতলা সেলোটেপের একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করুন।

ধাপ ১৮- টিকেট লাগালে লাগান সেলোটেপের বাইরে। দুইদিকের ছবি তুলে পোর্টালে দিয়ে দিন যেনো বায়ার সেই রকম হলেই ফাইনাল খাম এক্সেপ্ট করে।

 

(*)= যেনো খুলতে সময় লাগে বাঁ খুলতে গেলে নষ্ট হয়ে যায়।

চুরি প্রতিরোধে সেলারের যেমন ভুমিকা আছে,তেমনি বায়ারের ও ভুমিকা আছে। আপনারা স্ব স্ব ভুমিকা পালন না করলে কেউ এর প্রতিকার আনতে পারবে না। আমি যেভাবে দেখালাম সেটি হচ্ছে তেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং এর বিশিষ্ট। আপনি এভাবে করলে আইটেম চুরি করা চোরের জন্য কষ্ট সাধ্য এবং চুরি হলে আপনি বুঝতে পারবেন তা গ্রহন করার আগেই কারন ফাইনাল খাম নষ্ট না করে আইটেম বের করা প্রায় অসম্ভব। আমার এই প্রস্তাবনা টি আন্তর্জাতিক ব্যাংক নোট সোসাইটি দ্বারা প্রশংসিত। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো এভাবে বাঁ এর উন্নততর প্রকরন ব্যাবহার করে প্যাকেজিং করে যাচ্ছে। কিন্তু অনেকের ই এই গাইডলাইন টি  দরকার কিন্তু তাঁদের মুখ খুলে জিজ্ঞাস করার অভ্যাস নেই তাই লিখতে বাধ্য হলাম।

এগুলুর মধ্যে আমি “কেনো” প্রশ্নের উত্তর দেই নি। সেগুলু জানতে কমেন্টে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এই প্রসেস কে আরো রিফাইন ভাবে দিতে পারতাম কিন্তু সরল রাখার চেষ্টা করেছি।


জুলাই ১৩, ২০২২

Quality of someone's collection -একজন সংগ্রাহকের সংগ্রের গুনগত মানঃ

 একজন সংগ্রাহকের সংগ্রের গুনগত মানঃ

সংগ্রাহক সামগ্রীর গুনগত মান অনেকটা ই নির্ভর করে যে সেই আইটেম যখন যেই অবস্থায় বের হয়েছিলো তাঁর কতো টুকু একজন সংগ্রাহক অপরিবর্তনীয় অবস্থায় রেখে সংগ্র করেছে।

 যেমনঃ নিচে আমি ব্যাংক নোট দিয়ে একটি সাধারন উধারন দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি যা নাম্বার দিয়ে গুনগত মান বুঝাচ্ছি। আপনি আপনার ফিল্ডে এই শর্ত গুলু প্রযোগ করে দেখতে পারেন। তবে এই ক্রম টি অনেক ক্ষেত্রে শুদ্ধ হলেও কিছু কিছু ব্যাতিক্রম আছে যা অন্য দিনের আলোচনা। *যতো বেশী নাম্বার গুন গত মান ততো বেশী।

১) ব্যাবহ্রিত অবস্থায় যে কোন নোট/কয়েন জমানো

২) ব্যাবহ্রিত অবস্থায় থিম ধরে/লিপিবদ্ধ ভাবে সংগ্রহ করা

৩) নতুন অবস্থায় যে কোন নোট/কয়েন জমানো

৪) নতুন অবস্থায় থিম ধরে/লিপিবদ্ধ ভাবে সংগ্রহ করা ১ টি করে নোট/কয়েন

৫) নতুন অবস্থায় থিম ধরে/লিপিবদ্ধ ভাবে সংগ্রহ করা ১ টি করে তাঁর আগের এবং পরের সিরিজ যেনো সেই দেশের শুরু থেকে বের হওয়ার সকল নোটের/কয়েনের সেট

৬) নতুন অবস্থায় একটি দেশের সকল সিরিজের ১ টি করে বান্ডিল

৭) নতুন অবস্থায় একটি থিম (যেমনঃ সকল দেশের, একটি মহাদেশ)এর সকল সিরিজের ১ টি করে বান্ডিল,ইত্যাদি

এই লিস্ট কে পুঙ্খানূপুঙ্খ ভাবে বিশ্লেষণ করে আরো প্রচুর সাব ক্লাস এবং শর্ত বের করে আনা যাবে। কিন্তু সব গুলুকে একটি সাধারন নাম্বার দিয়ে চিহ্নিত করা যাবে। যা আপনি নিজেকে দিতে পারেন।

এটি একটি খসড়া তালিকা কেবল এটা বুঝাবার জন্য যে আপনি কি কন্ডিশনে নোট টি রাখছেন তা আপনার সংগ্রহের কয়ালিটির উপর বিড়াট প্রভাব ফেলে। দুর্বল মানের নট/কয়েন রাখলে এতে আপনার সমগ্র সংগ্রহের মান কমিয়ে দেয়। তেমনি আবার কারো যদি বেশির ভাগ নট/কয়েন যদি নতুন/নতুনের কাছাকাছি হয় তাহলে তাঁর সংগ্রহের মান ততো উন্নত কারন সে শুধু টাকা খরচ করে আইটেম ই কেনে নি বরং রিসার্চ করেছে, ধৈর্য ধরেছে এবং বাজারে সময় ক্ষেপন করেছে সেটা তৈরি করা জন্য। তাঁদের প্রতি আমাদের সমীহ থাকা উচিৎ। এছাড়াও সংগ্রহিত থিম/নোট গুলু কে যথাযথ ভাবে উপস্থাপন/প্রদর্শনের প্রচেষ্টা করা

এটা সত্যি যে নেশা না হয়ে গেলে সংগ্রহের শেষ আছে যদি আপনি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে আগিয়ে যান।

 

লেখাঃ বরাবরের মতই নিজের ,প্রীতম চক্রবর্তী।

 

Item price and how it varies part 3

 আমার আগের আইটেমের মূল্য নির্ধারণ লেখার পরবর্তী পোস্ট এটি।

একটি আইটেম হাতে আসার জন্য কতো হাত হয়ে আসতে হয়,সেলারের কেনা দাম কতো,বাজারের চাহিদা কেমন, অজ্ঞ বায়ার ইত্যাদির কারনে বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে আইটেম বিক্রি হয়।

কখনো কখনো সেলার আইটেম এ লাভ কম করে কারন বিভিন্ন হতে পারে। যেমন- সে নতুন সেলার তাই বাজার ধরতে এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করতে, মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে, হয়তো তাঁর কেনা দাম কম, হয়তো তাঁর খরচ কম তাই কমে বিক্রি করতে পারে, হয়তো সে পাইকারি কেনে তাই ভোক্তার কাছে তুলনা মূলক সস্তায় দিয়ে পারে, হয়তো বাজারা চাহিদা কম তাই ক্যাশ ফ্লো বজায় রাখার জন্য, হয়তো সেলারের টাকা দরকার তাই তুলনামূলক সস্তায় বিক্রি করে দিচ্ছে, হয়তো তাঁর গোপন অভিসন্ধি আছে যে বাজারে একছত্র ভাবে রাজ করার, বাজারে নিজের পরিচিতি বাঁড়ানোর জন্য, হয়তো তাঁর লোভ কম (সে হয়তো কালেক্টরদের স্বার্থেই কাজ করতে চায়), সে আইটেম কন্ডিশন নিয়ে সন্ধিহান,সে প্রি অর্ডার নিচ্ছে তাই লাভ না করলেও চলে (মানুষের উপকার), ভুল দাম বসিয়েছে, সেলার হয়তো প্রকৃত দাম জানে ই না, সেলার হয়তো সস্তায় কিনেছিলো কিন্তু এখন আইটেমের দাম বেড়ে গেছে,সেলার শর্ত সাপেক্ষে বিক্রি করছে, এমন নানান কারন আছে।

আবার এমনটাও দেখেছি যে সেলার কিছু ফেক আইডি তৈরি ই করে পোষ্ট দিয়ে থাকে বেশী দামে। কারন সেই দামে বিক্রি করা তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। বরং বায়ার বাঁ গ্রুপ মেম্বার দের আসল দাম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসা হচ্ছে আসল মোটিভ। কখনো কখনো এর জন্য আলাদা লোক ই ঠিক করে রাখে। কারন বায়ার যখন দেখে একজন একটা আইটেমের পোস্ট ১০০০০ টাকায় দিয়েছে অথচ গ্রুপ এডমিন বাঁ একজন সেলার সেই আইটেম ই ৭০০০ তাকায় বিক্রি করছে তখন তাঁরা মনে করে ৭০০০ টাকা ই বোধ হয় সেটার আসল দাম,কিন্তু পারত পক্ষে হয়তো সেটার আসল দাম ৫০০০ টাকা।

তাই যাচাই করুন, আর আলাদা আলাদা গ্রুপ থাকলে যাচাই করা মুশকিল। তাই সবাইকে এক ছাতার নিচে আসার জন্য আমন্ত্রন জানাই যেনো বায়ারদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগীতা করা যায় এবং ক্রেতারা ও যথাযথ মূল্যে আইটেম কিনতে পারে। সেজন্য বাংলাদেশের একমাত্র প্লাটফর্ম আপনাদের জন্য উন্মূক্ত। *এতে কোন খরচ নেই।

আগের লেখা পড়তে 

https://trust-collector.com/community/main-forum/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/#post-36

জুলাই ০৯, ২০২২

ইনফ্রারেড [IR] অবলোহিত রশ্মি এবং নোটের/টিকেটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে হিসেবে এর ব্যাবহার।Use of Infra red on counterfeit detection.

বিষয়ঃ ইনফ্রারেড [IR] অবলোহিত রশ্মি এবং নোটের/টিকেটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে হিসেবে এর ব্যাবহার।
আমার আগের একটি টপিকের কয়েকটি লেকার একটি ছিলো নোট বা টিকেটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সমূহ। তার মধ্যে তাদের আমি তিন ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছিলাম। এর মধ্যে সেকেন্ডারি লেভেলের মধ্যে এটি পড়ে যা সাধারনত মেশিন দিয়ে যাচাই করা হয়। আমি নিযে দুটি ডিভাইস ব্যাবহার করি একটি হচ্ছে DORS 1170 মডেলের একটি কম্বো  IR & UV multi currency counterfeit detector এবং অন্য টি হচ্ছে সাধারন IR ক্যামেরা।এছাড়াও আলাদা UV টর্চ তো আছে ই।
ইনফ্রারেড হচ্ছে একধরনের তরংগ রশ্মি যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং তাই অনেক গোপনীয় এবং গোয়েন্দা কাজে এর বহুল ব্যাবহার লক্ষনীয়। অন্ধকারে এবং ঘোলাটে আবহাওয়ায় দেখা তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তরংগ মাত্রার এক দিকের অতিবেগুনী UV রশ্মিকে যেমন আমরা ব্যাংক নোট/টিকেট ইত্যাদির নিরাপত্তায় ব্যাবহার করি ঠিক তেমনি অবলোহিত রশ্মি IR সেই তরংগ মাত্রার অপর প্রান্তের। UV এর পর গেলে আমরা পাই X-Ray আর অন্য দিকে IR এর আগে গেলে আমরা পাই মাইক্রোওয়েভ।
এই বৈশিষ্ট্য টি কাজে লাগিয়ে অনেক দেশের ব্যাংক নোট এটাকে তাদের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে কাজে লাগিয়েছে। আমি চাইলে যে কোন দেশের যে কোন নোট কে ই এই আলোতে ছবি তুলে দিতে পারতাম। কিন্তু প্রযুক্তিটির নমুনা বুঝানোর জন্য আপনাদের সকলের পরিচিত ইউরো দিয়ে ই উদাহরণ দিলাম।
এর মাধ্যমে ছাপার গোপন অংশ গুলু যা খালি চোখে দেখা যায় না তা দেখা যায়।ইন্টাগ্লিও প্রিন্টিং আলাদা করা যায়, কাগজের ধরন আলাদা করা যায়। যদিও যা যা বলছি তা সকল ই প্রশিক্ষিত চোখের জন্য প্রযোজ্য। এজন্য অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
এই নিয়ে অনেক কিছু বলা যাবে।কিন্তু প্রশ্ন করুন যদি জানতে চান।কারন ৫ জন লোকের জন্য এতো গভীরে গিয়ে কে লিখবে?

যাই হোক আমার এবং অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটর দের সকল লেখাই রেফারেন্স হিসেবে Www.trust-collector.com এর ফোরাম সেকশনে পাবেন।কেনা বেচার পাশাপাশি পড়াশুনাও করুন।আর জিজ্ঞাসা করুন। খামাখা মানুষের চায়ের দোকানে পাওয়া ২ টাকার নোট দেখে লাফালাফি করবেন না।


জুলাই ০৭, ২০২২

How to define a collector. সংগ্রাহক শব্দের ব্যাবচ্ছেদ

দ্বায়িত্ব কার?

একটি বিক্রয় পোস্ট যদি কেবল আইটেমের ছবি আর দাম দিয়েই হয় তাহলে দোষ কাকে দেবেন?

আইটেমের কেনার জন্য কি কি জিনিস আপনার দেখা উচিৎ? 

কন্ডিশন= ঠিক আছে,কিন্তু আপনি কন্ডিশনের মানে বুঝেন?
আপনার কাছে তা নেই= তা জগতের অনেক কিছুই আপনার কাছে নেই,তো সারা জগৎ ই কিনবেন?
দাম= আপনার সাধ্যের ভেতরে, এটাই কি যথেষ্ট? 
আপনার থিমে পড়ে= তাহলে সেটাই কি আপনার গন্ডি?
কি করে একজন সেলার কেবল ছবি আর দাম দিয়ে ই বিজ্ঞাপন দেয়? =যখন বাজারে অজ্ঞ ক্রেতার অভাব থাকে না।

আপনার আইটেমের কি নিজের কোন বর্তমান এবং ভবিতব্য ক্যাটালগ করেছেন?= না, তাহলে কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কি আছে,কি লাগবে আর কত টুকু নেই? বা অন্যের ই কি আছে তার প্রতি সম্মান ই বা কিভাবে জানাবেন?

অর্থনীতির ভাষায় একটি কথা আছে, বিক্রেতা তার মন মতো দাম চাইতেই পারে,আর ক্রেতা তার মন মতো দাম বলতে ই পারে। কিন্তু জ্ঞ্যান না থাকলে আপনি দুটো পথেই বেশি দূর এগুতে পারবেন না।

বিক্রেতার দের কিভাবে বিজ্ঞাপন দেয়া উচিত? 

সেই প্রশ্ন না করে আগে বুঝা উচিত যে ক্রেতার দের নূন্যতম কি জানা উচিত। যেমন নোট ও কয়েনের ক্ষেত্রেঃ
দেশের নাম,সাল/ সিরিজ,মূল্য মান, দাম,দুই পাশের ছবি, কন্ডিশন, ক্যাটালগ নাম্বার,দামী আইটেম হলে ভিডিও,কোন বিশেষ ফিচার- দাগ,ছেড়া, জোড়া, ছিদ্র,কাগজের ধরন ইত্যাদি।
বিজ্ঞাপনের স্বার্থে অতিরিক্ত ফিচার হিসেবে দিতে পারেন-স্বাক্ষর, নাম্বারের বিশেষত্ব, সনাক্তকরণ সনদ ইত্যাদি।

এখন এর থেকে সহজের বুঝা যাবে যে ব্যাবসায়ীদের/বিক্রেতাদের কি করা উচিৎ যদি তাদের বিজ্ঞাপনের মান বৃদ্ধি করার ইচ্ছা থাকে। আর যদি গবেট জনগনের কাছে ধান্দা করার উদ্দেশ্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয় তাহলে যেমন আছে তেমনি চলবে।
কিন্তু ক্রেতাদের বলছি এগুলু জিজ্ঞাসা করুন যদি লিখা না থাকে। তাহলে ধীরে ধিরে বিজ্ঞাপন দাতাদের চোখ খুলবে,ভূইফোড় সেলারে বাজার সয়লাব হবে না।আপনার যোগ্য আইটেম টা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি হবে।


দ্বায়িত্ব কার? Whos responsibalities?

দ্বায়িত্ব কার?

একটি বিক্রয় পোস্ট যদি কেবল আইটেমের ছবি আর দাম দিয়েই হয় তাহলে দোষ কাকে দেবেন?

আইটেমের কেনার জন্য কি কি জিনিস আপনার দেখা উচিৎ? 

কন্ডিশন= ঠিক আছে,কিন্তু আপনি কন্ডিশনের মানে বুঝেন?
আপনার কাছে তা নেই= তা জগতের অনেক কিছুই আপনার কাছে নেই,তো সারা জগৎ ই কিনবেন?
দাম= আপনার সাধ্যের ভেতরে, এটাই কি যথেষ্ট? 
আপনার থিমে পড়ে= তাহলে সেটাই কি আপনার গন্ডি?
কি করে একজন সেলার কেবল ছবি আর দাম দিয়ে ই বিজ্ঞাপন দেয়? =যখন বাজারে অজ্ঞ ক্রেতার অভাব থাকে না।

আপনার আইটেমের কি নিজের কোন বর্তমান এবং ভবিতব্য ক্যাটালগ করেছেন?= না, তাহলে কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কি আছে,কি লাগবে আর কত টুকু নেই? বা অন্যের ই কি আছে তার প্রতি সম্মান ই বা কিভাবে জানাবেন?

অর্থনীতির ভাষায় একটি কথা আছে, বিক্রেতা তার মন মতো দাম চাইতেই পারে,আর ক্রেতা তার মন মতো দাম বলতে ই পারে। কিন্তু জ্ঞ্যান না থাকলে আপনি দুটো পথেই বেশি দূর এগুতে পারবেন না।

বিক্রেতার দের কিভাবে বিজ্ঞাপন দেয়া উচিত? 

সেই প্রশ্ন না করে আগে বুঝা উচিত যে ক্রেতার দের নূন্যতম কি জানা উচিত। যেমন নোট ও কয়েনের ক্ষেত্রেঃ
দেশের নাম,সাল/ সিরিজ,মূল্য মান, দাম,দুই পাশের ছবি, কন্ডিশন, ক্যাটালগ নাম্বার,দামী আইটেম হলে ভিডিও,কোন বিশেষ ফিচার- দাগ,ছেড়া, জোড়া, ছিদ্র,কাগজের ধরন ইত্যাদি।
বিজ্ঞাপনের স্বার্থে অতিরিক্ত ফিচার হিসেবে দিতে পারেন-স্বাক্ষর, নাম্বারের বিশেষত্ব, সনাক্তকরণ সনদ ইত্যাদি।

এখন এর থেকে সহজের বুঝা যাবে যে ব্যাবসায়ীদের/বিক্রেতাদের কি করা উচিৎ যদি তাদের বিজ্ঞাপনের মান বৃদ্ধি করার ইচ্ছা থাকে। আর যদি গবেট জনগনের কাছে ধান্দা করার উদ্দেশ্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয় তাহলে যেমন আছে তেমনি চলবে।
কিন্তু ক্রেতাদের বলছি এগুলু জিজ্ঞাসা করুন যদি লিখা না থাকে। তাহলে ধীরে ধিরে বিজ্ঞাপন দাতাদের চোখ খুলবে,ভূইফোড় সেলারে বাজার সয়লাব হবে না।আপনার যোগ্য আইটেমটা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি হবে।

এরকম আরো লেখা পড়তে এবং আইটেম কিনতে বা আলোচনা করতে বাংলাদেশের একমাত্র কালেক্টর'স মার্কেটপ্লেস  www.trust-collector.com এ নিবন্ধন করতে পারেন।

জুলাই ০৫, ২০২২

বিষয়ঃ রিপ্লেস্মেন্ট নোট। Replacement banknote

 বিষয়ঃ রিপ্লেস্মেন্ট নোট।

বাজারে ঠিক কত পিস নোট ছাড়া হয়েছে তাঁর হিসাব রাখার জন্য একটি বিশেষ ব্যাবস্থা অবলম্বন হয়, যেখানে ছাপানোর সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁ নষ্ট হয়ে যাওয়া নোট গুলুকে গণনা করে বাঁ ক্ষেত্র বিশেষে চিহ্নিত করে সেই সংখ্যায় বাঁ ক্ষেত্র বিশেষে নতুন সংখ্যা বাঁ প্রিফিক্স দিয়ে সমপরিমান নোট ছাপিয়ে পূনঃনিরধারিত সংখ্যাকে বজায় রাখা হয়।

যেমন আদেশ যদি থাকে ৫০ কোটি পিস ১০ টাকার নোট বাজারে ছড়ার,এবং তাঁর মধ্যে মুদ্রন বাঁ কারিগরি কারনে সর্বোচ্চ ব্যাবস্থা (লিন-সিক্স সিগমা প্রিন্সিপ্যাল মতো) নেয়ার পরেও প্রায় ১৭০ টি নোট বিভিন্ন কারনে নষ্ট হয়ে যায় বাঁ নির্ধারিত মানের চ্যুতি ঘটে যা বাজারে ছাড়া যাবে না। আর যেখানে/যেসব দেশে এতো কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা নেয়া না হয় সেখানে নষ্টের হার আরো অনেক বেশী। যার কিছু সঙ্খ্যক; পরবর্তীতে চ্যারিটি নিলামে, বাঁ ফ্যাক্টরি,কোষাধ্যক্ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে  বাজারে আসে। বাকি গুলু নষ্ট করে ফেলার আদেশ দেয়া হয়।

রিপ্লেস্মেন্ট নোট গুলুকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা যায়ঃ

১) যেখানে কোন চিহ্ন বাঁ নাম্বার/প্রিফিক্সের মাধ্যমে তাঁদের সনাক্ত করার ব্যাবস্থা রাখা হয়। যেমনঃ প্রিফিক্সে Z,X,Y,R এর ব্যাবহার এছাড়া ডাবল অক্ষর বাঁ ফ্রাকশন প্রিফিক্স ব্যাবহার। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে এই অক্ষর গুলু থাকলেই যে তা রিপ্লেস্মেন্ট হবে এমনটা নয়,যেমন মেক্সিকো বাঁ জাপানে “Z” প্রিফিক্সের নোট দেখেছি,আমার কাছে আছেও কিন্তু তা রিপ্লেস্মেন্ট না।

২) যেখানে কোন ধরনের চিহ্ন না রেখে, ত্রুটি যুক্ত নোটের নাম্বার গুলুকে আলাদা একটি শিটে প্রিন্ট করে  আলাদা প্রিফিক্স দেয়া যা স্বাভাবিক ক্রমের বাইরে (যেমন সাধারন প্রিফিক্স যদি ঘ ঘ পর্যন্ত যায় তবে রিপ্লেস্মেন্ট হিসেবে ল ক,ল ক ইত্যাদির ব্যাবহার,যা দেশ ভেদে বিভিন্ন হয়।)বাঁ অতিরিক্ত নাম্বারের নোট প্রিন্ট করে বাঁ নাম্বারের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যেমন যদি সিরিয়াল নাম্বার ১০ লক্ষ পর্যন্ত যাওয়ার কথা সেখানে হয়তো ১০০০১৭০ পর্যন্ত যাবে।

যেসকল দেশের রিপ্লেস্মেন্ট নোটের কথা শোনা যায় নাঃ লিবিয়া,মেক্সিকো,কোস্টারিকা,গুয়েতেমালা,সুইজারল্যান্ড ইত্যাদি।

আবার ডমিনিকান রিপাব্লিকে প্রিফিক্স এবং সাফিক্স দুটোতে “Z”  থাকলে তবেই তা রিপ্লেস্মেন্ট, ঘানার পুরোনো ইস্যু গুলুতে “Z/99” থাকলে তা রিপ্লেস্মেন্ট হয়,বেলজিয়ামের প্রিফিক্সে “I” থাকলে তা রিপ্লেস্মেন্ট হয়। কেউ কেউ মনে করেন কেবল “*” থাকলে তা অবশ্যই রিপ্লেস্মেন্ট। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তা সত্য নয়। কেননা কিছু পুরোনো জার্মান নোটের প্রিফিক্সের সাথে “*” ছিলো ,কিন্তু সেগুলু রিপ্লেস্মেন্ট না। হয়তো কিছু স্মারক নোটে এরকম অস্বাভাবিক প্রিফিক্স দেখা যায়। যা আমার প্রিফিক্স সম্পর্কিত লেখা তে পাবেন।

যেহেতু নোট বাঁ কয়েন অনেক নিরাপত্তা এবং প্রাযুক্তিক উৎকর্ষের প্রতীক তাই অনেক সংগ্রাহক রিপ্লেস্মেন্ট আইটেম কে আলাদা ক্যাটাগরির মর্যাদা দেয়। বিষয় টি এতোটা ই গভীর যে নিজেই একটা আলাদা থিম হিসেবে স্থান পায়। এর আলাদা ক্যাটালগ আছে, বাজার আছে এবং সংগ্রাহক ভ্যালু আছে। কিন্তু যেমন টা আমি সবসময় বলি- আপনার আইটেমের মূল্য ততোটাই যতটা অন্য একজন সেটার জন্য পরিশোধ করতে রাজি থাকে।

জুলাই ০৩, ২০২২

রোডেশিয়া [Rhodesia]

 ভৌগলিক দিক থেকে প্রজাতান্ত্রিক রোডেশিয়ার [Rhodesia]দক্ষিন আফ্রিকার পূর্ব মধ্য অংশে ছিলোকেনো বলছি অবস্থিত ছিলো? কারন বর্তমানে সেই দেশের নাম পরিবর্তন হয়ে প্রজাতান্ত্রিক জিম্বাবুয়ে হয়েছেখেয়াল করে দেখবেন দুটি কারেন্সি ডলারআবার এর কোট অর আর্মসে যে পাখির প্রতিকৃতি আছে সেটা জিম্বাবুয়েয়ের কোন অফ আর্মস এবং জলছাপেও আছে। নিরাপত্থা বৈশিষ্ট সমূহ সমসাময়িক প্রায় সকল জিম্বাবুয়ে ডলারের মতোই। অস্তিত্ব সঙ্কটে থাকার কারনে রোডেশিয়ার ইতিহাস বেশ জটিল এবং মাত্র ১০ জনের জন্য আমার জন্য সহজ ভাবে বাংলায় লিখাটা কঠিন।

একজন ব্রিটিশ খনি ব্যাবসায়ি সেসিল রডস  [Cecil John Rhodes] এর নামের সম্মানে রোডেশিয়া শব্দ টি প্রথম আসেষোল শতকের দিকে ইউরোপিয়ান হিসেবে পর্তুগিজরা প্রথম দক্ষিন মধ্য আফ্রিকাকে উন্নতিকরনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেতাই কেউ চাইলে কমেন্টে রোডেশিয়ার ইথাস সংক্ষিপ্ত আকারে বাংলায় চাইলে দিতে পারেন

রোডেশিয়ানরা প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের আশ্বাস দিতে অস্বীকার করে1965 সালের নভেম্বরে,

দক্ষিণ রোডেশিয়ার শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকার একতরফাভাবে দক্ষিণ রোডেশিয়াকে একটি স্বাধীন আধিপত্য ঘোষণা করেজাতিসংঘ এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্ট উভয় পক্ষই স্বাধীনতার এই একতরফা ঘোষণাকে বাতিল এবং অকার্যকর বলে দাবি করেছেখুব অল্প কয়েকবছর এই রাস্ট্রের স্থায়িত্ব থাকলেও এর মধ্যে এত কাহিনী ছিলো যে লিখতে গেলে কয়েক পেজ হবে এবং ফেসবুকে তা পড়ার ধৈর্য অনেকেরই থাকবে না

১৯৬৬ সাল পর্যন্ত রোডেশিয়ার ব্যাংক নোট জার্মানির G&D [Giesecke and Devrient] থেকে ছাপিয়ে আনা  হতোএকটি নিষেধাজ্ঞার কারনে ১৯৬৬ সালের ইস্যু করা টি নোট (১০ শিলিং, পাউন্ড এবং পাউন্ড) ছাপা হওয়ার সত্বেও ডেলিভারি দেয়া হয় নিএবং পড়ে সেগুলু জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিলোতাই সেগুলু যারা ডেড কান্ট্রি অথবা কুইন সিরিজ সংগ্রহ করেন তাঁদের কাছে বহুমূল্যকখনো খনো UNC কন্ডিশনে একটি নোটের দাম লাখ পর্যন্ত উঠতে দেখা গিয়েছে।   

এই ধরনের তথ্য এবং নানান কালেক্টেবল আইটেম আপনিও পোষ্ট করেতে পারেন www.trust-collector.com যেখানে আপনার মতো বিভিন্ন দেশের আরো অনেক সংগ্রাহক আসে এবং আলোচনা ,ক্রয়বিক্রয় করেআপনি আপনার স্টোর এবং সিটেমের লিঙ্ক বিভিন্ন জায়গায় সেল পোষ্ট দিতে পারেবেনএতে আপনার অডিয়েন্স এবং এক্সপোজার দুটোই বাড়বে