অক্টোবর ২১, ২০২১

আজ বলবো আরেকটি ব্যঙ্ক নোট সাবস্ট্রেটের কথাঃ ডিউরাসেইফ

আজ বলবো আরেকটি ব্যঙ্ক নোট সাবস্ট্রেটের কথাঃ

কোন সাবস্ট্রেটি একদম পারফেক্ট না। পলিমার ব্যাংক নোটের যেমন ভালো দিক আছে তেমনি দুর্বলতাও আছে। তেমনি *কাগজের ব্যাংক নোটের যেমন অসুবিধা আছে তেমনি এমন কিছু গুন আছে যার কারনে অন্য কোন ম্যাটেরিয়াল এখনো অনেক ক্ষেত্রে কাগজের নোটের জায়গা নিতে পারেনি,সেই আলোচনা না হয় থাক আরেক দিনের জন্য। অনেকেই জানেন ১৯৮১ থেকেই সুইয্যারল্যন্ড তাঁদের ১০০০ ফ্রাঙ্কের নোট টি চালিয়ে আসছে,যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৯২ হাজার টাকার মতো (২০২১ অক্টোবর ১ম সপ্তাহ অনুযায়ী)

অতয়েব বুঝতেই পারছেন ইহার দ্বারা তাঁদের বুকের পাটার সাইজ। ১৬ই মার্চ ২০১৯ সুইয্যারল্যন্ড
তাঁদের নতুন ১০০০ ফ্রাঙ্কের নোট ইস্যু করলো যা ল্যন্ডকোয়ার্ট নামক প্রতিষ্ঠানের ডিউরাসেইফ
নামের এক অভূতপূর্ব মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত। এই মিশ্রনে তাঁরা পলিমার এবং কাগজ উভয়কেই
একসাথে সংযুক্ত করে একটি নতুন ধরনের ম্যাটেরিয়াল তৈরি করে.
যা তাঁরা শুধু ব্যঙ্ক নোটেই নয় বরং তাঁদের পাসপোর্টে ও ব্যাবহার করে।
বলে রাখা ভালো ল্যন্ডকোয়ার্টের এমন বিভিন্ন ধরনের উপাদানের আরও অনেক
পেটেন্ট আছে । আমার জ্ঞ্যান কেবল ফ্যাক্টরি পরিদর্শক হিসাবে ডিজাইন এবং
টেকনিক্যল পরামর্শক হিসাবেই সীমিত। তবে এ নিয়ে আরও ৪ পাতা লেখা/বলা
সম্ভব,কিন্ত আপনারা পড়ার ধৈর্য হারাবেন।














এই প্রযুক্তিতে তাঁরা দুইটি পাতলা কাগজের (*কটন পেপার) ভেতরে
 একটি পলিমার লেয়ার স্যান্ড্যুইচের মতো করে তৈরি করে। এভাবে করে তাঁরা 
কাগজী মূদ্রার ধরার পর যে অনুভব হয় তা এবং পলিমার মূদ্রার টেঁকসই প্রবণতা;
দুটি দিকই নিশ্চিত করতে সক্ষম। দেখাযায় যে সুইয্যারল্যন্ড আধুনিক ব্যেঙ্ক নোট
 গুলো হাতে নিলে আলাদা অনুভব হয়। শুধু তাই নয় বরং এই মাধ্যমে তাঁরা দুটি আলাদা 
সাবস্ট্রেট  নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সমূহকেও এক সাথে ব্যাবহার করতে সক্ষম হয়েছে। 
সুইস ব্যেঙ্ক নোট নিয়ে আরও অনেক লেখার আছে,তবে আজ এই পর্যন্তই।