ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
পলিশ করা কয়েন বুঝার উপায়। পর্ব-১.[How to recognise polished coin (Hand polishing)]
ডিসেম্বর ২৮, ২০২২
কিভাবে বুঝবেন আপনার নোট টি ওয়াশ করা বা ট্রিটমেন্ট করা কি না।[How to find out if a note is washed] Part -2
প্রথমে এই নিয়ে আমি যে লেখা গুলু লিখেছি সেগুলো পড়ুন। তার পর না বুঝলে প্রশ্ন করুন। চ্যাট বা টেলিফোনে এসব বুঝানো অনেক কঠিন।এগুলো ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞ্যান। তাত্বিকভাবে বুঝানো প্রায় অসম্ভব। তারপরও আরও কিছু টোটকা দিলাম বুঝার চেষ্টা করুন।
আমি বাংলাদেশে আসলে সরাসরি দেখা করেও প্রশ্ন করতে পারেন।
এখানে যা দেখিয়েছি-
১) প্রেস করলে এবং কঠোর রাসায়নিক ব্যাবহার করে নোট পরিস্কার করলে ইবটাগ্লিও প্রিন্টিং এর কালি ক্ষয় হয়ে যায়। নোটে মলিন ভাব চলে আসে,নোটের কাগজে মরা মরা ভাব চলে আসে, অনেক সময় ই তা আর কড়কড়ে থাকে না।(*যাকে আমরা ইংরেজীতে Limp বলি)।
২) ক্যামিকেল এবং হিট ব্যাবহার করলে কালি তে সুক্ষ্ম ফাটল বা Crack দেখা দেয় যা আমি আমার মাইক্রোস্কোপের ছবি থেকে দেখালাম।ভালো করে খেয়াল করুন।
৩)হিট প্রেস করলে নিরাপত্তা ফয়েল কিছুটা শেপ চেঞ্জ করে, কুচকে যায়,বিবর্ন হতে পারে,যা ছবিতে আমি তুলনা দেখালাম।
৪) কঠোর ক্যামিকেল ব্যাবহারে নোটের UV ফিচার সহ আরও অন্যান্য ফিচার নষ্ট হতে পারে যা নোটের সামগ্রিক কালেকশন ভ্যালু কে এফেক্ট করে। যা ছবিতে তুলনা দেখালাম।
৫) একটি পুরোনো নোট যা দেখতেও পুরোনো সেটা কে সেলার যতো ই টোকা দিয়ে কসরত করে দেখাক তা প্রেসেড্ নোট।কারন আপনার জন্য নিশ্চয়ই ৩০ বছর ধরে পুরোনো নোট টা কারো পকেটে গিয়ে ভাজ না হয়ে বসে থাকে নি,অতয়েব কমন সেন্স ব্যাবহার করুন।খুব কাছে থেকে দেখলে ভাগের দাগ দেখতে পাবেন।
৬) কলমের কালি যদি পেন্সিলের মতো মলিন বা ছাড়া ছাড়া দেখা যায় তাহলে সেটা কে ক্যামিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয়েছে বুঝতে হবে। কারন নিশ্চয়ই কেউ আপনি সংগ্রহ করবেন বলে আলতো করে কলম দিয়ে নোটের গায়ে লিখে নি।সাধারণ মানুষ কলম দিয়ে নোটে লিখলে বেশ চাপ দিয়েই লিখে থাকে।এমনকি প্রেস করলে সেই চাপ ও গায়েব হয়ে যায় কিন্তু সেই কলমের কালি আবছা ভাবে থেকে যায়।ছবিতে দেখুন।
এমন আরো অনেক বিষয় আছে যা অভিজ্ঞতালব্ধ ব্যাবহারিক জ্ঞ্যান, চাইলেই লিখে শেখানো সম্ভব না। তবে প্র্যাক্টিস করতে করতে বুঝতে এবং শিখতে পারবেন।
ডিসেম্বর ২১, ২০২২
পুরনো নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য [Things to consider before buying ancient banknotes ]
যদিও আমি আন্তর্জাতিক এবং আধুনিক ব্যাংক নোটের অনুরাগী তবে,পুরনো নোট কেনার আগে নিচের বিষয় সমূহ আমি লক্ষ্য করবো-
১)সেই নোট এর বিস্তারিত জানবো এবং পড়বো যে কি কি ধরনের সিকুরিটি ফিচার ছিলো তখনকার সময়ে সেই দেশে যা ব্যবহার হতে পারে,এবং রেফারেন্স কালেক্ট করবো মেলানোর জন্য ।
২) পেডিগ্রি (রেপুটেড সেলার) ৩) নোটের কাগজের স্পর্শ অনুভূতি ( কেবল অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই সম্ভব)
৪) জলছাপ (যদি থাকে,যা থাকাটা স্বাভাবিক)
৫) সিকুরিটি থ্রেড ( প্রথম যখন এগুলো প্রচলন হয় তখন সলিড ছিলো) তার পর স্টিচ্ড এবং মাইক্র প্রিন্ট এর থ্রেড এসেছে।
৬) নোটে প্রিন্টিং এর গুন গত মান আতসী কাঁচ দিয়ে পরিক্ষা, জল পরিক্ষা, লাইম টেস্ট,মেলামাইন টেস্ট, পেন টেস্ট ইত্যাদি নানা বিধ পরিক্ষা আছে।
কিছুটা আধুনিক হলে UV টেস্ট,ইনফ্রারেড টেস্ট,
৭) সাইজ মাপবেন,পুন্খানুপুনখ ভাবে।
৮) অন্য একটি সেম নোট থাকলে তার সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
৯) মুদ্রন কোয়ালিটি এবং ডিজাইন হবে স্পষ্ট এবং ছোট হওয়া সত্বেও লেখা পড়া যাবে।(দেখার জন্য ম্যেগ্নেফাইং গ্লাস ব্যাবহার করুন).
৯) বিজ্ঞদের মূল্যবান পরামর্শ নিতে পারেন,যা ফ্রি পাওয়ার আশা করবেন না।(It costs to learn,so why give free,and if you got something good;you should charge for it and pay for it)
১০) ডিজিটাল হেল্প নিতে পারেন।
আরও অনেক কিছু আছে যা বলা সময় সাপেক্ষ।এই নিয়ে সেমিনার করা যেতে পারে।
আগের কিছু কিছু নোটে এম্বোসিং বা ডিবসিং থাকতে পারে, যা নিজেও একটি নিরাপত্তা ফিচার।
কোন কোন কাগজ লাইম,মেলামাইন ইত্যাদির দ্বারা ট্রিটেড হতো
After some were counterfeited in 1695, the Bank of England had to find a way to secure them. So beginning in 1697, the Sutton Courtenay Mill, in Berkshire south east England, manufactured watermarked paper with a loop pattern for the Bank's smaller denomination banknotes.