কি/কেন সংগ্রহ করবেন? মূল্য নির্ধারণ
কোন জিনিসের *মূল্য, নিরাপত্তা,ঐতিহাসিক গুরুত্ব,
*দূরলভ্যতা, অবস্থা, নিবন্ধন
নাম্বার, সীমিত উৎপাদন এবং প্রাপ্তির সম্ভাবনা, বয়স,কোন বিশেষ ব্যেক্তির, বস্তু
বাঁ সময়ের/ঘটনার সাথে সম্পর্ক,
অধিকাংশ মানুষই
কোন না কোন ধরনের মূল্য/উদ্দেশ্য মাথায় রেখে সকল কাজ করি। সংগ্রহ কর্মটি ও এর বাইরে না। আমাদের নির্ধারণ
করা উচিৎ যে আমরা যা সংগ্রহ করছি তা নিচের কোন ধরনের মূল্য ধরে আনবে বাঁ বয়ে নিয়ে আসবে। এখানে মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করার জন্য আমি সংগ্রহ জগতের প্রেক্ষিতে কয়েকটি
উদাহরন দিলাম-
১) কার্মিক মূল্য বাঁ বাজার মূল্য-
৫০০ টাকার চালু নোট যা দিয়ে ৫০০ টাকার জিনিস কিনতে পারবেন।
২) ট্রান্সিক (বৈষয়িক বাঁ বস্তুনিষ্ট) মূল্য- স্বর্ণ।
৩) ইন্ট্রান্সিক (আপেক্ষিক বাজার) মূল্য- রাডার নাম্বারের
একটি নোট।
৪) মনস্তাত্বিক মূল্য বাঁ সেন্টিমেন্টাল
মূল্য- সেই নোট টি আপনি আপনার সংগ্রহে রাখার জন্য যতো দেবেন।
৫) অভিলক্ষ্যিত মূল্য-
যেমনঃ ইউরো;স্টেবল কারেঞ্চি।
৬) ব্রান্ড মূল্য
বাঁ বিশ্বাস মূল্য- কোথা থেকে বাঁ কার কাছে থেকে কিনছেন।
৭) প্রতীকী মূল্য-এন্টারক্টিকার নোট।
৮) সাম্প্রতিক নিলাম খতিয়ান-
নামই যথেষ্ট।
৯) সম্মিলিত প্রচেষ্টা মূল্য-
অনেকগুলু ম্যচ বক্সের সংগ্রহ ।
১০) দুর্লভ্যতা বাঁ প্রাপ্তি মুল্য-
যেমনঃমৌর্য যুগের পাতিল ।
১১) সৌজন্য মূল্য- নামই যথেষ্ট ।
১২) অমূল্য- একমাত্র
জিনিস যার অন্য কোন কপি নেই।
১৩) নিরাপত্তা মূল্য- NGC/PMG
গ্রেডিং ।