সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩
chronicles of cancellation Mark
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৩
অতি সংক্ষিপ মুদ্রার ইতিহাস এবং কয়েক ডজন প্রশ্ন [Short Chronicles of the currency ]
খুব সংক্ষেপে
মুদ্রার ইতিহাসঃ এবং Thomas More's Utopia
মানুষের সাথে
সম্পর্ক করার আগে যেমন জন্ম পরিচয় জানা প্রয়োজন, তেমনি এই
শখের সাথে আত্মবিনিয়োগের আগে এই শখের বস্তুর উৎপত্তি জানা আবশ্যক। কেননা ইতিহাস
আপনাকে শেখাবে যে কেন আজ এমন।
এটা তো প্রায়
সবাই জানি যে, মুদ্রা ব্যাবস্থা প্রচলনের আগে
চলতো "বিনিময় প্রথা"। ধরে নিন বুদ্ধিজীবী এবং দার্শনিক Thomas More এর
কল্পনাসৃষ্ট ইউটপিয়ার [Utopia] সমাজের মত। ইউটোপিয়াতে
অর্থের কোন প্রয়োজনi ছিলো না। যেহেতু সমস্ত পণ্য
কেন্দ্রীয়ভাবে রাখা হতো,যা প্রয়োজন অনুসারে নাগরিকরা ব্যবহার করতো। বেঁচে
থাকার মৌলিক চাহিদাগুলো সাম্প্রদায়িকভাবে উৎপন্ন হতো, যেমন আশ্রয়, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা
সবকিছুরি ধরনা ছিলো সাধারন এবং প্রাপ্তি সাধ্য।
কিন্তু সময়ের
সাথে সাথে যখন পশু চাষ,বুনন,পরিবহন, শস্য ফলন
ইত্যাদি বিস্তার পেতে লাগলো,তখন বিনিময় প্রথার সীমাবদ্ধতা গুলির
উপর চাপ তৈরি হতে লাগলো। কারন;মানুষ যখন পছন্দমতো বিভিন্ন
বস্তু ভোগ করার সুযোগ পেলো তখন নতুন নতুন চাহিদা এবং প্রয়োজনের খাতিরে এক ধরণের
পন্যের সাথে অন্য ধরণের পন্যের বিনিময় ব্যাবস্থা আর আগের মতো রইলো না। কারন যার এক
বেলার খাবারের জন্য শ্যশ্যের দরকার কিন্তু তার কাছে কেবল গবাদি পশুই আছে,সে তো তার
পোষা গরুটির পা কেটে আর বিক্রি করতে চাইবে না। আর অন্য দিকে হয়তো যার কাছে বিক্রি
করবে সে তার মাংশের প্রয়োজন ই নেই।
সেই থেকে
শুরু হলো পন্যের সাথে সাথে অন্যান্য সহজলভ্য নয় এমন বস্তু দিয়ে লেনদেনের প্রথা।
ইতিহাসে আমরা লবন, কড়ি, তামাক, গাছের বীজ
ইত্যাদি পাই,যা বিভিন্ন সময়ের মুদ্রার স্থান নিয়েছে। কিন্তু আজকাল
আমরা যে কয়েন/নোট দেখি তার আবির্ভাব ঘটেছে অনেক পড়ে,যখন ওজন এবং
পরিবহন প্রয়োজনীয়তা সমাজে আবারো একদফা চাপ দেয়। পরবর্তীতে ডিজিটাল কারেন্সির
বিপ্লবও সেই একই ধরণের চাপের ফলে ঘটে যার প্রতিটি আলাদা আলাদা গল্প আছে।
কিভাবে কয়েনে ছবির আবির্ভাব হলো? নোট এবং কয়েনের ডিনমিনেশন লিখার ইতিহাস? কোন সাইডে ছবি হবে তার ঐতিহাসিক কারন? কেনো এক সাইড কে Head/Obverse এবং অন্য সাইড Tail/Reverse বলা হয়?
প্রাচীন গ্রীসে
প্রায় ১০০০ ক্রিস্টপূর্ব সময়ে যখন লেন দেনের মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণ রূপার মতো ম্যল্যবান
ধাতু গুলুর অবাধ প্রচলন শুরু হলো, তখন খাঁটি সোনার বাঁ রূপার টুকরার ভঙ্গুর
স্বভাবের কারনে সেগুলু ততো জনপ্রিয় ছিলো না। ফলে সেগুলুর এল্যয় [Electrum] বের
হলো। যা এক দিকে যেমন সেগুলুকে স্থায়িত্ব দিলো,অন্য দিকে তা ব্যাবসায়িদের মাথাব্যাথার
কারন হয়ে দাঁড়ালো। কারন তার মানে লেনদেনের সময় প্রতিটি টুকরো কে মেপে মেপে দেখতে
হবে যে কোন্টাতে কতোটুকু মূল্যবান ধাতু এবং কতো টুকু এল্যয় [Alloy] ধাতু ব্যাবহার
করা হয়েছে।
তো এই সমস্যার
সমাধান হসেবে শুরু হলো প্রতিটি টুকরোতে সেই টুকরোর ওজন এবং শুদ্ধতা একটি চিহ্নের
মাধ্যমে খোঁদাই [Punch] করে দেয়া। যা বর্তমান “ডিনমিনেশন” এর উত্তরসূরী।
প্রথম দিকে
একটি ভোঁতা পেরেক ঠুকে এই খোদাই করা হতো। এক এক ব্যাবসায়ির এক এক রকম পেরেক এবং
তাদের স্ব স্ব নিজস্বতার কারনে সেগুলু চিনতে সমস্যাও হতো না। ক্রমে ক্রমে সেই
পেরেক ঠুকতে ঠুকতে দেখা গেলো যদি ধাতুর টুকরো গুলু সমতল হয় তাহলে ভালো দেখা যায় এবং
সহজে শনাক্ত করাও যায়। এবং সেই খোঁদাইয়ের কাজ ও সহজ হয়ে যায়। তাই ক্রমে ক্রমে অসমতল
ধাতুর টুকরো গুলু সমতল চ্যাপ্টা ডিস্কের রূপ নিতে থাকলো। সাথে সাথে যেহেতু এবার
সেই ধাতব পৃষ্ঠদেশে জায়গা বেড়ে গেলো অতয়েব সেই পেরেকের ভোঁতা অংশ টিও প্রশস্ত হতে
লাগলো এবং সিংহের মাথা ,গরুর মাথা , দেব দেবির মাথা ইত্যাদির মটিফ হাতুরি দিয়ে খোদাইয়ের
প্রচলন শুরু হলো।
তখনো কিন্তু
কোন শাসকদের মাথা কয়েনে খুব প্রবল ভাবে দেখা যায় নি। কিন্তু আলেকজেন্ডারের [Alexander
the great] মৃত্যুর পর যেহেতু তাকে অনেক সময় ই দেবতা হিসেবে অভিহিত করা হতো তাই
তার প্রতিকৃতি কয়েনে চলে আসে। এবং এর থেকেই কালক্রমে কয়েনে এবং পরবর্তীতে কয়েনে এবং
নোট প্রচলন শুরু হওয়ার পর নোটে শাসক বাঁ ব্যাক্তিদের প্রতিকৃতি ব্যাবহার স্বাভাবিক
এবং গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়। এবং যেহেতু এই
সাইডে এই ধরণের মটিফ প্রথম আসলো যেখানে বিভিন্ন মাথা র প্রতিকৃতি ব্যাবহার হতো তাই
এই পার্শ্বের নাম হলো [Head] বাঁ [Obverse].
প্রতিকৃতি থেকে
ছবি কিভাবে আসলো?
মধ্য যুগ পর্যন্ত
খোঁদাই এবং চিত্রকরমে বাস্তব্দের দেখা পাওয়া যায় নি। যখন রেনেসা শুরু হলো তখন সাহিত্যানুশীলন,
বৈজ্ঞানিক সুক্ষতা, বাস্তববাদ [Reasilam] প্রাধান্য পেতে থাকলো। এবং ১৪শ শতকের মাঝামাঝির কয়েন গুলুতে প্রতিকৃতির
বদলে প্রতিচ্ছবি ব্যাবহারের আধিক্য দেখা গেলো। যা ১৯শতকের মাঝ থেকে ব্যাংক নোট
গুলুতে প্রধান ভাবে ব্যাবহার হয়েছে কারন সেই সময়কালটি কে বাস্তব্বাদের সূচনা ধরা
হয়।
জীবিত
ব্যাক্তির ছবি নয়, মৃত হতে হবে কেনো?
প্রথম দিকের অধিকাংশ
ভৌগলীক সত্বাই রাজতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তাই সেখানে রাজা বাঁ রানির প্রতিকৃতি
থাকা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু ১৭৭৬ সালে USA রাজতন্ত্র থেকে মুক্তি পাওয়া
পর আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি George Washington গনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার প্রতিকৃতি কয়েনে ব্যাবহারের অস্বীকৃতি
জানান। এবং সেই থেকে গণতান্ত্রিক দেশ গুলুর নোট বাঁ কয়েনে কোন ব্যাক্তির প্রতিকৃতি
কেবল সেই ব্যাক্তির মৃত্যুর পরই আনার চল শুরু হয়েছে।
কেনো
নোট/কয়েনের দুই সাইড হয়?
এই ধরনের ভোঁতা
সরঞ্জাম দিয়ে খোদাই করতে গিয়ে ধাতুর ডিস্ক গুলু আরও চ্যাপ্টা হয়ে যেতো এবং এবড় খেবড়ো
হয়ে যেতো। প্রথম দিকের কয়েন গুলু এক মুখী [Uniface] হতো। তাই পেছনে খালি থাকতো। সময়ের সাথে সাথে সেই সব কয়েনের পেছনেও হাতুরি
দিয়ে ছোট ছোট Mint mark , Assay mark, Treasury mark, cashier mark, Private mark
ইত্যাদি আসতে লাগলো। যার ফলে সামনের দিকের খোদাই ক্ষতিগ্রস্থ হতে লাগলো।
পরবর্তী আধুনিকায়নে,কয়েন
গুলুর দুই দিকেই এক সাথে পাঞ্চ করার ব্যাবস্থা করা হলো। এবং এক দিকে দেব দেবীর ছবি অন্য দিকে জনপদ এবং সাম্রাজ্য অন্যসারে পশুপাখি,সূর্য,
গাছ,ঢেউ ইত্যাদির খোদাই চলে আসে যাকে আজ আমরা [Reverse] বলি।
কেন সুইডেন
এবং চীনেই প্রথম কাগজী নোট প্রচলন হলো?অন্য কোথাও
থেকে নয় কেনো?
অনেক ঐতিহাসিকদের
মতে ১৬৪৪ সাল থেকে ১৭৬৮ সাল পর্যন্ত সুইডেন এবং চীন ব্যাবসায়িক কারনে অনেক কপার/তামার
মুদ্রা দিয়ে লেনদেন হওয়া একটি বড় কারন হতে পারে। যার পরিবহন থেকে সৃষ্ট অসুবিধা
গুলু কাগজী মুদ্রা জন্মের চাহিদা তৈরি করেছিলো।
আগের কয়েন
গুলু কেন এলোমেলো আকৃতির হতো?
কয়েন তৈরির দুটি মূলধারার একটি হচ্ছে ঢালাই [Casting] করে এবং অন্যটি হচ্ছে ছাঁচে [Die] ফেলে । খনি থেকে ধাতু নিষ্কাশন এবং পরবর্তীতে ঢালাইএর মাধ্যমে গোল চাকতির মতো আকার দেয়া সহজ বিধায়, এটিই প্রাথমিক দিকের কয়েন গুলু তৈরির প্রধান প্রক্রিয়া ছিলো। যা থেকে তুলনামূলক গোলাকার বাঁ নিয়মিত আকারের কয়েন পাওয়া যেত। কিন্তু ঢালাইয়ের কারনে তাতে মটিফ সূক্ষ থাকতো না।
পরবর্তীতে কয়েনের জন্য মূল্যবান ধাতুর ব্যাবহারের সময় সেই ধাতুর পাতলা শিট থেকে Die (ছাঁচ) দিয়ে কেটে কেটে কয়েনের চাকতি তৈরি করা হতো। তারপর সঠিক ওজনের জন্য তাদের আশেপাশে থেকে কিছু অংশ কেটে নেয়া হতো। প্রতিটি কয়েনের ওজন সঠিক হলে তারপর তাদের গরম করে দুটি Die (ছাঁচ) এর মধ্যে রেখে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে [Punched] নকশা/মটিফ বসানো হতো। সেই ক্ষেত্রে হাতুরির আঘাতের চাপে সেই কয়েন গুলু একটু চ্যাপ্টা/এবড়োখেবড়ো হয়ে যেতো। এই প্রসেসে তৈরি কয়েনের মটিফ বেশ সুক্ষ থাকতো যা পরবর্তীতে কয়েনে প্রতিকৃতির পাশাপাশি লেখার প্রচলন নিয়ে এসেছে।
আরেকটি কারন যা
এই ঘটনায় প্রভাব ফেলে, যখন কয়েনে মূল্যবান ধাতুর ব্যাবহার প্রচলিত ছিলো, তখন অনেকেই
কয়েনের প্রান্ত ভাগ ঘষে ঘষে ছোট ছোট টুকরো বের করে ,সেই কয়েনকে আবার বাজারে চালিয়ে
দিতো। ফলে সময়ের সাথে সাথে কেবল আসল কয়েনের পরিধিই এলোমেলো হয়েযায় নি ,বরং ওজন ও
পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্তু এই ঘষে ঘষে ছোট ছোট টুকরো বের করার অসাধু কাজ কে
নিয়ন্ত্রনে আনতে ১৬৬২ সালের দিকে প্রথম Milling and Graining মেশিনের ব্যাবহার শুরু
হয়। যা কয়েনের প্রান্তভাগের চারিদিকে জ্যামিতিক খাজ খোঁদাই করে দেয়। ফলে কেউ ঘষাঘষি
করলে তা সহজের বুঝা যায়। এবং কয়েনের আকৃতিতে সমতা চলে আসে।
পুরোনো কয়েন
কেনো সবুজাভ হয়?
সকল ধরণের ধাতুর
মধ্যে তামা [Copper] ই প্রথম নিষ্কাশন শুরু হয়। তাই স্বাভাবতই বিনিময় মাধ্যম
হিসেবে ধাতুর ব্যাবহার হওয়ার প্রথম দিক থেকেই তামা ব্যাবহার হয়ে আসছে। এবং তামার কয়েনই
প্রাথমিক দিকের কয়েন তৈরি অন্যতম উপাদান ছিলো। সময়ের সাথে সাথে বাতাসের অক্সিজেন
এবং সালফার এই কপারের সাথে বিক্রিয়া করে কপারের লবন তৈরি করে যা কপার অক্সাইড এবং
কপার সালফাইড নামে পরিচিত যা পুরনো তামার কয়েনে নিলাভ বাঁ সবুজাভ ভাবে দেখা যায়।
A Brief History of Coinage: and Thomas More's Utopia
Just as it is necessary to know the origin before engaging
with people, it is equally important to understand the origin of the object of
this hobby before indulging in it. History will provide valuable insights into
why this is important today.
It is well known that before the introduction of the
currency system, a "barter system" was in place. Consider the Utopian
society imagined by the intellectual and philosopher Thomas More. In Utopia,
there was no need for money, as all goods were centrally stored and accessible
to citizens. Basic survival needs such as shelter, food, and healthcare were
communally generated and readily available.
However, as time progressed and various industries like
animal husbandry, weaving, transportation, and crop production expanded, the
limitations of the barter system started to exert pressure. When people had the
opportunity to enjoy a variety of goods, the exchange of one type of product
for another to fulfil new needs and requirements became impractical. For
instance, a person who needed grain for a meal but only had cattle would not
want to sell a part of their beloved cow. Moreover, the person buying the meat
might not even need it, maybe he would be looking for salt or fabric instead.
Since then, the practice of trading other goods which are not
easily available began. In history, we find that items such as salt, beans, metal
objects, tobacco, plant seeds, seashells etc., took the place of currency
during different periods. However, the coins and notes we see today appeared
much later when the needs of weight and transportation once again pressured
society. Later, various economical and socio-political events accelerated the
evolution of digital currencies.
Featuring image on coins:
Around 1000 BC in ancient Greece, when precious metals such
as gold and silver began to be used as a form of payment, pure gold and silver
pieces were not popular due to their fragile nature. As a result, Electrum
emerged, providing both stability and complexity for businessmen. However, this
meant that each piece had to be measured during transactions to determine the
proportion of precious metal and alloy used.
Start of denominations on coins:
To address this challenge, various marks were punched onto
each piece to indicate their weight and accuracy, laying the foundation for the
present concept of "denomination." Early engraving was done using a
blunt nail, and the unique nails of each business ensured the pieces were
distinguishable. Over time, engraving evolved to flat metal discs, making it
easier to carve motifs like lion's heads, cow's heads, and gods' heads using a
hammered nail.
Designating one side as Head/Obverse and the other side
as Tail/Reverse:
Initially, rulers' heads were not prominently featured on
coins. Instead, god/goddess pictograms were main theme. However, after
Alexander the Great's death, his portrait began appearing on coins since he was
often referred to as a god. This marked the beginning of using portraits of
ruling figures on coins and, later, on both coins and notes. As this motif
first appeared on the side with various heads, it came to be called the [Head]
or [Obverse] side.
Carving with such a blunt tool would have flattened the
metal disc and roughened it. As a result, the engraving on the front side began
to suffer. This is the reason why early coins were uniface. Over time markings
like mint marks, assay marks, treasury marks, and private marks were added to
the back of coins, while the front featured images of God and Goddess on one
side and towns, empires, and other carvings on the other side, known as the
[Reverse] today.
Transition from shape to portrait:
The transition from head shape to elaborate pictures began
during the Middle Ages when engravings and paintings started reflecting
reality. The Renaissance furthered this trend with a focus on literary
practice, scientific rigor, and realism. By the mid-14th century, coins began
featuring images more than portraits, a trend that continued and gained
prominence in banknotes during the mid-19th century, marking the onset of
realism.
Portrait of a living or dead:
In the early days, geographical entities were often
monarchies, resulting in portraits of kings and queens appearing on coins.
However, after the USA gained independence from the monarchy in 1776, the first
American president, George Washington, declined to have his portrait on coins
out of respect for democracy. Since then, the tradition of featuring a person's
portrait on the notes and coins of democratic countries began only after the
individual's passing.
Older coins random in size:
One of the two main methods of coin making is casting and
the other is die casting. This was the main process of early coinage, simply
extracting the metal from the mine and then casting it into round discs. From
which comparable round left regular shaped coins were obtained. But due to
casting, the motif was not subtle.
Later, during the use of precious metal for coins, thin
sheets of that metal were cut with a die (mould) to make coin discs. Then parts
were cut from their surroundings for proper weight. When each coin was
correctly weighted, they were then heated and placed between two dies and
punched to form the design/motif. In that case the coin would have become a
little flat/rough due to the pressure of the hammer. Coins made in this process
had very fine motifs which later led to the practice of portraits as well as
inscriptions on coins.
Another factor that affects this phenomenon is that when the
use of precious metals in coins was common, many people used to rub the edges
of the coins to remove small pieces, and continue the coins in the market. As a
result, not only did the original coin size change over time, but the weight
also changed. But to control the unfair work of extracting small pieces by
rubbing, the first Milling and Graining machine was used around 1662. which
engraves geometric grooves around the edge of the coin. As a result, if someone
rubs it, it is easy to understand. And uniformity comes in the shape of the
coin.
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
Haj note [Pilgrimage note] হজ্ব নোট
বিংশ শতকের মাঝামাঝি যখন পাউন্ড স্টার্লিং এর দাম পড়ে যায় ,কিন্তু পাকিস্তান তার মুদ্রার অবমূল্যায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয়। মুদ্রা পাচার রোধে সরকার হজযাত্রীদের জন্য বিশেষ হজ নোট জারি করেছে।
প্রথম হজ নোটটি ছিল একটি লাল ১০০ রুপির
নোট যা ১৯৫০ সালের
মে মাসে মুদ্রিত হয়েছিল। এটির একটি ওভারপ্রিন্ট ছিল যা ইঙ্গিত করে যে এটি সৌদি
আরব এবং ইরাকে পাকিস্তানি হজযাত্রীদের ব্যবহারের জন্য ছিল। ১৯৭২ সালের হজ
নোটটি ১৯৪৮ সালের
ইস্যুর মতোই ছিল কিন্তু স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানের কর্তৃত্বের অধীনে প্রকাশিত
হয়েছিল। এই হজ নোটগুলি পাকিস্তানে ভেতরে লিগ্যাল টেন্ডার ছিল না।
১৯৫৪ সালে, পাকিস্তান
সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন সমস্ত মূল্যের নোট ছাপানো শুরু করে। ১৯৭২ সালে ডিমনিটাইজেশনের পর, নতুন
হজ নোট ডিজাইন করা হয়েছিল,
যার মধ্যে উর্দু টেক্সট সহ ১০ টাকার
নোট ছিল। ১৯৭০-এর
দশকের মাঝামাঝি সময়ে, স্টেট
ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তান নতুন ব্যাঙ্কনোট প্রকাশ করে, তারপর ১৯৭৫ এবং ১৯৭৮ সালের মধ্যে
একটি নতুন ১০০ টাকার
হজ নোট।
হজের উচ্চ চাহিদার কারণে সৌদি আরব প্রতিটি দেশের
হজযাত্রীদের জন্য একটি কোটা বরাদ্দ করে। তীর্থযাত্রীরা প্রায়ই বিভিন্ন দেশ থেকে
মুদ্রা নিয়ে আসে। সৌদি আরবের মানি চেঞ্জাররা হজযাত্রীদের আগমন এবং তাদের মুদ্রা
থেকে উপকৃত হয়েছে। বিনিময় নিয়ন্ত্রণের জন্য, পাকিস্তান সরকার হজযাত্রীদের ব্যতীত পাকিস্তানি মুদ্রার
রপ্তানি ও আমদানি সীমাবদ্ধ করে। পাচারকারীরা সেই ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে,
এক দেশের অর্থ অন্য দেশে নিয়ে ক্যাশ করতো ফলে তা নিয়ন্ত্রন করার জন্য এই বিশেষ “হজ নোট” চালু হয়েছে।
প্রথম হজ নোটটি ছিল একটি লাল রঙের একটি ১০০ টাকার নোট এবং
তার
উপর ইংরেজী টেক্সট ওভারপ্রিন্টে লিখা ছিলো “FOR HAJ PILGRIMS
FROM PAKISTAN FOR USE IN SAUDI ARABIA ONLY”। তাই এটি কেবল সৌদি আরবে গিয়েই খরচ করা যেতো। পরবর্তীতে একটি ১০ টাকার হজ নোট চালু করা হয়েছিল। কেউ হজ্ব করে এগুলু
ফেরত নিয়ে আসলে সেই নোটগুলি পাকিস্তানের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ থেকে
আবার তৎকালীন পাকিস্তানী রূপিতে বদল করা যেতো।
হজযাত্রীদের সংখ্যার ভিত্তিতে ইস্যু করা হজ নোটের সংখ্যা
ওঠানামা করে। সরকার কখনও কখনও বৈদেশিক মুদ্রার নিষ্কাশন নিয়ন্ত্রণ করতে হজযাত্রীর
সংখ্যা সীমিত করে। প্রাথমিকভাবে,
বন্দরগুলিতে বুথ স্থাপন করা হয়েছিল,
তবে বিমান ভ্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করা হয়। ক্রমে সৌদি আরব হজযাত্রীদের জন্য ট্রাভলারস
চেক এবং ত্রাভল রিসিপ চালু করা হয়।
পাকিস্তান মোট সাতটি ভিন্ন হজ নোট জারি করেছে। প্রথম হজ
নোটটি তৎকালীন ১০০
টাকার নোটের নকশা অনুসরণ করে। ১৯৫০
এর দশকে ১০০ টাকার
হজ নোটের জন্য আলাদা ডিজাইন করা
হয়েছিল। ১০ টাকার
হজ নোটে বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন স্বাক্ষরের সাথে এসেছে। তবে আমি
দুটি ডিজাইন দেখেছি।
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
Theological aspect of collecting [ সংগ্রহের ধর্মীয় দৃষ্টিকোন]
বিভিন্ন মুদ্রা সংগ্রহ করা, এটি কি ধর্মীয়ভাবে বৈধ? ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আপনি কি মনে করেন?
এখানে উল্লেখ্য যে কেউ ই এগুলো কে মুদ্রা বা "টাকা/পয়সা" হিসেবে সংগ্রহ করে না। অর্থাৎ টাকা/পয়সার একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে এদের কখনো গায়ের মূল্য থেকে বেশী মূল্য দিয়ে কেনা হয় না। অন্যদিকে সংগ্রকদের কেনা নোট/কয়েন প্রায় সকল সময়েই গায়ের মূল্য থেকে অনেক গুণ বেশি দিয়ে কেনা হয় এবং কেনার পর সেগুলোকে কখোনো "টাকা/পয়সা " হিসেবে ব্যাবহার করা হয় না। তাই একজন সংগ্রহক সেগুলোকে আইটেম হিসেবে অভিহিত করেন বা করা উচিৎ। অতয়েব যেহেতু সেগুলো আর "টাকা/পয়সা" র রুপে থাকছে না তাই সেই হিসেবে এটার উপর উল্লেখ্য ধর্মীয় নিশেধাজ্ঞা প্রজোজ্য হবে না।
এখানে আমি কেবল মনের সান্ত্বনার কথা বলছি না। টার্ম টির ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখুন। ঔষধ হিসেবে যেমন অ্যালকোহল সেবনের অনুমতি আছে, জেনা থেকে বাঁচার জন্য যেমন হ*মৈ*নের অনুমতি আছে। ধর্মের উদ্দেশ্য তো জীবন ধারণের সম্পর্কে নির্দেশিকা দেওয়া তাই না? তাহলে কোন কাজ যদি সেই জীবন ধারন কে সুপুষ্ট করে তাহলে সেটা কিভাবে ধর্মের অবজ্ঞা হতে পারে?
শুনেছি একসময়ের ইসলামিক শাসনকালে মদ হারাম ছিল না, এটা পরবর্তীতে হারাম হয়েছে কারন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে যা মদ মানুষের বুদ্ধিকে বিলোপ করেছে, যা পরবর্তীতে সংঘাতের জন্ম দিয়েছে। এবং সেই সকল সংঘাত এড়ানোর জন্য মদ/সুরা কে হারাম ঘোষণা করা হয়েছিল। অতএব পয়েন্ট হচ্ছে- মদ এমনিতে খারাপ কিছু না যদি মস্তিষ্ক বিকৃতির সূচনা করত। অতয়েব কোন বস্তুর ব্যাবহারিক প্রয়োগ এবং তার ফলাফল কে বিবেচনা করে স্থান,কাল,পাত্র ভেদে সেই বস্তুকে হালাল বা হারাম বলা হয়।
সংগ্রহের শখ যখন মানুষ পোষণ করে, সেই সংগ্রহের বস্তু তখন আর টাকা বা পাতা বা পাথর নামে থাকে না। সেটা তখন "আইটেম"হয়ে যায়,যদি সেটা কেবল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই সংগ্রহ করে। যা তার মনের খোরাক হিসেবে কাজ করে।
অতএব আপনার প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হচ্ছে, যদি আপনি মদকেও কেবল আইটেম ভেবে সংগ্রহ করেন তাহলে সেটাও সংগ্রহযোগ্য বস্তু, এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার কথা নয়। কিন্তু সেটার জন্য যথাযথ আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
ইসলামী অর্থ ও আইনশাস্ত্রে, সংগৃহীত মুদ্রা এবং নোট তাদের অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশিদাম দিয়ে কেনার ব্যাপারে ইসলামী নৈতিকতা এবং অর্থনৈতিক লেনদেনের বিভিন্ন নীতির মাধ্যমে বোঝা যায়। সনংগ্রহ যোগ্য আইতটেমের গায়ের মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে সংগ্রহযোগ্য মুদ্রা এবং নোট কেনার অনুমতি নিয়ে আলোচনা করার সময়, আমি বেশ কয়েকটি কুরআনের আয়াত এবং হাদিস উল্লেখ পেয়েছি যা ন্যায্য লেনদেনের, সুদ (রিবা) পরিহার ,অনিশ্চয়তার নিষেধাজ্ঞা (ঘরর)ইত্যাদির উপর জোর দেয়।
আমার যুক্তিকে সমর্থন করার জন্য উদ্ধৃত করছি:
১) ন্যায্য বাণিজ্য এবং নৈতিক আচরণ:
কুরআন ২:১৮৮: "এবং একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না বা শাসকদের কাছে [ঘুষ দিয়ে] পাঠাবেন না যেখানে জনগণের সম্পদের একটি অংশ তারা পাপ কাজে ভোগ করে, যখন আপনি জানেন [এটি বেআইনি]।"
কুরআন ৮৩:১-৩: "হায় তাদের জন্য; যারা যথাযথ কাজের পারিশ্রমিক কম দেয়, যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় সবটা মেপে ন্যায্য আদায় করে কিন্তু যখন তারা নিজে মেপে বা ওজন করে দেয় তবে তারা অন্যকে কম দেয়। "
২) সুদ পরিহার (রিবা):
কুরআন ২:২৭৫-২৭৯: এই আয়াতগুলি সুদের (রিবা) নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে কথা বলে এবং রিবা-ভিত্তিক লেনদেনে জড়িত না হয়ে দাতব্য কাজে জড়িত হওয়ার উপর জোর দেয়। সংগ্রহযোগ্য আইটেমগুলিকে তাদের অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে লেনদেন করা এম্নিতে রিবাকে জড়িত করে না, কারণ অধিক মূল্য বস্তুটির সংগ্রহযোগ্যতা, বিরলতা, চাহিদা, ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং বস্তুটির কারিগরী প্রশংসা দর্শায়।
৩) অনিশ্চয়তা পরিহার (ঘরর):
কুরআন ২:১৮৮: আয়াতটি লেনদেনে অনিশ্চয়তা (ঘরর) জড়িত কর্মগুলি এড়িয়ে চলার উপর জোর দেয়। যদি সংগ্রহযোগ্য কয়েন এবং নোটের মূল্য পরিষ্কার হয় এবং উভয় পক্ষের দ্বারা সম্মত হয়, এবং কোন অত্যধিক অস্পষ্টতা বা অনিশ্চয়তা না থাকে তবে এটি এই নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
৪) নৈতিক আচরণ এবং সততা:
হাদিস: নবী মুহাম্মদের শিক্ষা সকল লেনদেনে সততা, ন্যায্য আচরণ এবং স্বচ্ছতার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, হাদিসে "ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে দর কষাকষি না করা বা বা করার বিকল্প রয়েছে যদি না তারা আলাদা হয়, এবং যদি তারা সত্য কথা বলে এবং পণ্যের ত্রুটিগুলি পরিষ্কার করে তবে তারা তাদের দর কষাকষিতে বরকত পাবে, এবং যদি তারা মিথ্যা বলে এবং কিছু সত্য গোপন করেছে, তাদের দর কষাকষি আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে।"
৫. সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা:
ইসলাম জ্ঞান, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস সংরক্ষণ ও উপলব্ধিকে উৎসাহিত করে। যদিও একটি নির্দিষ্ট আয়াত পাই নি, তবে এই নীতিটি জ্ঞান, শিল্প এবং ঐতিহ্যকে সম্মান করার ইসলামী বৃহত্তর শিক্ষার সাথে মিল পাই।
৬. উদ্দেশ্য এবং নিয়ত:
হাদিস: নবী মুহাম্মদ তার বাণী কর্মের মধ্যে নিয়তের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।যদি আইটেম সংগ্রহ বা ব্যবসা করার পিছনে একটি ভাল উদ্দেশ্য, যেমন ইতিহাস সংরক্ষণ, শিল্প প্রচার, বা অন্যদের শিক্ষিত করা, উৎসাহিত করা হয় তাহলে তা সাধারনণত ভালো/পবিত্র নিয়ত হিসেবে ধরা যায় ।
সংক্ষেপে, সংগ্রহযোগ্য মুদ্রা এবং নোটগুলি তাদের উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কেনার অনুমতি ইসলামী নীতিশাস্ত্র, অনিশ্চয়তা এবং শোষণ এড়ানো এবং সুদখোরির মতো দোষগুলুর অনুপস্থিতির সাপেক্ষে। যতক্ষণ পর্যন্ত লেনদেন ন্যায্য, স্বচ্ছ এবং ইসলামী অর্থের নীতি লঙ্ঘন না করে, ততক্ষণ তা জায়েয বলে বিবেচিত হতে পারে বলে আমি মনে করি। যাইহোক, স্বতন্ত্র পণ্ডিতদের ব্যাখ্যা এবং লেনদেনের নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকতে পারে। আমি ইসলামী বিশেষগজ্ঞ নই। কেবল ঘাটাঘাঁটি করি নিজের মনের শান্তনার জন্য।
আল্টিমেটলি দেখতে হবে আপনি কিভাবে আপনার সংগ্রহের বস্তু টি কে দেখছেন। যেহেতু সৃষ্টিকর্তা আমাদের মনে কি চলছে তা জানেন, তাই তাকে নতুন করে কিছু বলে সান্ত্বনা দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না আশা করি।
অন্যের ক্ষতি না করে,যদি আপনি নিজের কোন একটি শখ পোষণ করেন একজন ভালো মানুষ হওয়ার জন্য, তাহলে সেটা কি মহান সৃষ্টিকর্তার মাথাব্যথা হওয়ার কথা?
When discussing the permissibility of buying collectible
coins and notes at more than their face value within the context of Islamic
principles, you can refer to several Quranic verses and Hadiths (sayings of
Prophet Muhammad) that emphasize fairness in transactions, avoidance of usury
(riba), and the prohibition of uncertainty (gharar). Here are some key verses
and principles that can be cited to support your argument:
- Fair
Trade and Ethical Conduct:
- Quran
2:188: "And do not consume one another's wealth unjustly or send it
[in bribery] to the rulers in order that [they might aid] you [to]
consume a portion of the wealth of the people in sin, while you know [it
is unlawful]."
- Quran
83:1-3: "Woe to those who give less [than due], who, when they take
a measure from people, take in full. But if they give by measure or by
weight to them, they cause loss."
- Avoidance
of Usury (Riba):
- Quran
2:275-279: These verses speak about the prohibition of usury (riba) and
emphasize engaging in charitable deeds instead of engaging in riba-based
transactions.
- Avoidance
of Uncertainty (Gharar):
- Quran
2:188: The verse emphasizes avoiding actions that involve uncertainty
(gharar) in transactions.
- Ethical
Conduct and Honesty:
- Hadith:
The teachings of the Prophet Muhammad emphasize honesty, fair dealing,
and transparency in all transactions. For example, the Hadith "The
buyer and the seller have the option of canceling or confirming the
bargain unless they separate, and if they spoke the truth and made clear
the defects of the goods, then they would be blessed in their bargain,
and if they told lies and hid some facts, their bargain would be deprived
of Allah's blessings."
5.
Respect
for Cultural and Historical Value:
Islam
encourages the preservation and appreciation of knowledge, culture, and history.
While not a specific verse, this principle aligns with the broader teachings of
respecting knowledge, art, and heritage.
6.
Intention
and Purpose:
Hadith: The
sayings of the Prophet Muhammad emphasize the importance of intentions (niyyah)
in actions. A good intention behind collecting or trading items, such as
preserving history, promoting art, or educating others, is encouraged.

