জুন ২৯, ২০২৩

প্রিন্টার্স মডেল এবং প্রুফ নোট [Proof note] and Printer’s model/Composite Essay

বিষয়: প্রিন্টার্স মডেল এবং প্রুফ নোট [Proof note ]  এবং প্রুফিং স্টেজ

নোট প্রিন্টিং এর প্রস্তুতি পর্বের সময় তৈরি হওয়া বিভিন স্টেজের ছাপানো কাগজ কে প্রুফ নোট বলা হয়। এদের সাধারন লিগ্যাল টেন্ডার স্ট্যাটাস থাকে না না। কারন পূর্ণাঙ্গ  নোটের বিভিন্ন স্টেজে নোটের বিভিন্ন কাজ হয়,যা এই নোটে/আইটেমে সঙ্গত কারনেই অনুপস্থিত থাকে। 
যখন একটি প্রুফ নোট এক ধাপ থেকে অনুমোদিত হয় তারপর সেটি পরের ধাপে যায়। এবং সেই প্লেট বাকি নোট গুলু ছাপানোর জন্য ব্যাবহারের অনুমতি পায়। প্রুফের উদ্দেশ্যে ছাপানোর সময় প্রায়শই নোটের প্রকৃত কাগজ ব্যাবহার না করে অন্য এক ধরনের কাগজ ব্যাবহার করা হয় ,যাকে অনেকে ইন্ডিয়া পেপার বলে ডাকে।
নিরাপত্তার খাতিরে যদিও এই ধরণের আইটেম গুলু সাধারন জনসাধারনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে তবে যখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই আইটেম গুলু বাইরে আসে তখন এগুলুকে কার্ডস্টকে লাগানো অবস্থায় দেখা যায়।
কিছু প্রুফে হয়তো রঙ কম বেশি থাকবে, কোথাও হয়তো স্বাক্ষর বসানো হয় নি, কোথাও হয়তো ফন্ট এখনো ঠিক করা হয়নি যে দেখতে কেমন লাগবে, কোথাও হয়তো মটিফ হালকা পরিবর্তন হবে,এমন বিভিন্ন ছোট ছোট পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য প্রুফ স্টেজ ব্যাবহার হয়। অনেক সময় ই মুদ্রণের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন প্লেট থেকে প্রিন্ট হয়। যা কালক্রমে একটি প্লেটে নিয়ে আসা হয়। তাই প্রুফ নোটের বিভিন্ন অংশের অসামঞ্জস্য দেখে সংগ্রাহকরা ধারনা করতে পারে যে ডিজাইনের শুরুতে আইটেমটির কোন অংশ আলাদা আলাদা ছাপানো হয়েছিলো,এবং কালক্রমে এক প্লেটে নিয়ে আসা হয়েছে।

যুক্তিসঙ্গত ভাবে এই ধরনের আইটেমের,গ্রেডিং স্কেলে কোন নাম্বার থাকার কথা না। অর্থাৎ UNC,VF,XF বা EPQ, 01-70 এই ধরনের কোন স্কেলে এগুলো পড়ার কথা না। কিন্তু কোন কোন গ্রেডিং কোম্পানি এই নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটায় যা আদর্শ বিচ্যুত এবং দুখঃজনক।

এমনো হতে পারে যে একটি নোট এর ডিজাইন প্রুফ স্টেজ থেকেই বাদ পড়ে যায়। কারন হয়তো কোন রাজনৈতিক পরিবর্তন বাঁ অর্থ সামাজিক পরিবর্তন বাঁ আভ্যন্তরীণ মত বিরোধ ইত্যাদি ।প্রুফিং এর বিভিন্ন স্টেজ আছে যেমনঃ Progressive Proof, Proprietary Proof, Final proof. 

ছবি: Raihan Ahmad এর পোস্ট  থেকে নেয়া।



প্রিন্টার্স মডেল [Printer’s model/Composite Essay]

Printer’s models are pieces of art. The beauty of printer’s models is their exquisite designs. These notes were pieced together by hand for the purpose of either final approval or at the very beginning stages of designing a banknote. Some models are hand painted and are truly works of art. There are Two key steps involved in identifying printer's models:

Paper on card stock: Currently, polymer printer's models are not readily accessible to the general public, and their existence is largely speculative based on the printing process used for polymer notes. In some cases, the card stock used may be trimmed down, while in other instances, it may be significantly larger than the actual banknote. It is quite common to find handwritten annotations related to the note or the card stock along the borders. These annotations can originate from various sources, including the printers, the note's designer, or even dealers, among other possibilities.

Design elements affixed to the paper: The most prominent and crucial characteristic that distinguishes a printer's model is the presence of design components (such as signatures, seals, serial numbers, denominations, etc.) attached to the note using adhesive. For instance, in the case of the 50 Dollar Hong Kong model mentioned above, both signature titles (Accountant and Manager) and the imprint (Thomas de la Rue Currency Limited) are affixed to the model.

Another common element that is quite often found is how the printer’s models come. More often than not the models are seen uniface – either just the front or just the back. The perception of beauty varies from person to person, and typically, the higher the number of attached pieces and the greater emphasis on intricate details (particularly in hand-painted design elements), the higher the demand for a specific model tends to be.


জুন ২৮, ২০২৩

প্রান্তীয় চিহ্ন সমূহ [MARGINAL MARKING]

 মার্জিনাল মার্কিং [MARGINAL Marking]


মার্জিনাল মার্কিং হচ্ছে প্রিন্টিং প্লেটের মার্জিনে পাওয়া ইচ্ছাকৃত লেখা বা নকশা, যেগুলি মুদ্রিত শীটেও ছাপা হয়। কিন্তু তা কেবল নোট বাঁ স্ট্যাম্পের বর্ডারে থাকে। মূল ডিজাইনের অংশ না। এই চিহ্নগুলি স্ট্যাম্পের/নোটের উৎপাদন এবং উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে। 

মার্জিনাল মার্কিং/প্রান্তিক চিহ্নের কিছু সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে প্লেট ফিনিশার বা সাইডোগ্রাফারের আদ্যক্ষর, প্লেট নম্বর, বিইপি বা প্রিন্টারের লোগোর ছাপ, কপিরাইট নোটিশ ইত্যাদি। এছাড়াও অন্যান ধরণের মার্জিনাল মার্কিং ছাঁটা শীটে দেখা নাও যেতে পারে, যেমন গাইড লাইন, তীর, প্রিন্টারের আদ্যক্ষর, ইলেকট্রিক-আই ড্যাশ বা স্লাগ এবং কালি রঙের মার্কার ইত্যাদি। প্রতিটি ধরনের মার্কের আলাদা আলাদা তাৎপর্য আছে।

সংগ্রাহকরা বিভিন্ন ধরণের মার্জিনাল মার্কিং দেখে তাদের স্ট্যাম্প/ নোট সঠিকভাবে সনাক্তকরন (যে মুদ্রনের সময় প্লেটের বা শিটের কোন পজিশনে এই নোট/স্ট্যাম্প টির অবস্থান ছিলো)এবং যথাযথ মূল্যায়ন করে থাকে।



জুন ২৬, ২০২৩

কালি ও কলম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ । [Iink and Pen collector's point of view)]

🖌️🖌️✒️✒️✒️বিষয়ঃ কালি  ও কলম।✒️✒️✒️🖌️🖌️

☝🏾বিভিন্ন ধরনের কলমে বিভিন্ন ধরনের কালি ব্যবহৃত হয় যেগুলোর ব্যবহার এবং সুবিধা অসুবিধা  আলাদা আলাদা।কলমের মধ্যে কালির গুরুত্ব এতটাই বেশি যে কালির ধরন অনুযায়ী কলম প্রকরন করা হয়/যায়।
কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হচ্ছে Ballpoint Ink,Gel Ink,Rollerball Ink,Fountain Pen Ink,Pigmented Ink,Highlighter Ink,India Ink,Invisible Ink,Erasable Ink,Hybrid ink ইত্যাদি।

☝🏾যদি খুব বেসিকভাবে কালিকে ভাগ করি তাহলে দুইটি প্রধান ভাগ পাওয়া যায়। ডাই বেইজড এবং পিগমেন্ট বেইজড্।
☝🏾যে সকল কলমে ডাই বেইজড ইনক ব্যবহার হয় সেগুলো সাধারণত, সাশ্রয়ী।
☝🏾যে সকল পেনের কালি সাধারন্ত রঙ্গক পদার্থ [Pigment] দিয়ে তৈরি সেগুলো সহজে দ্রবণে দ্রবীভূত হয় না। ফলে স্বাক্ষর সংগ্রহ এবং জরুরী নথি স্বাক্ষরে সেগুলো সবচেয়ে বেশি উপযোগী। সাধারন জেল পেনে,ফাইন লাইনার,ফাউন্টেইন পেনে দেখা যায়। এই রঞ্জক দানাগুলো কাগজের ফাইবারের ফাঁকফোকড়ে ঢুকে যায়। তাই কালি উঠিয়ে জালিয়াতি করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। একটু ব্যয় সাপেক্ষ। তবে ফ্লো ভালো।
☝🏾বল পয়েন্ট কালি, সাধারণত তেলের উপর নির্ভর করে তৈরি, তাই ফ্লো প্রায়শই দূর্বল তাই শুকাতে একটু সময় লাগে।
☝🏾জেল কালি সাধারনত জলের উপর নির্ভর, তাই সহজেই বিভিন্ন বর্ণের পাওয়া যায় এবং হরফ অনেক জমকালো বসে।
রোলার বল কলমের কালি সাধারণত বল পয়েন্ট কলমের থেকে ভাল ফ্লো করে কিন্তু শুকাতে একটু বেশি সময় লাগে।
☝🏾ফাউন্টেন পেন একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস। তাই এর কমপ্লেক্সিটির জন্য অনেকেই ব্যবহার করে বা করে না। এর কালি পিগমেন্ট বেইজড্ হতে পারে আবার ডাই বেইজড্ ও হতে পারে। প্রায় সবসময়ই জলের উপর নির্ভরশীল।
☝🏾ইন্ডিয়া ইন্ক তার জন্ম শুরু করে উচ্চমানের কার্বন থেকে। যা থাকে কালো। এর সাথে সংযুক্ত হয় বাইন্ডার এবং গাম। তাই একটি গন্ধ চলে আসে যাকে দূর করার জন্য আবার সুগন্ধি সংযুক্ত করা হয়। অনেক ঘন হরফ আঁকা/লিখা যায় বিধায় এই ধরনের কালি ক্যালিগ্রাফিতে বেশি ব্যবহার করা হয়।
এমন বিভিন্ন ধরনের কালির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আছে। যাদের প্রস্তুত প্রণালী থেকে সংরক্ষণ প্রণালী এবং ব্যবহার প্রণালী আলাদা আলাদা।

☝🏾কেউ কোন কিছু সংগ্রহ করলে বা সংরক্ষণ করলে সেই বস্তুর ধরন,প্রকরন, এনাটমি সম্পর্কে জানাটা তার জন্য ফরজ। সেটা হোক তালা বা কলম। কোন কিছুই এই শর্তের বহির্ভূত নয়।
যদি কলমের কথায় আসি, তাহলে কিছু  অংশের নাম না বললেই নয়। যেমনঃ
Nib,Feed,Reservoir/Converter,Barrel,Cap,Clip,Grip, Finial,Clip Ring/Band,Barrel Ring/Band,Filling Mechanism,Finishing/Trim
সব কলমে যে এর সবগুলো অংশ থাকবে এমনটা কোন কথা নয়। কলমের কমপ্লেক্সসিটি বা আভিজাত্যের উপর ও কয় টি উপাদান থাকবে তা অনেকখানি নির্ভরশীল। আর পর আবার আসে বিভিন্ন ধরনের কালি এবং তার ব্যাবহার উপযোগীতা।

🫴🏽কলম সংরক্ষণের সময় কিছু টিপস

☝🏾কলম নতুন কেনার পর যদি দ্রুত স্মুথনেস আনতে চান, তাহলে খসখসে কাগজে প্রথম লেখা শুরু করুন।
☝🏾যে কোন কলমের সব সময় ক্যাপ বন্ধ করে রাখতে হবে।
☝🏾ক্লিপ এর উপর যেন চাপ কম পড়ে, অতএব ক্লিপ এর মাধ্যমে কলম ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।
☝🏾কিছু কিছু কলমের রিজার্ভার এবং কনভার্টার আলাদা করা যায়, দীর্ঘকালীন সংরক্ষণের জন্য সেগুলোকে এয়ারটাইট পরিবেশে রাখা যেতে পারে।
☝🏾বল পয়েন্ট এবং জেল পেনের কালি জমে গেলে গরম হওয়া বা জল সেই কালি আবারো তরল করতে সাহায্য করতে পারে।
☝🏾মার্কার এবং ফেল্ট টিপ পেন গুলুর কালি শুকিয়ে গেলে গরম জলে ততোক্ষন পর্যন্ত ধরে রাখা যায় যতোক্ষণ কালি জলে লিক করা শুরু না হয়।
☝🏾ড্রাই মার্কারের কালি শুকিয়ে গেলে তার সুতোয় বেঁধে ঘুরালে কালি নিবের মুখের দিকে চলে আসে।
☝🏾ইরেজার পেন/ কলম এর কালি গরম হয়ে গেলে স্বচ্ছ হয়ে যায়। তখন মনে হয় কালি ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু আসলে যদি কলম টিকে ঠান্ডা করা হয় তাহলে কালি আবার বর্ন ফিরে পায়।
☝🏾ফাউন্টেন পেন অনেকদিন ব্যবহার না করলে দীর্ঘকালীন সংরক্ষণের পূর্বে সেটির ভিতরে পরিষ্কার করে রাখাটা ভালো।
☝🏾কলম সাধারন গরম স্থান থেকে ঠান্ডা স্থানে এবং আদ্র স্থান থেকে শুস্ক স্থানে ভালো থাকে। বায়ুরোধী কন্টেইনারে রাখতে পারলে সেটা ভালো। তবে ফাউন্টেইন পেনের ব্যাপারে আবার মোল্ড/ছত্রাক জন্মানোর আবহাওয়া তৈরি করার সুযোগ দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে।কারন অনেক ফাউন্টেন পেনেই জল ব্যাবহার হয়।
☝🏾এজন্য ই কালিতে কিছু অম্ল/এসিডিক কিছু মেশালে ছত্রাকের ঝুঁকি কমে যায়। তবে সেটা বুঝে শুনে সংযুক্ত করতে হবে।

☝🏾রাখার পজিশন
🫴🏽বল পয়েন্ট কলমের কালি যেহেতু তুলনামূলক ঘন, তাই সেগুলোকে ৭৫ ডিগ্রি কোনে বা প্রদর্শনীর জন্য ৬০ ডিগ্রি কোণে রাখা যায়, যা অভিকর্ষের কারনে কালিকে নিবের স্পর্শে রাখে। এবং কলম যখন তখন ব্যাবহার করা যায়।
🫴🏽রোলার বল পেন এবং জেল পেনের কালী তুলনামূলক কম ঘন। তাই সে গুলোকে আবার দাঁড় করিয়ে রাখলে নিব দিয়ে কালি বের হয়ে যেতে পারে।তাই সেগুলোকে শুইয়ে রাখা যেতে পারে বা প্রদর্শনীর জন্য ৩০ ডিগ্রির মতো হেলিয়ে রাখা যেতে পারে।
🫴🏽ফাউন্টেন পেন গুলোকেও শুইয়ে বা প্রদর্শনীর জন্য ১৫ ডিগ্রিতে রাখা যেতে পারে। কিন্তু কালি শুকিয়ে গেলে তখন কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা যেতে পারে।
🫴🏽মার্কার কলম এবং ফেল্ট টিপ কলমগুলো শুইয়ে রাখা ভালো।
🫴🏽কখনোই কোন কলম উল্টো করে দাঁড় করিয়ে রাখা যাবেনা, যদিনা সেটা "তুলি"র মতো হয় এবং কোন ক্যাপ না থাকে।

এখানে আমি সংক্ষেপে যারা পেন সংগ্রহ  করেন বা করতে চান তাদের জন্য কিছু গাইডলাইন দিলাম। বিস্তারিত জানতে প্রশ্ন করতে পারেন।এগুলো আমার বইয়েও পাবেন।

যদি মনে করেন পোস্টটি কারো উপকারে লাগবে  তাহলে শেয়ার করতে পারেন।তবে গ্রুপের নাম মেনশন করতে ভুলবেন না।এভাবেই জ্ঞ্যান ছাড়ায়।


জুন ২১, ২০২৩

নোটের বিভিন্ন ধরনের ভাঁজ এবং তাদের তাৎপর্য সম্পর্কে ধারনা। [A general understanding about various kinds of folds on banknotes]

বিষয়: নোটে বিভিন্ন ধরনের ভাঁজ।
জানিনা কতজন নোটের বিভিন্ন ভাঁজ নিয়ে চিন্তা করবেন।ফরেনসিক সাইন্সে  বিভিন্নভাবে বিভিন্ন অর্থ আছে। কেবলমাত্র ধারনার জন্য একটি ছোট লিস্ট দিলাম। 
কোন নোটের/কাগজী আইটেমের অবস্থা বিবেচনায় সেই আইটেমে কি ধরনের ফোল্ড আছে তা দেখে সেটা বাজারে প্রচলিত কি না তা বুঝার চেষ্টা করা যায়।
এ বিষয় নিয়ে আগ্রহ থাকলে তবেই আমি বিস্তারিত লিখব। আর কোন ধরনের বৈশিষ্ট্য দেখে কিভাবে বুঝবেন তা ও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে কথা বলা যায়।
Corner Fold- It is often used as personal habit and identification mark.

Zigzag Fold- Often used to fit the note in small space. Such as in the Prison.

Pocket fold- Folds that are created for keeping the note in the pocket.

Wallet fold-Folds that are created for keeping the note in a folded wallet.

Counting  fold- Folds or wavey patterns  that are created from counting machine and hand counting.

Thread fold- Folds or wavey pattern that are created on a banknote due to It's security thread.

Transit fold- Folds that are originated because of careless packaging of banknotes. 

Crumpled Fold- Folds that are produced due to incorrect handling,Example: Beggar's bowl,Drug money etc.

Fan Fold- Happens during counting in a cash register,A series of parallel creases running across the width of the banknote is noticable.

Pinch Fold-Observe a distinct, sharp crease along one edge or corner of the banknote.

Tape Fold-This fold indicates that the bill has undergone some level of damage and repair. Irregular surface texture is a sign.

Crease Fold- Crease fold occurs when the banknote has been deliberately or accidentally folded in a way that creates a deep, prominent crease.Example: Ticket collection agents in some countries make this.

Ink Transfer Fold- This can occur when a banknote is folded and placed in close proximity to a surface with wet ink,Happen often a banknote is ironed while keeping on top of a newspaper or book.

Rolled Fold-Banknote is tightly rolled, usually for concealment or snorting. May leave a distinct cylindrical shape on the banknote along the length.

Water Fold-Water fold refers to the damage caused by exposure to water, resulting in the banknote becoming damp or wet.

Origami fold- Generally used as a form of art. Will have distinct geometrical pattern.

ইউরোপের টুরিস্ট স্পট গুলুতে দেখা কিছু অরিগেমি ফোল্ড (আর্ট)।

জুন ১০, ২০২৩

ব্যবসায়িক সময় এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহের পার্থক্য, কি সংগ্রহ করা যায় না [differentiation between personal collection and corporate collection ]

ব্যবসায়িক সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহের পার্থক্য। কি সংগ্রহ করা যায় না। 

ইলেকট্রিক ভেপ,জীবিত প্রানি, সিগারেট,বিভিন্ন মাদক,আগ্নেয়াস্ত্র, জীবাশ্ম, যুদ্ধযান, জ্বালানী, আতশবাজি, নিয়ন্ত্রিত পদার্থ সমূহ যেমন (বিষ, রাসায়নিক ইত্যাদি) সংগ্রহ ব্যাক্তিগত ভাবে করা প্রায় দূরহ।
এছাড়াও দুর্লভ বস্তু যেমন, দামি গাড়ি, দামি ঘড়ি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক  প্রত্নতাত্ত্বিক আগ্রহের বস্তু সমূহ যেমন ফসিল, উল্কাপিণ্ড ইত্যাদি সংগ্রহের মনস্তত্ত্ব তৈরি হওয়ার জন্য কেবলমাত্র সেই বস্তুর প্রতি ভালোবাসা বা আগ্রহ যথেষ্ট নয়। 
সকল ক্ষেত্রে অ্যাক্সেসিবিলিটি,এক্সপোজার, সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স, রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ইত্যাদি বাহ্যিক প্রভাবক সমূহ গুরুত্বপূর্ণ। 

এই ধরনের সংগ্রহের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক এবং পারিবারিক প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। যেমন কারো বাপ কাকার বন্দুক বা রাইফেল থেকে থাকলে,সন্তান যদি সংগ্রহ মনা হয়ে থাকে তাহলে, সেগুলো সংগ্রহের প্রভাব তৈরি হতেই পারে। কারণ ছোটবেলা থেকেই সেগুলোর উপর তার এক্সপোজার,ক্লিয়ারেন্স  এবং এক্সেস রয়েছে। 
উদাহরণ হিসেবে আমি এমন বেশ কয়েকজন ইলেকট্রিক সিগারেট বিক্রেতাকে চিনি যার কাছে হাজারো রকমের/ফ্লেভারের ভেপ রিফিল আছে। সেগুলো তাদের ব্যবসায়িক সংগ্রহ কেননা এখানকার আইন অনুসারে চাইলেই আপনি ক্যানাবিস,উত্তেজক সহ পণ্য রাখতে পারবেন না। কিন্তু ব্যবসায়িক ছাড়পত্রের সুবিধারাওতায় আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন ক্যানাবিস সংগ্রাহক, বা উত্তেজক ম্যাগাজিন সংগ্রহক,বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থের সংগ্রাহক, সিগারেট সংগ্রহক বা বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি সংগ্রহক। এই ধরনের "বিতর্কিত সংগ্রহ" সম্পর্কিত যতোজনের সাথেই আমি কথা বলেছি সবার ক্ষেত্রেই তিনটি ফ্যাক্টর কমন- এক্সেস,এক্সপোজার এবং ক্লিয়ারেন্স।