সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৫

Origin of the name of the currency "Pound"

 

"পাউন্ড" [Pound] শব্দটির উৎপত্তি রোমান লিব্রা [Libra] থেকে, যা ওজনের একক ছিল প্রায় 327.45 গ্রামের সমানসেই লিব্রা থেকে সংক্ষেপে  "lb" ব্যাবহার চলে আসছে, যা আজও ওজনের পাউন্ডের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রতীক। সেই পাউন্ডকে ১২ ভাগে ভাগ করা যেতো যা রোমান শব্দ উন্সিয়া [Uncia] থেকে কালক্রমে বর্তমান আউন্স [Ounce] শব্দের জন্ম দিয়েছে।

রোমান সাম্রাজ্য বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি এভাবে চলতে থাকে। ঐতিহাসিক রেকর্ড অনুযায়ী এই ওজন সময় ও স্থানের সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে। এবং

১২৬০-এর দশকে, ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় হেনরি এই পাউন্ড ওজনের নির্দিষ্টকরন নিয়ে একটি ফরমান জারি করেছিলেন যা "অ্যাভোয়ার্ডুপোইস স্ট্যাটিউট" [Avoirdupois Statute] নামে পরিচিত, এবং তা তৎকালীন “পাউন্ড” কে "অ্যাভয়র্ডুপোইস পাউন্ড" নামে প্রতিষ্ঠা করে। "অ্যাভয়ের্ডুপোইস" শব্দটি পুরানো ফ্রেঞ্চ থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "ওজনের পণ্য" বা "ওজন দ্বারা বিক্রি হওয়া পণ্য"। সেই অ্যাভোয়ার্ডুপোইস পাউন্ডের ওজন নির্ধারণ করা হয় ৭০০০ টি শস্য দানার ওজন পরিমান।যা মোটামুটিভাবে বর্তমান  ১৬ আউন্স বা ০.৪৫৩৫৯২৩৭ কিলোগ্রাম এর সমান দাঁড়ায়। এই অনুশাসনের লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডে ওজন পরিমাপের জন্য "পাউন্ড" শব্দটির ব্যবহারে সমতা আনা। এটি লক্ষণীয় যে মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডে অন্যান্য ধরণের পাউন্ড ও প্রচলিত ছিলো যেমন মূল্যবান ধাতু জন্য ট্রয় পাউন্ডতাই সেই পাউন্ড থেকে এই পাউন্ড কে আলাদা করার জন্য "অ্যাভয়র্ডুপোইস পাউন্ড " ফরমান হিসেবে জারি হয়।

১৪৮৯ সালে যখন হেনরি সপ্তম এর শাসনামলে, যখন প্রথম মুদ্রা তৈরি করা হয়েছিল, তখন ১ পাউন্ড কে ২৪০ পেনির সমান ধরা হয়। কেননা ১২ পেনি তে ১ শিলিং, এবং ২০ শিলিং এ ১ পাউন্ড। ফলে (১২x২০)=২৪০ পেনি তে ১ পাউন্ড নির্ধারণ হয়।

অতয়েব সংক্ষেপে বললে, ফেসভ্যালু (অর্থের) ১ পাউন্ডের সমান, ২৪০টি পেনি তৈরিতে যে পাউন্ড (ওজন)পরিমান রূপার ব্যাবহার হতো তার উপর ভিত্তি করে ইংল্যান্ডে "পাউন্ড" শব্দটি গৃহীত হয়েছিল। অতয়েব, এমন কোন বড় ওজনের ১ পাউন্ড সমান কোন টুকরা নেই


জুলাই ১৩, ২০১৫

সম্পদ নষ্ট হওয়ার ১০ টি প্রভাবকঃ

 সম্পদ নষ্ট হওয়ার ১০ টি প্রভাবকঃ

) জল

) আগুন এবং ধূয়া

) যত্নের অভাব

) পোকায় খাওায়া

) দূষণ

)তাপমাত্রা এবং আদ্রতা

) স্পর্শ করার বেকায়দা

8) আলো

) পানি

১০) চুরি/ হারানো

১১) রাষ্ট্রীয় বায়জ্যাপ্ত করণ

ইত্যাদি ,এই লিস্ট এখানেই শেষ না তবে পাঠকদের সুবিধার্থে বড় করলাম না তবে প্রশ্ন করলে উত্তর পাবেন,হতো আলাদা পোস্ট লাগতে পারে জীবনের সময় ও রিসোর্স উভয়ই সীমাবদ্ধ তাই যাই করুন বুঝে করুন হুযোগের তালে,যুগের স্রোতে গা ভাসাবেন না আপনি আজকে যা সংগ্রহ করছেন তাঁর ভবিষ্যত কি হতে পারে তা ভাবুন আলোচনা করুন

মে ২৬, ২০১৫

কেন এক এক দেশের মুদ্রার এক এক দাম হয়? কেনই বাঁ তা উঠা নামা করে?

 কেন এক এক দেশের মুদ্রার এক এক দাম হয়? কেনই বাঁ তা উঠা নামা করে?

অনেক অনেক কারনের মধ্যে আজকে কথা বলবে কেবল এক্সচেঞ্জ রেট নিয়ে এর তিনটি প্রধান ঘরানা আছে

Fiat money- সরকার দ্বারা ইস্যু করা অর্থ যা কোন সম্পদ দ্বারা নিরাপদ না এর মূল্য মানুষের সেই অর্থের উপর আস্থা থেকে নির্ধারিত হয় এদের আমরা সাধারণত কাগজী/পলিমার বাঁ ধাতব মূদ্রা হিসাবে দেখে থাকি

Representative money- প্রতিনিধী মূদ্রা, নাম যেমন তেমন,উধারন দিলেই বুঝে যাবেন- চেক, এগুলু সাধারনত বস্তু দ্বারা নিরাপদ করা হয়

 

পেগড বিনিময় রেট- কোন দেশের অরথনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখার জন্য অনেক সময় সেই দেশ তাঁদের মূদ্রা অন্য কোন অরথনৈতিক ভাবে স্থিতিশীল দেশের মুদ্রার সাথে তাঁদের বিনিময় রেট ফিক্সড করে দেয়, উদাহরনঃ কেম্বোডিয়ার মূদ্রা আমেরিকান মুদ্রার সাথে ৪০০০ঃ১ এ সেট করা অনেক কেরাবিয়ান দেশ,আফ্রিকার দেশ, এবং মধ্য প্রাচ্যের দেশ তাঁদের মূদ্রা আমেরিকান ডলার বাঁ ইউরোর সাথে পেগড করে রেখেছে যেমনঃ আরুবা,বারমুডা,ডিজিবুতি,জরডান,ওমান,কাতার,হং কং,কিউবা ইত্যাদি

ভাসমান বিনিময় রেট- দেশের সরকার, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা,চাহিদা এবং যোগানের, কর্ম হার,বিনিয়গের হার ইত্যাদি শত শত রকমের বিষয় বিবেচনার যে বিনিময় হার নির্ধারণ হয় তাকে ভাসমান এক্সচেঞ্জ বলা হয়

 

Hybrid exchange rate: সাধারনত দেশের মুদ্রা অন্য কোন মুদ্রার সাথে পেগড থাকে তবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বাঁ দেশীয় স্বার্থে সেই রেট এডজাস্ট করা হয়

এটা মনে রাখা প্রয়জোন যে আমরা যখন কোন চলতি মুদ্রা কিনি,তখন নিজের অজান্তেই সেই সিস্টেমের সাথে যুক্ত হয়ে যাই যেখানে আমরাও সেই মুদ্রার দামের উপর প্রাভাব ফেলি, আমরা কিনতে গিয়ে সেই মূদ্রার চাহিদা বাড়িয়ে দেই, তখন তাঁর দাম ও বেড়ে যায় যেমন কভিড এর সময় লোকজন মালায়সিয়া যায় ই আবার আসেও নিতাই আপনি যদি সেই মূদ্রা কিনতে যেতেন তাহলে দাম বেশি পড়তো এখন যেমন কিছু দিন আগে ব্রুনেই থেকে যাওয়া আসা বন্ধ ছিলো কারন ওয়ার্ক পারমিট দিচ্ছিলো না তাই কিনতে গেলে রেট বেশি পড়তো আর বেচতে গেলে কম এই ঘটনা প্রতিদিন বিভিন্ন কারনে বিভিন্ন দেশের মূদ্রার সাথে ঘটে চলেছে আর যারা সেই বাজার পুজি করে ব্যাবসা করা তাঁদের বলা হয় ফরেক্স ট্রেডার এবং স্বাভাবতই এই বাজারের নাম ফরেক্স ট্রেডিং (অন্য দিনের আলোচনা)

সারাংশঃ যখন কেউ কিনবে না তখন আপনি কিনলে হয়তো দাম কম পাবেন