জুলাই ২১, ২০২৩

এমআইসিআর ফন্ট [MICR font]

ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রিকগনিশন (MICR) এবং ফন্ট

সাধারণভাবে, ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি প্রায়ই চেকের নীচে রাউটিং নম্বর, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং চেক নম্বর এনকোড করতে MICR (ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রিকগনিশন) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই এনকোডিংটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট MICR ফন্ট ব্যবহার করে ছাপানো হয় যা কম্পিউটার সিস্টেম দ্বারা সহজেই সনাক্ত করা যায়।

এমআইসিআর ফন্ট হল একটি বিশেষ টাইপফেস যা মেশিন দিয়ে পড়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং চেকের তথ্যেকে অল্প সময়ে এবং সঠিক ভাবে পড়া নিশ্চিত করার জন্য এতে আলাদা আলাদা অক্ষর রয়েছে। এটি সাধারণত E-13B বা CMC-7 MICR নামক দুটি ফন্ট এর মধ্যে নির্দিষ্ট থাকে। এই ফন্টগুলি সাধারণত ব্যাঙ্কিংখাতে ব্যবহৃত হয় এবং স্ট্যান্ডার্ড ওয়ার্ড প্রসেসর বা গ্রাফিক ডিজাইন সফ্টওয়্যারগুলিতে পাওয়া যায় না

E-13B MICR ফন্ট: প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমেরিকান মান অনুসরণ করে এবং যুক্ত্ররাস্ট্র কে অনুসরন করে এমন অন্যান্য দেশে ব্যবহৃত হয়, E-13B ফন্টে সংখ্যা (-) এবং চারটি ইংরেজি বড়হাতের অক্ষর  সহ মোট ১৪ টি অক্ষর থাকে। E-13B ফন্টের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট আছে। বাংলাদেশের চেক গুলুতে standard MICR E-13B ফন্ট ব্যাবহার করা হয়।

CMC-7 MICR ফন্ট: ইউরোপীয় দেশগুলিতে জনপ্রিয়, CMC-7 ফন্টটি তার অক্ষর এবং ডিজাইনে E-13B থেকে আলাদা। এটিতে ১৫ টি অক্ষর রয়েছে, যার মধ্যে ১০ টি সংখ্যাসূচক সংখ্যা এবং সাতটি বিশেষ চিহ্ন রয়েছে।

MICR ফন্টের উৎপত্তি:

MICR ফন্টের বিকাশ বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন চেক প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১৯৫৬ সালে, আমেরিকান ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (ABA) স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SRI) এর সাথে সহযোগিতা করে ব্যাঙ্ক রাউটিং নম্বর এবং অ্যাকাউন্টের তথ্য এনকোড করার জন্য একটি আদর্শ ব্যবস্থা/ টাইপফেস তৈরি করে। যা মেশিন দ্বারা স্বীকৃত এবং কম্পিটার সিস্টেম দ্বারা সহজেই পড়া যায়।

জিম্বাবুয়ে ট্রাভেলার্স চেকের মধ্যে MICR ফন্ট:

২০০০ এর শেষের দিকে জিম্বাবুয়ের গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটের সময়, হাইপারইনফ্লেশনের কারনে মুদ্রা যখন প্রায় মূল্যহীন হয়ে গিয়েছিলো, তখন পর্যটক এবং দর্শনার্থীদের জন্য লেনদেনের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উপায় হিসাবে বিদেশী মুদ্রায় ভ্রমণকারীদের চেক ইস্যু করার প্রস্তাবনা আসেসেগুলিতে গিল্যেশে,মাইক্রপ্রিন্ট এবং এমআইসিআর ফন্টের ব্যবহার সহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা উপাদানগুলি সংযুক্ত করা হয়৷ জিম্বাবুয়ে ভ্রমণকারীদের চেকগুলিতে ব্যবহৃত এমআইসিআর ফন্টটি Strict E-13B ফন্ট স্পেসিফিকেশন অনুসরণ করে বসানো হয় ৷ এর মধ্যে ১০ টি বিশেষভাবে ডিজাইন করা সংখ্যা ( থেকে ) এবং টি বিশেষ চিহ্ন রয়েছে।

 


জুলাই ২০, ২০২৩

Meaning of the word "Modern" in terms of banknote. নোটাফিলিতে "আধুনিক" শব্দটির ব্যাখ্যা।

বিভিন্ন সংগ্রাহককে জিজ্ঞাসা করলে তাদের আলাদা আলাদা আদর্শ,ধ্যান ধারনা এবং প্র‍্যাক্টিস এর উপর নির্ভর করে আধুনিক নোট/আইটেম এর আলাদা আলাদা সংজ্ঞা পাওয়া যাবে।
এখানে আমি কয়েকটি প্রচলিত ধারনার রূপরেখা দেওয়ার চেষ্টা করছি,এর মধ্যে এক বা একাধিক শর্ত প্রযোজ্য হলে কোন না কোন স্কুল অফ থটের আওতায় তা আধুনিক নোট/আইটেম হিসেবে ধরা হচ্ছে।  লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে সাধারনত বিভিন্ন ঐতিহাসিক বা প্রযুক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করার পরই কেবল কোন আইটেম কে আধুনিক আইটেম বলা হচ্ছে। তাই একে সূক্ষ ভাবে হয়তো কেউ ই দিন তারিখে নির্দিষ্ট করে বলতে পারবে না,তবে

আধুনিক
🤘দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পরে বের হওয়া
🤘সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড্ স্বয়ংক্রিয় মেশিনে তৈরি হওয়া
🤘হাতে লেখা নোট গুলুর পরবর্তী জেনারেশন যখন থেকে নোটে পোট্রেট দেখা যায়।
🤘যখন থেকে প্রতিটি দেশ এক যোগে এক বা একাধিক নিরাপত্তা ফিচার কমন ভাবে তাদের নোটে ব্যাবহার শুরু করে (যেমনঃনিরাপত্তা সূতার+UV , হলোগ্রাম ইত্যাদি).
🤘১০০ বছরের কম পুরোনো
🤘পিক ক্যাটালগের "মর্ডান " সংস্করণে প্রকাশিত বিধায়
🤘পলিমার প্রচলনের সময়কাল থেকে
🤟হয়তো হাতে আঁকা মোটিফের বদলে যখন কম্পিউটারাইজড মাটিফ আসে
🤟হয়তো যখন মেলামাইন এবং ক্লে প্রলেপ দেয়া সাবস্ট্রেট ব্যাবহার বন্ধ হয়
🤟হয়তো যখন ব্যাংক নোটে এক রঙের বদলে বিভিন্ন রংয়ের মটিফ মুদ্রন ধুরু হয়
🤟হয়তো যখন থেকে নোটে পোট্রেইট ব্যাবহার শুরু হয়
বিশ্বের সবগুলো দেশ যখন স্বতন্ত্র ভাবে,পরস্পরের সাথে একটি আপেক্ষিক সাম্যবস্থায় চলে আসে (যেমনঃ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাংার পর,দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর).
২০০০ সালের পর থেকে
🤟যখন থেকে ক্যালিগ্রাফি স্ক্রিপ্ট ব্যাংকনোটের প্রধান নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবে আর প্রয়োজন হয়না

অতএব ক্রাইটেরিয়া গুলো যেত আপেক্ষিক তাই এটা কোন বড় সমস্যা না, এ এর মধ্যে আপনি কোন গ্রুপে পড়েন। হওয়ার বিষয় হচ্ছে এটা যে আপনি যে সংগ্রহ করছেন তা কোন নির্দিষ্ট গ্রুপে জেনে সংগ্রহ করছেন তো?

এই নিয়ে আমি ওরারিকশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরো তিনটি লেকচার দিয়েছি।তাদের পাঠ্যক্রম থেকে নিবন্ধিত স্টুডেন্ট হলে বিস্তারিত ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

জুলাই ১৮, ২০২৩

emergency issue banknote of Bangladesh (2 Taka and 5 Taka).বাংলাদেশের ২ টাকা এবং ৫ টাকা ইমারজেন্সি ইস্যু।

ইমারজেন্সি ইস্যু হিসাবে সাধারণত "নোটগেল্ড" নাম জানা হয়। যেটা রাজনৈতিক অর্থনৈতিক আপদকালীন সময়ের জন্য ইস্যু করা হয়/হয়েছিল। (এটা নিয়ে আলাদা আর্টিকেল আছে) । 
তবে যেখানে বাংলাদেশের "তথাকথিত ভাবে প্রচলিত  ইমারজেন্সি ইস্যু নোট" নিয়ে প্রশ্ন আসে- সেটার উত্তরে আমার উক্তি হচ্ছে- সরকারিভাবে বা বেসরকারিভাবে এমন কোথাও কোন রিপোর্ট আসেনি যে দেশের কোন আপদকালীন সময়ের জন্য আলাদা কাগজে বা আলাদা নিরাপত্তা সূতা দিয়ে কোন নোট বের করা হয়েছিল। অতয়েব এই টার্মটা সম্পূর্ণই অজ্ঞানতা থেকে উঠে এসেছে। জ্ঞানের অভাবের কারণে হয়তো কোথাও কোন একদিন একজন বলেছিল যে এটার নিপাপত্তা সুতা যেহেতু আলাদা; অতএব এটা নিশ্চয়ই অন্য নোটের কাগজে ছাপানো। সেই গুজব থেকে এই সম্পূর্ণ শব্দ টি বাংলার সংগ্রাহকদের মনে দানা বেধেছে। যা আমার জানামতে ভিত্তিহীন। 
এজন্যই আমি প্রায়শই বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সূতা,জলছাপ, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি  নিয়ে লেখালেখি পোস্ট করি।

আলাদা দাম হওয়ার কারণ হচ্ছে, সীমিত সময়ের জন্য সীমিত সংখ্যায় দেখা গিয়েছে। কারন সেগুলো পরীক্ষামূলক প্রযুক্তির মুদ্রণ বলতে পারেন। সেটা হতে পারে খরচের জন্য অথবা তারা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি পরবর্তীতে কন্টিনিউ করার।(বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার পরিবর্তে ডিম্যাটালাইজড নিরাপত্তা ফয়েল)।
 প্রথম কথা -সেগুলু ইমারজেন্সি ইসু নয়। বলতে পারেন ভ্যারিয়েশন। কেবল নাম দিয়েছে এরকম কারন নামকরনের সময় হয়তো এটা নিয়ে কেউ প্রতিবাদ বা উচ্চবাচ্য করে নি। তাই আপনি এটা জানার পরের এটাকে এই নামে ডাকা শোভা পায় না। 
 দ্বিতীয় কথা- অন্যান্য দুই টাকা এবং ৫ টাকার নোটের তুলনায় এগুলোর নিরাপত্তা *সুতা আলাদা। আরো স্পেসিফিকলি বললে সেগুলোতে নিরাপত্তা সুতার বদলে নিরাপত্তা ফয়েল ব্যবহার করা হয়েছে।অর্থাৎ সিকিউরিটি থ্রেড দেখলেই প্রাথমিক ভাবে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।সিকিউরিটি ফয়েল সাধারণত সিকিউরিটি থ্রেড থেকে মোটা হয় তাই একে অনেকে মোটাসুতা বলেও বিক্রি করে।এখানে কোন কোম্পানির কোন প্রযুক্তি ব্যাবহার হয়েছে তা নিয়ে আলাদা পোস্ট আছে। বিস্তারিত জানতে সেগুলো পড়তে পারেন। 

জুলাই ১৪, ২০২৩

Bonds {প্রাইজবন্ড}: Prize Bonds

Bonds {প্রাইজবন্ড}:  Prize Bonds
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন ধরনের বন্ড সংগ্রহের মধ্যে প্রাইজ বন্ড সংগ্রহ এবং বিনিয়োগ বেশ উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এটি নিউমেস্মেটিকস ঘরানার স্ক্রিপ্টোফিলি বিভাগের [Scripophily]র   অন্তর্ভুক্ত। যেখানে Scripophily ইংরেজি শব্দ "scrip", যার অর্থ একটি মালিকানা অধিকার, এবং গ্রীক শব্দ philos, যার অর্থ "ভালবাসা" একত্রিত হয়।  Scripophily হল একটি শখ যা স্টক সার্টিফিকেট, বন্ড সার্টিফিকেট এবং একই ধরনের আর্থিক উপকরণ সংগ্রহ করা তাদের ঐতিহাসিক মূল্য এবং বিরলতার জন্য।

ব্যাংক নোটের মতো প্রাইজবন্ড ও একটি financial instrument. বাংলাদেশের প্রাইজবন্ডগুলো এর কোন সুদ প্রদান করা হয় না তবে যেহেতু এটি একটি সরকারী ভাবে জনগন থেকে টাকা তোলার মাধ্যম তাই বিশেষ করে রাষ্ট্র প্রধানের (রাষ্ট্রপতির) পক্ষ থেকে আর্থিক বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার রোমাঞ্চের একটি উত্তেজনাপূর্ণ মিশ্রণ অফার করে৷ বিভিন্ন দেশেই প্রাইজবন্ড বা এর মত অন্যান্য ধরনের বন্ড এর প্রচলন আছে। সহজ কথায় বলতে একটি দেশ বা প্রতিষ্ঠানের জনগণের থেকে নেয়া ঋণ বলতে পারেন।

 উদ্দেশ্য এবং ইস্যুকরণ: প্রাইজ বন্ডগুলি সরকার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি তহবিল তৈরির উপায় হিসাবে জারি করে।  তারা একটি দ্বৈত উদ্দেশ্য পরিবেশন করে: অংশগ্রহণকারীদের মূল্যবান পুরস্কার জেতার সুযোগ প্রদান করার সাথে সাথে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।  দেশভেদে এই পুরস্কারগুলির মধ্যে প্রায়ই নগদ পুরষ্কার, বিলাসবহুল আইটেম বা এমনকি সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

 ব্যাঙ্কনোট থেকে পার্থক্য: প্রাইজ বন্ড এবং ব্যাঙ্কনোটের মধ্যে প্রাথমিক পার্থক্য তাদের উদ্দেশ্য এবং কার্যকারিতার মধ্যে নিহিত।  ব্যাঙ্কনোটগুলি লেনদেনের জন্য আইনি দরপত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং একটি নির্দিষ্ট দেশের মুদ্রার প্রতিনিধিত্ব করে।  অন্যদিকে, প্রাইজ বন্ড বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে না বরং পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা সহ একটি বিনিয়োগের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।  প্রাইজ বন্ড ধারীরা পর্যায়ক্রমিক ড্রতে অংশগ্রহণ করে, যেখানে তাদের বন্ড নম্বরগুলি লটারির মতো সিস্টেমে প্রবেশ করানো হয়। ব্যাংক নোটের ক্ষেত্রে যেখানে কোন কোন নাম্বারের নোট বাজারে আছে তার কোন রেকর্ড থাকে না, কিন্তু প্রাইজবন্ডের দিক থেকে কেবলমাত্র বিকৃত প্রাইজবন্ডগুলোর নাম্বার থেকেই লটারির ড্র হয়।

 প্রচলন প্রক্রিয়া: প্রাইজ বন্ড সাধারণত অনুমোদিত এজেন্ট বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিক্রি হয়। আপনার আমার মত   বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন মূল্যের বন্ড ক্রয় করে এবং ব্যাংক নোটের মত প্রতিটি বন্ডকে একটি সিরিয়াল নাম্বার দিয়ে শনাক্তকরণ করা যায়।  এই সংখ্যাগুলি তারপর একটি ড্রতে প্রবেশ করা হয়, যার ফলাফল নিয়মিত প্রকাশিত হয়।  
 ব্যাংক নোট সংগ্রহের সাথে তুলনা করলে এটি একটি তুলনামূলক নিরাপদ সঞ্চয় বা বিনিয়োগের মাধ্যম। কারণ কমপক্ষে এই মাধ্যমে আপনি একটি লটারির ড্র তে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, আর অন্যদিকে আপনার সংগ্রহও এগিয়ে চলছে। তবে অন্যদিকে ব্যাংক নোটের নানান ডিজাইন,মোটিফ  এবং সিকিউরিটি ফিচার বেশিরভাগ সময়কের মনেই আলোড়ন জাগায়। যা সাধারণত বন্ডে দেখা যায় না।
 
 প্রাইজ বন্ডের সুবিধা: 
 ক.  বিনিয়োগের সম্ভাবনা: প্রাইজ বন্ডগুলি যথেষ্ট পুরষ্কার জেতার সম্ভাবনা অফার করে, যা আর্থিক লাভ এবং উত্তেজনা উভয়ের জন্যই এগুলিকে একটি লোভনীয় বিনিয়োগের বিকল্প হিসাবে দেখা হয়৷  
 খ.  নিরাপত্তা: প্রাইজ বন্ডগুলি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান/দেশ দ্বারা সমর্থিত, যা বিনিয়োগকারীদের তাদের বিনিয়োগে নিরাপত্তা এবং আস্থার অনুভূতি প্রদান করে।  
 গ.  তারল্য: অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের বিপরীতে, প্রাইজ বন্ড যে কোনো সময় তাদের গায়ের মূল্যের/ফেস ভ্যালুতে ভাংঙ্গানো যেতে পারে, যা বন্ডের সংগ্রাহক এবং ব্যাবহারকারীদের জন্য তারল্য নিশ্চিত করে।
ঘ. সরকার এভাবে জনগণ থেকে ফান্ড সংগ্রহ করতে পারে দেশের কোন কাজের জন্য।  
ঙ. সকল অর্থ সামাজিক অবস্থার জনগনই এই ধরনের বিনিয়োগে সহজ ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। যা ব্যাংক নোটের দ্বারা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। কারণ অনেকেরই খরচ করার প্রবণতা সঞ্চয়ের প্রবণতা থেকে প্রবল। 

 প্রাইজ বন্ডের অসুবিধা: 
 ক.  জেতার সম্ভাবনা: প্রচুর সংখ্যক বন্ডহোল্ডার এবং ড্রয়ের এলোমেলো প্রকৃতির কারণে একটি পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা কম হতে পারে।  কিছু অংশগ্রহণকারী কখনও পুরস্কার জিততে পারে না।  
 খ.  কোনো সুদ নেই: প্রথাগত বিনিয়োগ বাহন যেমন স্থায়ী আমানত বা বন্ডের বিপরীতে, প্রাইজ বন্ড সুদ প্রদান করে না।ফলে দেশের বাজারে অর্থের মূল্যমান কমার সাথে সাথে বন্ডের মূল্যমান ও কমতে থাকে।

আমরা অনেক সময় দেখেছি যে বিয়ে বা জন্মদিনের  গিফট হিসাবেও প্রাইজবন্ডের ব্যবহার হয়েছে। অনেক সময় ই এটিকে একটি তুলনামূলক নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের মাধ্যমিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কারণ চাইলেই এটিকে দোকানে নিয়ে খরচ করা যায় না। ব্যাংকে নিয়ে যেতে হয়। 
ব্যাংক নোট সংগ্রাহকদের মতোই, প্রাইজবন্ড সংগ্রহরাও গভর্নরের স্বাক্ষর, প্রিফিক্স, বিশেষ নাম্বার, অবস্থা, বয়স,ঐতিহাসিক গুরুত্ব  ইত্যাদির ভিত্তিতে কে প্রাইজবন্ডকে মূল্যায়ন করেন। প্রাইজ বন্ডে একটি সিরিয়াল নাম্বার থাকবে, স্বাক্ষর থাকবে, ইসুকৃত ব্যাংকের স্ট্যাম্প থাকবে,কোন এক্সপায়ারি ডেট থাকবে না ।
প্রাইজবন্ড ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের বন্ড হয়ে থাকে যা অনেকে সংগ্রহ করে। যেমন :
Government Bonds
Corporate Bonds
Municipal Bonds
Treasury Bonds
Savings Bonds
Convertible Bonds
High-Yield Bonds (Junk Bonds)
Mortgage-Backed Securities (MBS)
Foreign Bonds
Zero-Coupon Bonds

জুলাই ০৬, ২০২৩

রিপিটার নাম্বার [Repeater number ]

রিপিটার নাম্বার [Repeater number ]

অন্যান্য সংগ্রযোগ্য সিরিয়াল নাম্বার গুলুর মধ্যে রিপিটার তুলনামূলক নিন্মস্তরের।

রিপিটার নাম্বার হওয়ার জন্য কিছু শর্ত আছে এর সাথে কিছু কমনসেন্স । যেমনঃ


👍🏽সম্পূর্ণ সিকোয়েন্সি/cycle  কমপক্ষে দুইবার রিপিট হতে হবে।

👍🏽একটি সিকোয়েন্স/cycle  পূর্ণ হতে কমপক্ষে দুইটি সংখ্যা আবশ্যক।

👍🏽সিরিয়াল নাম্বারটি কত বড় তার ওপর নির্ভর করে, এক একটি সিকোয়েন্স/cycle  ২, ৩, ৪ বা ৫ ডিজিটের হতে পারে। তবে সংগ্রাহকদের মধ্যে; অন্যান্য রিপিটার গুলোর মধ্যে  "২ ডিজিটের সম্পূর্ণ রিপিটার" সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত। কারণ একটি প্রিফিক্সের মধ্যে অন্যান্য ধরনের রিপিটারে তুলনায় এটি সবচেয়ে কম থাকে।

👍🏽সম্পূর্ণ সিরিয়াল নাম্বারটি কমপক্ষে ৬টি সংখ্যার হতে হবে।

👍🏽রিপিট সিকোয়েন্স/cycle গুলো গুলো পাশাপাশি/পরপর থাকতে হবে অর্থাৎ মাঝখানে অন্য কোন নাম্বার থাকতে পারবে না। 

👍🏽বাজারে থাকা রিপিটার নাম্বার গুলোকে আমি তিনটি সাধারণভাবে ভাগ করা করেছি।পূর্ণাঙ্গ রিপিটার, অপূর্ণাঙ্গ রিপিটার এবং  অসম্পূর্ণ রিপিটার। তবে তা বর্তমানে গ্রেডিং স্ট্যান্ডার্ডে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই কেবল পূর্ণাঙ্গ এবং অপূর্ণাঙ্গ রিপিটার গুলোকে একটি একক নামে ডাকা হয় "রিপিটার" হিসাবে। তবে অনেক নব্য গ্রাহকদের কাছে  ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ রুপিটার ব্যক্তিবিশেষে মর্যাদা পায়। আমি এর বিপক্ষে।

👍🏽পূনার্ঙ্গ রিপিটারঃ যেখানে একটি সিরিয়াল নাম্বারে; রিপিটার সিকোয়েন্স/cycle  গুলো পুরোপুরি থাকবে(কেবল জোড় অংকের বা ৬,৮,১০,১২ সংখ্যার সিরিয়াল নাম্বারেই তা সম্ভব)। এটা সর্বোৎকৃষ্ট মনের। 

অপূর্ণাঙ্গ রিপিটারঃ কমপক্ষে দুটি সিকোয়েন্সের পর থেকে পরবর্তী সিকোয়েন্স/cycle  টি যদি পূর্নাঙ্গতা না পায়। এটা কিছুটা নিম্নমানের। তাই কোথাও গ্রহণযোগ্য কোথাও গ্রহণযোগ্য নয়।   

অসম্পূর্ণ রিপিটারঃ যদি প্রথম দুটি সিকোয়েন্স/cycle  রিপিট হওয়ার পর পরবর্তী নাম্বার গুলো আর আগের সিকোয়েন্সের সাথে মিল না থাকে। এই কারণে অনেক ক্ষেত্রেই এগুলোকে রিপিটার হিসেবে ধরা হয় না অথবা নিম্নমানের রিপিটার মনে করা হয়।আমিও এই একই মত।

👍🏽রাডার হওয়ার ভিত্তিতে রিপিটার নাম্বার আবার দুই রকম হতে পারে। রাডার রিপিটার এবং নন-রাডার রিপিটার।এছাড়াও তাত্ত্বিকভাবে  "সলিড রিপিটার" টার্ম টি তৈরি করা যায়,কিন্তু চাহিদা এবং নান্দনিকতার  ভিত্তিতে "সলিড" এর স্থান "রিপিটার" এর থেকে অনেক উপরে হওয়ার তখন "সলিড" আখ্যা টি ই প্রাধান্য পায়। এছাড়াও অনেকে বাইনারি রিপিটার টার্ম টি ব্যাবহার করে।

👍🏽যেখানে সিরিয়াল নাম্বারটি বেজোড় অংকের অর্থাৎ (৭,৯,১১ সংখ্যার) সেখানে কেবলমাত্র নিচের কম্বিনেশন গুলোতে রিপিটার নাম্বার হতে পারে।(এখানে 'X' পজিশনে সিকোয়েন্স এর বাইরের যেকোনো নাম্বার বোঝানো হচ্ছে )।আর আপনার কাছে থাকা নোটটির সিরিয়াল নাম্বার যাচাই করার জন্য আপনি "A","B","C","D" এর স্থানে আপনার নোটের নাম্বার টি বসিয়ে নিজেই চেক করে নিতে পারেন। এগুলো যে ক্রমিক হতেই হবে এমন কোন শর্ত নেই। 

 ৭ সংখ্যার সিরিয়ালের ক্ষেত্রে-

ABCABCX ( ধারনা করার চেষ্টা করুন)

ABABABX ( ধারনা করার চেষ্টা করুন)

ABCDABC (প্রতি ১০ লাখে ৯৯০০ টি নোট)

ABCABCA (প্রতি ১০ লাখে ৯৯০ টি নোট )

ABABABA (প্রতি ১০ লাখে ৯০ টি নোট)

৯ সংখ্যার সিরিয়ালের ক্ষেত্রে-

ABCABCABC

ABABABABA

ABCDABCDA

ABCDABCDX

১১ সংখ্যার সিরিয়ালের ক্ষেত্রে-

ABCDABCDAB

ABCABCABCA

ABABABABAB

ABCDABCDXX

ABCABCABCX

ABABABABAX

তবে অধিকাংশ সংগ্রাহকের কাছেই "X" (সিকোয়েন্স বহির্ভূত)  নাম্বার সহ সিরিয়াল নাম্বার গুলো রিপিটার হিসেবে গণ্য হয় না, অথবা নিম্নমানের রিপিটার ধরা হয় যা কদাচিৎই আইটেমের দামের উপর প্রিমিয়াম নিয়ে আসে। 

উল্লেখ্য যে কোন কোন বইয়ে প্রথম শর্তটি (সম্পূর্ণ সিকোয়েন্সটির কমপক্ষে দুইবার পুনরাবৃত্তি) অগ্রাহ্য করা হয়েছে। যদিও আমি এর যুক্তিসঙ্গত  বিরোধ করি। অর্থাৎ আমার হিসাবে আরও গভীর শ্রেণীকরন না করা হলে;   ৪ সংখ্যার সিকোয়েন্সের (ABCDABC) রিপিটার হওয়ারও জন্য যথেষ্ট যোগ্যতা রাখে না। কারণ সর্বোপরি মানুষ এই ধরনের বিশেষ নাম্বার অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে সংগ্রহ করে কেবল দৃষ্টি দৃষ্টিনান্দনিকতার জন্য। আর সম্পূর্ণ নাম্বারটি পুনরাবৃত্তি/repeat না হলে সেই প্রাথমিক  উদ্দেশ্যই ক্ষুন্ন হয়।


জুলাই ০৪, ২০২৩

ল্যামিনেশন এবং এনক্যাপুলেশনে এর পার্থক্য এবং তাৎপর্য।[Differentiation between Lamination and Encapsulation]

 ল্যামিনেশন এবং এনক্যাপুলেশনে এর পার্থক্য এবং তাৎপর্য।[Differentiation between lamination and encapsulation].

☝🏾☝🏾LAMINATION☝🏾☝🏾
ল্যামিনেশন হল তাপ এবং আঠা ব্যবহার করে দুটি প্লাস্টিক ফিল্মের স্তরের মধ্যে একটি কাগজ/নোট বা ফটোগ্রাফ সিল করার প্রক্রিয়া। যদিও আপাত দৃষ্টিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার একটি কার্যকর উপায় হতে পারে, তবে ল্যামিনেশন সংগ্রহযোগ্য ব্যাঙ্কনোট এবং ফটোগ্রাফগুলিতে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। কারন যখন একটি নোট বা ফটোগ্রাফ ল্যামিনেশন করা হয়, তখন প্রক্রিয়াটিতে ব্যবহৃত অ্যাসিডিক আঠা কাগজের তন্তুগুলির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং সময়ের সাথে সাথে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি করতে পারে। ল্যামিনেশনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ফিল্মটিও আধা-স্থায়ী, যদি কোন দিন আইটেমটিকে বাইরে বের করার চেষ্টা করা হয় তাহলে আইটেমের আরও ক্ষতি না করে এই কাজ টি করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। সংগ্রহযোগ্য ফটোগ্রাফ,নথি,ব্যাঙ্কনোটের জন্য, ল্যামিনেশন উল্লেখযোগ্যভাবে তাদের মূল্য হ্রাস করতে পারে কারণ এটি তাদের আসল অবস্থা এবং চেহারা পরিবর্তন করে এবং অপরিবর্তনীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে। । ব্যাঙ্কনোট,ছবি,নথি ইত্যাদিসংগ্রাহকরা দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণের জন্য আইটেম গুলি ; রাসায়নিক ভাবে নিষ্ক্রিয় স্থানে রাখতে পছন্দ করেন, যেগুলি এমন উপাদান থেকে তৈরি যা কাগজের সাথে বিক্রিয়া করবে না, যেমন অ্যাসিড-মুক্ত কাগজ, মাইলার বা পলিয়েস্টার।
অন্য দিকে,
☝🏾☝🏾Encapsulation☝🏾☝🏾 বা রূপান্তর বাঁ গুন সংযোজিত আবদ্ধিকরন। সংগ্রাহকদের ভাষায় কাগজপত্র এবং অন্যান্য সংগ্রাহক সামগ্রী যখন কোন গ্রেডিং কোম্পানি বা যথাযথ দক্ষতার মাধ্যমে একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরনী; যা নোটের ক্ষেত্রে সাধারণত স্বচ্ছ পলিয়েস্টার ফিল্মের দুটি শীটের মধ্যে বাঁ কয়েনের ক্ষেত্রে একধরনের প্লাস্টিকের বক্সে আইটেমটি স্থাপন করার মাধ্যমে হয়। পরবর্তীতে আবরণীটির সমস্ত প্রান্তের চারপাশে সনিক সিল করা হয়। বস্তুটি এইভাবে বাহ্যিক পরিবেশ,রাসায়নিক পদার্থ, হাতের ময়লা, ধূলা ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত থাকে।
যদিও একটি ক্যাপসুলেরও ক্রমাগত অবনতি হতে পারে। বস্তুটি পলিয়েস্টারের সাথে আঠা দিয়ে লেগে না থাকার কারণে, এটি পলিয়েস্টারের এক বা একাধিক প্রান্ত কেটে বের করা যেতে পারে। যদিও সেটা সংরক্ষনের দৃষ্টিকোণ থেকে ভালো সিদ্ধান্ত হবে না।
একে কখোনোই ল্যামিনেশনের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিৎ না। কারন ল্যামিনেশনে বস্তুটি তার আবরনীর সাথে আঠাদিয়ে লেগে থাকে,যেখানে আবরনী এবং আঠা কোনটি ই আইটেমের জন্য দীর্ঘকালীন ভাবে উপকারী নয়।




জুলাই ০২, ২০২৩

ছোট/বড় সিরিয়াল।ছোট/বড় নাম্বার [Establishing a Scientific Benchmark for Low Serial Numbers in Banknote]

 

কোন সিরিয়াল নাম্বারকে ছোট/বড় ধরার বিষয়টি অনেক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়। তার প্রধান কয়েকটি মেথড হচ্ছে Percentage of total, Last/First prefix, Last/First thousands, Limited edition, Numerical threshold ইত্যাদি।

সকল ইস্যুকৃত নোটের শতকরা হার [Percentage of total]- যা ক্ষেত্র বিশেষে ১%/৫%/১০% ধরে বাঁ প্রথম/শেষ দিকের প্রিফিক্স গুলু ধরে করা যায়। এই মেথড বিশেষ করে পুরনো সিরিজের নোটের ক্ষেত্রে বেশি ব্যাবহার কার্যকারী।

প্রথম এবং শেষ প্রিফিক্স [Last/First prefix]- এখানে প্রথম এবং শেষ বের হওয়া প্রিফিক্সের সকল নাম্বারকেই যথাক্রমে ছোট বাঁ বড় ধারা যায়।

প্রথম শেষ হাজার বাঁ ১০ বান্ডেল (১ ব্রিক) নোট [Last/First thousands] এখানে কোন প্রিফিক্স বাঁ ডিনমিনেশনের প্রথম এবং শেষ ব্রিক (১০ বান্ডেলের) সকল নোট কে ই প্রধান্য দিয়ে তাদের যথাক্রমে ছোট বড় গন্য করা যায়।

সীমিত সংখ্যায় বের হওয়া [Limited edition] প্রায় সকল স্মারক নোট ই সীমিত সংখ্যার বের হয়। তাই বস্তুগত ভাবে সেগুলুর সিরিয়াল নাম্বারের গন্ডিঅ সীমিত। তবে যেখানে কয়েক শ, কয়েক হাজার পিস বাঁ কয়েক লাখ পিস নোটই বের হয়,সেখানে আপেক্ষিকতা বিচারে সকল নাম্বার ই ছোট। আবার কখনো কখনো এটা লিমিটেড এডিশন স্বীকৃতসহই হয়তো আলাদা ফোল্ডারে বের করা হয়। সেগুলুকেও ছোট নাম্বার ধরাটা যুক্তি সঙ্গত।

সংখ্যাতাত্বিক ভাবে [Numerical threshold] এখানে যে কোন প্রিফিক্সের প্রথম এবং শেষ ১০০ থেকে ১০০০ নাম্বারকে যথাক্রমে ছোট এবং বড় ধরা যায়।

এখন আসি আমার যুক্তিতেঃ বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ বিলিয়ন পিস নোট বের হয়। প্রতি প্রিফিক্সে ১ মিলিয়ন নোট থাকে। যা তাত্বিক ভাবে সকল ডিনমিনেশন মিলিয়ে প্রায় ১০০ টি প্রিফিক্স জন্মদেয়। ফলে প্রতি প্রিফিক্সের প্রথম ১০০০টি নোটকেও যদি ছোট সংখ্যা ধরা হয় তাহলে তা প্রতি বছর বের হওয়ার নোটের ০.০১% যা প্রায় ১০০০০০(১ লাখ) নোট/প্রতি বছর। বাংলাদেশের জনসংখ্যার (১৭ কোটি হিসেবে) প্রতি ১ হাজার মানুষের কাছে ১টি করে নোট থাকলেও তাদের মধ্যে সম্মিলিত ভাবে প্রায় ৬ টি ছোট নাম্বারের নোট পাওয়া যাওয়ার সভাবনা আছে। বাঁ দশ বান্ডিল ঘাটলে প্রায় ৬টি ছোট নাম্বারের নোট পাবেন।এই কারনে আমি মনে করি না যে কোন আইটেম যদি বছরে ১ লাখ পিস বের হয় তাহলে তার কোন বিশেষত্ব আছে আর আমার অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সেটা সংগ্রহ করতে হবে।

এবার আসি আমার মতামতেঃ মি প্রিফিক্সের প্রথম/শেষ ১০/১০০ টি নোটে ছোট ক্রমিক সংখ্যা গন্য করার পক্ষে।, যা মোট মিন্টেজের ০.০০০১%-০.০০১% । এছাড়া, খুব ছোট ক্রমিক সংখ্যা বলতে ০.০০০০১%-০.০০০১% এর মধ্যে সীমা পরামর্শ দিই। যা আপাতত দৃষ্টিতে প্রথম/শেষ ১০টি বাঁ প্রথম বান্ডেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।