আগস্ট ৩০, ২০২২

ক্যাটালগবদ্ধ করন এর গুরুত্ব। ( Cataloging items and their significance. Part-1)

বিষয়ঃ আইটেম হাতে পাওয়ার পর কি কি করা যায়।
(ধাপঃ ক্যাটালগবদ্ধ করন পর্ব-১)

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যে একজন সংগ্রাহক (যারা নোট সংগ্রহ করেন তাদের নিয়ে উদাহরণ।) শুধু একটি আইটেম নিজস্ব সংগ্রহে এনেই যে ক্ষ্যান্ত হয়ে যায় না।
🏳️‍🌈সেটি র প্যাকেট খোলা থাকে শুরু করে, গননা,প্রকৃতত্ব যাচাই, প্রশংসা করা, গর্ব বোধ করা, আনন্দ শেয়ার করা,যথাযথ ভাবে এ্যলবামে সাজানো, ক্যটালগবদ্ধ করন এবং পরবর্তী অন্বেষণে বের হওয়া একটি আনুষ্ঠানিকতার মতো বিধি যা হয়তো আমার মতো অনেকেই করে থাকেন। কারো কারো জন্য ধাপ কম বেশী হতে পারে।  🏳️‍🌈

💥ক্যাটালগবদ্ধ করা কেনো জরুরি?
আপনি কোন পথে কতোটা এগুতে পেরেছেন এবং কতো টা বাকি আছে তা বুঝার জন্য আপনার একটা ক্যাটালগ থাকতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। এখন সেই ক্যাটালগ আপনার নিজের তৈরি করা থিম নিয়ে হতে পারে অথবা ইতিমধ্যে করা অন্যের স্বিকৃত বা জনপ্রিয় কোন ক্যাটালগ আপনি অনুসরণ করতে পারেন। *সংগ্রাহক মানে আপনার একটা ক্যাটালগ থাকবেই।

💥আপনি যেগুলু কে এতো গুরুত্ব দিচ্ছেন তা কেনো দিচ্ছেন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে আপনার ক্যাটালগে। ক্যাটালগ ছাড়া এগিয়ে যাওয়া অন্ধকারে অন্ধের অভিজানের মতো। আপনি ছাড়া আপনার সংগ্রহের গুরুত্ব কেউ ই বুঝবে না। আর এক সময় আপনি নিজেও না বুঝতে পারেন যে কেনো সেই সময় আপনি এভাবে ভেবে এরকম ভাবে করেছেন। তাই আপনাকে কমপক্ষে নিজের জন্য একটি রুলবুক ফলো করতেই হবে। তা হলে এক সময় আপনি নিজেকেই বুঝ দিতে পারবেন না আপনার একসময়ের কৃত কর্মের কারন।

💥ভবিতব্য কে মাথায় রেখে সংগ্রহ করাঃ আপনি চির কাল থাকবেন না। আপনার পরে যারা এই সংগ্রহ স্পর্শ করবে তাদের কাছে আপনার ফিলোসোফি স্পষ্ট করার জন্য একটি ক্যাটালগ অত্যাবশ্যক।

💥ক্যাটালগে কি কি থাকতে পারে তা অনেক গভীরে আলোচনা করা যায়। তবে অল্প কথায় বললে যা যা রাখা যায় তার কিছুর সংক্ষিপ্ত ধারনা দিচ্ছি। দেশ, ডিনমিনেশন, সাল, স্বাক্ষর, নাম্বার,অবস্থা, স্বিকৃত কোন ক্যাটালগ নাম্বার যা দিয়ে অন্য কেউ সেটাকে চিহ্নিত করতে পারবে ইত্যাদি আপনার ক্যাটালগের অংশ হতে পারে। কিন্তু সিরিয়াস হলে এই লিস্ট কে ফুলপেজ ফর্মের মতো বিভিন্ন তথ্য দিয়ে আপনি সাজাতে পারবেন। যা নিয়ে আলাদা পোস্ট করা যাবে।

💥আমি কি কি রাখি?
আমি অলশ, তাই শুরু থেকেই আমি অন্যের প্রকাশিত ক্যাটালগ বই অনুসরণ করে সরাসরি সেই বইয়েই আমার নিজের আইটেম লিপিবদ্ধ করে আসছি। সৌভাগ্যক্রমে একসময় সেই বইয়ের সহরচনাকারী হিসেবে যখন নিজেকে পাই তখন তা আমার জন্য আরোও সহজ হয়ে যায়। আমি ১৯৬২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত যা ই সংগ্রহ করেছি তার প্রতিটি আমি আমার নিজের ভার্শনে একটি একটি করে টিক√ চিহ্ন দিয়ে সংগ্রহ করে এসেছি। ফলে অনিচ্ছা সত্বেও কখনোই আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমি একাধিক আইটেম সংগ্রহ করি নি। এমনকি আমি সিরিয়াল ধরে নতুন থেকে পুরনোর দিকে কোন ক্যাটালগ নাম্বার বাদ দিয়ে এগিয়ে চলছি। ফলে আমার একটি সলিড সিরিজ ক্রম তৈরি হচ্ছে। অর্থাৎ ১৯৬৪ সাল থেকে একটি দেশের সকল সিরিজের সকল নোট এক পিস করে কম্পলিট করার উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে চলছি।

💥আমার মতো, হয়তো আপনার ক্যাটালগও কোন দিন কম্পলিট হবে বা হবে না। তবে আপনি যদি ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করেন তাহলে এর চেয়ে ভালো উপায় আর নেই। আর লক্ষ্য ভ্রষ্ট হওয়ার প্রশ্নই আসে না এমনকি কোন কারনে বিরতি বা বাধা আসলে সহজেই যতোটা হয়েছে ততোটা নিয়ে খুশি থাকবেন বা চাইলে জীবনে অন্য ধাপে গিয়ে নিজে বা অন্য কারো মাধ্যমে সেখান থেকে কন্টিনিউ করাতে পারবেন। অন্যথায় কোথাও বিরতি, বাধা আসলে শুরু করার আগা মাথা কিছুই পাবেন না।

💥ক্যাটালগবদ্ধ করাতে আমি কি কি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারি?
উত্তরটা আমার ব্যাক্তিগত- (কবে,কতো দিয়ে,কোথা থেকে কিনেছি),(কতো নাম্বার এলবামে এই নোট টি আছে),(সাথে আগের এবং পরের সিরিজের প্রতিটি নোট আছে কি না),সেই নোটের (সাল,আকার,থিম,কালার টোন),ডিনমিনেশন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাক্ষর ও প্রিন্টার। এইসকল তথ্য আমি চাইলেই বের করতে পারি। যার কারনে আমি আমার নিজের ক্যাটালগে একবার চোখ না বুলিয়ে একটি আইটেম ও ব্যাক্তিগত সংগ্রহের জন্য সংগ্রহ করি না।

সৌজন্যেঃ www.trust-collector.com


আগস্ট ২৮, ২০২২

বিষয়ঃ ডাটা নিরাপত্তা। পাব্লিক ভাবে তথ্য প্রকাশ করার অসুবিধা। পর্ব-১[Data security and drawback of personal information published on Public domain]

বিষয়ঃ ডাটা নিরাপত্তা। পাব্লিক ভাবে তথ্য প্রকাশ করার অসুবিধা। পর্ব-১

কুরিয়ার এর রশিদ দেয়া আরেকটি বিশাল ব্যাপার,যা অনেকেই পাব্লিক ভাবে করে থাকেন। আপনি হয়তো আপনার রেপুটেশন বাড়ানোর জন্য এসব করেন কিন্তু এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি ই বেশি হয়।
বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে সময় এবং ডাটার মূল্য অর্থের চেয়ে বেশী। তাই কেউ আপনার থেকে ডাটা চুরি করতে পারলে তা আপনার জন্য লস।ব্যেক্তি ক্ষেত্রে একজনের দ্বায়বদ্ধতা তেমন একটা থাকে না যে সে আপনার ডাটা নিয়ে কি করবে। তাই কোন গ্রুপ এডমিনের কাছে আপনার সেন্সেটিভ ডাটা দেয়া টা আপনার নিজের জন্য ঝুকিপূর্ণ। কারন তারা মানুষ। ব্যাক্তি ক্ষেত্রে আপনার কোন ডাটা চুরি হলে তার জন্য কাউকে আপনি চাইলেই দ্বায়বদ্ধ করতে পারবেন না। অন্য দিকে একটি কোম্পানি থেকে ডাটা চুরি হলে তার জন্য সেই কোম্পানিগুলোর একটা দ্বায়বদ্ধতা থাকে।
এখন ডাটা বলে কি বুঝি?
নাম,বাবার নাম,মার নাম,ঠিকানা, ফোন নাম্বার, ব্যাংক নাম্বার,গোপন পিন নাম্বার,আপনার অফিসের ঠিকানা ইত্যাদি সকল তথ্যের বা ইনফরমেশন যা থেকে বিশেষ কাজের জন্য বিশেষ তথ্য উদঘাটন করা যাবে তা ই "ডাটা"।
কিছু ক্ষেত্রে কিছু তথ্য না দিলেই না। কিন্তু কারো আপনার জন্ম তারিখ, বাসার ঠিকানা,কোন ব্যাংক,কোথায় কাজ করেন, কবে ভ্রমনে থাকবেন,মা বাবার নাম ইত্যাদি জানার প্রয়োজন নেই। এমনকি সে গ্রুপ এডমিন হলেও না। কারন কোন সাধারন গ্রুপের ই কোন প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা নেই। কোন সাধারন গ্রুপের ই কোন ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যাবহার পলিসি নেই যা তারা আপনাকে দেখাতে বাধ্য। অতয়েব যারা শুধু সেলার কোড বা নমিনেশন পাওয়ার জন্য নাম সর্বস্ব বিভিন্ন গ্রুপে বা এখানে সেখানে নিজেদের আইডি কার্ডের ছবি,বাসার ঠিকানা ইত্যাদি ছড়িয়ে দিচ্ছেন তাদের কপালে দুঃক্ষ আছে।
আমি বলছি না যা আপনার গ্রুপের এডমিন বা মডারেটর রা আপনার ডাটা বিক্রি করে ঘরে চাল,ডাল কিনবে কিন্তু এটা কি তারা নিশ্চিত করতে পারবে যে আপনার ডাটা যা আপনি তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন তা তারা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সুরক্ষিত রাখতে পারবে?

অনেকে আবার খামের ছবি দিয়ে প্রাপ্তি পোস্ট দেন। সেটা তো আরেকটা ঝুকিপূর্ণ কাজ,কারন সেখানে ঠিকানা যদি পুরোপুরি দেখা যায় তাহলে এটা নিয়ে মনে হয় বেশী বলার প্রয়োজন নেই।
যারা বিদেশী খাম,ব্যাবহ্রিত খাপ,দলিল, বিক্রি করেন তাদের জন্য এটা বিশেষ ভাবে মনে রাখা উচিৎ যে 'ঠিকানা হচ্ছে একটি --(OIRI)Only IF Required Information.তাই GDPR আইনের আওতার যথার্ত প্রয়োজন ছাড়া অন্যের ঠিকানা বা এই ধরনের (OIRI) শেয়ার করা আইনত নিষিদ্ধ। 

এখন যদি বলেন-"আমি ভাই বাংগালী, এসব আইন টাইন মানি না" তাহলে লেখাটি পড়িয়ে আপনার সময় নষ্ট করানোর জন্য আমি দুঃক্ষিত। 

এখন  আপনি ভাবুন আপনার ডাটার মূল্য আপনার কাছে কতটা। লেখা টি প্রাসংঙ্গিক মনে হলে,শেয়ার করুন।

সৌজন্যেঃ www.trust-collector.com

আগস্ট ২৩, ২০২২

Polymer banknotes and some of the special ones.

পলিমার নোটের মধ্যে যা পেয়েছিঃ

ডিনমিনেশনের দিক; সবচে বড় ;বাজারে চলতি নোট (২০০৩)ভিয়েত্নামের ৫০০০০০ ডং

ডিনমিনেশনের দিক থেকে; সবচে বড়; রদ হয়ে যাওয়া নোট (২০০৩)রোমানিয়া ১০০০০০০ লেই

ফেসভ্যালুর দিক থেকে; সবচেয়ে ছোট ;বাজারে চলতি নোট (২০০৯) নাইজেরিয়া ৫ নাইরা (বাংলায় প্রায় ১ টাকা)

ফেস ভ্যালুর দিক থেকে, সবচেয়ে বড়, ইউরোপের চলতি নোট স্কটল্যান্ড ১০০ পাউন্ড এবং (জিব্রাল্টার,) ১০০ পাউন্ড

ফেস ভ্যাল্যর দিকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্মারক চলতি নোট (জিব্রাল্টার,) ১০০ পাউন্ড

ফেস ভ্যাল্যর দিকে সার্ক ভুক্ত দেশ গুলুর মধ্যে সবচেয়ে বড় চলতি নোট মালদ্বীপ ১০০০ রুপিয়া

কালেক্টর ভ্যালুর দিক থেকে বর্তমানে সবেচেয়ে কম দেখা যায় যে দুটি আধুনিক স্মারক নোট- মালদ্বীপ ৫০০০ রুপিয়া ,(২০১৮) রোমানিয়া ১০০ লেই 

এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম পাওয়া যাওয়া স্মারক নোট (২০০০) চিন ১০০  , মালদ্বীপ ৫০০০ রুপিয়া

দৈর্ঘের দিক থেকে সবচেয়ে লম্বা নোট ব্রুনাই ১০০০০ ডলার (১৮০ মিমি)

দৈর্ঘের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট নোট এঙ্গোলা ২০০ (১১৮ মিমি)

প্রস্থের দিক থেকে সবচেয়ে বড় চলতি নোট ব্রুনাই ১০০০০ ডলার (৯০ মিমি)

প্রস্থের দিক থেকে সবচেয়ে বড় স্মারক নোট থাইল্যান্ড ১৯৯৬ ৫০০ বাথ (৯১ মিমি)

প্রস্থের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট নোট এঙ্গোলা ২০০ (৬২ মিমি)

সবচেয়ে বেশী পলিমার নোটে যে সংখ্যা দেখা যায় (১ এবং ৫)

সবচেয়ে কম সংখ্যায় প্রিন্ট করা স্মারক নোট ২০১৫এর স্কটল্যান্ড ৫ পাউন্ড (সংখ্যা ৪০ পিস)

প্রস্থের দিক থেকে সবচেয়ে বড় নিউম্যেস্মেটিট প্রডাক্ট ২০২১এর রোমানিয়ার ১৮৮১ এর একটি রেপ্লিকা (৯৫ মিমি)

প্রথম আধুনিক পলিমার নোট আসে ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার হাত ধরে ১০ ডলার

ইউরোপে, প্রথম আধুনিক পলিমার নোট আসে ১৯৯৯ সালে রোমানিয়ার থেকে ২০০০ লেই 

সবার প্রথম নোটের প্রস্থ বরাবর ফুল ট্রান্সপারেন্ট ওইন্ডো আসে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৫ ডলার

সবচেয়ে বেশী দেশের পলিমার নোট বানায় ডে লা রু,

সবচেয়ে বেশী পলিমার নোটের সাবস্ট্রেটের নাম সেইফ গার্ড

আগস্ট ১৭, ২০২২

সংগ্রাহক হিসেবে খরচ করার প্রবণতা এবং দারিদ্র্যের সম্পৃক্ততা [correlation between spending as a collector and poverty ]

একজন সংগ্রাহক হিসেবে প্রায় ই আমরা লোভে পড়েই হোক বা নেশার টানেই হোক বা প্রতিপত্তি বজায় রাখার কারনেই হোক,নানা সময় না না আইটেম কেনার ঝুঁকে ঝুঁকে পড়ি। কখনো কিনে আবার অনুশোচনা করি যে সেটা এই আর্থিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কেনা ঠিক হলো কি না।
ব্যাক্তিগত ভাবনা থাকে বলছি, যখন সেটা কমপক্ষে দুটি করে কেনার ক্ষমতা আপানার থাকবে তখন কিনলে অনুশোচনা কম হবে। তা ডিল যত ভালোই হোক আপনার মানসিক স্বাস্থের চেয়ে একটা আইটেম কখোনোই মূল্যবান হতে পারে না। এতে যদি আপনার সংসারে আশান্তি হয়, এক বেলা খাবার কম খেতে হয়, কাপড় ধোয়ার সাবান না কিনতে পারেন তাহলে সেই ভাবে সংগ্রহ না করাই শ্রেয়।
কেন এবং কিভাবে?
যখন আপনি কোন দামী জিনিস কেনেন সেটা আপনার মস্তিস্কে একটু হেডেক নিয়ে থাকে (যদি কিছু হয়,কিভাবে মেন্টেইন করবো,যদি হারিয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়,ক্ষতি হয় ইত্যাদি) । তারমানে তখন আপনি এক দিকে সেই বস্তু টির দাশ হয়ে যান।
অন্য দিকে যখন সেই বস্তু টি দুটি করে কেনার ক্ষমতা আপনার থাকবে,অথচ আপনি কেবল একটি ই কিনবেন তখন সেই বস্তুটির উপর আপনার একটি স্বাধীনতা কাজ করে যার ফলে সেটি কোন কারনে হাত ছাড়া হলেও আপনার ভেংগে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কারন মানসিক ভাবে আপনি একটি শক্ত অবস্থানে থেকেই সেটা প্রথমে অর্জন করেছিলেন।
বিনিয়োগের ভাষায় একটি কথা আছে- একটি ঝুড়ি তে আপনার সকল ডিম না রাখাই ভালো। অর্থাৎ যদি বিনিয়োগ হিসেবে আপনি সংগ্রহ করেন তাহলে পাশাপাশি অন্যান্য ধরনের সেক্টরেও বিনিয়োগ করুন।
অন্য দিকে এই ভাবনা থেকে বেড়িয়ে আসুন যে "টাকা থাকলেই বড় সংগ্রাহক হওয়া যায়" আর "বড় সংগ্রাহক মানেই বড় লোক"। দুটি ভূল ধারনা কারন যথাযথ ডেডিকেশন থাকলে হয়তো টাকা অতটা ম্যাটার করে না। আর যথাযথ টাকা থাকলেই ফালতু কেউ ২০ টাকার নোট কিনে লকারে রেখে দেবে না। বড় ব্যাবসায়ীদের অন্যতম একটা গুন যে তারা ভবিষ্যৎ ভাবে এবং সঞ্চয় এর তুলনার বিনিয়োগে মননিবিষ্ট হয়। এবং পজিটিভ ডেবট্ (ঋণ) থাকে।
উপদেশঃ *ঋণের উপর কিন্তু ট্যাক্স হয় না।
প্রীতম চক্রবর্তী। Pretom Chakraborty

আগস্ট ১৩, ২০২২

যে সকল বিভিন্ন কারনে বিভিন্ন সেলারের শপে এক ই পন্যের দাম আলাদা আলাদা হতে পারে [Factors contributing to price difference between sellers for same product]

 ভোক্তার কাছে আসতে আসতে পন্যের দাম কিভাবে পরিবর্তন হয়?

✔️ রাস্তায় প্রডাক্ট মিসিং হলে বাকি পন্যের দামের উপর সেটার প্রভাব পড়ে
✔️সরকারী ইম্পোর্ট খরচ/ ডাক মাশুল আরোপ হলে
✔️ডলার/আন্তর্জাতিক মুদ্রার রেট পরিবর্তন হলে
✔️বাজারে মুদ্রা স্ফীতি হলে
✔️আন্তর্জাতিক বাজারে সেই আইটেমের চাহিদা বাড়লে
✔️আন্তর্জাতিক বাজারে সেই আইটেমের দাম বাড়লে
✔️হয়তো এক জনের আগের কেনা,অন্য জনের পরের কেনা
✔️খুচরা কিনে বিক্রি করলে
✔️স্থানীয় বাজারে চাহিদা বেড়ে গেলে,যোগান ঠিক রাখার জন্য দাম বেড়ে যেতে পারে
✔️আইটেম এর সাপ্লাই সাময়িক ভাবে কম হলে
✔️বিদেশ থেকে আইটেম আনার খরচ
✔️কেউ হয়তো আগের স্টক কিনেছে কমে,অন্যে হয়তো পরের স্টক পেয়েছে একটু বেশীতে।
✔️যে কমে দিচ্ছে সে হয়তো প্রি অর্ডার নিচ্ছে (তার কাছে মাল নাই)
✔️আনুসাংগিক ব্যাবসার খরচ
✔️কে কত পিস কিনছে
✔️কে কত বিনিয়োগ করেছে এই স্টকে
✔️উৎস থেকে কতো দামে ছাড়া হচ্ছে আইটেম
✔️আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা,ফলে ব্যাববহুল শিপং মেথড
✔️যে দেশের আইটেম সেই দেশে মানুষের যাওয়া আসার হার কমা বা বাড়া
✔️পুঁজিবাদ (এক চেটিয়া ব্যাবসা বা সিন্ডিকেট)
✔️আইটেমের কৃত্তিম সংকট তৈরি করা
✔️বেশী হাত হয়ে আইটেম আসা
✔️ছোট ব্যাবসায়ীর ছোট ব্যাবসা,ছোট রিস্ক,ছোট দ্বায়বদ্ধতা
✔️খুব ভালো জায়গা থেকে আইটেম না খোঁজা
✔️গ্রুপ এডমিন,সিনিয়র,রেগুলার বায়ার ইত্যাদি লোকদের সৌজন্য উপহার দেয়া তে যা খরচ আসে,এক সময় সেগুলো কিন্তু দোকানের পন্যের দামের সাথে যুক্ত হয়।
✔️রেপুটেশন, ইনফ্লুয়েন্স ইত্যাদি বজার রাখার জন্য খরচ
✔️বুস্ট বা বিজ্ঞাপন খরচ
✔️ট্রান্সেকশন খরচ
✔️বাজার সম্পর্কে সীমিত জ্ঞ্যান
ইত্যাদি আরো নানা ফ্যাক্টর
যারা মনে করেন, 🚩বিদেশী নোট কেন হাজার টাকা দিয়ে কিনবো?🚩এতো দাম আবার হয় নাকি?🚩এর চেয়ে দামী আর হতে পারে না🚩অনেক বেশী চেয়ে ফেলেছে🚩হাস্যকর দাম -সেই সকল মহা পন্ডিতদের বলছি গনসমালোচনা না ডেকে একবার সেলারের কাছে আপনার মতামত ব্যাক্ত করুন। সেলার হয়তো আপনাকে তার ব্যাখ্যা দেবে। এটা কে পাব্লিক ইস্যু বানানো শুধুমাত্র নিচ মনমানসিকতা পরিচয়ই না বরং অপেশাদারিত্বের লক্ষন।