মে ২৬, ২০২৩

অদল বদল [Swap]

SWAP

 

অদলবদল [Swap] করা মানে হচ্ছে আপান্র আইটেম অন্য কেউ নেবে এবং আপনি তার আইটেম নেবেন। এই লেনদেন দুই পক্ষ থেকে একই সাথে হতে পারে আবার এক পক্ষ আগে এবং এক পক্ষ পরে, এভাবেও হতে পারে। কোন কোন সোয়াপে এক পক্ষের আইটেম ভ্যালু বেশি থাকলে অন্য পক্ষ অনেক সময় উদ্বৃত্ত অর্থও প্রস্তাব করে। তবে এই ধরণের লেনদেনের মূল বৈশিষ্ট হচ্ছে যে উভয় পক্ষই আইটেম কে ছবি বাঁ ভিডিওর মাধ্যমে দেখে পছন্দ করে একে অপর কে সোয়াপ প্রপোজাল দেয়। সাধারণত কারো সোয়াপ করার মতো আইটেম থাকলে সে সেটা এই উদ্দেশ্যে ই কোন প্লাটফর্মে লিস্ট করবে। তখন আপনার তার সাথে সোয়াপ করার ইচ্ছা থাকলে আপনি তাকে সেই প্লাটফর্মে এপ্রোচ করবেন আপনার প্রপোজাল/প্রস্তাবনা নিয়ে,যেখানে আপনি সেগুলুর বিনিময়ে কি দিতে চাচ্ছেন তা তাকে জানাবেন, আপনার বাঁ তার কোন শর্ত (কমপক্ষে কতো টি আইতেম,কি কন্ডিশন, কতো মূল্যের আইটেম ইত্যাদি) থাকলে সেটা জিজ্ঞাসা করবেন বাঁ জানাবেন,। সেই কথোপকথন সকল ইতিবাচক হলে পরবর্তী আলোচনা শুরু হয়। সেই আলোচনায় কমপক্ষে ৬ টি বিষয়ে কথা বলা হয়।

o   আপনার সাথে সোয়াপ করবে কি না? কোথায় পাঠাতে হবে তা জানবেন এবং জানাবেন।

o   কি পাঠাবে? কোন পক্ষ ঠিক কি কি আইটেম পাঠাবে এবং তাদের কন্ডিশন?

o   কে আগে পাঠাবে? সাধারণত যে পক্ষের অদলবদলের অভিজ্ঞতা কম সেই ব্যক্তি সাধারণত প্রথমে তাদের আইটেম পাঠাঅথবা আপনি একই সময়ে পাঠাতে রাজি হতে পারেন।

o   কিভাবে পাঠাবে? যেখানে পাঠাবেন এবং আইটেম ভ্যালুর উপর ভিত্তি করে ট্রাকিং সুবিধা , ইন্সুরেন্স বাঁ নিবন্ধন সহ পাঠানোর প্রচলন আছে। সাধারণত দুই পক্ষের জন্য একই নিয়ম।

o   কি ধরনের প্যাকেজিং? যদি কোন পক্ষের প্যাকেজিং সম্পর্কে কোন নির্দেশনা থাকে তবে সেটিও আলোচনা করা উচিত।

o   পছন্দ না হলে ফেরত পাঠানোর কি সুযোগ থাকবে? সেক্ষেত্রে দ্বায়ীত্ব কার?

কেনো সেল/সোয়াপে সততা থাকে?

এখানে দুই পক্ষই তাদের রেপুটেশনের কারনে বাঁ এক জন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁ প্রয়োজনীয়তার খাতিরে বাঁ পালানোর জায়গা নেই বিধায় একে অপরের সাথে সততা দেখাবে।

কি কি যাচাই করা যায়?

o   সেই মিডিয়া/গ্রুপে তার প্রোফাইল যথেষ্ট পুরোনো কি না?

o   সেই মিডিয়া/গ্রুপে সেলার/সোয়াপার নিবন্ধনের পথ কি শিথিল না কড়া?

o   যার সাথে ডিল করছেন তার সেই গ্রুপে উপস্থিতি (পোস্ট,কমেন্ট,অংশগ্রহনের সময়কাল)

o    এবং রেপুটেশন (সেই সকল পোস্টে তার সাড়া,তাকে নিয়ে পোস্ট,তার ফ্রেন্ডলিস্টে কারা)কেমন?

o   তার হয়ে সেই গ্রুপে কোন সমর্থনকারী আছে কি না?

o   তার অন্যান্য সেল/সোয়াপ পোস্ট আছে কি না?

o   সে পাব্লিক ভাবে এবং ব্যাক্তিগত ভাবে সাড়া দেয় কি না?

o   আপনাকে বিক্রয়ের আগে যথেষ্ট ছবি,ভিডিও দিয়ে প্রমান করেছে কি যে আইটেম তার কাছে আছে?

o   তার অন্যান্য পোস্ট দেখে কি মনে হয় যে সে সাধারণত এই ধরণের আইটেম সেল/সোয়াপ করার কথা?

o   দুইপক্ষ তাদের লোকেশন এবং প্রোডাক্ট পাঠানোর ঠিকানা ঠিক দিচ্ছে কি না তাদের প্রফাইল অনুযায়ী?

o   কোন সমস্যা হলে মুক্ত কন্ঠে তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা আছে কি না,থাকলে কোথায়?

অপর পক্ষের আচরন/লেনদেন পছন্দ না হলে কি করনীয়?

o   প্রমান সহ প্রথমে অপর পক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন ৮০% সমস্যা সেই পর্যায়ে ই শেষ হয়ে যায়।

o   সেটা না হলে, যে মিডিয়া/গ্রুপে আপনাদের যোগাযোগ হয়েছিলো তার এডমিন বাঁ মধ্যস্ততা কারীর সাথে যোগাযোগ করুন, এই পর্যায়ে হয়তো বাকি ১০% সমস্যার সমাধান পেয়ে যেতে পারেন।

o   সেটাতে বিফল হলে, সেই গ্রুপে/মিডিয়া তে পাব্লিক পোস্ট দিন, সেই ব্যাক্তি এবং গ্রুপ এডমিন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে,যেন অন্যান গ্রুপ মেম্বার রা তাতে কমেন্ট করতে পারে। এই পর্যায়ে হয়তো বাকি ৫% সমাধান পেতে পারেন।

o   এর পরও আরও ৫% সমস্যা থেকে যায়, যা আপনি যদি একান্তই নিশ্চিত হোন যে আপনার মত সঠিক তাহলে পাব্লিক ডোমেইনে(বিভিন্ন ওয়েবসাইটে) এই বিষয় টি লিপিবদ্ধ করুন যেন যে কেউ চেষ্টা করলে এই লেনদেন সম্পর্কে জানতে এবং সতর্ক হতে পারে। আপনার পেমেন্ট মেথড বাঁ একই দেশের মধ্যে হলে সেই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য নিতে পারেন।

সোয়াপ সম্পর্কে কিছু সাধারন ধারনা।

o   বর্তমানের চলতি আইটেম হলে সাধারণত ফেস ভ্যালু ধরে সোয়াপ হয়।

o   স্মারক আইটেম, আগের সিরিজ ইত্যাদির সোয়াপে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে আসতে হয়।

o   যদিও কয়েকবার সোয়াপের পর বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়, কিন্তু প্রতি লেনদেনে ই সমান সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ।

o   কারো অফার পছন না হলে আপনি “No, Thank you” উত্তর দিতে ই পারেন। তবে আরো ভালো হয় যদি আপনার কি ধরণের আইটেম পছন্দ তা প্রস্তাবকারীকে জানাতে পারেন।

o   কাউকে কিছু অফার করার আগে এতা ভাবুন যে আপনার আইটেম টা তার স্থানীয় বাজার থেকে তার নিতে কতো ঝামেলা/খরচ পড়তো?

o   আপনি আইটেম খুলার সময় প্রমান রাখতে পারেন যে আইটেম ঠিক ভাবে পেয়েছেন কি না। যা আপনার কোন সমস্যায় প্রমান হিসেবে কাজে আসবে।

o   কিছু কিছু দেশের ঠিকানার সাথে অনেকে সোয়াপ করতে চায় না কারন সে সকল দেশে আইটেম ঠিক ভাবে পরিবহন করা হয় না বাঁ চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এক পক্ষের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

o   কখনো কখনো দুই পক্ষের আইটেম ই ফেস ভ্যালুতে সোয়াপ করার কথা হলেও, একজনের আইটেম কন্ডিশন অন্যজনের থেকে সামান্য ভালো হলে ;সোয়াপের সাথে সাথে আনুপাতিক হারে আর্থিক লেনদেন করাও সম্ভব। আমি মনে করি তা আইটেম আদান প্রদানের পর করলেও সমস্যা নেই।

o   যদি ডিল টি আপনার একার জন্য আস্বাভাবিক ভাবে ভালো মনে হয়,তাহলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন।

o   এমন ভাবে আইটেম প্যাক করুন যেন তা একবার খুললেই সেটা বুঝা যায়,যেন প্রাপক খোলা/ক্ষতিগ্রস্থ প্যাক গ্রহন ই না করে।

o   নিজস্ব নিরাপত্তার খাতিরে, নিজের প্রকৃত ঠিকানা লুকিয়ে দুই পক্ষই চাইলে তৃতীয় পক্ষ বাঁ কর্ম স্থলের ঠিকানা বাঁ পোস্ট বক্স নাম্বার ব্যাবহার করতে পারে।

o    আরোও আছে।


মে ২৫, ২০২৩

Stamp money

Postal stamp money, also known as postage stamp money, refers specifically to the use of postage stamps as a form of currency or as a means of exchange. While there may be some similarities between postal stamp money and the broader concept of stamp money, they are not exactly the same thing.

Postal stamp money typically involves the use of postage stamps issued by postal authorities as a form of currency in situations where traditional currency may be scarce or unavailable. These stamps are often used to pay for goods and services, similar to regular currency. The value of the stamps is typically based on their denomination, as determined by the postal authority.

An example of postal stamp money can be found during times of war or economic instability when regular currency is in short supply. For instance, during World War II, the Channel Islands, under German occupation, used postage stamps as a form of currency due to a lack of available currency. The local authorities allowed certain postage stamps to be used as legal tender for transactions within the occupied territories.

In the case of stamp money in general, it encompasses a broader concept where stamps, including postal stamps, are used as a representation of value or currency for transactions. Stamp money systems can involve the use of specially designed stamps, coupons, or digital tokens that are not limited to postage stamps.

Therefore, while postal stamp money falls under the umbrella of stamp money, it specifically refers to the use of postage stamps as a form of currency rather than encompassing all forms of stamp-based currency systems

মে ১০, ২০২৩

বাংলাদেশের মতো অনেক দেশের বাজারে কেন নিউমেস্মেটিক শপ বাঁ দোকান নেই?[Why there are no physical Numismatic shop in some countries]

 

বাংলাদেশের মতো অনেক দেশের বাজারে কেন নিউমেস্মেটিক শপ বাঁ দোকান নেই?

আমার পর্যবেক্ষণ যা বলে তা এখানে শেয়ার করলাম।

১) বাংলাদেশে সংগ্রহযোগ্য জিনিসপত্রের সীমিত বাজার,জনসংখ্যা এবং চাহিদা।

২) দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা খারাপ,যেখানে শৌখিনতা জন্মানো কষ্ট।

৩) ডিজিটাল অর্থনীতি এবং অনলাইন কেনাকাটার সুবিধা।

৪) যাতায়াত ব্যাবস্থা এতো সময়সাপেক্ষ যে কেবল শখের জন্য দোকানে যাওয়ার মনমানসিকতা থাকে না।

৫) নিরাপত্তার অভাব এবং নিরাপত্তা জনিত উদ্বেগের আধিক্য।

৬) ব্যবসা শুরু করার জন্য উচ্চ মূলধনের প্রয়োজনীয়তা

৭) এই ধরনের ব্যাবসার জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলটা।

৮) কেন্দ্রীয় অঞ্চলে জায়গার দাম/ভাড়ার উচ্চমূল্য।

৯) দেশে পর্যটক আকর্ষণের অভাব

১০) সংগ্রাহকদের মধ্যে মানের চেয়ে পরিমাণের উপর ফোকাস করার প্রবনতা।

১১) দোকানের সুবিধাসমূহের উপলব্ধির ব্যার্থতা।

১২) দোকানে অসাধু ক্রেতা আসাতে লোকসানের উদ্বেগ

১৩) এ ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার অভাব

১৪) শখের জিনিস কে ব্যাবসায়ে পরিনত করলে,সমাজসৃষ্ট অমর্যাদা।

১৫) সংশ্লিষ্ট ব্যবসাকে ঘিরে আইনি অস্পষ্টতা

১৬) ডাক এবং কুরিয়ারের নিন্মমানের সেবা যা সংগ্রাহক আইটেমের পরিবহনকে প্রভাবিত করে।

১৭) এই ধরণের ব্যাবসাকে ছোট করে দেখার সামাজিক মনমানসিকতা।

১৮) দেশে বিরল এবং উচ্চ-মানের সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীতে সীমিত প্রাপ্তি/অ্যাক্সেস

১৯) সাধারণ জনগণের মধ্যে নোট এবং কয়েন সংগ্রহে সীমিত আগ্রহ

২০) “সংগ্রাহ সংস্কৃতি একটি অপচয়” এমন একটা সামাজিক মনোভাব

২১) সংগ্রহযোগ্য শিল্পকে সমর্থন করার জন্য অবকাঠামোর অভাব, যেমন নিলাম ঘর এবং গ্রেডিং পরিষেবা, মেন্টরিং সার্ভিস এবং কোর্স।

২২) সামাজিক সমহনশীলতার অভাব,যেখানে অন্যরকম কিছু দেখলেই মানুষ প্রথমেই নেতিবাচক দিকটা ভাবে,

২৩) সংগ্রহযোগ্য আইটেম ক্রয় এবং বিক্রয়ের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে সীমিত অ্যাক্সেস

২৪) সংগ্রহযোগ্য পণ্যের উপর উচ্চ আমদানি ও রপ্তানি কর

২৫) সংগ্রহযোগ্য জিনিসপত্রের মূল্য ও তাৎপর্য সম্পর্কে যথাযথ শিক্ষা এবং সচেতনতার অভাব

২৬) ব্যবসা পরিচালনায় উচ্চ মাত্রার দুর্নীতি ও লাল ফিতা।

 

মে ০৯, ২০২৩

গোল্ড ফয়েন নোট, ফয়েল নোট, গোল্ড প্লেটেদ নোট [Goldback notes, Gold foil, Gold plated notes]

 

Goldback notes, Gold foil, Gold plated notes

 

গোল্ড-প্লেটেড নোট বা সোনার ফয়েল নোট এক ধরনের সংগ্রহযোগ্য আইটেম যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কিছু ভুল কারনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই নোটগুলি সাধারণত একটি ব্যাঙ্কনোট বা অন্যান্য কাগজী নোটের মত দেখতে।এখানে একটি পাতলা সোনার স্তর প্রয়োগ করে নজরকাড়া চেহারা তৈরি করা হয়

 

গোল্ড-প্লেটেড নোট বা সোনার ফয়েল নোট হচ্ছে ব্যাংক নোটের মতো দেখতে এমন একটি আইটেম যাতে খুব পাতলা সোনার পরত চড়ানো থাকে। সাধারণত এগুলু টুরিস্ট স্পটে পর্যটকদের জন্য স্মারক আইটেম এবং স্যুভেনির হিসেবে প্রথম বিক্রি হওয়া শুরু হয় । তারপর ক্রমে অনেক নতুন সংগ্রাহকরা এগুলুর নান্দনিকত্যের কারনে মোহিত হয়ে এগুলু জমায়। এগুলুতে সোনার স্তর সাধারণত খুব পাতলা হয়, সাধারণত (০.০০১) মাইক্রোন পুরু হয় যা প্রায়শই ন্যানোমিটার বা অ্যাংস্ট্রোমে পরিমাপ করা হয় এবং ব্যাবহ্রিত সোনার পরিমাণ সাধারণত খুব কম থাকায় নোটের মূল্যে তা উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে না।নোটের সোনার স্তরটি প্রায়শই এত পাতলা হয় যে এটি পরিমাপ করা কঠিন হয়ে যায়। XRF মেশিন ছাড়া সেগুলু পরিক্ষা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।  তাই অনেকে কেবল এগুলুকে তাদের ডিজাইনের জন্য শখের বশে বাঁ ভূল বশত কেনেন। এগুলু তৈরি হয় স্বর্ণের বাষ্প জমা করার মাধ্যমে।এদের গোল্ড প্লেটেড নোট ভেবে অনেকে ভূল করে। কারন প্লেটিং হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করে তৈরি হতে হবে যা সাধারণত অন্য ধাতুর উপর হবে এবং তাদের পুরুত্ব মাইক্রনে পরিমাপ করা হয় যা সাধারণত ০.১ মাইক্রোন পুরু হয়। (১ মিলিমিটার=১০০০ মাইক্রোন)।

গোল্ড-প্লেটেড নোট বিভিন্ন কারণে উৎপাদন করা হয়। কখনো কিছু স্মারক আইটেম হিসাবে তৈরি করা হয়, একটি বিশেষ ঘটনা বা মাইলফলক উদযাপন করার জন্য। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলু পর্যটন শিল্পের অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা ভ্রমণকারীদের তাদের ভ্রমণের স্মরণীয় স্যুভেনির হিসেবে কাজ করেকিন্তু আজকাল, কিছু সংগ্রাহক তাদের সংগ্রহের অংশ হিসাবে এই নোটগুলির মালিকানা এবং প্রদর্শন উপভোগ করে। বেশিরভাগ সময় ই রেগুলেটেড সোর্স থেকে বের না হওয়ার কারনে এগুলুর কোন সংগ্রাহক মূল্য নেই। সাধারণত এদের তেমন কোন সিকিউরিটি ফিচার থাকে না আর এগুলু লিগ্যাল টেন্ডার হিসেবে ব্যাভার হওয়ার জন্য তৈরিও হয় না। তাছাড়া ব্যাক্তিগত ভাবে তৈরি বলে এদের কোন আইনি স্বীকৃতিও থাকে না। এগুলুকে গলালে হয়তো একটা ধুলার কনার সমপরিমান স্বর্ণ পেতে পারেন।

তাই বলে তাদের গোল্ডব্যাক/স্বীকৃত গোল্ড নোটের সাথে গুলিয়ে ফেললে হবে না। যুক্তরাষ্ট্র, ঘানা,কুক আইল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি দেশ ই বিভিন্ন কারনে গোল্ড নোট বের করেছে যাদের কিছু প্রকরনের নাম গোল্ডব্যাক। যেখানে প্রকৃত ভাবে স্বর্ণের পরিমান নির্ভরযোগ্য ভাবে তুলনামূলক বেশি থাকে এবং ধাতুর দামের পাশাপাশি ক্ষেত্রে সোনার নোটগুলির দাম তাদের তাদের বিরলতা, গুণমান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।

 

 

মে ০৮, ২০২৩

নোটগেল্ড [Notgeld]

☝🏾, নোটগেল্ড,যার অর্থ জার্মান ভাষায় "জরুরী অর্থ", বা আপদ কালীন মুদ্রা। নোটগেল্ড হচ্ছে এমন এক ধরনের মুদ্রা যা অর্থনৈতিক অস্থিরতার সময় জারি করা হয়েছিল, বিশেষ করে বিংশ শতকের প্রথম দিকে জার্মানিতে। নোটগেল্ড; ছোট কাগজের নোট থেকে শুরু করে ধাতব মুদ্রা এবং এমনকি স্ট্যাম্প পর্যন্ত অনেক আকারে এসেছিল। এই মুদ্রাগুলি সাধারণত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, পৌরসভা বা এমনকি প্রাইভেট কোম্পানিগুলি নিয়মিত মুদ্রার ঘাটতি মোকাবেলা করতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে সবল রাখার  জন্য জারি করতো।

☝🏾উৎপত্তি: নটগেল্ড প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানিতে আবির্ভূত হয়েছিল, যখন সরকার যুদ্ধের বিশাল খরচের কারণে মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থের অভাবের মুখোমুখি হয়েছিল। ফলে বাজারে একটি ঘাটতি তৈরি হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং প্রাইভেট কোম্পানিগুলি সেই শূন্যস্থান পূরণের উপায় হিসাবে তাদের নিজস্ব জরুরি মুদ্রা জারি করা শুরু করে। নোটগেল্ড ১৯২০ এবং ১৯৩০ এর দশক জুড়ে জারি করা অব্যাহত ছিল, কারণ জার্মান অর্থনীতি হাইপারইনফ্লেশন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক হতাশার সাথে লড়াই করেছিল।


☝🏾প্রকার: নোটজেল্ড ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ এবং মুদ্রার উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের, আকার এবং আকারে আসে। নোটজেল্ডের কিছু সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে:


• কাগজের নোট: এগুলি ছিল নোটগেল্ডের সবচেয়ে সাধারণ প্রকার, এবং এগুলি ছোট নোট থেকে বড় নোট পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যমানের মধ্যে এসেছিল। এই নোটগুলির মধ্যে অনেকগুলিই রঙিন নকশা এবং থিম যুক্ত যা স্থানীয় সংস্কৃতি, ইতিহাস বা তৎকালীন ঘটনাগুলিকে নিয়ে।


• ধাতব মুদ্রা: কিছু নোটগেল্ড ধাতব মুদ্রার আকারে জারি করা হয়েছিল, সাধারণত দস্তা বা লোহা দিয়ে তৈরি। এই মুদ্রাগুলি প্রায়শই সাধারণ নকশার বৈশিষ্ট্যযুক্ত এবং ছোট লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হত। তখনকার সময়ে তাই সস্তা ধাতু দিয়ে এগুলো তৈরি হয়েছে।


• স্ট্যাম্প: কিছু ক্ষেত্রে, নোটগেল্ড ডাকটিকিট আকারে জারি করা হয়েছিল যা মুদ্রা হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থকতে পারে। এই স্ট্যাম্পগুলিতে প্রায়শই সুক্ষ নকশা থাকতো ফলে অনেকের মধ্যে অত্যন্ত সংগ্রহযোগ্য হয়ে উঠে।


• ১৯২০ এর দশকের গোড়ার দিকে ওইমার প্রজাতন্ত্রের মুদ্রাস্ফীতির সময়কালে জার্মানির বিভিন্ন রাজ্য, শহর এবং পৌরসভা দ্বারা নোটগেল্ড জারি করা হয়েছিল। যাইহোক, অন্যান্য দেশ যেমন অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেকোস্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রাশিয়া একই সময়ে নোটজেল্ড জারি করেছে। কিছু দেশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নোটগেল্ড ইস্যু করতে থাকে, যেমন নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়ে।


• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ও কিছু জার্মান রাজ্য এবং শহর যুদ্ধ প্রচেষ্টার অর্থায়নের উপায় হিসাবে নোটগেল্ড জারি করেছিল। জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার কিছু শহর এবং পৌরসভাও ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের প্রথম দিকে নোটজেল্ড জারি করেছিল, যদিও এগুলো হাইপারইনফ্লেশন নোটগেল্ডের মতো ব্যাপক হারে ছিল না।


• সামগ্রিকভাবে, ১৯১৮ থেকে ১৯২৪ সাল পর্যন্ত জার্মানি এবং আশেপাশের দেশগুলিতে হাইপারইনফ্লেশনের সময় নোটগেল্ডের ইস্যু সবচেয়ে বেশি ছিল।


☝🏾যদি একটি জার্মান ব্যাঙ্কনোটে Reichbanknote লেখা থাকে, তবে এটি রাষ্ট্র দ্বারা তৈরি একটি নোট এবং নোটগেল্ড নয়। শীঘ্রই, সংগ্রাহকরা এর সুন্দর রঙের জন্য নোটজেল্ড সংগ্রহ করাও শুরু করেছেন। তার সাথে সাথে প্রিন্টার গুলু ও  অর্থনৈতিক চাহিদা মেটানো বন্ধ করার পরেও সেট তৈরি করতে শুরু করে।  এগুলি ছিল আরও রঙিন সেট, যেগুলিতে স্থানীয় লোককাহিনীর গল্প অন্তর্ভুক্ত ছিল।  এই সেটগুলি, যা প্রচলনে যায় নি, তাদের বলা হত সেরিয়েনশেইন।  এগুলি ১৯২২ সাল পর্যন্ত উত্পাদিত হয়েছিল৷ জার্মানিতে ১৯২২ সালে শুরু হওয়া একটি হাইপারইনফ্লেশন দেখেছিল, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি বজায় রাখার জন্য নোটগেল্ডের নতুন ব্যাচের প্রয়োজন হয়৷  কিন্তু শীঘ্রই অন্যান্য জিনিসপত্রও তাদের নিজস্ব ধরণের নোটগেল্ডে পরিণত হয়, যেমন গম, রাই, চিনি, কয়লা বা সোনা, একটি নির্দিষ্ট মূল্যের টুকরা হিসাবে।


অতয়েব ইমারজেন্সির সময় বের হওয়া যে কোন লেনদেনের মুদ্রাকে যুক্তিগত ভাবে “নোটগেল্ড” বলা গেলেও, এই শব্দটির উত্থান যেহেতু ১৯২০এর দিকে জার্মান মুদ্রাস্ফীতির সময়ই হয়েছে এবং সংগ্রাহক মহলে সেভাবেই পরিচিত হয়ে এসেছে ,তাই সেই সময়কার নির্ধারিত এবং সর্বজন স্বীকৃত নোট গুলুকে ই নোটগেল্ড নামে আখ্যায়িত করা সমীচীন।

থিম: নোটজেল্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকগুলির মধ্যে একটি হল বিভিন্ন ধরনের থিম এবং ডিজাইন যা সংগ্রাহকরা মুদ্রা সাজানোর জন্য ভালোবেসে থাকে। নটগেল্ড ডিজাইনাররা প্রায়শই অনন্য এবং নজরকাড়া ডিজাইন তৈরি করতে স্থানীয় প্রতীক, ল্যান্ডমার্ক এবং ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ব্যবহার করেন। কিছু নটগেল্ড রাজনৈতিক প্রচার বা ব্যঙ্গাত্মক চিত্র তুলে ধরেন যা সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলিকে প্রতিফলিত করেছিল। অন্যান্য Notgeld প্রাকৃতিক বা সাংস্কৃতিক থিম, যেমন প্রাণী, ল্যান্ডস্কেপ, বা বিখ্যাত শিল্পকর্মের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

লোকেরা কেন সংগ্রহ করে: নোটজেল্ড মুদ্রাবিদ, ইতিহাসবিদ এবং শিল্প উত্সাহীদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় সংগ্রহযোগ্য আইটেম হয়ে উঠেছে। লোকেরা Notgeld সংগ্রহ করার বিভিন্ন কারণ রয়েছে:

ঐতিহাসিক আগ্রহ: Notgeld একটি নির্দিষ্ট সময় এবং স্থানের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থার একটি আকর্ষণীয় আভাস দেয়।  সংগ্রাহকরা Notgeld ডিজাইন এবং থিম দেখে তখনকার স্থানীয় সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং রাজনীতি সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে পারে।

শৈল্পিক মূল্য: অনেক Notgeld এর ডিজাইন অত্যন্ত শৈল্পিক এবং জটিল, সুন্দর মটিফ এবং রঙিন নিদর্শন সমন্বিত। সংগ্রাহকরা লোকশিল্পের একটি রূপ হিসাবে নোটগেল্ডের নান্দনিক মূল্যের প্রশংসা করেন।

বিরলতা: নোটজেল্ড সাধারণত সীমিত পরিমাণে এবং অল্প সময়ের জন্য জারি করা হয় বলে, নোটজেল্ডের কিছু জাত অত্যন্ত বিরল এবং মূল্যবান। সংগ্রাহকরা বিরল নোটগেল্ড ডিজাইনগুলি খুঁজে বের করার এবং অর্জন করার চ্যালেঞ্জ উপভোগ করেন।

 

কিভাবে প্রমাণীকরণ করা যায়: যেহেতু Notgeld প্রায়শই বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা হয়েছিলো এবং বিভিন্ন আকারে নোটগেল্ডের নির্দিষ্ট প্রকারের প্রমাণীকরণ এবং সনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। Notgeld প্রমাণীকরণের জন্য কিছু টিপস দিলাম:

ডিজাইনের উপাদানগুলির জন্য পরীক্ষা করা: Notgeld প্রায়শই অনন্য ডিজাইনের উপাদানগুলিকে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ বা অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট। এই নকশা উপাদানগুলি পরীক্ষা করা একটি নির্দিষ্ট Notgeld নমুনা প্রমাণীকরণে সাহায্য করতে পারে।

কনসাল্টিং রেফারেন্স বই: অনেক রেফারেন্স বই এবং ক্যাটালগ রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের Notgeld সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। এই সংস্থানগুলির সাথে পরামর্শ করা একটি নির্দিষ্ট নমুনা সনাক্ত এবং প্রমাণীকরণে সহায়তা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের সাথে কাজ করা: সংগ্রাহকরা মুদ্রাবিদ, ইতিহাসবিদদের সাথে কাজ করতে পারেন

• নোটগেল্ডের কাগজ এবং কালি পরিক্ষা করে অন্যান্য প্রমানাদির সাথে মিল থাকলে সেটা একধরনের বিশ্বাসের পরিচয়।

• সর্বোপরি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে কেনা/সংগ্রহ করা।

 

অতয়েব ইমারজেন্সির সময় বের হওয়া যে কোন মুদ্রাকে যুক্তিগত ভাবে “নোটগেল্ড” বলা গেলেও, এই শব্দটির উত্থান যেহেতু ১৯২০এর দিকে জার্মান মুদ্রাস্ফীতির সময়ই হয়েছে এবং সংগ্রাহক মহলে সেভাবেই পরিচিত হয়ে এসেছে ,তাই সেই সময়কার নির্ধারিত এবং সর্বজন স্বীকৃত নোট গুলুকে ই নোটগেল্ড নামে আখ্যায়িত করা সমীচীন।

Is Philately a dying hobby?

আমি এটা বলার অধিকার রাখি না যে ফিলাটিলির লোক বাড়ছে কি বাড়ছে না। তবে এতা বলতে পারি যে আমার মতে কি কি প্রতিবন্ধকতা আছে।

১) যদিও নোটাফিলির তুলনায় ফিলাটিলি একটি প্রবীনতর সংগ্রহের ক্ষেত্র কিন্তু সেটি ই এর পিছিয়ে পড়ার কারন ও হতে পারে কারন কয়েন বাঁ নোটের মতো এই ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ কম।

২) আধুনিক প্রযুক্তির যুগে যেখানে ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ (ই-মেইল) প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে গিয়েছে সেখানে ডাক এবং তৎসম্পর্কিত বস্তুগুলু সাধারন ব্যাবহারকারীদের কাছে ব্যাবহারযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে।

৩) আধুনিক রঙচঙ্গে জগতে জৌলুসে, অনেকের ই পুরোনো ডিজাইন বাঁ রুপ্সজ্জা ভাল না ও লাগতে পারে।

৪) ক্রমে আমরা প্রজাতি এবং জাতী হিসেবে বিকশিত হচ্ছি, যা ক্রমে আমাদের আমাদের অতিত এবং ইতিহাস থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে।

৫) সাধারণত কয়েন ধাতু দিয়ে তৈরি হয়, আর ইতিহাস দেখলে ধাতুর মূল্য সব সময়ই ছিলো,সেই ক্ষেত্রে ফিলাটেলির সামগ্রী কয়েন জাতিয় জিনিস গুলুর সাথে তুলনা যোগ্য না। কারন ধাতুকে অত যত্ন করে রাখতে হয় না।

৬) নোট এবং অন্যান কাগজী আইটেমের সাথে তুলনা করলে, নোটে যেমন প্রাযুক্তিক উৎকর্ষ সহযে ফুটিয়ে তুলা যায় ,স্ট্যাম্পে সেটা হয় না কারন জায়গা নেই। তাই শৈল্পিক ভাবনার অনেক বেশি প্রকাশ বুঝা সম্ভব হয় না।

৭) আজ কাল ছোট ছোট জিনিসের প্রতি মানুষের মনযোগ কম। সবাই বড় বড় জিনিস রাখতে, দেখতে, কিনতে, চায়। এটা বলতে পারেন মনমানসিকতার পরিবর্তন।

৮) এই শখ টা কে যারা ভালোবাসতো তাদের বয়স হয়ে যাচ্ছে এবং তারা নতুন শিষ্য নিচ্ছে না। এই নিয়ে কথা বলছে না, তৃণমূল পর্যায়ে কাজ কম করছে, ফলে নবীন সংগ্রাহক কোথা থেকে তৈরি হবে?

৯) অনেকের ব্যাস্ত কম্পিটিশন জিততে, বাঁ লোক দেখাতে। কেউ যে এটা নিয়ে মাসিক,বাতসরিক কথা বলবে, গেট টুগেদার আয়োজন করবে, লেখালেখি করবে তেমন তো দেখি না। এমন কি কোন খুব সোচ্চার গ্রুপ/ক্লাবও নেই যারা নতুনদের মেন্টরিং করবে ফিলাটিলি নিয়ে।

১০) যে কোন সংগ্রহে খরচ তো আছে ই। তবে মানুষ হিসেবে স্বাভাবসুলভ ভাবেই অনেকে আমরা কোয়ালিটি না দেখে কোয়ান্টিটি দেখি। ফলে ছোট জিনিসের উপর শত/হাজার টাকা খরচ না করে অনেকে ভাবে বড় এবং ত্রিমাতৃক কোন নিজিসের উপর সেই টাকা খরচ করলে ভালো হবে।

১১) সহজে না পাওয়া যাওয়াও একটি কারন। যেহেতু এখন ডিজিটাল যুগে চিঠি ই কম লেখা হয় তাই ব্যাবহার করা স্ট্যাম্প ও এখন কিনতে হবে। পত্র মিতালির যুগ তো প্রায় শেষ বল্লেও ভূল হবে না।

১২) বাংলাদেশের কথা ই যদি বলি,দেখুন কতো জন রাতারাতি নোট আর কয়েনের ডিলার বনে যায়,আর কতো জন লট হিসেবে বাঁ কিলোঅয়ার সেল করে চলছে। এর কারন কি?

১৩) কয়েন বাঁ নোটের একটি ফেস ভ্যালু ছিলো বাঁ থাকবে যা ষ্ট্যাম্প বাঁ নোটাফিলিক আইটেমের ক্ষেত্রে বলা মুশকিল, কারন কয়েন বাঁ নোট কে সরাসরি অর্থ/সম্পদ হিসেবে অনেকে মনে করেন। এবং মনে করেন খুব প্রয়জনে এটার তরলীকরণ ফিলাটিলিক আইটেমের তুলনায় সহজতর। ফিলাটিলিক আইটেম সেল করতে হএলে সেই আইটেম সম্পর্কে যে জানে এবং বুঝে কেবল সে ই তার সঠিক মূল্যায়ন করবে। অন্য দিকে কালকে একটু সস্তায় দিলে আপ্নিও ডলার বাঁ গোল্ড কয়েন কারো থেকে কিনে রেখে দেয়ার চিন্তা করবেন।

১৪) প্রচুর ভ্যারিয়েশন যেমন একদিকে প্লাস পয়েন্ট, অন্যদিকে সেটা নেগেটিভ ও। কারন এতো ভেরিয়েশন থাকার ফলে এই ক্ষেত্রে সর্ব বিদ্যা বিশারদ হওয়া মুশকিল। তাই কোন টা কেনো দামী সেটার ইতিহাস না পড়লে জানা বুঝা কঠিন। যেটা নোটের ক্ষেত্রে হলেও সেটা তুলুনামূলক কম।  

 কারনের লিস্ট এখানেই শেষ না। আপনারা আরও বলতে পারেন।

অনেক লোক ই শখ পালাকে একটা সামাজিকিকরনের অংশ হিসেবে দেখে। তাই সর্বোপরি Public awareness বাড়ালে, এই নিয়ে মুভমেন্ট হলে, লেখালেখি, শো, মেলা ইত্যাদি হলে মানুষ জানবে এবং ক্রমে আরও উদবুদ্ধ হবে । তারা জানবে যে এটার ও একটা সমাজ আছে, এটা অসামাজিক কার্যকলাপ বাঁ পাগলামি না, এটা কে শখ হিসেবে ভাবার প্ররোচনা এবং সাহস পাবে।