প্রথমে এই নিয়ে আমি যে লেখা গুলু লিখেছি সেগুলো পড়ুন। তার পর না বুঝলে প্রশ্ন করুন। চ্যাট বা টেলিফোনে এসব বুঝানো অনেক কঠিন।এগুলো ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞ্যান। তাত্বিকভাবে বুঝানো প্রায় অসম্ভব। তারপরও আরও কিছু টোটকা দিলাম বুঝার চেষ্টা করুন।
আমি বাংলাদেশে আসলে সরাসরি দেখা করেও প্রশ্ন করতে পারেন।
এখানে যা দেখিয়েছি-
১) প্রেস করলে এবং কঠোর রাসায়নিক ব্যাবহার করে নোট পরিস্কার করলে ইবটাগ্লিও প্রিন্টিং এর কালি ক্ষয় হয়ে যায়। নোটে মলিন ভাব চলে আসে,নোটের কাগজে মরা মরা ভাব চলে আসে, অনেক সময় ই তা আর কড়কড়ে থাকে না।(*যাকে আমরা ইংরেজীতে Limp বলি)।
২) ক্যামিকেল এবং হিট ব্যাবহার করলে কালি তে সুক্ষ্ম ফাটল বা Crack দেখা দেয় যা আমি আমার মাইক্রোস্কোপের ছবি থেকে দেখালাম।ভালো করে খেয়াল করুন।
৩)হিট প্রেস করলে নিরাপত্তা ফয়েল কিছুটা শেপ চেঞ্জ করে, কুচকে যায়,বিবর্ন হতে পারে,যা ছবিতে আমি তুলনা দেখালাম।
৪) কঠোর ক্যামিকেল ব্যাবহারে নোটের UV ফিচার সহ আরও অন্যান্য ফিচার নষ্ট হতে পারে যা নোটের সামগ্রিক কালেকশন ভ্যালু কে এফেক্ট করে। যা ছবিতে তুলনা দেখালাম।
৫) একটি পুরোনো নোট যা দেখতেও পুরোনো সেটা কে সেলার যতো ই টোকা দিয়ে কসরত করে দেখাক তা প্রেসেড্ নোট।কারন আপনার জন্য নিশ্চয়ই ৩০ বছর ধরে পুরোনো নোট টা কারো পকেটে গিয়ে ভাজ না হয়ে বসে থাকে নি,অতয়েব কমন সেন্স ব্যাবহার করুন।খুব কাছে থেকে দেখলে ভাগের দাগ দেখতে পাবেন।
৬) কলমের কালি যদি পেন্সিলের মতো মলিন বা ছাড়া ছাড়া দেখা যায় তাহলে সেটা কে ক্যামিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয়েছে বুঝতে হবে। কারন নিশ্চয়ই কেউ আপনি সংগ্রহ করবেন বলে আলতো করে কলম দিয়ে নোটের গায়ে লিখে নি।সাধারণ মানুষ কলম দিয়ে নোটে লিখলে বেশ চাপ দিয়েই লিখে থাকে।এমনকি প্রেস করলে সেই চাপ ও গায়েব হয়ে যায় কিন্তু সেই কলমের কালি আবছা ভাবে থেকে যায়।ছবিতে দেখুন।
এমন আরো অনেক বিষয় আছে যা অভিজ্ঞতালব্ধ ব্যাবহারিক জ্ঞ্যান, চাইলেই লিখে শেখানো সম্ভব না। তবে প্র্যাক্টিস করতে করতে বুঝতে এবং শিখতে পারবেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন