মে ০৯, ২০২৩

গোল্ড ফয়েন নোট, ফয়েল নোট, গোল্ড প্লেটেদ নোট [Goldback notes, Gold foil, Gold plated notes]

 

Goldback notes, Gold foil, Gold plated notes

 

গোল্ড-প্লেটেড নোট বা সোনার ফয়েল নোট এক ধরনের সংগ্রহযোগ্য আইটেম যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কিছু ভুল কারনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই নোটগুলি সাধারণত একটি ব্যাঙ্কনোট বা অন্যান্য কাগজী নোটের মত দেখতে।এখানে একটি পাতলা সোনার স্তর প্রয়োগ করে নজরকাড়া চেহারা তৈরি করা হয়

 

গোল্ড-প্লেটেড নোট বা সোনার ফয়েল নোট হচ্ছে ব্যাংক নোটের মতো দেখতে এমন একটি আইটেম যাতে খুব পাতলা সোনার পরত চড়ানো থাকে। সাধারণত এগুলু টুরিস্ট স্পটে পর্যটকদের জন্য স্মারক আইটেম এবং স্যুভেনির হিসেবে প্রথম বিক্রি হওয়া শুরু হয় । তারপর ক্রমে অনেক নতুন সংগ্রাহকরা এগুলুর নান্দনিকত্যের কারনে মোহিত হয়ে এগুলু জমায়। এগুলুতে সোনার স্তর সাধারণত খুব পাতলা হয়, সাধারণত (০.০০১) মাইক্রোন পুরু হয় যা প্রায়শই ন্যানোমিটার বা অ্যাংস্ট্রোমে পরিমাপ করা হয় এবং ব্যাবহ্রিত সোনার পরিমাণ সাধারণত খুব কম থাকায় নোটের মূল্যে তা উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে না।নোটের সোনার স্তরটি প্রায়শই এত পাতলা হয় যে এটি পরিমাপ করা কঠিন হয়ে যায়। XRF মেশিন ছাড়া সেগুলু পরিক্ষা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।  তাই অনেকে কেবল এগুলুকে তাদের ডিজাইনের জন্য শখের বশে বাঁ ভূল বশত কেনেন। এগুলু তৈরি হয় স্বর্ণের বাষ্প জমা করার মাধ্যমে।এদের গোল্ড প্লেটেড নোট ভেবে অনেকে ভূল করে। কারন প্লেটিং হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করে তৈরি হতে হবে যা সাধারণত অন্য ধাতুর উপর হবে এবং তাদের পুরুত্ব মাইক্রনে পরিমাপ করা হয় যা সাধারণত ০.১ মাইক্রোন পুরু হয়। (১ মিলিমিটার=১০০০ মাইক্রোন)।

গোল্ড-প্লেটেড নোট বিভিন্ন কারণে উৎপাদন করা হয়। কখনো কিছু স্মারক আইটেম হিসাবে তৈরি করা হয়, একটি বিশেষ ঘটনা বা মাইলফলক উদযাপন করার জন্য। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলু পর্যটন শিল্পের অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা ভ্রমণকারীদের তাদের ভ্রমণের স্মরণীয় স্যুভেনির হিসেবে কাজ করেকিন্তু আজকাল, কিছু সংগ্রাহক তাদের সংগ্রহের অংশ হিসাবে এই নোটগুলির মালিকানা এবং প্রদর্শন উপভোগ করে। বেশিরভাগ সময় ই রেগুলেটেড সোর্স থেকে বের না হওয়ার কারনে এগুলুর কোন সংগ্রাহক মূল্য নেই। সাধারণত এদের তেমন কোন সিকিউরিটি ফিচার থাকে না আর এগুলু লিগ্যাল টেন্ডার হিসেবে ব্যাভার হওয়ার জন্য তৈরিও হয় না। তাছাড়া ব্যাক্তিগত ভাবে তৈরি বলে এদের কোন আইনি স্বীকৃতিও থাকে না। এগুলুকে গলালে হয়তো একটা ধুলার কনার সমপরিমান স্বর্ণ পেতে পারেন।

তাই বলে তাদের গোল্ডব্যাক/স্বীকৃত গোল্ড নোটের সাথে গুলিয়ে ফেললে হবে না। যুক্তরাষ্ট্র, ঘানা,কুক আইল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি দেশ ই বিভিন্ন কারনে গোল্ড নোট বের করেছে যাদের কিছু প্রকরনের নাম গোল্ডব্যাক। যেখানে প্রকৃত ভাবে স্বর্ণের পরিমান নির্ভরযোগ্য ভাবে তুলনামূলক বেশি থাকে এবং ধাতুর দামের পাশাপাশি ক্ষেত্রে সোনার নোটগুলির দাম তাদের তাদের বিরলতা, গুণমান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।

 

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন