নভেম্বর ১৮, ২০২১

পলিমার ব্যাংক নোটের সুচনা

 সেখানে ছিলো চার বন্ধু। একজন ছিলো দরজি,একজন ফটোগ্রাফার,একজন চিত্র শিল্পী, এবং দোকানদার। সবাই তাঁদের নিজ নিজ জীবন নিয়ে বীতশ্রদ্ধ।একদিন তাঁরা ঠিক করলো তাড়াতড়ি বড়লোক হওয়া লাগবে।

যেই কথা সেই কাজ। কিভাবে?-বাজারে জাল টাকা ছাড়া হোক। তাঁরা আক্ষরিক অর্থেই টাকার ব্যাবসা করবে।

তো ফান্ডিং তো লাগবে। কিছুদিন খুঁজাখুঁজির পর দেখা গেল বিনিয়োগকারীও এক পায়ে খাঁড়া।

তাঁরা প্রথমে কিছ কিছু সাধারন কাগজ, নস্ট ক্যেমেরার লেন্স এবং রঙ্গিন প্রিন্টিং প্রেস কিনলো। এখন যার যার দক্ষতা কাজে আসলো। ফোটোগ্রাফার করলো ভালো ভাবে ছবি তোলার কাজ, চিত্র শিল্পী করলো জলছাপ আঁকার কাজ, সিকুরিটি সূতা বুননের কাজ নিলো দর্জি এবং একই সাথে প্রিন্টিঙের কাজও সাথে সাথে করতে লাগলো। আর অন্যদিকে দোকানদার বন্ধুও বসে নেই। সে তাঁর দোকানের সুবাদের সেই জাল টাকা বাজারে ছাড়তে লাগলো।

না এই কাহিনী কোন কল্পকথা নয়। ষাটের দশকের যখন অস্ট্রেলিয়া ’পাউন্ড’ থেকে তাঁদের বর্তমান মুদ্রায় (ডলারে) চলে আসে,তখন ইতিহাসের সর্ব বৃহৎ যোচ্চুরিটি সরকারের এবং তারপর মানুষের নজরে আসে।

তখন নিরাপত্তা সুচক হিসাবে নোটে কেবল জলছাপ,ইনটাগ্লিও প্রিন্টিং এবং মেটাল থ্রেড (ধাতব সূতা) ব্যাবহ্রিত হতো।

সরকার এই নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলো,কি করা যায়? বাজারে তখন হয়তো আসল টাকার থেকে জাল টাকার ছড়াছড়িই বেশি বলা যায়।

এই ছিলো গল্পের শুরু। যা পরবর্তীতে ব্যাংক নোটের জগতে এক নতুন প্রযুক্তির অগমনী বার্তা নিয়ে আসে।

আপনাদের ভালো লাগলে এই গল্পের দ্বিতীয় পার্ট এবং ক্লাইমেক্স আসবে।

লেখনি এবং চিত্রঃ যথারীতি নিজ, (প্রীতম চক্রবর্তী)

 

বিঃদ্রঃ ছবির নোট গুলুর কথা ভাবুন,কমেন্টে জানান। সবার আগে এই ধরনের পোস্ট পেতে Trust Collector ব্যাবহার করুন। আর জানতে হলে প্রশ্ন করুন।

স্বর্ণের এবং রুপার ব্যাংক নোট যা বাজারে চলতি।

সবাই তো কাগজী বা পলিমার নোট নিয়ে মাতামাতি করেন। আচ্ছা আপনাদের মধ্যে কজনে এর বাইরে আর কোন নোট ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে জানেন?

পলিমার ছাড়াও আরও যে প্যাপাইরাস, থাইভ্যাক,ব্রডভেক,মিটসুমাটা, বিভিন্ন রকম হাইব্রিড, কটন,কমার্শিয়াল পলিমার, ডিউরো সেইফ, অরাম (সোনা ,রূপা ইত্যাদি)।

আজকের কথা এর মধ্যে একটি নিয়েই-

প্রাইভেট, গোল্ড ন্যানো টেকনোলজি কোম্পানিঃ  ভ্যালুরাম, স্বতন্ত্র মুদ্রা মিন্ট।শুরুঃ ২০১২ থেকে

উদ্দেশ্যঃ যেন এমন একটি পন্য প্রস্তুত করা যা গতানুগতিক ভাবে ত ব্যাবহার করা যাবেই বরং মূল্যবান ধাতুকে জনসাধারণের প্রতিদিনের লেনদেনের বা বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবেও ব্যাবহার করা যাবে।

এর অন্যতম নিরাপত্তা প্রযুক্তি সমূহের মধ্যে স্ফটিক স্কেল এফেক্ট এবং গিলেশ্যে (guilloche) অন্যতম। গিলেশ্যে একটি আলংকারিক কৌশল যেখানে একটি খুব সুনির্দিষ্ট, জটিল এবং পুনরাবৃত্তিমূলক প্যাটার্নকে যান্ত্রিকভাবে ইঞ্জিন টার্নিংয়ের মাধ্যমে খোদাই করা হয়, যে মেশিন ব্যবহার করে এটি করা হয় তাকে রোজ ইঞ্জিন লেদ বলা হয়।

যদিও তাঁরা প্রথম কুক আইল্যেরন্ড সাথে প্রথম বৈধ ব্যঙ্কনোট নিয়ে আসে যেটি ছিলো প্রিন্স হ্যারি এবং মেগানের বিয়ে উপলক্ষে স্মারক নোট । এরপর তাঁরা – স্কাইলাইন সিরিজ নিয়ে আসে ২০১৭ সালে যা স্কাইলাইন ডলার নামে পরিচিতি পায়, যা বিশ্বজুড়ে বিশিষ্ট শহরগুলিকে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সেই সিরিজ এ প্রতিটি নোট 5 গ্রাম সূক্ষ্ম রৌপ্য থেকে তৈরি এবং পরিমাপ ১৫০ × ৭০ মিমি। । সবগুলুই বিশ্বব্যাপী ৫০০০ পিস পর্যন্ত সীমিত মিন্টেজ।

এখানে আমি বিখ্যাত চিত্র শিল্পি গুস্তাভ কিমটের  [Gustav Klimt] জগত বিখ্যাত চিত্র কর্ম,যার নাম ট্রি অফ লাইফ বা জীবন বৃক্ষ তুলে ধরেছি। আমি নিশ্চিত আপনি উনার এই নিপুন কাজের নমুনা কোথাও না কোথাও অবশ্যই দেখেছেন।

বলা হয় এই নোট টি বিশ্ব জুড়ে ৮৮৮ পিস বের করা হয়। ওজন ৩০ গ্রাম, প্রুফ কোয়ালিটি (উপাদানঃ খাটি রুপা ),কুক আইলয়েন্ড থেকে এটা স্মারক নোট হিসাবে ছাড়া হয়েছে।নোট টি তাঁর নিজস্ব ফোল্ডারে আসে । সাদৃশ্য প্রমানের জন্য আমি এই চিত্র কর্মের কিছু অন্যান্য নমুনা ইন্টারনেট থেকে ও দিলাম।

খাটি সোনা এবং রুপার তৈরি এরকম নোট আরও বেশ কিছু দেশ থেকেও বের হয়েছে,তার মধ্যে মঙ্গোলিয়া, ঘানা, কুক আইল্যেন্ড,ক্যামেরুন,টাঞ্জেনিয়া অন্যতম। আরও অন্যন্য দেশ এই লিস্টে সংযুক্ত হচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১

আজ বলবো আরেকটি ব্যঙ্ক নোট সাবস্ট্রেটের কথাঃ ডিউরাসেইফ

আজ বলবো আরেকটি ব্যঙ্ক নোট সাবস্ট্রেটের কথাঃ

কোন সাবস্ট্রেটি একদম পারফেক্ট না। পলিমার ব্যাংক নোটের যেমন ভালো দিক আছে তেমনি দুর্বলতাও আছে। তেমনি *কাগজের ব্যাংক নোটের যেমন অসুবিধা আছে তেমনি এমন কিছু গুন আছে যার কারনে অন্য কোন ম্যাটেরিয়াল এখনো অনেক ক্ষেত্রে কাগজের নোটের জায়গা নিতে পারেনি,সেই আলোচনা না হয় থাক আরেক দিনের জন্য। অনেকেই জানেন ১৯৮১ থেকেই সুইয্যারল্যন্ড তাঁদের ১০০০ ফ্রাঙ্কের নোট টি চালিয়ে আসছে,যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৯২ হাজার টাকার মতো (২০২১ অক্টোবর ১ম সপ্তাহ অনুযায়ী)।

অতয়েব বুঝতেই পারছেন ইহার দ্বারা তাঁদের বুকের পাটার সাইজ। ১৬ই মার্চ ২০১৯ সুইয্যারল্যন্ড
তাঁদের নতুন ১০০০ ফ্রাঙ্কের নোট ইস্যু করলো যা ল্যন্ডকোয়ার্ট নামক প্রতিষ্ঠানের ডিউরাসেইফ
নামের এক অভূতপূর্ব মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত। এই মিশ্রনে তাঁরা পলিমার এবং কাগজ উভয়কেই
একসাথে সংযুক্ত করে একটি নতুন ধরনের ম্যাটেরিয়াল তৈরি করে.
যা তাঁরা শুধু ব্যঙ্ক নোটেই নয় বরং তাঁদের পাসপোর্টে ও ব্যাবহার করে।
বলে রাখা ভালো ল্যন্ডকোয়ার্টের এমন বিভিন্ন ধরনের উপাদানের আরও অনেক
পেটেন্ট আছে । আমার জ্ঞ্যান কেবল ফ্যাক্টরি পরিদর্শক হিসাবে ডিজাইন এবং
টেকনিক্যল পরামর্শক হিসাবেই সীমিত। তবে এ নিয়ে আরও ৪ পাতা লেখা/বলা
সম্ভব,কিন্ত আপনারা পড়ার ধৈর্য হারাবেন।














এই প্রযুক্তিতে তাঁরা দুইটি পাতলা কাগজের (*কটন পেপার) ভেতরে
 একটি পলিমার লেয়ার স্যান্ড্যুইচের মতো করে তৈরি করে। এভাবে করে তাঁরা 
কাগজী মূদ্রার ধরার পর যে অনুভব হয় তা এবং পলিমার মূদ্রার টেঁকসই প্রবণতা;
দুটি দিকই নিশ্চিত করতে সক্ষম। দেখাযায় যে সুইয্যারল্যন্ড আধুনিক ব্যেঙ্ক নোট
 গুলো হাতে নিলে আলাদা অনুভব হয়। শুধু তাই নয় বরং এই মাধ্যমে তাঁরা দুটি আলাদা 
সাবস্ট্রেট এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সমূহকেও এক সাথে ব্যাবহার করতে সক্ষম হয়েছে। 
সুইস ব্যেঙ্ক নোট নিয়ে আরও অনেক লেখার আছে,তবে আজ এই পর্যন্তই।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০

সম্পদের মূল্য নির্ধারণ

 কি/কেন সংগ্রহ করবেন? মূল্য নির্ধারণ

কোন জিনিসের *মূল্য, নিরাপত্তা,ঐতিহাসিক গুরুত্ব, *দূরলভ্যতা, অবস্থা, নিবন্ধন নাম্বার, সীমিত উৎপাদন এবং প্রাপ্তির সম্ভাবনা, বয়স,কোন বিশেষ ব্যেক্তির, বস্তু বাঁ সময়ের/ঘটনার সাথে সম্পর্ক,

 

অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন ধরনের মূল্য/উদ্দেশ্য মাথায় রেখে সকল কাজ করি। সংগ্রহ কর্মটি ও এর বাইরে না। আমাদের নির্ধারণ করা উচিৎ যে আমরা যা সংগ্রহ করছি তা নিচের কোন ধরনের মূল্য ধরে আনবে বাঁ বয়ে নিয়ে আসবে। এখানে মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করার জন্য আমি সংগ্রহ জগতের প্রেক্ষিতে কয়েকটি উদাহরন দিলাম-

১) কার্মিক মূল্য বাঁ বাজার মূল্য- ৫০০ টাকার চালু নোট যা দিয়ে ৫০০ টাকার জিনিস কিনতে পারবেন।

২) ট্রান্সিক (বৈষয়িক বাঁ বস্তুনিষ্ট) মূল্য- স্বর্ণ।

৩) ইন্ট্রান্সিক (আপেক্ষিক বাজার) মূল্য- রাডার নাম্বারের একটি নোট।

৪) মনস্তাত্বিক মূল্য বাঁ সেন্টিমেন্টাল মূল্য- সেই নোট টি আপনি আপনার সংগ্রহে রাখার জন্য যতো দেবেন।

৫) অভিলক্ষ্যিত মূল্য- যেমনঃ ইউরো;স্টেবল কারেঞ্চি।

৬) ব্রান্ড মূল্য বাঁ বিশ্বাস মূল্য- কোথা থেকে বাঁ কার কাছে থেকে কিনছেন।

৭) প্রতীকী মূল্য-এন্টারক্টিকার নোট।

৮) সাম্প্রতিক নিলাম খতিয়ান- নামই যথেষ্ট।

৯) সম্মিলিত প্রচেষ্টা মূল্য- অনেকগুলু ম্যচ বক্সের সংগ্রহ ।

১০) দুর্লভ্যতা বাঁ প্রাপ্তি মুল্য- যেমনঃমৌর্য যুগের পাতিল ।

১১) সৌজন্য মূল্য- নামই যথেষ্ট ।

১২) অমূল্য- একমাত্র জিনিস যার অন্য কোন কপি নেই।

১৩) নিরাপত্তা মূল্য- NGC/PMG গ্রেডিং ।

জুলাই ০৪, ২০২০

এরর এবং মান নিয়ন্ত্রন ইস্যুর মধ্যে সম্পৃক্ততা [Error vs Quality control issue]

 

এরর এবং মান নিয়ন্ত্রন ইস্যুর মধ্যে সম্পৃক্ততা [Error vs Quality control issue]

 

Error Note

Quality Control Issue

Definition

Unintentional mistake or anomaly in production

Deviation from expected quality standards

Cause

Mistakes or anomalies during printing process

Human error or mechanical malfunctions

Examples

Inverted printing, mismatched serial numbers

Smudged ink, imperfect cantering, paper creases

Rarity

Generally found once in a blue moon therefore considered as rare and unique

Found in many items across the production , so more commonly encountered.

Collectability

Highly valued and sought after by collectors

Less valuable and not highly collectible

Perception

Considered valuable due to rarity and uniqueness

Not considered too valuable or highly desirable

 

 

 

Release for Circulation

Typically not intended for general circulation due to errors

Released for circulation despite quality control deviations

Production Inspection

Not identified or detected during routine inspections

Passed initial inspections, but may have been missed

Impact on Reputation

May reflect negatively on the printing press's quality

May lead to concerns about quality control processes

Recall or Replacement Process

May be recalled or replaced if discovered by authorities

Generally not subject to recall or replacement

 

 

 

মার্চ ০১, ২০২০

সংগ্রহের সাইড এফেক্ট

 সাইড এফেক্টঃ ডপমিনের আধিক্য নেশা ও বদ অভ্যাস ও তৈরি করতে পারে। কালো টাকা সাদা করার ভালো উপায়, সরকারি রাজ্বস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশের ক্ষতি করণ, ও সি ডি কম্পপ্লেক্স, এক্সট্রিম ক্ষেত্রে মস্তিকের ক্ষতি (ডান ফ্রন্টাল লোব কর্টেক্স ড্যামেজ)।

 

ফ্রয়েডবাদী মনস্তত্ববিদগন বলেন যে, যারা সংগ্রহ করে তাঁরা হয়তো শিশু কালে বাঁ জীবনের কোন বিশেষ সময়ে নিঃসঙ্গতার স্বিকার হয়েছে। বিভিন্ন জিনিস সংগ্রহ ও সঙ্কলন করে তাঁরা তাঁদের সেই শুন্য স্থানকে ভরাট করার চেষ্টা করে যায়।

এখন এগুলু থেকে আপনি আপনার কোনটি, তা বের করে নিতে পারবেন। এই লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে ,আপনি যেন আপনার ভেতরের স্পার্ক টি খুঁজে পান যে কেন সংগ্রহ করবো?কি সংগ্রহ করবো?

 

“সংগ্রাহক” কি সংগ্রহ করবে তাঁর উপর নিয়ন্ত্রণ রাখে,জানে যে কি সংগ্রহ হচ্ছে। আর “জমারু” সব কিছুই জমায়,কিছুর বিশেস্বত্ব না জেনেই।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০

একজন সংগ্রাহক কি কি বিষয় নিয়ে ভাবেন?

 একজন সংগ্রাহক কি কি বিষয় নিয়ে ভাবেন?

শুধু কি সংগ্রহ করবেন? কিভাবে/কোথায় সংগ্রহ করবেন?না আরও অনেক ভাবার আছে।

আজকের সংক্ষিপ্ত বিষয় যারা নোট সংগ্রহ করেন তাঁরা কি কি আনুসাঙ্গিক জিনিস রাখতে ব্যাবহার করতে পারেন?

উত্তরঃ ,স্টোরেজ সিস্টেম, সেফটি বক্স, আতসী কাচ, অনুবিক্ষনীক গ্লাস, ইউ ভি ল্যাম্প, লাইট বক্স, ডি হিউমিডিফায়ার, হিউমিডিফায়ার,রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল, সাবস্ক্রিপশন, ক্রয় রশিদ, স্কেন্যার, স্কেল,মাইক্রোমিটার, আই আর স্ক্যানার, গ্লাভস,আয়োডিন পেন, চিমটা, ট্রান্সিট পাউচ, স্টিকি নোট ইত্যাদি।

সংগ্রহের সিরিয়াসনেস উপর এই লিস্ট টি আরও বড়ো করা সম্ভব, তাছাড়া চাইলে এখানের প্রত্যেকটি পয়েন্ট নিয়ে আলাদা পোস্ট করা যেতে পারে (এতো কিছু জানার আছে)। যদি আপনাদের যথেষ্ট আগ্রহ থাকে।