সবাই তো কাগজী বা পলিমার নোট নিয়ে মাতামাতি করেন। আচ্ছা আপনাদের মধ্যে কজনে
এর বাইরে আর কোন নোট ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে জানেন?
পলিমার ছাড়াও আরও যে প্যাপাইরাস, থাইভ্যাক,ব্রডভেক,মিটসুমাটা, বিভিন্ন রকম
হাইব্রিড, কটন,কমার্শিয়াল পলিমার, ডিউরো সেইফ, অরাম (সোনা ,রূপা ইত্যাদি)।
আজকের কথা এর মধ্যে একটি নিয়েই-
প্রাইভেট, গোল্ড ন্যানো টেকনোলজি কোম্পানিঃ ভ্যালুরাম, স্বতন্ত্র
মুদ্রা মিন্ট।শুরুঃ ২০১২ থেকে
উদ্দেশ্যঃ যেন এমন একটি পন্য প্রস্তুত করা যা গতানুগতিক ভাবে ত
ব্যাবহার করা যাবেই বরং মূল্যবান ধাতুকে জনসাধারণের প্রতিদিনের লেনদেনের বা
বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবেও ব্যাবহার করা যাবে।
এর অন্যতম নিরাপত্তা প্রযুক্তি সমূহের মধ্যে স্ফটিক স্কেল এফেক্ট এবং গিলেশ্যে (guilloche) অন্যতম। গিলেশ্যে একটি আলংকারিক কৌশল যেখানে একটি খুব সুনির্দিষ্ট, জটিল এবং পুনরাবৃত্তিমূলক
প্যাটার্নকে যান্ত্রিকভাবে ইঞ্জিন টার্নিংয়ের মাধ্যমে খোদাই করা হয়, যে মেশিন ব্যবহার করে এটি করা হয় তাকে রোজ ইঞ্জিন লেদ বলা হয়।
যদিও তাঁরা প্রথম কুক আইল্যেরন্ড সাথে প্রথম বৈধ ব্যঙ্কনোট নিয়ে আসে যেটি ছিলো প্রিন্স
হ্যারি এবং মেগানের বিয়ে উপলক্ষে স্মারক নোট । এরপর তাঁরা – স্কাইলাইন সিরিজ নিয়ে আসে ২০১৭ সালে যা
স্কাইলাইন ডলার নামে পরিচিতি পায়, যা বিশ্বজুড়ে বিশিষ্ট শহরগুলিকে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সেই সিরিজ এ প্রতিটি নোট 5 গ্রাম সূক্ষ্ম রৌপ্য থেকে তৈরি
এবং পরিমাপ ১৫০ × ৭০ মিমি। । সবগুলুই বিশ্বব্যাপী ৫০০০ পিস পর্যন্ত সীমিত মিন্টেজ।
এখানে আমি বিখ্যাত চিত্র শিল্পি গুস্তাভ কিমটের [Gustav
Klimt] জগত বিখ্যাত চিত্র কর্ম,যার নাম
ট্রি অফ লাইফ বা জীবন বৃক্ষ তুলে ধরেছি। আমি নিশ্চিত আপনি উনার এই নিপুন কাজের
নমুনা কোথাও না কোথাও অবশ্যই দেখেছেন।
বলা হয় এই নোট টি বিশ্ব জুড়ে ৮৮৮ পিস বের
করা হয়। ওজন ৩০ গ্রাম, প্রুফ কোয়ালিটি (উপাদানঃ খাটি রুপা ),কুক আইলয়েন্ড থেকে এটা
স্মারক নোট হিসাবে ছাড়া হয়েছে।নোট টি তাঁর নিজস্ব ফোল্ডারে আসে । সাদৃশ্য প্রমানের
জন্য আমি এই চিত্র কর্মের কিছু অন্যান্য নমুনা ইন্টারনেট থেকে ও দিলাম।
খাটি সোনা এবং রুপার তৈরি এরকম নোট আরও
বেশ কিছু দেশ থেকেও বের হয়েছে,তার মধ্যে মঙ্গোলিয়া, ঘানা, কুক আইল্যেন্ড,ক্যামেরুন,টাঞ্জেনিয়া
অন্যতম। আরও অন্যন্য দেশ এই লিস্টে সংযুক্ত হচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন