জুন ১০, ২০২৩

ব্যবসায়িক সময় এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহের পার্থক্য, কি সংগ্রহ করা যায় না [differentiation between personal collection and corporate collection ]

ব্যবসায়িক সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহের পার্থক্য। কি সংগ্রহ করা যায় না। 

ইলেকট্রিক ভেপ,জীবিত প্রানি, সিগারেট,বিভিন্ন মাদক,আগ্নেয়াস্ত্র, জীবাশ্ম, যুদ্ধযান, জ্বালানী, আতশবাজি, নিয়ন্ত্রিত পদার্থ সমূহ যেমন (বিষ, রাসায়নিক ইত্যাদি) সংগ্রহ ব্যাক্তিগত ভাবে করা প্রায় দূরহ।
এছাড়াও দুর্লভ বস্তু যেমন, দামি গাড়ি, দামি ঘড়ি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক  প্রত্নতাত্ত্বিক আগ্রহের বস্তু সমূহ যেমন ফসিল, উল্কাপিণ্ড ইত্যাদি সংগ্রহের মনস্তত্ত্ব তৈরি হওয়ার জন্য কেবলমাত্র সেই বস্তুর প্রতি ভালোবাসা বা আগ্রহ যথেষ্ট নয়। 
সকল ক্ষেত্রে অ্যাক্সেসিবিলিটি,এক্সপোজার, সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স, রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ইত্যাদি বাহ্যিক প্রভাবক সমূহ গুরুত্বপূর্ণ। 

এই ধরনের সংগ্রহের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক এবং পারিবারিক প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। যেমন কারো বাপ কাকার বন্দুক বা রাইফেল থেকে থাকলে,সন্তান যদি সংগ্রহ মনা হয়ে থাকে তাহলে, সেগুলো সংগ্রহের প্রভাব তৈরি হতেই পারে। কারণ ছোটবেলা থেকেই সেগুলোর উপর তার এক্সপোজার,ক্লিয়ারেন্স  এবং এক্সেস রয়েছে। 
উদাহরণ হিসেবে আমি এমন বেশ কয়েকজন ইলেকট্রিক সিগারেট বিক্রেতাকে চিনি যার কাছে হাজারো রকমের/ফ্লেভারের ভেপ রিফিল আছে। সেগুলো তাদের ব্যবসায়িক সংগ্রহ কেননা এখানকার আইন অনুসারে চাইলেই আপনি ক্যানাবিস,উত্তেজক সহ পণ্য রাখতে পারবেন না। কিন্তু ব্যবসায়িক ছাড়পত্রের সুবিধারাওতায় আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন ক্যানাবিস সংগ্রাহক, বা উত্তেজক ম্যাগাজিন সংগ্রহক,বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থের সংগ্রাহক, সিগারেট সংগ্রহক বা বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি সংগ্রহক। এই ধরনের "বিতর্কিত সংগ্রহ" সম্পর্কিত যতোজনের সাথেই আমি কথা বলেছি সবার ক্ষেত্রেই তিনটি ফ্যাক্টর কমন- এক্সেস,এক্সপোজার এবং ক্লিয়ারেন্স। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন