এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিষয়ঃ UV লাইট
এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিষয়ঃ ওভার প্রিন্ট (থিমঃ ওভার প্রিন্ট)
এপ্রিল ১১, ২০২২
Souvenir Items/Note,Commemorative,Replica/Reproduction,Nobility/Fantasy note,Specimen,Private issue
Souvenir Items/Note (সুভেনিয়র আইটেম /নোট): সাধারন কোন জায়গার ভ্রমনার্থি পরিচিতি বাড়ানো,ঐতিহাসিক,সাংস্ক্রিতিক বাঁ ঐতিহ্যগত গন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাজারে ছাড়া বিভিন্ন রকমারি ডিজাইনের আইটেম কে সুভেনিওর আইটেম বলা হয়। সাম্প্রতিক সবচেয়ে পরিচিত আইটেম গুলুর মধ্যে “0 ইউরো” নোটের কথা না বললেই না। সাধারণত টুরিস্ট হিসেবে আপনিও সেখানে গেলে সেগুলু নিয়ে আসতে পারবেন স্থানীয় ভেন্ডিং মেশিন বাঁ দোকান থেকে। এগুলু কেবল নিছক নিউমেস্মেটিক প্রডাক্ট, লিগ্যাল টেন্ডার না। আর যেহেতু এর কোন কঠোর রেগুলেশন বডি নেই,তার মানে যেকোন ডিজাইন,যতো ইচ্ছা ততো ,যেদিন ইচ্ছে সেদিন যা ইচ্ছা টা ছাপানে হয় তাই অনেক সংগ্রাহক ই এগুলু কে এড়িয়ে চলেন এবং রঙ্গিন কাগজের মতো এদের সংগ্রহের বস্তু হিসেবে ধরেন না।
Commemorative (স্মারক) ইস্যুঃ সাধারণত কোন অনুষ্ঠান, ব্যাক্তি,ঐতিহাসিক গুরুতক পূর্ণ ঘটনা বাঁ সময়কে স্বরন করে অথরিটি বাঁ নির্বাহী সংস্থা থেকে ইস্যু হওয়ার আইটেম কে স্মারক আইটেম বলা হয়। যদিও কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে এই উদ্দেশ্য নিয়ে দ্বিমত আছে (যেমনঃ রোমানিয়া) এক্ষেত্রে আমি স্মারক নোটের কথা বলবো। কোন কোন দেশ সেগুলুকে লিগ্যাল টেন্ডারের মর্যাদা দিয়ে থাকে, কোন কোন ক্ষেত্রে এমনটি হয় না। যেহেতু সেগুলু অন্য সাধারন নোটের তুলনায় সীমিত সংখ্যায় বের হয় তাই সংগ্রাহক সমাজে সেগুলু চাহিদার তুলনার যোগান কম হয়। সেজন্য দ্রুতই মূল্য বেড়ে যায়।
স্মারক নোট বিনিময় যোগ্য হতেও হতে পারে আবার না ও হতে পারে। তবে তা উল্লেখ থাকবে।
☝🏾ডিজাইন বিবেচনায় স্মারক নোট দের দুটি দলে ভাগ করা যায়।
অভার প্রিন্ট স্মারক
নতুন ডিজাইন বা ফিচার চেঞ্জ স্মারক।
☝🏾আবার অন্য দিকে প্রচলন বিবেচনায় ও দুটি ভাবে ভাগ করা যায়।
প্রচলনযোগ্য স্মারক
অপ্রচলন যোগ্য স্মারক
হয়তো বিশ্বের মধ্যে তবে এশিয়ার মধ্যে অবশ্যই সবচেয়ে বেশী স্মারক নোট ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ডে দেখা যায়।
এছাড়াও হাইব্রিড
প্রিন্টিং প্রসেস ব্যাবহার করে আজকাল অনেক
দেশ ই স্মারন টিকেট এবং নোট প্রকাশ করছে। সংগ্রাহক সমাজে স্মারক নোটের বেশ কদর আছে,যে
স্মারক নোটের বাজার দর দেখলেই বুঝা যায়।এটা একটি পরিচিত এবং স্বীকৃত থিম।
Replica/Reproduction
রেপ্লিকা/রিপ্রোডাকশনঃ
দুই ভাবে ভাগ
করছিঃ অনুমোদিত এবং নামী প্রতিষ্ঠান থেকে, ব্যাক্তিগত উদ্যোগে।
অনুমোদিত কত্রিপক্ষ/কোম্পানি
থেকেঃ
উদাহরনঃ
Westminster মিন্ট থেকে সিল্ভারের (রুপার) উপর বেশ কয়েকটি পুরোনো ব্রিটিশ নোটের রিপ্রডাকশন
বের করা হয়েছে, যেগুলুর প্রতিটির দাম সরাসরি কিনলে প্রায় ১০০০০ টাকার কাছাকাছি। সেগুলোকে
আপনি বলতে পারেন যে ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সংগ্রক্ষনের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত কিছু নিউমেস্মেটিক
প্রডাক্ট । সেগুলু কোন সংগ্রাহক সংগ্রহ করবে কারন হতো সে Westminster মিন্টের সব কিছু
ই সংগ্রহ করে ,অথবা সে ব্রিটিশ ঐতিয্যের কদর করে। কেননা সেই রিপ্রডাকশন/রেপ্লিকা পিস
গুলু ও সীমিত সংখ্যায় বের করা হয়েছে। এটি একটি বিতর্কিত সংগ্রহের বিষয়। আবার ফ্রাঙ্কলিন
মিন্ট এবং ডেলারু থেকে সোয়াজিল্যান্ডের ১৯৭৪ সিরিজের একটি সেট কে রিপ্রোডিউস করা হয়েছে।
অন্য দিকেঃ
ই বে তে কোন সেলার বাঁ আপনি নিজে যদি ধরে বসে আপনার প্রিন্টার দিয়ে কোন আইটেম প্রিন্ট
করেন তাহলে সেগুলু ও রিপ্রডাকশন বলা হবে। ধোঁকা দেয়ার উদ্দেশ্যে করলে সেগুলুকে রেপ্লিকা
বলা হবে। সেজন্য কিছু কিছু কত্রিপক্ষ আবার রিপ্রোডাকশনের জন্য নিয়ম বেঁধে দিয়েছে। যেমনঃ
২৫% বড় বাঁ ছোট হতে হবে, সর্বচ্চ এক সাইডের প্রিন্ট হতে পারবে, প্রিন্টিং ম্যাটেরিয়াল
আলাদা হতে হবে, এমন কি স্পেসিমেন্ট (নমুনা ) সিল/মার্ক টি বসানোরও বিধি বিধান আছে। এত সকল কারনের এটি একটি স্বতসিদ্ধ বিষয় যে রেপ্লিকা
বাঁ রিপ্লেস্মেন্ট সংগ্রাহকদের মধ্যে ততোটা জনপ্রিয় না। পরিস্কার করে উল্লেখ থাকতে
হবে যে এটি লিগ্যাল টেন্ডার নয়।
Nobility/Fantasy
note (নোভিলিটি বাঁ ফ্যান্টাসি নোট)ঃ এগুলু কখনো লিগ্যাল টেন্ডার বাঁ বৈধ অর্থ হয় না।
কখনো কখনো কেবল সীমাবদ্ধ কিছু স্থানে এবং সময়ে এগুলুর ব্যাবহার দেখা যায়, যেমনঃ ডিসনি
ডলার, অস্ট্রেলিয়া ১৯৮৮ ওয়ার্ল্ড এক্সপো ডলার, । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেদের “Word of
art” বাঁ “Work of fiction” হিসেবে ধরা হয়। এগুলু নিউমেস্মেটিক প্রডাক্ট হিসেবেও গন্য
হয় না। তবে কেউ কেউ সেগুলু সংগ্রহ করে থাকেন কেননা অনেক নোট ই ইউনিক ডিজাইন এবং সিরিয়াল
এবং সিকিউরিটি ফিচার সম্বলিত ছিলো,ফলার সংখ্যা সীমিত। পরিস্কার করে উল্লেখ থাকতে হবে
যে এটি লিগ্যাল টেন্ডার নয়।
Specimen স্পেসিমেন/
নমুনা নোটঃ
নমুনা আইটেম/নোট
সাধারণত কোন দেশ,সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং তাঁর কর্মীদের সেই আইটেম/নোট সম্পর্কে পরিচিত
করিয়ে দেয়ার প্রেক্ষিতে উৎপাদিত হয়। প্রকৃত নোট বেজারে আসার আগে নমুনা নোট আসে যেনো
লোকজন সেটা সম্পর্কে জানে। সেগুলু কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক,শাখা ব্যাংক, আন্তর্জাতিক কারেন্সি
ব্যুরু, ক্যাটালগ পারলিশারস, আন্তর্জাতিক বন্দর,ক্যাসিনো, বড় মাল্টি ন্যাশ্যানাল ট্রেডিং
হাউসের পাঠানো হয় তাদেরকে নতুন ডিজাইন এবং সেই নোটের সিকিউরিটি ফিচার সম্পর্কে অবহিত
করার উদ্দেশ্যে। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিধি আছে। যেমনঃ
কখনো কখনো তাঁদের
বিশেষ প্রিফিক্স বাঁ চিহ্ন বাঁ সিরিয়াল নাম্বার দিয়ে চিহ্নিত করা হয়,যেমনঃ ০০০০০০০
বাঁ ১১১১১১১১ বাঁ ১২৩৪৫৬৭৮৯০ বাঁ ৯৯৯৯৯৯৯৯
বাঁ কোন সিরিয়াল নাম্বার না উল্লেখ করে, বাঁ
নমুনা নোট কথাটি বিভিন্ন রঙে উল্লেখ করে, “স্পেসিমেন” কথা টি কোথায় থাকবে? কখনো সম্পূর্ণ
সেটের সব গুলু ডিনমিনেশনের সিরিয়াল নাম্বার একই রাখা ইত্যাদি। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের
অভারপ্রিন্ট (যেমনঃ বাতিল,কেন্সেল্ড,সৌজন্য,মূল্য
হীন, নমুনা নোট ইত্যাদি) দিয়ে এটা পরিস্কার করা হয় যে এই নোট টি আদান প্রদান যোগ্য
না। কোন কোন সময়কালে “নমুনা নোটে” পাঞ্চ (ছিদ্র) করা থাকে যেনো সাধারন জনগন বিভ্রান্তিতে
না পড়ে।
নমুনা নোটে
কখনো আসল নোটের কিছু নিরাপত্তা বৈশিষ্ট থাকে আবার ক্ষেত্র বিশেষে থাকেও না, সেটা নির্ভর
করে সেই নোটের কত্রিপক্ষের উপর। যেহেতু সাধারন নোটের মতো এগুলু এত বেশী পরিমানে ছাপা
হয় না তাই সংগ্রাহক সমাজে চাহিদার তুলনার যোগান কম বিধায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে নমুনা নোটের
দাম সেই নোটের সাধারন ইস্যুর দামের থাকে বেশী হয়ে থাকে তবে কোন কোন দেশে তা কম ও হয়ে
থাকে কারন এর কোন ফেস ভ্যালু নেই (যেমন সিঙ্গাপুরের ১০০০০ ডলার)। কোন কোন দেশে সরকারী
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের স্পেসিমেন নোট উপহার হিসেবা দেয়া হয়। আবার কখনো কোন কোন দেশে
নমুনা নোট সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রিও হয়।
নমুনা নোটের কিছু শর্তের উদাহরনঃ
নোটের গায়ে
নমুনা নোট কথা টি লিখা থাকতে হবে যদি আসল নোটের ডিজাইনের ৫০% এর বেশী নমুনা নোটে প্রদর্শিত
হয়। এবং যদি কোন ছবি তে নোটের ছবি টি ২০ডিগ্রীর কমে বাকানো থাকে। অর্থাৎ যদি নোটের
ছবি এমন কোন ম্যাটেরিয়ালে ছাপা হয় যা আসল নোটের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, ২০ ডিগ্রি এর
বেশী কোনে ছবি হেলানো বাঁ আসল নোটের ৫০% এর
কম দেখা যায় তাহলে “নমুনা নোট” কথা টি উল্লেখ করতে হবেই না। কোথাও কোথাও আবার সাইজের
নির্দেশিকা দেয়া আছে যে আসল নোটের থেকে ২৫% বড় বাঁ ছোট হতে হবে। কোথাও আবার আক দিকে
ছাপা হবে।কি রঙের ফন্তে নমুনা নোট কথা টি লিখা হবে, কতো ডিগ্রি কোনে সেই লেখা ই বাকানো
থাকবে তা (যেমনঃ ৪৫ ডিগ্রি),
যা ই বলা হোক মূল উদ্দেশ্যে যে মানুষ যেনো ভুলে একে আসল নোট মনে না করা
বিভ্রান্তি তে না পড়ে। তাই এতো সব নিয়ম কানুন।
Private
issue (প্রাইভেট ইস্যু): নিজের বানানো কোন কিছু কে প্রাইভেট ইস্যু বলা হয়। সেটা কোন
ব্যাক্তির বানানো হতে পারে, বাঁ কোন কোম্পানির বানানো হতে পারে। তবে সেগুলোকে আমার
দুটি ভাবে ভাগ করা যায়-
অনুমোদিত এবং
অনুমোদন বিহীন
অনুমোদিতঃ ট্রেডমার্ক
বাঁ পেটেন্ট থাকবে। নির্দিষ্ট এবং সীমিত সংখ্যায় বের হবে যে পাব্লিক ভাবে প্রকাশ করা
হবে। যেমন বিভিন্ন মিন্ট এবং নোট প্রিন্টার গুলু তাঁদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ কে তুলে
ধরার জন্য প্রায় ই প্রাইভেট ইস্যু নোট বাঁ কয়েন বের করে। অনেক সুনাম ধন্য আর্টিস্ট
রা ও প্রাইভেট ইস্যু টিকেট, নোট ইত্যাদি বের করে তাঁদের কাজের উৎকর্ষ প্রকাশ করে।
অনুমোদন বিহীনঃ
আপনি নিজে ফটশপ দিয়ে ডিজাইন করে কাগজে প্রিন্ট করে সেটা কে যা ইচ্ছা টা ই বলতে পারেন।
এগুলু কোন সংগ্রহের বস্তু না,কেননা সেগুলু সংগ্রাহক আইটেমের কোন ক্রাইটেরিয়া ই পূর্ণ
করে না। প্রথমত সেগুলু অসীম সংখ্যায় বানান যেতে পারে,কোন রেগুলেশন নেই, ট্রেড মার্কড
প্রোডাক্ট না ফলে পরশু আরেকজন ও সেই একই ডিজাইনে একই ম্যাটেরিয়াল দিয়ে এই প্রোডাক্ট
বানিয়ে ফেলতে পারে (অর্থাৎ ইউনিকনেস বাঁ অনবদ্যতার অভাব), নিজেই বানিয়ে যদি নিজেই বলেন
এটা আমার সংগ্রহ তাহলে সেটা প্রিন্ট করা কাগজের চেয়ে বেশী মূল্যবান কিছু নয়। যেমন একজন
দর্জি তাঁর নিজের সেলাই করা জামার গোডাউন কে তাঁর সংগ্রহ ও বলতে পারে না আর নিজেকে
সংগ্রাহক ও বলতে পারেন না।
তবে এখানে কিছু
শর্ত আছেঃ আপনি যদি ফেমাস কেউ হন,যার ইউনিক কাজ মানুষ জেনে শুনে মূল্যায়ন করে তাহলে
আপনার তৈরি করা আইটেম তাঁদের কাছে সংগ্রাহক বস্তু হতে পারে,বিশেষ করে আপনার মৃত্যুর
পর। আপনি জিবিত অবস্থায় যদি নিজের করা কাজ কে নিজেই সংগ্রহ বলে চালিয়ে দেন তাহলে সেটা
……… আমি আর না বললাম। নোটের ক্ষেত্রে এগুলু
যেমন নিউমেস্মেটিক প্রডাক্ট হিসেবেও স্থান পায় না তেমনি বেশিরভাগ বিজ্ঞ সংগ্রাহকদের
কাছে সেগুলে সংগ্রহ হিসেবে ই স্বীকৃতি পায় না।
বলা ভালোঃ কিন্তু
কোন আইটেম প্রাইভেট ইস্যু হলে (টা সে অনুমোদিত হোক আর না হোক) টা দিয়ে যখন ইকোনমিক
এক্টিভিটি (ক্রয়/বিক্রয়) হবে তখন সেটা ডিক্লেয়ার করা বাধ্যতা মূলক। টা না হলে সেটা
জালিয়াতী। তাই আমি প্রাইভেট ইস্যু কে সংগ্রহের কোন থিম ই ধরি না। সেগুলু হতো কারোর
ব্যাক্তিগত মনের খোরাক হতে পারে কিন্তু ক্যাটালগ বদ্ধ না থাকলে, স্বীকৃতি না থাকলে
এবং সীমিত সংখ্যায় থাকার বাধ্য বাধকতা না থাকলে তা কিভাবে সংগ্রাহক বস্তু হতে পারে
সেটা নিয়ে আমি সন্ধিহান,যারা যারা একমত কমেন্টে জানাবেন।
ব্যাংক নোটের
মতো দেখা গেলে ,বিক্রয় পোস্টে পরিস্কার করে উল্লেখ থাকতে হবে যে এটি লিগ্যাল টেন্ডার
নয় । আর অন্য কোন আইটেম হলে যেমন (পোস্ট কার্ড, চিত্রকর্ম, সুন্দর লেখনী, ম্যাচ বক্স,
বই, ঔষধ, দলিল,শো পিস, মোমবাতি তা সে নিজের তৈরি যা ই হোক না কেনো) বিক্রয় পোস্টে উল্লেখ
করা উচিৎ যে সেটা প্রাইভেট ভাবে করা। অর্থাৎ মানুষের এটা জেনে নেয়া উচিৎ যে সেই মুহূর্তে
সেটা নিছক একটি শিল্পকর্ম। এমনকি রবিন্দ্রনাথ স্বয়ং ও তাঁর লেখা রচনা সমগ্র কে সংগ্রহ
বলবেন না।তাহলে অন্য কারো এই প্রগল্ভতা কিভাবে মানায়।
Test note:
যখন কোন কতৃপক্ষ নোট নিয়ে আসে,তা আসার আগে তার এ টি এম মেশিনে,ব্যাংক টেলার মেশিনে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কারেন্সি এক্সচেঞ্জে তাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং মেশিনের সাথে কোন বিষয়ে কনফ্লিক্ট করে কি না তা যাচাই করার জন্য টেস্ট নোট পাঠানো হয় যা হয়তো সাইজের,পেপার টাইপ,পুরুত্ব, কালার বা সিকিউরিটির দিক থেকে প্রস্তাবিত নোটের মতো যেন সেই কতৃপক্ষ সেটি দিয়ে টেস্ট করে ফিডব্যাক দিতে পারে। যেমন ফিজির একটি নোট এক সময় থাইভ্যাক মেটেরিয়ালে প্রিন্ট করার পর দেখা যায় যে,আদ্র আবহাওয়ায় সেটি তে কালার বসতে অসুবিধা হচ্ছে।অর্থাৎ সহজেই রঙ উঠে যাচ্ছে।
এক কথায়,একটি বিধিবৎ প্রকৃয়ার মাধ্যমে আসন্ন নোটের ব্যাবহার যোগ্যতা, পরিস্থিতি, সুপারিশ সমূহ ইত্যাদি পরিক্ষা করার জন্য টেস্ট নোট বের করা হয়।
এটা কোয়ালিটি কন্ট্রোলের একটি অনন্য মাধ্যম।
মার্চ ২৭, ২০২২
বিষয়ঃ প্রিফিক্স, সিরিয়াল নাম্বার, কন্ট্রোল নাম্বার, ইস্যু সংখ্যা
সাধারণত কোন সিরিয়াল সংখ্যা/নাম্বারের আগে থাকা কোন অক্ষর বাঁ চিহ্ন কে/দের সংগ্রাহক গন প্রিফিক্স বলে ধরেন। সাধারণত কয়েকটি অক্ষর বাঁ সংখ্যা দিয়ে প্রিফিক্স গঠন হলেও সময়ের সাথে সাথে প্রিফিক্সে ও বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র দেখা যাচ্ছে।
কতটি নোট ছাড়া
হয়েছে তাঁর হিসাব রাখা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রিফিক্স কে আরও বিভিন্ন
ধরনের কাজে ব্যাবহ্রিত হয়ে দেখা যায়, যেমনঃ
ইস্যু সাল অনুমান
করা
কোন গভর্নর বা কতৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে বাজারে এসেছে তা ধারনা করা
ইস্যু সংখ্যা
অনুমান করা
ইস্যু সিরিজ
ধারণা করা
কি উপলক্ষ্যে
ছাড়া হয়েছে তা ধারণা করা
কারো ব্যাক্তির
নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
কোন বিশেষ ঘটনার
সংক্ষিপ্ত রূপ
কোন দেশের ব্যাংকের
রূপ
কোন দেশের বিশেষ
বস্তু
রিপ্লেস্মেন্ট
নোট কি না
ইমেরজেন্সি/
আপদ কালীন নোট কি না
জাল নোট কি
না
স্মারক নোট
কি না
নমুনা নোট কি
না
ট্রেজারি নিয়ন্ত্রিত
নোট কি না
ব্রেক নাম্বার
বাঁ স্প্লিট প্রিফিক্স কোথায়
পরিক্ষা মূলক
নোট
দেশ/ রাষ্ট্র/
শহরের নাম ধারণা করা
কলাম সর্ট নোট
ইত্যাদি এমন
অনেক ক্রিয়েটিভ ধরনের প্রিফিক্সের ব্যাবহার দেখা যায় যায় কয়েক্টির উধারন আমার সংগ্রহ
থেকে দিলাম। এর বাইরে আপনার জানা আরও কোন ধরনের প্রিফিক্স থাকলে কমেন্টে বলতে পারেন,
অন্যরাও জানুক।
কোন কোন সংগ্রাহক, খুব ছোট বাঁ খুব বড় সিরিয়াল নাম্বের পাশাপাশি কেবল
প্রথম বা/এবং শেষ প্রিফিক্সের নোট ই সংগ্রহ করেন, তাই সাম্প্রতিক সংগ্রাহক বাজারে এগুলোর
চাহিদা দেখা যায়।
প্রিফিক্সের
পাশাপাশি সাফিক্স নামেও একটি টার্ম আছে,যা নিয়ে অন্য পোষ্টে কথা হবে।
মার্চ ১৭, ২০২২
বিষয়ঃ Appraisal (এপ্রাইসাল) বাঁ মূল্যায়ন
National emblem
ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
কিভাবে সাজাবেরন নিজের ব্যাংক নোট কালেকশন? এবং থিম সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।
কিভাবে সাজাবেরন নিজের ব্যাংক নোট কালেকশন? এবং থিম সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।
লেখা টি কাদের জন্যঃ বিশেষত গ্রুপে/সংগ্রহ জগতে যারা নতুন ঢুকেছেন ।
কি ধরনের এল্ব্যাম আপনার জন্য প্রযোজ্য তা জানতে আমার অন্য পোষ্ট পড়ুন। নতুন যারা তাঁরা ,ফিক্সড এ্যালবাম ব্যাবহার করলেও, আপনার সংগ্রহ বাড়ার সাথে সাথে আপনি বাইন্ডার এ্যালবামে নিজের সংগ্রহ কে স্থানান্তরিত করতে পারেন।
প্রাথমিক ভাবে আপনার সংগ্রহ হয়তো তুলনামূলক ছোট সেটা হয়তো আপনার অর্থাভাবের জন্য হতে পারে, কিন্তু আপনার জ্ঞ্যানের পরিধি কেনো ছোট হবে?
আপনি শুরু থেকেই কিছু থিম নিয়ে হয়তো চাজ করতে পারবেন না,কারন আপনার সংগ্রহের পরিমাণ কম। তাই বলে হতাশ হবেনা না এবং লক্ষ্য স্থির করবেন যতো দ্রুত সম্ভব, হাতে কিছু নোট আসার পর আপনার জ্ঞ্যানের পরিধি প্রসারিত হবে,আপনিও বুঝতে পারবেন যে আপনার দ্বারা কি সহজে সম্ভব আর কি করতে আপনার বেগ পেতে হবে। এখানে আমি কিছু প্রশ্ন নিয়ে ভাবতে সাহায্য করছি।
আপনি কি দেশি নাকি বিদেশী নোট করবেন?
বিদেশী নোট করলে কি কোন ধরনের থিম নিয়ে কাজ করবেন? যেমনঃ সকল দেশের একটি নোট, প্রতি দেশের ১,৫,১০,২০,৫০,১০০ এমন কোন ডিনমিনেশন?
আপনি কি নিয়মিত নাকি অনিয়মিত খরচ করবেন?
ধীরে ধীরে খরচ করবেন নাকি? নাকি প্রতি মাসে একসাথে বেশ কিছু টাকা খরচ করবেন? নাকি যখন কিছু পছন্দ হবে তখন ধার দেনা করে হলেও কিনবেন?
আপনি আগামী বছরের ভেতরে আপনার কালেকশন কোথায় দেখতে চান?
আপনার কি কোন মেন্টর আছে? আপনি কি মেন্টরের ভূমিকা জানেন?
থিম কাকে বলে আপনি কি
জানেন? দেশি নোট করলে অনেকে প্রিফিক্স,ডিজাইন,সিগ্নেচার, সাল, বিভিন্ন বিশেষত্বের নাম্বার,
বিভিন্ন ধরনের ত্রুটিপূর্ণ নোট ইত্যাদি করে থাকে।
থিম সম্পর্কে ধারনাঃ সংগ্রাহকদের
ভাষায়; কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় কে একটি সেট এ সীমাবদ্ধ করা কে থিম বলি। বিদেশী নোট
করলে হয়তো প্রিফিক্স বাঁ গভর্নরের মতো গভীর থিম করা আপনার জন্য কষ্ট সাধ্য হয়ে যেতে
পারে। তাই আপনি হয়তো ডিজাইন বাঁ সাল ভ্যারাইটি করতে পারেন। নোটের নকশার উপর নির্ভর
করলে-অনেকে বিখ্যাত ব্যাক্তির মুখ (রাষ্ট্র প্রধান/পিতা/মাতা, বিজ্ঞানি,শিল্পি,রাজনীতিবিদ
ইত্যাদি), ব্রিটেনের রানীর মুখ, বিভিন্ন ধরনের জীব জন্তু, পাখি, ভবন, শিল্প,কারুকারয,
যুদ্ধ, বিদ্রোহ,শান্তি, ফুল, প্রযুক্তি ইত্যাদি নানাবিধ ধরনের থিম নিয়ে সংগ্রহ গড়ে
তুলতে পারেন।
কেউ দ্বীপ রাজ্য, ঔপনিবেশিক
রাষ্ট্র, গুচ্ছ রাজ্য, বিলুপ্ত দেশ ইত্যাদিকে ও থিম হিসাবে নেয়।
কেউ আবার পিক নাম্বার
অনুসারে সংগ্রহ করে; কেউ কেবল নির্দিষ্ট গ্রেডের কারেন্সি সংগ্রহ করে, কেউ বায়জাপ্ত
সিরিজের আইটেম সংগ্রহ করে,কেউ স্মারক,কেউ বাঁ সুভেনিয়র নোট সংগ্রহ করে, অনেকে আছে কেবল
টেস্ট নোট সংগ্রহ করে (প্রত্যেকটি নিয়ে আলাদা পোষ্ট আছে)।
আবার কেউ কেউ কোন নির্দিষ্ট
দেশের সকল ইস্যু সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন, কেউ হয়তো কোন একটি মহাদেশের সকল দেশের নোট
একটি বাঁ একাধিক ডিনমিনেশন সংগ্রহ করেন, কেউ হয়তো নতুন নোট সংগ্রহ করেন কেউ পুরোন করেন,সেটা
নিয়ে আমার আলাদা পোষ্ট আছে।
আপনি দেশ অনুযায়ী সংগ্রহ
করলে, A থেকে Z পর্যন্ত দেশের নামের লিস্ট করে নিন। তারপর সেগুলু কি এ্যালবামে জায়গা
রেখে সাজাবেন নাকি একটির পর একটি কেবল রাখবেন সেটা আপনার ইচ্ছা।
তাই আপনি কি করবেন তা
আগে আপনার বুঝতে হবে। টার্ম গুলু জানতে হবে, অল্প কিছু থিম কে নিশ হিসাবে নিতে হবে,
অনেক গুলু থিম একসাথে নিয়ে কুলাতে পারবেন না। আর কতো গুলু থিম আপনি একসাথে আপনার অবস্থায়
পারিপ্রেক্ষিতে কুলাতে পারেন সেটা আপনার মেন্টরের সাথে আলোচনা করে ঠিক করে নিতে পারেন।
সবই যদি সংগ্রহ করা শুরু করেন তাহলে কিছুতেই মাস্টার হতে পারবেন না। এবং অনেক সময় যাওয়ার
পরও আহামরি ভাবে আপনার দেখানোর কিছুই থাকবে না। এর সবচেয়ে বড় কথা সবচেয়ে ভালো কন্ডিশনের
আইটেম ই সব সময় সংগ্রহ করবেন, সস্তা পেলেও ছেরা,ফাটা, খারাপ কন্ডিশনের আইটেম নেবেন
না। (কেনো ?তাঁর কারন নিয়ে আলাদা পোষ্ট আছে)।