ডিসেম্বর ০৩, ২০২৩

The ethical aspect of selling replica and copy item

কপি বা রেপ্লিকা আইটেম ছড়ানোর যৌক্তিকতা এবং আদর্শ 


আইণের দৃষ্টিতে কোন বেয়াইনি জিনিস নিজের কাছে রাখার/বারামত হওয়ার পেছনে প্রধানত দুটি যৌক্তিকতা বসানো যায়। একটি হচ্ছে সরবরাহ এর উদ্দেশ্যে, অন্যটি হচ্ছে ব্যক্তিগত ব্যাবহার বা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। বিশেষ করে যখন হাতেনাতে ধরা হয় তখন -অন্যের মাল,ভুলে রেখেছি,এই প্রথম বার ইত্যাদি যুক্তি কম ই খাটে।


কোন জিনিস কখন বেয়াইনি হয়?

রাস্ট্রীয় সংজ্ঞা ধরলে যা রাস্ট্র দ্বারা নির্ধারিত আইটেম নির্ধারিত কারণে বেয়াইনি হয়ে থাকে। 


ফেইক বা রেপ্লিকা বিক্রি করা কি বেয়াইনি?

ক্রেতা এবং বিক্রেতার উভয়ের জ্ঞ্যান সত্বে লেনদেন হলে সেটা বেয়াইনি লেনদেন নয়। তবে কোন ফেইক আইটেম নিজের কাছে সরবরাহ বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখাটা গভীর ঝামেলার বিষয়। কেননা এটা প্রমান করা দূরহ যে আপনি অসৎ উদ্দেশ্য তা রাখেননি। তাই বিক্রি বেয়াইনি না হলে নিজের কাছে রাখাটা যথেষ্ট শক্ত প্রমানের অভাবে বেয়াইনি প্রতিপন্ন হতে পারে। আর ক্রেতা কে না জানিয়ে ফেইক আইটেম বিক্রি করা অবশ্যই বেয়াইনি।


তাহলে ক্রেতাকে জানিয়ে ফেইক বা রেপ্লিকা বা কপি বিক্রি করা কি ভাবে দেখা যায়?

আমি এটাকে প্রথমেই Moral ground বা নিজস্ব আদর্শের দাঁড়িপাল্লায় মাপবো। অর্থাৎ যে কপি আইটেমটি বাজারে ছাড়ছি তার ভবিষ্যৎ ইম্প্যাক্ট কি হতে পারে? 

এটা অনেকটা বিষ বা ড্রাগ বিক্রি করার মতো। যে কিনছে সে হয়তো জেনেই কিনছে। কিন্তু যেহেতু আইটেমটির কোন রেগুলেটরি বডি নেই, তারপর সেই বিষ বা ড্রাগ কার কাছে,কি ফর্মে যাবে, সেটার ইম্প্যাক্ট কি হতে পারে, হয়তো আপনার এক ফ্রেড ই সেটাকে আসল বলে এক দিন কিনতে পারে, নতুন কেউ সেটাকে আসল ভেবে আকাশ কুশুম স্বপ্ন বাঁধতে পারে বা আসল আইটেমের বিক্রেতা কখনো হেনস্তার শিকার হতে পারে কি না তা ভাবেন না।

তাই, আমরা যারা সংগ্রহের Critic বা vigilante তারা বলি যে "ফেইক আইটেম সংগ্রহের ঘুন পোকা"। কারন তা কোন না কোন ভাবে ক্রমে ক্রমে মানুষের আস্থা নষ্ট করবেই,তা হোক আজ বা কাল। যা কেনাকাটা কে আরো বিরক্তিকর, ঝামেলাপূর্ণ  অস্বস্তিকর করে তুলবে কারন প্রতিনিয়ত মাথায় রাখতে হবে যে "আমার মাথায় তো যে কেউ কাঁঠাল ভেঙে খেতে পারে"।


এখন আইনের আরেকটি  টার্ম আছে " Peraon in position". 

অর্থাৎ আপনি যদি কোন বড় পদে থেকে অপরাধ করেন, সেই একই অপরাধ যদি অন্য কেউ ছোট পদে থেকে করে, তাহলে আপনার শাস্তি বেশী হবে। কারন আপনার culpability বেশী। আপনার ইনফ্লুয়েন্স বেশী,ফলোয়ার বেশী, ইম্প্যাক্ট বেশী। একারনেই স্পিইডার ম্যান সিনেমার বলেছে যে "With great power comes great responsibility" অর্থাৎ যখন আপনার ক্ষমতা বেশি থাকে আপনার দায়িত্বও বেড়ে যায়। 


ডিসেম্বর ০১, ২০২৩

উল্ট জেনি [Inverted jenny]

আজকে, আমরা স্ট্যাম্পের জগতের গভীরে ডুব দিচ্ছি যা সর্বকালের সবচেয়ে লোভনীয় এবং মূল্যবান স্ট্যাম্পগুলির মধ্যে একটির পিছনের গল্প নিয়ে।

উল্টো জেনি/ ইনভার্টেড জেনি [Inverted Jenny]৷ 

এই স্ট্যাম্পটি, তার বিশেষ উলটো-প্লেনের নকশার জন্য পরিচিত। শুধুমাত্র সংগ্রাহকদের মধ্যেই নয়, সিনেমা এবং টিভি শোতেও খ্যাতি অর্জন করেছে। সুতরাং, আসুন জেনে নেওয়া যাক কী এই স্ট্যাম্পটিকে এত অসাধারণ করে তোলে এবং কেন এটি ফিলাটেলিস্টদের জন্য একটি মূল্যবান সম্পত্তি।

স্ট্যাম্পের ত্রুটির গল্পের আগে বলতে হবে এই স্ট্যাম্পের ইতিহাস নিয়ে। এটি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত-এয়ারমেইলের জন্মের সাথে সম্পর্কিত। ১৯শতকের গোড়ার দিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশ এয়ারমেইলের ধারণা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছিলো। ১৯১৮ সাল নাগাদ, এয়ারমেইল সেবা গুলু শুরু হতে থাকে,এবং একটি আলাদা স্ট্যাম্পের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে আসে।

মার্কিন পোস্ট অফিস বিভাগ এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এয়ারমেইলের এই সূচনা হয়। কারন তখন আমেরিকান বিমান চালকরা এটিকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতির করার মিডিয়াম হিসেবেও ব্যাবহার করার সুযোগ পায়। কার্টিস এয়ারোপ্লেন এবং মোটর কোম্পানিকে মেইল পরিবহনের জন্য কার্টিস JN-4 মডেলের প্লেন ব্যাবহার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই প্লেন গুলির সামনের সিটগুলি মডিফাইড করে চিঠির বস্তা নেয়ার হতো। প্লেন গুলিকে, যাদের মজা করে "জেনিস" বলা হতো।

জেনি প্লেনের ছবি বসানোর ফলে স্ট্যাম্প নিজেই, এয়ারমেইলের প্রতিনিধিত্ব করে। ফলে এয়ার মেইলে ব্যাবহার হওয়া অন্যান্য প্লেনের বদলে স্ট্যাম্পটি কার্টিস JN-4 মডেলের ছবি ই ব্যাবহার করে যায়।

তখন এই স্ট্যাম্পের মূল্য ধরা হয় ২৪ সেন্ট। যা তখননকার প্রথাগত তিন সেন্টের নিয়মিত ডাক মাশুলের থেকে অনেক বেশী। তাই এই স্ট্যাম্পটির মূল্যমান কমানোর আগে মাত্র দুই মাস প্রচলন ছিল। যাইহোক, মুদ্রণ প্রক্রিয়া চলাকালীন একটি ত্রুটির কারণে উল্টো জেনি অস্তিত্বে আসে। কেননা তকখন দুটি আলাদা কালার প্রিন্ট করতে দুটি মেশিনে আলাদা আলাদা ভাবে কাগজের শিট গুলুকে ঢুকাতে হতো। অর্থাৎ এক রঙের নকশা প্রিন্ট হওয়ার পর সেটি শুকানোর পর আবার অন্য রনঙের নকশাটিকে প্রিন্ট করার জন্য মেশিনে ঢুকানো হতো। তাই কিছু শীট উল্টো ঢুকানোর পর উড়োজাহাজের নকশা ভুলবশত লাল ফ্রেমের মধ্যে উল্টো করে প্রিন্ট করা হয়েছিল।

সংগ্রাহক বাজারে ইনভার্টেড জেনির প্রবেশ ঘটে যখন একজন স্ট্যাম্প সংগ্রাহক, উইলিয়াম টি. রবি, ওয়াশিংটন ডিসি পোস্ট অফিসে স্ট্যাম্প কিনতে গিয়ে হটাত করে পাতা উল্টাতে উল্টাতে খেয়াল করলেন যে এক্টি পুরো শিটে ডিজাইন উল্ট প্রিন্ট হয়েছে। তিনি সুযোগটি কাজে লাগাতে সাথেসাথেই ১০০ টি ইনভার্ট জেনির শিট কিনে নিয়েছিলেন এবং পরে সেগুলিকে কয়েক হাজার গুন লাভে বিক্রি করে দেন কারন নিজের কাচছে রাখলে সেটা রাষ্ট্রীয় বায়জাপ্তকরনের কারনে হাতে হতে পারতো। এর মধ্যে তিনি পেন্সিল দিয়ে প্রত্যেক্টি স্ট্যাম্পের পেছনে তাদের আলাদা পজিশন অনুসারে নাম্বারিং করেন।

ইনভার্টেড জেনির বিরলতার প্রধান কারন  যে শুধুমাত্র ১০০ টি স্ট্যাম্প এভাবে মুদ্রিত হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংগ্রাহক থেকে এই স্ট্যাম্পগুলি পুনরুদ্ধার করার প্রচেষ্টা, হারিয়ে বা চুরি যাওয়া ইত্যাদির ঘটনা ঘটেছে।এমনকি একটি নিখোঁজ ইনভার্টেড জেনি সম্পর্কিত একটি চলমান এফবিআই মামলাও এই কাহিনীতে ঘি ঢেলেছে।

ইনভার্টেড জেনির প্রতি মুগ্ধতা শুধু এর আর্থিক মূল্যের কারনে নয় বরং এর পেছনে গল্পের কারনেও। ডাক ব্যাবস্থা এবং যোগাযোগের বিবর্তনের সাথে স্ট্যাম্পের মিলন এবং এর বিভিন্ন মালিকদের এই স্ট্যাম্প পাওয়ার গল্প এই স্ট্যাম্প কে সংগ্রহক সমাজের কোহিনুর বানিয়েছে। আসল একটি ইনভার্টেড জেনির মালিকানা হয়তো বেশিরভাগ সংগগ্রাহকের নাগালের বাইরে থাকতে পারে। কিন্তু এই গল্প কেনো অজানা থাকবে?

 

নভেম্বর ২৯, ২০২৩

বৈশ্বিক দৃ্ষ্টিকোন থেকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং অবক্ষয়ের ধারনা এবং সংগ্রহ

 যারা মুদ্রাস্ফীতির স্বিকার ব্যাংক নোট সংগ্রহ করেন তাদের জন্য এই পোস্ট।

তুলনামূলকভাবে ছোট ডিনমিনেসশন থেকে ব্যতিক্রমী বড় বড় সংখ্যা পর্যন্ত মুদ্রার মূল্য বিশ্বজুড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে ঘটে এবং কিছু ক্ষেত্রে মুদ্রার অবক্ষয়ের কারণে ঘটে।

মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রার অবকক্ষয় অর্থনীতি এবং অর্থের দুটি আলাদা ধারণা। মুদ্রার অবমূল্যায়ন অন্য মুদ্রার তুলনায় একটি দেশের মুদ্রার মূল্যের ইচ্ছাকৃত হ্রাসকে বোঝায়, যা প্রায়শই সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক করে থাকে। অবমূল্যায়নের প্রাথমিক লক্ষ্য হল একটি দেশের বাণিজ্য প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের আরও সাশ্রয়ী করে রপ্তানিকে উৎসাহ দেয়া।

মুদ্রার অবমূল্যায়নকে সাধারণত দেশীয় অর্থনীতিকে সমর্থন করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত নীতিগত পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যখন মুদ্রার অবমূল্যায়নকে বাজারের গতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিফলন হিসাবে দেখা হয়।

অন্যদিকে, মুদ্রার অবক্ষয় একটি স্বাভাবিক ঘটনা যা বাজার এমনি এমনি বিভিন্ন কারনে তোৈরি করে।, যেমন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার পরিবর্তন, রাজস্ব ঘাটতি,মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাজারের মনোভাব পরিবর্তন সহ বিভিন্ন কারণের ফলে হতে পারে। এটি সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

অবমূল্যায়ন এবং অবক্ষয় উভয়ই একটি দেশের অর্থনোৈতিক  ভারসাম্যের জন্য প্রভাব ফেলতে পারে, তবে প্রভাবগুলি আলাদা। অবমূল্যায়ন রপ্তানিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে এবং রপ্তানি আয় বাড়িয়ে উন্নত বাণিজ্য ভারসাম্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। বাণিজ্য প্রতিযোগিতার উপর অবমূল্যায়নের প্রভাব আরও জটিল এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক কারণের উপর নির্ভর করে। ফলে তা ইতিহাসের পাতায় আলাদা স্থান করে নেয়।

মুদ্রার অবমূল্যায়নের কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় আর্জেন্টিনার ২০১৯ সালে আর্জেন্টিনার পেসোর অবমূল্যায়ন। অন্যদিকে; ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের পর ব্রিটিশ পাউন্ডের পতনে বাজারের অনুভূতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারনে হয়েছিলো।

অধিকানংশ দেশেই তাদের বৃহত্তম ডিনমিনেসশন ১০০ রেখেছে যা ডেসিমেল সিস্এটেমের প্রভাবে এসেছিলো।  খেয়াল করলে দেখবেন পূর্ব এশিয়ার নোটগুলিতে ১০০০ বা তার বড় ডিনমইনেশনের  সম্ভাবনা বেশি। অথচ পশ্চিমা দেশগুলি প্রায়শই ১০০ এর আশেপাশে রয়েছে। কিছু দেশের নোট  ১০,০০০ বা তার চেয়ে বড়ও দেখা যায়।  তবে এগুলি অনেক কম যা  প্রায়শই নির্দিষ্ট বিরল কিছু অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য উদ্দেশ্যে করা হয়েছিলো। এখানে আমরা এমন কয়েকটি দেশের কথা বলব যেখানে মূল্য ৫০০০ এর উপরে চলে যায়। আমি এদের মুদ্রা স্ফিতির স্বিকার বলে ধরে নিচ্ছি।

Africa:

  • Zimbabwe (2006-2009)
  • Zaire/Rep. of Congo (1992-2007)
  • Angola (1987-1999)

Europe:

  • Romania (2003-2005)
  • Turkey (2000-2005)
  • Belarus (1992-2000)
  • Georgia (1994-1995)
  • Poland (1924-1994)
  • Yugoslavia (1990-1994)
  • Bosnia-Herzegovina (1992-1994)
  • Hungary (1946-1957)
  • Greece (1944)
  • Russia (1917-1997)
  • Germany (1874-1945)

South America:

  • Peru (1991-2001)
  • Mexico (1988-1992)
  • Brazil (1986-1994)
  • Nicaragua (1985-1991)
  • Argentina (1981-1993)
  • Bolivia (1981-1987)
  • Chile (1967-2008)

Iran, Vietnam, Indonesia,

যারা বড় ডিনমিনেসশনের নোট সংগ্রহ করেন বা করবেন আশাকরি এটি তাদের জন্য একটি সূচনা কেন্দ্র বা আলোচনা কেন্দ্র হবে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩

ছত্রাক থেকে বাচার জন্য করনীয়ঃ [Precaution to avoid mould]

 ছত্রাক থেকে বাঁচার জন্য করনীয়ঃ

 যারা রান্নাঘর এবং বাথর্রুমের জন্য এক্সস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন চেষ্টা করবেন যেন ফ্যানের বাতাস বের করার হার ৬০ লিটার থেকে ৮০ লিটারের  মধ্যে হয়। যা হার ঘর ভেদে আলাদা হবে।

বাজেট বেশি থাকলে আপনি শোষিত বাতাস থেকে তাপ পুনরুদ্ধারের মেকানিসম বসাতে পারবেন।, আবার ডিহিউমিডিফার ও কিনতে পারেন।  নতুন মডেলের অনেক এসিটে  অনেক সময়  ডিহিউমিডীফিকেসশন ফাংশন থাকে।

শীত কালে যদি আপনার বাড়ি পর্যাপ্তভাবে উষ্ণ থাকে হয়, তবে এটি ঘনীভবন হওয়ার সম্ভাবনা কম কারণ উষ্ণ বাতাস ঠান্ডা বাতাসের চেয়ে বেশি আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে।

সংগ্রহ কক্ষের তাপমাত্রা প্রায় ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে স্থির রাখুন।

সমস্যা হওার পর; প্রতিকারের পরিবর্তে, সমস্যা পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করুন।

ঠান্ডা আবহাওয়ায় সারাদিন আপনার জানালা খোলা রেখে অতিরিক্ত বাতাস আসতে দেবেন না।

রান্নার সময় ঢাকনা দিয়ে রান্না করা, রান্নাঘর এবং স্নানাগারের দরজা ব্যবহারের সময় বন্ধ রাখা এবং জানালা খোলা রাখা বা এক্সট্রাক্টর ফ্যান চালু রাখা।

সকালে অল্প সময়ের জন্য জানালাগুলি খুলে রাখুন, যেমন ৩০-৬০ মিনিট  এবং তারপরে সেগুলি বন্ধ করুন। কোনও সময় আপনি কাচের উপর বাস্প তৈরি করতে দেখলে দ্রুত জানালা কিছু টা খুলে নতুন শুস্ক বাতাস আসতে দিন। জানালার কাঁচে জমে থাকা পানি মুছে ফেলুন এবং তা ফেলে দিন।

নিয়মিত আদ্রতা এবং তাপমাত্রা মনিটর করে যান।

আইটেম বা আইটেমের শেলফ ঠান্ডা দেয়ালের কাছে রাখবেন না। কারন ঠান্ডা দেয়ালে সহজে আদ্রতা জমে এবং ছত্রাকের বসবাসের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করে।

কোন কারনে আইটেম ভিজে গেলে; সংগ্রহের আইটেম কে রোদ্রে শুকাতে দেবেন না। আইটেম ভিজে গেলে ডিহিউমিডীফায়ার বা সিলিকা জেলের মতো আদ্রতা শোষণকারী উপদান দিয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আইটেম শুকাবেন।

ছত্রাকের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার ঘরে তাপ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে আপনার ঘরকে ভালোভাবে তাপ নিরোধক করুন,

ইস্ত্রি করার সময় জানালা খুলুন যাতে আবদ্ধ ঘরের বাস্প আইটেমে প্রবেশ না করে।

ঘরে কাপড় শুকাবেন না। রান্না ঘরের আশে পাশে বা রান্নার সময় আইটেম বের করবেন না।

কাউকে বাইরের সরাসরি রোদ্রের আলো আইটেম দেখাতে নিয়ে যাবেন না।

পর্দার পিছনে, আসবাবপত্র, ওয়ারড্রোব, সোফা বা গদির নীচে, খাটের নিচে যেখানে বাতাস আবদ্ধ অবস্থায় থাকে এমন যায়গায় আইটেম রাখবেন না।

ব্যাবহ্রিত এবং অব্যাবহ্রিত আইটেম আলাদা সংরক্ষন করুন। নোংরা আইটেম ধরার পর পরিস্কার আইটেম ধরার আগে হাত ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

যে বাসায়,ঘরে স্যাতস্যাতে দেয়াল থাকবে এবং কোন ধরনের ছত্রাকের উপস্থিতি থাকবে সে বাসা থেকে আইটেম না কেনা ই ভালো। আর নিজের বাসায় থাকলে আইটেম নারাচাড়া করার আগে সেগুলু সমাধান করুন।

ব্যাবহ্রিত এবং নোংরা বিছানায়,টেবিলে, মেঝেতে আইটেম ছড়িয়ে ছবি তুলবেন না। ছবি তোলার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিস্কার জায়গা নির্ধারণ করুন।



Mould corner- Temperature and Humidity

Temp/RH

30

40

50

60

70

80

90

100

75°C

 

 

 

 

 

 

 

 

65°C

 

 

 

 

 

 

 

 

55°C

 

 

 

 

 

 

 

 

45°C

 

 

 

 

 

 

 

 

35°C

 

 

 

 

 

 

 

 

25°C

 

 

 

 

 

 

 

 

15°C

 

 

 

 

 

 

 

 

6°C

 

 

 

 

 

 

 

 

0°C