এপ্রিল ১৩, ২০২৩
ব্যবহৃত নোট সংগ্রহ করার সাইড ইফেক্ট [side effect of collecting used note ]
এপ্রিল ০৮, ২০২৩
Authentication of old banknotes (Example: Bangladeshi 2 Taka First series)
এপ্রিল ০৭, ২০২৩
[Everything to know about grading,What,How,Why]গ্রেডিং কি কেন কিভাবে।
সংগ্রহ জগতে “গ্রেডিং” শব্দটি উতপ্রতো ভাবে জড়িত কারন
এটি কেবল আইটেমটির অবস্থাকেই দর্শায় না বরং আইটেম টি কি আসল কি না তা ও সর্বজন স্বীকৃত
ভাবে প্রত্যয়ন করে। ফলে তার মান তথা দাম নির্ণয়নে সুবিধা হয়। ধরুন আপনি কোন আইটেম কিনবেন,
আপনার ভাষ্যমতে সেটি অবস্থা আপনি আপনার বিজ্ঞাপনে ১০ এ আপনি ৯ বললেন। কিন্তু আইটেম
কেনার পর ক্রেতা অসন্তুষ্ট কারন তার চোখে এই আইটেমের অবস্থা মান ১০ এ ৭ পাচ্ছে। এখন
অবস্থা মান বাঁ সৌন্দর্য যেহেতু আপেক্ষিক তাই এখানে একটি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই
ধরণের বিভ্রান্তি গুলুকে সমাধানের উদ্দেশ্যেই গ্রেডিং সার্ভিস গুলুর আবির্ভাব। কারন
একটি সুনামধন্য গ্রেডিং কোম্পানি সেই পন্যের অবস্থা নিরপেক্ষ ভাবে দেখে একটি নাম্বার
দেয় এবং গ্যারেন্টিও দেয় যে পণ্য টি আসল যার বিস্তারিত পরবর্তীতে অনলাইনে যাচাই ও করা
যায়।
এখানে আমরা গ্রেডিং কি,একটি আইটেমের কি কি দেখে গ্রেডিং
করা হয়,মূল্য নির্ণয়ের চতুরমূখি সূত্র, তার আসলত্ব নির্ণয়, কি ধরণের আইটেম গ্রেডিং
করানো যায়,কেন গ্রেডিং করা হয়, অবস্থাশুমারি থেকে দুর্লভ্যতা নির্ণয়, ইত্যাদি বুঝার
চেষ্টা করবো।
গ্রেডিং কিঃ সাধারন ভাষায়; আপনি কোন আইটেম
কেনার/বিক্রির সময় আইটেমের অবস্থা বিচার করাকে গ্রেডিং বলা হয়। তবে সংগ্রহ জগতে- কোন
কোম্পানি(তৃতীয় পক্ষ)যারা কেবল এই কাজ ই করে তাদের নিরপেক্ষ বিচার কে “গ্রেডিং” বলা
হয়। বিভিন্ন আইটেমের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেডিং কোম্পানি আছে। এটা এক দিকে ক্রেতা এবং
বিক্রেতা উভয়কে ই মানসিক শান্তি দেয় যে নিরপেক্ষ এবং প্রফেশনাল কেউ এই আইটেম টি একটি
অবস্থা মান নির্ণয় করে দিয়েছে,যার কোন দিক থেকেই স্বার্থ নেই।
মূল্য নির্ণয়ের চতুর্মুখি সূত্রঃ কোন সংগ্রাহক
আইটেমের দাম নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। তবে সাধারন সংগ্রাহকদের জন্য ; কোন কোম্পানির
স্বরনাপন্ন না হয়ে নিজে থেকে সহজে দাম বের করার একটি সাধারন প্রসেস হচ্ছে এটি।
অনেকেই জেনেশুনে বাঁ অবচেতন মনে নিজের জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই
এই সূত্র ব্যাবহার করে আসছেন। সেটি হচ্ছে আইটেমটির অবস্থা, আইটেমটির দুর্লভ্যতা,বাজারে
আইটেমটির চাহিদা এবং সংস্লিষ্ট আইটেমটির কোন ঐতিহাসিক গুরুত্ব; এই চারটি ফ্যাক্টরের
গুনফল। এর যে কোন একটির মান শূন্য (০) হলে মোট ফলাফল শূন্যের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা
বেশি। যদিও এক এক জনের কাছে এক একটি ফ্যাক্টরের প্রাধান্য বেশি।
অবস্থাশুমারীঃ কোন আইটেম কোন গ্রেডে কতো পিস
একটি বাজারে আছে তার লগ কে অবস্থাশুমারী [Condition Census] বলা হয়। অভিজ্ঞ সংগ্রাহক
এবং ডিলারদের জন্য মূল্য নির্ণয়ের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।
কি ধরণের আইটেম গ্রেডিং করাবো/ করানো যায়ঃ যদি মনে করেন
আপনার আইটেমের উল্লেখযোগ্য কোন মূল্য আছে,আপনার আইটেম টি অনন্য এবং আপনি তা সর্বজনবিদীত
ভাবে প্রমান করতে চান তাহলে গ্রেডিং করাতে পারেন। আজকাল অনেক ধরণের আইটেমের জন্য গ্রেডিং
[Third Party Grading ] সার্ভিস আছে। যেমন কয়েন,নোট,স্ট্যাম্প, কমিক বই, গেমিং কার্ড
ইত্যাদি।
গ্রেডিং প্রসেসঃ সেটা এক এক ধরণের আইটেম এবং কোম্পানির
উপর নির্ভর করে আলাদা আলাদা। তবে সাধারন ভাবে বললে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আইটেমের সার্বিক
অবস্থা, আইটেম টি আসল কি না, আইটেম টির বিস্তারিত, আইটেম টি দুর্লভ্যতা ইত্যাদি দেখা
হয়। তারপর কয়েকজন স্বতন্ত্র ভাবে তাদের বিবেচনা থাকে আইটেম টি বিভিন্ন বিষয়ের উপর নাম্বার
দেয় যা পরবর্তীতে গড় হিসাবের মাধ্যমে একটি অন্তিম নাম্বারের রুপ নেয়।
সৌন্দর্য যদিও
আপেক্ষিক। তবে গ্রেডিং এর ক্ষেত্রে যেহেতু অবস্থা ভেদে মান আলাদা হয় তাই কিছু কিছু
বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করা হয়।
১) কাগজের গুনগত
মান [Paper quality]: নোটের আসল কাগজ যেমন শক্ত,মজবুত, খসখসে, ঝকঝকে, অমলিন থাকার করা
সেরকম আছে কি না। না হলে তার থেকে কত টুকু বিচ্যুতি হয়েছে।
২) কেন্দ্রীকরন
[Centering]: সমগ্র ডিজাইন টি নোটের মধ্য ভাগে সুসম ভাবে অবস্থিত হতে হবে। অন্যথায়
সেটির গ্রেড খারাপ হবে।
৩) পরিসীমা
[Margins]: চারিদিকে সমান পরিসীমা থাকতে হবে। যা প্রশস্ত,আনুপাতিক এবং ত্রুটিবিহীন
হতে হবে।
৪) মুদ্রণের
গুনগত মান [Printing quality]: মুদ্রন হতে হবে স্পষ্ট,পরিস্কার,ঝকঝকে, এবং ত্রুটিবিহীন।
৫) রং
[Color]: রং হতে হবে উজ্বল এবং ঝকঝকে। কোন প্রকার বিবর্ণতা, লেপ্টে যাওয়া, ঝলসে যাওয়া
ভালো নাম্বার পায় না।
৬) সিরিয়াল
নাম্বার [Serial number]: সিরিয়াল নামার হবে স্পষ্ট,পঠনযোগ্য,যথাযথ যায়গায় বসানো এবং
লেপ্টানো না।
৭) সার্বিক
রূপ [Overall appearance]: নোট টি দেখে সারবক ভাবে দৃষ্টিনন্দন হবে এবং কোন বিভ্রান্তিকর
ত্রুটি বিহীন।
৮) প্রান্তভাগ
[Corner]: নোটের প্রতিটি কোন থাকবে ৯০ ডিগ্রি কোনে এবং তীক্ষ্ণ (ভোতা নয়)। ভোতা প্রান্ত
ব্যাবহারিত নোটের একটি বৈশিষ্ট।
৯) খোদাইয়ের
কাজ [Embossing]: নোটের যেসকল ফিচার উত্থিত থাকার কথা যেমন অন্ধ বিন্দু,ইন্টাগ্লিও
প্রিন্টিং এর জায়গা গুলু,বিভিন্ন সিল এবং সিরিয়াল নাম্বারের জায়গাগুলু সেগুলু স্পষ্ট
এবং তীক্ষ্ণ ভাবে যেন উত্থিত থাকে।এটি বিভিন্ন প্রিন্টিং প্লেটের মানের উপর নির্ভর
করে।
১০) ভাঁজ করা
[Folding]: ভাঁজ বিভিন্ন ধরণের হয়। এমন কি নতুন বান্ডেল রাখার খামখেয়ালীর উপর নির্ভর
করে UNC নোটেও ডেউ খেলানো ভাঁজ পড়তে পারে। যাকে অনেকে কাউন্টিং ফোল্ড বলে।যা একদম নতুন
বান্ডেলের নোট মেশিন দিয়ে বার বার গননার সময় তৈরি হতে পারে।
১১) নাড়াচাড়ার
আলামত [Handling]: এছাড়াও একদম নতুন নোটও যদি খালি হাতে ধরা হয় তাহলে হাত থেকে তেল,ময়লা
এবং বাতাস থেকে দূষণ নোটের গায়ে লেগে যেতেই পারে।
১২) ইস্ত্রি
করা বাঁ চাপ দিয়ে সমান করা [Pressing]: কোন নোট কে ইস্ত্রি করা হয়েছে কি না তার আলামত
যদি পাওয়া যায় তাহলে তা এমনিতেই সেই নোটের গ্রেডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৩) সারাই করা
[Restoration]: কোন নোটের সারাইয়ের কাজ নোটের গ্রেড কে ভিষন ভাবে আহত করে, এমন সেটা
মাত্রাতিরিক্ত হলে সেই নোট কে আসল বলে গন্য ই করা হয় না অনেকসময়।
১৪) দাগ
[Stain]: সেটা খামখেয়ালি ভাবে নাড়াচাড়া হোক বাঁ রাখার যায়গার দুর্বলতা হোক, নোটে কন
ধরনের দাগ যা নোট প্রথম বের হওয়ার সময় ছিলো না, এমন তৈরি হলে তা অটমেটিক ভাবে সেই নোটের
গ্রেড কমিয়ে দেয়।
১৫) ছেঁড়া
[Tears]: কোন ছেঁড়া বাঁ কাটা থাকলে সেটা কতো টা এবং কি ধরণের তা নোটের গ্রেডের উপর
বিভিন্ন লেভেলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৬) জলছাপ
[Watermark]:জলছাপ ভালো ভাবে বুঝা যায় কি না, যেখানে যেভাবে থাকার কথা সেখানে সেভাবে
আছে কি না এসব কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ব্যাপার,যা একটি UNC নোট কেও ভিবিন্ন গ্রেডে স্থান
দেয় অবস্থান এবং স্পস্টতা ভেদে।
১৭) লেখালেখি
[Annotation]: সেটা হোক কোন কলমের ফালতু লেখা বাঁ কোন বিখ্যাত ব্যাক্তির স্বাক্ষর,
যদি সেটির কোন খুব ভালো এবং নির্ভরযোগ্য প্রমান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব না থাকে তাহলে
সেই নোটের কন্ডিশন ভালো হলেও তার আকর্ষণ কমে যাবে ফলে গ্রেডও কম হবে।
১৮) পরিষ্কার
করা [Washing]: নোটের কাগজ শক্ত করার জন্য কি মাড় দেয়া হয়েছে? কোন দাগ উঠানোর জন্য
কি ব্লিচ বাঁ এসিড ব্যাবহার করা হয়েছে? কোথাও ই রাবার দিয়ে ঘষাঘষি করা হয়েছে? ইত্যাদি
ফ্যাক্টর নোট ধৌত করার আলামত হিসেবে ধরা হয়। তখন গ্রেডিং এ নাম্বার কম পাওয়া যায়।
নিচে কিছু
গ্রেডিং কোম্পানির নাম উদাহরন হিসেবে দেয়া হলোঃ
1)
Professional Coin
Grading Service (PCGS)
2)
Numismatic
Guaranty Corporation (NGC)
3)
Sports Card
Guaranty (SGC)
4)
Beckett Grading
Services (BGS)
5)
Certified Guaranty
Company (CGC)
6)
Certified Sports
Guaranty (CSG)
7)
Comics Guaranty
(CG)
8)
World
Banknote Grading (WBG)
9) Paper Money Guaranty (PMG)
10) Professional Sports Authenticator
(PSA)
বিভিন্ন
কোম্পানির গ্রেডিং এর মানদন্ড আলাদা আলাদা। তার কিছু নমুনা নিচে দেয়া হলোঃ
1)
International
Bank Note Society (IBNS): তারা তাদের প্রকাশনায় নোটের কন্ডিশন কে ৯ টি মানে ভাগ করেছে।
(Uncirculated, About Uncirculated, extremely Fine, Very Fine, Fine, Very god,
Good, Fair, Poor)
2)
PSA/DNA
Autograph Grading standards: নান্দনিকত্ব এবং উপস্থাপনার ভিত্তিতে তারা স্বাক্ষরের
অবস্থাকে ১০ টি মানে ভাগ করেছে। (GEM-MT10, MINI 9, NM-MT 8, NM7, EX-MT 6, EX5,
VG-EX 4, VG 3, GOOD2, PR-FR 1, )
3)
Sheldon
Coin Grading Scale for Coin: যেখানে অব্যাবহ্রিত
কয়েন কে Perfect Uncirculated, Superb Gem Uncirculated, Gem Uncirculated, Choice
Uncirculated, Select/Choice Uncirculated, Uncirculated (MS60-MS70 পর্যন্ত) ১০ টি
গ্রেডে ভাগ করা হয়। এবং ব্যাবহ্রিত কয়েন কে Choice About Uncirculated, About
Uncirculated, Choice Extremely Fine, Extra Fine, Choice Very Fine, Very Fine,
Choice Fine, Fine, Choice Very Good, Very Good, Choice Good, Good, About Good,
Fair, Poor এই সকল শ্রেনীতে ভাগ করা হয়।
4)
Sheldon
Coin Grading Scale for Banknotes:১৯৪০ এর
শেষ ফিকে ডঃ উইলিয়াল শেল্ডন [William Sheldon] গ্রেডিং এর একটি মানদন্ড প্রস্তাব করেন
যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ভাবে জনপ্রিয়তা এবং স্বীকৃতি পায়। যেখানে ১ থেকে ৭০ পর্যন্ত
নাম্বার দেয়া হয়। যেখানে সবচেয়ে ভালো অবস্থার নোট কে ৭০ এবং সবচেয়ে খারাপ অবস্থার নোট
কে ১ ধরে নাম্বার দেয়া হয়।
5)
Adjectival
Grade: শেল্ডন গ্রেডিং স্কেল প্রবর্তন হওয়ার আগে Gem Uncirculated, Uncirculated,
About Uncirculated, Extremely Fine, Very Fine, Fine, Very good, Good এই কয়েকটি বিশেষন
দিয়েই কেবল একটি নোটের অবস্থা বুঝানো হতো। যা সরল হলেও সূক্ষ ছিলো না।
6)
Traditional
Coin Grading System: এটি একটি সরলীকৃত রূপ যেখানে Proof, FDC, Brilliant
Uncirculated, Uncirculated, Extremely Fine, Very fine, Fine এই কয়েকটি শ্রেনীতে ভাগ
করা হয়।
সংগ্রাহক হিসেবে
আইটেমের “চতুর্মুখি মূল্য নির্ধারণ” একটি অপরিহার্য অনুশীলন। এটি কেবল আপনাকে একজন
ভালো সংগ্রাহক হতেই সাহায্য করবে না বরং সংগ্রহের ব্যাপারে বিভিন্ন গুরুত্ব সিদ্ধান্ত
নিতেও আপনাকে পথ প্রদর্শন করবে। নোটের কোন অস্বাভাবিক ত্রুটি যেমনঃ পিন হোল, গজাল ছিদ্র,জং,
পেন্সিলের দাগ, আঠা, টোনিং ইত্যাদি হয়তো নোটের গ্রেড কে আকাশ পাতাল উঠানামা করাবে না
তবে, পরিচ্ছন্ন লেনদেনের স্বার্থে সেগুলুকে বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা এবং যথাযথ মূল্য চাওয়াটা
প্রফেশনাল বিক্রেতার লক্ষন।
কোন গ্রেডিং
করা আইটেমের থেকে কি কি তথ্য জানা যায়?
যদিও সেটা আইটেম
এবং কোম্পানি অনুযায়ী আলাদা আলাদা। কিছু কোম্পানি তাদের নাম, আইটেমের ক্যাটালগ নাম্বার,আইটেমের
উৎপাদন সাল, আইটেমের সিরিয়াল নাম্বার ইত্যাদি দেয়। আবার কিছু কিছু কোম্পানি নোটের ডিনমিনেশন,
কোন জলছাপ ব্যাবহার হয়েছে, সিরিয়াল নাম্বারের কোন বিশেষত্ব থাকলে, দেশের নাম, কন্ডিশন
গ্রেডিং স্কোর, তাদের সিস্টেমে আইটেমের নিবন্ধন নাম্বার ইত্যাদি প্রকাশ করে।
কিছু
কিছু কোম্পানি আইটেমের ডিজাইনারের নাম, আইটেমের কোন স্বাক্ষর থাকলে স্বাক্ষরকারির নাম
এবং স্বীকৃতি, আইটেম তৈরি হওয়ার ফ্যাক্টরির নাম ,কোন অন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ্য এবং
থিমেটিক তথ্যও প্রকাশ করে।
আবার
কোন কোন কোম্পানি এটি আসল হওয়ার সনদ পৃথক ভাবে প্রকাশ করে।
গ্রেডিং এর কিছু নেতিবাচক দিকঃ অনেক সস্তা আইটেম গ্রেডিং করিয়ে বিশেষ লাভ পাওয়া
যায় না। তাছাড়া সবসময় যে গ্রেডিং পক্ষাপাতশূন্য হয় সেটাও না। যদিও চেষ্টা করা হয় আন্তর্জাতিক
ভাবে একটি মান রক্ষা করার তবে কখনো কখনো এক ই আইটেমের দুটি আলাদা সময়ে গ্রেডিং করিয়ে
আলাদা নাম্বার পাওয়ার নজির আছে। যদিও গ্রেডিং হওয়ার কথা অব্জেক্টিভ তবে এতে হিউম্যান
ফ্যাক্টর থাকার কারনে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা সাব্জেক্টিভ হয়ে যায়। আবার অনেকে আইটেম
স্পর্শ করা পছন্দ করেন। গ্রেডিং করালে যেহেতু আইটেম কি একটি বন্ধ ক্যাপ্সুলে ফেরত পাওয়া
যায় তাই এজন্যও অনেকে গ্রেডিং পছন্দ করেন না। এছাড়া গ্রেডিং করার পর নোট কে আল্ব্যামে
রাখা মুশকিল। সেগুলুকে তখন বক্সে বাঁ ফ্রেমে রাখতে হয়ে। প্রদর্শন করাতে গিয়ে জায়গা
এবং সময় বেশি প্রয়োজন হয়। আর গ্রেডিং এর অতিরিক্ত খরচ তো আছে ই। তাই চেষ্টা করবেন যদি
গ্রেডিং করানো হয় তাহলে যেন নামী কোম্পানি থেকে তা করানো হয়।
অন্যদিকে একজন সংগ্রাহকের
চোখে নোটের সৌন্দর্যের সংজ্ঞা অন্যরকম। আমি আমার দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করলাম।
শৈল্পিক
মূল্যায়নঃ একটি ব্যাংক নোট
কে তার নকশা এবং
সেটি কিভাবে নোটে ফুটে উঠেছে
তার দেখা হয়। শিল্পকর্মরে
গুনগত মান শিল্পীর কাজের
সুক্ষতা,খুঁটিনাটিতে মনযোগ দেয়া ইত্যাদির উপর
নির্ভর করে।
রঙের
ব্যাবহারঃ রঙের যথাযথ ব্যাবহার
একটি মোটামুটি ডিজাইনকেও ভালো ভাবে উপস্থাপন
করতে পারে।সেজন্য কালার হুইল সহ আরও
নানান মেথড আছে যার
যথাযথ ব্যাবহারে একটি সাধারন নোটও
অসাধারন হয়ে উঠে। নোটের
সার্বিক ডিজাইনের সাথে রঙের সামঞ্জস্য
রাখাও একটি ফ্যাক্টর।
ডিজাইনঃ
গোল্ডেন রেশিও,রঙের মনস্তত্ব, কম্পোজিশন,
প্রপোরশন, কন্ট্রাস্ট, রিপিটিশন, হাঁয়ারাকি, সিম্লিসিটি,ইউনিটি, ব্যালেন্স,মুভমেন্ট, টেক্সচার ইত্যাদি অনেক বিষয়ের সমন্বয়ে
একটি ভালো ডিজাইন তৈরি
হয়। এছাড়া কোন নোট মনে
লাগার জন্য ডিজাইনে নতুনত্ব
থাকাটাও অনেকের অবচেতন মনে থাকে। আবার অনেক আইটেমের উপস্থিতিতে বিভ্রান্তি বাঁ বিশৃঙ্খলাও
যেন তৈরি না হয়।
নতুন
প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনঃ
কোন নতুন নোট যদি
কোন অত্যাধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট নিয়ে প্রবর্তিত হয়/বাজারে আসে তাহলে সেটা
অনেক সংগ্রাহকের ই অনুসন্ধিৎসার অধিকারী
হয়।
প্রতিক এবং
সাংস্কৃতিক গুরুত্বঃ একটি ব্যাংক নোট যখন সেই রাষ্ট্রের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস,
ঐতিহ্য ইত্যাদি প্রদর্শন করে তখন তা অনেকের চোখেই অন্যন্য সুন্দর মনে হয়। বিভিন্ন ধরনের
প্রতীকের ব্যাবহার ঐতিহাসিক ব্যাক্তির প্রতিকৃতি নোটের সার্বিক গাম্ভীর্য কে বাড়িয়ে
দেয় এবং বিশেষত যারা থিমেটিক সংগ্রহ করে তাদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠে।
ব্যাবহারযোগ্যতাঃ
নোটের ব্যাবহার হতে হবে সহজ,যেন বেশিরভাগ মানুষ সেটার সর্বোচ্চ ব্যাবহার করতে পারে।
একটি সেটের বিভিন্ন ডিনমেশনের নোটের আলাদা আলাদা রং, সহজবোধ্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট, অন্ধদের
সুবিধার জন্য থাকা চিহ্ন ইত্যাদি এর উদাহরন।
টাইপোগ্রাফিঃ
যেকোন লেখার ফন্টের ডিজাইন এবং সাইজ হবে এমন যা সাধারন জনগন পড়তে এবং বুঝতে পারে। নোটের
ভাষাও এর মধ্যে একটি ফ্যাক্টর। সাধারণত যে সকল নোটে স্থানীয় ভাষার পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক
ভাষা (যেমনঃ ইংরেজি) থাকে তা আমার চোখে মনে হয় যে বেশি চিন্তাভাবনা করা আন্তর্জাতিক
মহলের জন্য তৈরি হয়েছে এবং সেই দেশ ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত।
আকার এবং আকৃতিঃ
এমন নোট বানিয়ে কোন লাভ নেই যা পকেটে রাখার জন্য খুব ছোট বাঁ খুব বড়। সেটা সমসাময়িক
মেশিন,মানি ব্যাগ, মানি কাউন্টার এবং অন্যান্য মেশিনে এবং স্লটে বসে কি না সেটাও দেখার
বিষয়। তাছাড়া একটি সেটের বিভিন্ন ডিনমিনেশনের মূল্যমান অনুযায়ী যদি তাদের সাইজ দৈর্ঘ্য
এবং প্রস্থ অনুসারে ছোট থেকে বড় হয় তাহলে সেটাও একটা ভালো লাগার ব্যাপার। তবে
মুদ্রণের গুনগত মানঃ নোটের লেখা,মাইক্রোপ্রিন্টিং, গিল্যেশ্যে
এবং অন্যান্য সূক্ষ মুদ্রিত ছাপা গুলু হতে হবে পরিষ্কার, স্পষ্ট এবং ঝকঝকে।
এপ্রিল ০৫, ২০২৩
Defination of beauty of a banknote ,ব্যাংক নোটের ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা
অনেকেই বলে থাকি যে সৌন্দর্য আপেক্ষিক। এর কারনও আছে। যেমন নোটের গ্রেডিং এ একটি নোট কে এক ধরনের সৌন্দর্যের মাপদন্ডে দেখা হয় আবার, একজন সংগ্রাহকের চোখে নোটের সৌন্দর্যের অন্যরকম সংজ্ঞা। আমি আমার দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করলাম:
☝🏾শৈল্পিক মূল্যায়নঃ একটি ব্যাংক নোট কে তার নকশা এবং সেটি কিভাবে নোটে ফুটে উঠেছে তার দেখা হয়। শিল্পকর্মরে গুনগত মান শিল্পীর কাজের সুক্ষতা,খুঁটিনাটিতে মনযোগ দেয়া ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।
☝🏾রঙের ব্যাবহারঃ রঙের যথাযথ ব্যাবহার একটি মোটামুটি ডিজাইনকেও ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে পারে।সেজন্য কালার হুইল সহ আরও নানান মেথড আছে যার যথাযথ ব্যাবহারে একটি সাধারন নোটও অসাধারন হয়ে উঠে। নোটের সার্বিক ডিজাইনের সাথে রঙের সামঞ্জস্য রাখাও একটি ফ্যাক্টর।
☝🏾ডিজাইনঃ গোল্ডেন রেশিও,রঙের মনস্তত্ব, কম্পোজিশন, প্রপোরশন, কন্ট্রাস্ট, রিপিটিশন, হাঁয়ারাকি, সিম্লিসিটি,ইউনিটি, ব্যালেন্স,মুভমেন্ট, টেক্সচার ইত্যাদি অনেক বিষয়ের সমন্বয়ে একটি ভালো ডিজাইন তৈরি হয়। এছাড়া কোন নোট মনে লাগার জন্য ডিজাইনে নতুনত্ব থাকাটাও অনেকের অবচেতন মনে থাকে। আবার অনেক আইটেমের উপস্থিতিতে বিভ্রান্তি বাঁ বিশৃঙ্খলাও যেন তৈরি না হয়।
☝🏾নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনঃ কোন নতুন নোট যদি কোন অত্যাধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট নিয়ে প্রবর্তিত হয়/বাজারে আসে তাহলে সেটা অনেক সংগ্রাহকের ই অনুসন্ধিৎসার অধিকারী হয়।
☝🏾প্রতিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্বঃ একটি ব্যাংক নোট যখন সেই রাষ্ট্রের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ইত্যাদি প্রদর্শন করে তখন তা অনেকের চোখেই অন্যন্য সুন্দর মনে হয়। বিভিন্ন ধরনের প্রতীকের ব্যাবহার ঐতিহাসিক ব্যাক্তির প্রতিকৃতি নোটের সার্বিক গাম্ভীর্য কে বাড়িয়ে দেয় এবং বিশেষত যারা থিমেটিক সংগ্রহ করে তাদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠে।
☝🏾ব্যাবহারযোগ্যতাঃ নোটের ব্যাবহার হতে হবে সহজ,যেন বেশিরভাগ মানুষ সেটার সর্বোচ্চ ব্যাবহার করতে পারে। একটি সেটের বিভিন্ন ডিনমেশনের নোটের আলাদা আলাদা রং, সহজবোধ্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট, অন্ধদের সুবিধার জন্য থাকা চিহ্ন ইত্যাদি এর উদাহরন।
☝🏾টাইপোগ্রাফিঃ যেকোন লেখার ফন্টের ডিজাইন এবং সাইজ হবে এমন যা সাধারন জনগন পড়তে এবং বুঝতে পারে। নোটের ভাষাও এর মধ্যে একটি ফ্যাক্টর। সাধারণত যে সকল নোটে স্থানীয় ভাষার পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা (যেমনঃ ইংরেজি) থাকে তা আমার চোখে মনে হয় যে বেশি চিন্তাভাবনা করা আন্তর্জাতিক মহলের জন্য তৈরি হয়েছে এবং সেই দেশ ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত।
☝🏾আকার এবং আকৃতিঃ এমন নোট বানিয়ে কোন লাভ নেই যা পকেটে রাখার জন্য খুব ছোট বাঁ খুব বড়। সেটা সমসাময়িক মেশিন,মানি ব্যাগ, মানি কাউন্টার এবং অন্যান্য মেশিনে এবং স্লটে বসে কি না সেটাও দেখার বিষয়। তাছাড়া একটি সেটের বিভিন্ন ডিনমিনেশনের মূল্যমান অনুযায়ী যদি তাদের সাইজ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ অনুসারে ছোট থেকে বড় হয় তাহলে সেটাও একটা ভালো লাগার ব্যাপার। তবে
☝🏾মুদ্রণের গুনগত মানঃ নোটের লেখা,মাইক্রোপ্রিন্টিং, গিল্যেশ্যে এবং অন্যান্য সূক্ষ মুদ্রিত ছাপা গুলু হতে হবে পরিষ্কার, স্পষ্ট এবং ঝকঝকে।
Artistic merit: The banknote must demonstrate excellence in its design and execution. The quality of artwork and attention to detail are important factors.
Use of color: Effective use of color can enhance the banknote's design and make it more attractive. The use of color should be appropriate for the overall design and theme.
Design and technical innovation: The banknote should display originality in design and incorporate new security features that make it difficult to counterfeit. The design should reflect the cultural identity of the country while maintaining a modern and contemporary look.
Symbolism and cultural significance: The banknote should reflect the culture, history, and heritage of the country it represents. The use of symbolism and historical figures can add to the banknote's appeal.
Accessibility and practicality: The banknote should be easy to use, handle, and recognize by the public. It should be durable and able to withstand normal wear and tear.
Overall balance and harmony: The banknote design should be well-balanced and harmonious, with all elements fitting together cohesively. The design should not be cluttered or confusing.
Typography: The typography and font choice should be appropriate for the overall design and theme. The font should be legible and easy to read.
Size and shape: The size and shape of the banknote should be appropriate for its intended use. It should be easy to handle and fit into wallets and other standard storage solutions.
Printing quality: The printing quality of the banknote should be of high quality, with clear and crisp images and text.
Innovation: The banknote should be innovative, incorporating new technologies or features that set it apart from other banknotes.
এপ্রিল ০২, ২০২৩
সংবাদপত্র, ম্যাপ,পোস্টার ইত্যাদি সংগ্রহপরবর্তী সংরক্ষণ। [Collection and preservation of newspapers and posters]
বিষয়ঃসংবাদপত্র, ম্যাপ,পোস্টার ইত্যাদি সংগ্রহপরবর্তী সংরক্ষণ।
খবরের কাগজ,পুরোনো নথি,ম্যাপ এবং বিভিন্ন পোস্টার সংগ্রহ হয়তো অনেকের ই শখ হতে পারে। তবে এগুলু সাধারণত দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য সংরক্ষন করা কঠিন কারন স্বভাবসুলভ কারনেই এগুলু তৈরি করার কাগজ খুব একটা ভালো মানের হয় না হয় না। কারন এগুলু অনেকদিন টিকে থাকার জন্য তৈরি ই করা হয় না। কাগজের ভালো মান বলতে কি বুঝায় তা অন্যান্য অধ্যায়ে পেয়ে যাবেন।
🫴🏽নিচের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই একজন সংগ্রাহক কে জানতে হবে। যদি সবটুকু পোস্ট পড়ার ধৈর্য নাও থাকে তাহলে কমপক্ষে নিচের ৫ টি লাইন পড়ুন।
১৫ -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতর তাপমাত্রা যেন তা খুব উঠানামা না করে। হিটার বাঁ দেয়ালের আশেপাশে সরাসরি রাখা যাবে না।
আদ্রতা ((RH) ৩৫-৫০% ের ভেতরে রাখার চেষ্টা করুন।
সরাসরি সূর্যের আলো তথা UV লাইটের আলো থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।
লিগ্নিন এবং তথা এসিড ফ্রি বক্সে/এনভ্লাপে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।
🫴🏽এবার আসা যাক বিস্তারিত আলোচনায়ঃ
☝🏾 রাখার জন্য যথাযথ জায়গা বের করুনঃ একটি ঠান্ডা,শুকনা, এবং অল্প আলোর পরিবেশ খবরের কাগজ,ম্যাপ,পোস্টার,দলিল,নথি ইত্যাদি এক পৃষ্ঠার মুদ্রিত কাগজী জিনিস দীর্ঘ সময়ের জন্য রাখার জন্য উপযুক্ত জায়গা।
☝🏾 গুদাম ঘর, খাটের নিচে, চৌকির পেছনে,আলমারির উপর,গ্যারেজ,জলছাদের উপর রাখা বন্ধ করুনঃ এই এলাকা গুলু প্রায়শই ড্যাম্প,ধুলা,রান্নার ধোয়া,তেল, ছত্রাক, মাকরশা, টিকটিকি ইত্যাদি সমস্যায় পরে যায় এবং অবহেলিত হয়। ফলে কালক্রমে সেগুলু হলুদ হয়ে যায়,লেখা এবং মুদ্রন ঝাপসা হয়ে যায় আর পোকামাকড়ের ক্ষতি তো আছেই।
☝🏾 সাবধানে নাড়াচাড়া করুনঃ সরিষা,সয়াবিনের মতো আমরা মানুষেরাও একটি তেল নিঃসরণ করি। বিশেষ করে হাতের আঙ্গুল থেকে। আপনার হাতের ময়লা এবং সেই তাল যেন আপনার আইটেমে লেগে না যায় সেজন্য আইটেম ধরার আগে হাত ধুয়ে নিন।কারন সেই তেল আবার কিট পতঙ্গ এবং ছত্রাকের নাস্তা।
☝🏾 একটি স্লিভে একটি আইটেম ই রাখুনঃ এসিড মাইগ্রেশন এবং আইটেম ডেমেজ হওয়ার হাত থেকে বাচানোর জন্য একটি পকেটে একটি আইটেম ই রাখুন। অন্যথায় দুটি আইটেমের ই ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
☝🏾 কোন আইটেমে কে স্লিভ/পকেটের ভেতর থেকেই প্রদর্শন করান, খুলে কারো হাতে দেয়ার প্রয়োজন নেই।
☝🏾 আইটেমকে তাদের স্ব স্ব স্লিভ/পকেটে ঢুকানোর সময় শক্ত কিছু [Edge guard] দিয়ে আইটেমের দুই প্রান্ত কে সুরক্ষিত রাখুন।
☝🏾 পোস্টার,ম্যাপ,খবরের কাগজ, নথি,দলিল ইত্যাদি কে ভাঁজ করলে,গোল করে প্যাচালে, তাদের চিরস্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। যা আমার “ভাঁজ” সম্পর্কিত লেখায় বিস্তারিত পাবেন।
☝🏾 এই ধরনের আইটেম গুলুর মুদ্রণের সময় যে ধরনের রং/কালি ব্যাবহার হয় সেগুলু সাধারণত এসিডিক হয় ফলে অনেক চেষ্টা করলেও সময়ের সাথে সাথে সেগুলু কাগজ কে নষ্ট করে ফেলবে ই। তাই “বাফারড” সেপারেটর ব্যাবহারের চিন্তাভাবনা করুন।
☝🏾 এসিড এবং লিগ্নিন ফ্রি উপাদানের গুরুত্বঃ এসিডের কারনে সময়ের সাথে সাথে কাগজে হলুদাভাব আসে এবং কাগজ দুর্বল হয়ে যায়। “লিগ্নিন” যা আধুনিক কাগজ তৈরির সময় ই কাগজে থাকে ভালো উৎপাদনশীলতার কারনে নিউজপ্রিন্টে এবং পোস্টারের কাগজ থেকে সেগুলুকে দূর করার খুব একটা চাপ নেয়া হয় না। এই লিগ্নিন ক্রমে ক্রমে ভেঙে কার্বক্সিলিক আসিডে পরিনত হয় যা স্বভাবতই আপনার আইটেমের ক্ষতি করবে।
☝🏾 এসিড,সফটনার ফ্রি পকেটঃ পলিয়েস্টার এবং পলিইথিলিন দুটোই ব্যাবহার করা যাবে কিন্তু পলিয়েস্টার হয়তো আপনার আইটেম কে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেবে। কারন পলিয়েস্টার পকেট গুলু বেশ শক্ত,তুলনামূলক কম নমনীয় যা আপনার খবরের কাগজ বাঁ পোস্টার টাইপের এক পৃষ্ঠার আইটেম গুলুকে কেবল ক্যামিকের হাত থেকে বাঁচায় না বরং অযথা ভাঁজ হয়ে যাওয়া,ভেঙে যাওয়া এবং কুচকে যাওয়া থেকেও রক্ষা করে। অন্যদিকে পলিইথিলিনও ভালো তবে তা বেশ নমনীয় এবং অতটা স্বচ্ছ না ফলে তা প্রদর্শন করতে হয় না এমন আইটেমের সংরক্ষনে ব্যাবহার করা যায়।
☝🏾 এছাড়া আরও এডভান্সড পর্যায়ে যেতে চাইলে আপনি বিঅম্লিকরন স্প্রে [deacidification spray] ব্যাবহার করে আইটেমের আয়ু বাড়াতে পাড়েন। স্প্রে ব্যাবহার করলে প্রায় একফুট দূর থেকে সমান ভাবে স্প্রে করতে হয়। এই স্প্রে তে কোন পানি বাঁ এমন দ্রবন থাকে না যা সরাসরি কাগজ বাঁ কালির ক্ষতি করবে। তবে সেটা একটু বিশেষায়িত জ্ঞ্যানের অন্তর্ভুক্ত এবং একজন পেশাদারী সংরক্ষক বাঁ অভিজ্ঞ সংগ্রাহকের সাথে পরামর্শ বাধ্যতামূলক।
☝🏾 প্লাস্টিক ব্যাগঃ কাগজী উপাদানের শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার প্রয়োজন হয়। তাই আইটেম অসচেতন ভাবে বন্ধ প্লাস্টিক ব্যাগে রাখলে ;সেখানে আদ্রতা আটকে যায় এবং ছত্রাক সহ অনুজীবের কলোনি [Microclimate] তৈরি হতে পারে।
☝🏾 আইটেম পরিষ্কার করাঃ যে কোন আইটেম সংগ্রহের সময় এবং সংরক্ষনের আগে সেটিকে যথাসাধ্য পরিষ্কার করে তারপর রাখা উচিৎ। সেজন্য নরম ব্রাস,কাপড়,বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত রাবার, ড্রাই ক্লিনিং স্পঞ্জ ইত্যাদি ব্যাবহার করা যায়।অন্যাথায় তা পোকামাকড় কে আকৃষ্ট করতে পারে।
☝🏾 আইটেমে কোন টেপ [Sellotape, Repairing tape] লাগানো থাকলে সেটা খুলে টেপের আঠা পরিষ্কার করে আইটেমে সম্ভব হলে যথাযথ ভাবে সারিয়ে (আর্কাইভাল টিস্যু, বাঁ আর্কাইভাল টেপ ব্যাবহার করে) তারপর সংরক্ষন করা উচিৎ। সেজন্য গরম হাওয়া,আয়রন বাঁ বিশেষ রাবার [Crepe eraser] ব্যাবহার করতে পারেন। কিন্তু প্রক্রিয়াটি অভিজ্ঞ কারো তত্বাবধায়নেই করা সমীচীন।
☝🏾 আইটেম কে ফ্ল্যাট ভাবে সংরক্ষন এবং পরিবহন করুনঃ অযাচিত ভাঁজ এড়ানোর জন্য আইটেম কে সংরক্ষন এবং সংগ্রহের সময় ভাঁজ মূক্ত ভাবে শুয়িয়ে রাখবেন।একটি পোস্টার,ম্যাপ,নথি বাঁ কাগজে ভাঁজ পড়ে গেলে সেটার নান্দনিকত্ব নষ্ট হয় ফলে সংগ্রাহক মহলে তার দাম কমে যায়।
☝🏾 আইটেম রাখার বক্সঃখবরের কাগজ,পোস্টার এগুলুকে বক্সে রাখলে সেটি যেন শক্ত বক্স হয় যেখানে আঠা না থাকে। কারন সেই আঠা আবার ক্ষতিকর গ্যাস ছাড়তে পারে। বক্সের ঢাকনা যেন এমন হয় যা কমপক্ষে ক্ষতিকর আলো,ধূলা,ধুয়া এবং পোকামাকড় থেকে আপনার আইটেম কে সুরক্ষা দেয়। বক্সের জোড়া গুলু মেটালিক হলে ভালো হয়,তারমানে বক্সটি মজবুত এবং আঠা শুকিয়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনাও থাকে না। কোন কোন বক্সে বাফার ম্যাটেরিয়াল থাকে যা মাইগ্রেন্ট এসিডিটি এড়াতে সাহায্য করে। আর আইটেমের থেকে বক্স যেন একটি বড় হয় কারন বক্স থেকে আইটেম উঠাতে গিয়ে যেন আবার জায়গার স্বল্পতার কারনে আইটেমে ভাঁজ না পড়ে যায়।
☝🏾 অনেকে দেখেছি কাঠের বাঁ লোহার আলমারিতে আইটেম রাখেন,যার আবার অন্যদিকে সমস্যা। যদিও তা বেশ ব্যাহবহুল এবং অনেক সময়ের জন্য সুরক্ষা বয়ে আনে তবে সেগুলুতে ব্যাবহ্রিত রং,বার্নিশ, এনামেল পেইন্ট ইত্যাদি প্রায়শই ক্ষতিকর গ্যাস ছাড়ে যা আপনার আইটেমের ক্ষতি করতে কিন্তু ছাড়ে না। কালক্রমে সেগুলু আইটেমের আশেপাশে এসিডিক পরিবেশ তৈরি করে। তবে কন্সারভেশন গ্রেড পাউডার কোটিং করা কোন আলমারি বাঁ কেবিনেট ব্যাবহার করলে সেই বিপদ এডানো সম্ভব।
☝🏾 আর কাঠের কেবিনেটের বেলা; কাঠে ব্যাবহ্রিত রং এবং বার্নিশ আইটেমের গায়ে লেগে এসিড স্থানান্তরিত করতে পারে যাকে আমরা [Acid migration] বলি। তাই কাঠের আলমারিতে আইটেম রাখলে আইটেম এবং আলমারির মধ্যে আবার একটি “নিরপেক্ষ” কাভার ব্যাবহার করা উচিৎ।
☝🏾 ফ্রেমিংঃ যদি কোন কারনে আপনি আপনার পোস্টার বাঁ খরবের কাগজ বাঁ এই ধরনের আইটেম ফ্রেমে বাঁধান, তাহলে সূর্যের আলো থেকে সেগুলোর ক্ষতি কমানোর জন্য UV প্রতিরোধী কাঁচ বাঁ কভার ব্যাবহার করুন। অনেকে টেবিলের নিচে রেখে লোক দেখানো পছন্দ করেন। তাদের জন্যও একই পরামর্শ। তবে সর্বোপরি আলোতে যতো কম আনবেন আপনার আইটেমের জীবন ততো দীর্ঘায়িত হবে। আর ফ্রেমিং করলে আইটেমের পেছনের বোর্ড ও আবার এসিড ফ্রি কি না সেটাও দেখার বিষয়।
☝🏾 সাপোর্ট বোর্ডঃ আপনার খবরের কাগজ/পোস্টার বিশেষ করে যেগুলু বেশ পুরোনো এবং দুর্বল সেগুকে পরিবহনের সাপোর্ট বোর্ড ব্যাবহার করা বিধেয়। সেই বোর্ড যেন এসিড ফ্রি হয় তা লক্ষ্য রাখুন। অনেকে লিনেন ব্যাবহার করেন, অনেকে অন্যান “বাফারড” ফোম ব্যাবহার করে।
☝🏾 একটির উপড় একটি আইটেমঃ একটির উপর একটি করে স্তুপ করে অনেক গুলু আইটেম একসাথে রাখবেন না। তাহলে তাদের অযথা ভাঁজ হওয়া, চাপে বিকৃত হওয়া এবং ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
☝🏾 লেবেলিংঃ প্রতিটি আইটেম কে লেবেল দিয়ে রাখুন। যেমন তারিখ,প্রকাশন,বা যেকোন সম্পৃক্ত শিরোনাম ইত্যাদি দিয়ে। এটি পরবর্তীতে আপনার সেটা খুঁজে পেতে কাজে দেবে। এই প্রসেসকে ক্যাটালগিং বলা হয়।
☝🏾 এক মুখ,দুই মুখ,তিন মুখ বাঁ চার মুখ খোলা,বিভিন্ন ধরনের পকেট বাঁ স্লিভেই আইটেম রাখ যায়। তবে তিন মুখ বাঁ দুই খোলা স্লিভেই আইটেম রাখতে দেখা যায় বেশি।
☝🏾 নাড়াচাড়ার পাশাপাশি; নিয়মিত আপনার আইটেম কে পর্যবেক্ষণ করুন এবং কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করলে অভিজ্ঞ কারো থেকে পরামর্শ নিন।
এখানে আমি ISO স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জাদুঘরে SOP অনুযায়ী সংরক্ষণ এবং সঞ্চালন যেভাবে শিখেছি তার সারাংশ দেয়ার চেস্টা করলাম।এর মধ্যে কোন পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা বিস্তারিত জানতে চাইলে কমেন্টে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।আর সময়ের কারনে আমি প্রাইভেট কন্সাল্টেশন দেয়া আপাতত বন্ধ রেখেছি।
মার্চ ২১, ২০২৩
Living personalities on Banknote (Autocracy,Totalitarianism and Dictatorship)
একটি দেশের নোট প্রায়শই একটি দেশের পরিচয় এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে একই সাথে একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ প্রদর্শন করে। এমন কিছু উদাহরণও রয়েছে যেখানে ব্যাঙ্কনোটে এমন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য রয়েছে যারা স্বৈরশাসক বা স্বৈরাচারী ছিলেন। নোটাফিলিতে আমরা বিশেষত তাদের শাসনামলে প্রকাশ করা ব্যাংক নোটে তাদের ছবি দেখে
সেগুলুর পেছনের গল্প জানার চেষ্টা করি । ব্যাপারটি যদিও ছোটখাট বিষয় মনে হতে পারে, তবে অনেকেই এটিকে থিম হিসেবে
অনুশীলন করে আসছে।
যদিও কেউ কেউ যুক্তি দেন যে এটি দেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে, তবে অন্যরা বিশ্বাস করে যে এটি কর্তৃত্ববাদী নেতাদের মহিমান্বিত করে এবং বিশ্বকে ভুল বার্তা পাঠাতে পারে যে দেশটি এখনও তার কর্তৃত্ববাদী অতীতের সাথে আবদ্ধ বাঁ আবদ্ধ হতে চলছে।
ব্যাঙ্কনোটে স্বৈরশাসকের সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হল সাদ্দাম হোসেন, যিনি তার সময়কার ইরাকি দিনারগুলিতে ছিলেন। আরেকটি উদাহরণ হল মুয়াম্মার গাদ্দাফি, যাকে তার সময়ের লিবিয়ান দিনারে দেখা যায়।
স্বৈরশাসক বা স্বৈরশাসকদের বৈশিষ্ট্যযুক্ত ব্যাঙ্কনোটের ব্যবহার শুধুমাত্র উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সীমাবদ্ধ নয়।
এখানে আমি বহুমতের ভিত্তিতে স্বীকৃত স্বৈরশাসক বা স্বৈরাচারীদের
মটিফ সহ ব্যাঙ্কনোটের দেশ গুলুর একটি তালিকা
তৈরি করেছিঃ
Saddam
Hussein - Iraqi Dinar (1986-2003)
Muammar
Gaddafi - Libyan Dinar (1971-2011)
Bashar
al-Assad - Syrian Pound (1971-present)
Kim
Il-sung - North Korean Won (1947-1992)
Saparmurat
Niyazov - Turkmenistani Manat (1993-2009)
Vladimir
Lenin - Soviet Ruble (1918-1924)
Francisco
Franco - Spanish Peseta (1939-1975)
Idi
Amin - Ugandan Shilling (1971-1979)
Mobutu
Sese Seko - Congolese Franc (1971-1997)
অধিকাংশ সময় ই রাজতন্ত্রে সেই দেশের রাজা/রানির
ছবি তাদের জীবৎকালেই মটিফ হিসেবে দেখা যায়। তবে কম সংখ্যক দেশেই জীবিত ব্যাক্তির ছবি
নোটে প্রকাশ করা হয়েছে। আমার হিসেবে এটি তেল দেয়া এবং অহমিকার একটি প্রদর্শন।
যাইহোক, এমনও কিছু দৃষ্টান্ত রয়েছে যেখানে জীবন্ত মানুষের ছবি মটিফ হিসেবে ব্যাঙ্কনোটে আছে; যেখানে তারা দাবি করে যে তারা স্বৈরশাসক বাঁ সেই দেশটি রাজতান্ত্রিকও নয় কিন্তু চরিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে তারা অত্যন্ত বিতর্কিত। যেমন শ্রীলঙ্কা থেকে মাহিন্দা রাজাপাকসে, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা ইত্যাদি। ইতিহাস দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নব্য
স্বাধীন হওয়া দেশের বড় বড় রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতাগনও সেই দেশের নোটে তাদের জীবৎকালেই
স্থান পেয়েছে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমান।
মার্চ ০৩, ২০২৩
ত্রুটি[Error] এবং প্রকরনের [Varity/Variation] পার্থক্য কিভাবে করবেন?
প্রকরন [Variety]: সাধারণত কোন নোটের ছোট ছোট কোন পরিবর্তন এবং স্বাক্ষর
পরিবর্তনকে প্রকরণ ধরা হয়। তবে অবশ্যই তা পরিমান যোগ্য এবং তাৎপর্যপূর্ণ হতে হবে। তবে
এর সাথে সাথে আমি মনে করি কিছু অতিরিক্ত শর্ত যোগ হলে সংজ্ঞাটি আরও স্পষ্ট হয়। যেমনঃ
সময়ের সাথে সাথে এর কোন মূল্যমান সম্পৃক্ত তাৎপর্য থাকতে হবে। পরিবর্তন টি পরিকল্পিত
ও উদ্দেশ্য মূলক হতে হবে, এরর বা ত্রুটি হলে তা ভেরিয়েশন বা প্রকরণ হিসেবে বলা যাবে
না।
এখন ত্রুটি[Error] এবং প্রকরনের [Varity] পার্থক্য কিভাবে করবেন?
প্রকরণ হবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং প্রায় সব সময়
ই আইটেমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার উদ্দেশ্যে করা হয়। অন্য দিকে ত্রুটি [Error] সব সময়ই
অনিচ্ছাকৃত। এবং সব সময় না হলেও অনেক সময় ই তা আইটেমের নেতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
যেমনঃ কোন নোটের সিকিউরিটি ফয়েলের কিছু অংশ মিসিং, বাঁ কোন শব্দের হয়তো একটি বানান
ভূল এখন এটাকে প্রকরণ বলা ভূল হবে কারন সেটা
আইটেমের সামগ্রিকতাকে ক্ষুন্ন করে এবং সিকিরিটি ফয়েল এবং শুদ্ধ বানান যে কারনে ব্যাবহার
হয় তার উপযোগীতাকে ব্যাহত করে। অতয়েব হাজার/লাখ/কোটি খানেক নোট এই ফিচারে বের হলেই
সেটা একটা প্রকরন/ভ্যারাইটি হিসেবে গন্য হবে না।
তবে হ্যাঁ, যদি সংগ্রহের বিস্তারের খাতিরে আপনি
যদি সেগুলুকে একটি প্রকরণ মনে করেন তাহলে আমার কি বলার থাকতে পারে।
অন্য দিকে কোন কারনে কোন শব্দ বাঁ বাক্য পরিবর্তন
বাঁ সংশোধন হলে সেটা নোটাফিলির সংগ্রাহক রা প্রকরণ হিসেবে ধরে নেন। যেমনঃ বাংলাদেশের
৫০ টাকার নোটে “শিল্পী” এর জায়গায় “শিল্পাচার্য” শব্দের প্রতিস্থাপন।
যেহেতু নোট,কয়েন,স্ট্যাম্প,পাসপোর্ট ইত্যাদি রাষ্ট্রীয়
সম্পদ কঠোর মান নিয়ন্ত্রনের মধ্যে দিয়ে তৈরি হয়, তাই সেগুলুর যেকোন প্রকরণ ই সংগ্রাহকের
আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়। আর সেই প্রকরনের কত গুলু পিস/নমুনা বাজারে ছাড়া হয়েছে এবং
কত গুলু বর্তমানে বাজারে আছে তার উপর সেই প্রকরণ গুলুর দুর্লভ্যতা নির্ভর করে যা পরবর্তীতে
“দাম” হিসেবে অনুবাদিত হয়।
আমার পরামর্শঃ
আপনি যদি প্রকরণ ধরে সংগ্রহ করেন তাহলে আপনার জন্য
Define& Refine থিওরি ফলো করা উত্তম। যেখানে প্রথমে আপনি আপনার সংগ্রহের থিম কে
নির্ধারণ [Define]করবেন এবং অতঃপর মেন্টর বাঁ পিয়ার ডিসকাশনের মাধ্যমে সেটাকে পরিশোধন
[Refine] করবেন। উদাহরনঃ কোন একজন সংরাহকের ধারনা তার কাছে সবচেয়ে দামী/বড়/ছোট/কম দামী
নোট/কয়েন/স্ট্যাম্প আছে। এখন যদি সকল বিশেষন ই স্থান,কাল,পাত্র ভেদে আপেক্ষিক। তাই
এদের সংজ্ঞাও কে ব্যাখ্যা করছে,কার কাছে ব্যাখ্যা করছে সেই হিসেবে পরিবর্তন হয়। তাই
একজন জ্ঞ্যানী সংগ্রাহক হিসেবে আপনার সংগ্রহের দৈর্ঘ,প্রস্থ গভীরতা ইত্যাদি জানার দ্বায়িত্ব
আপনার।
প্রকরনের এর কোন স্বীকৃত সংজ্ঞা না থাকায় আমি স্টিভেনস পওার ল [Steven’s power law] অনুসারে বলবো-
দৃশ্যমান পৃষ্ঠের ডিজাইনে কমপক্ষে ০.৭% পরিবর্তন কে লক্ষণীয় পরিবর্তন ধরা যায় এবং প্রকরেরন
শর্তে পড়লে সেটাকে প্রকরণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আমাকে যখন কোন প্রতিযোগীতাতে আমন্ত্রন
করা হয় আমি মনে মনে এটাকে সেই সূক্ষ লাইন হিসেবে রাখি যা সাধারন সংগ্রাহকগন অতিক্রম
করেন না।