ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২

কিভাবে সাজাবেরন নিজের ব্যাংক নোট কালেকশন? এবং থিম সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।

 কিভাবে সাজাবেরন নিজের ব্যাংক নোট কালেকশন? এবং থিম সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।

লেখা টি কাদের জন্যঃ বিশেষত গ্রুপে/সংগ্রহ জগতে যারা নতুন ঢুকেছেন ।

কি ধরনের এল্ব্যাম আপনার জন্য প্রযোজ্য তা জানতে আমার অন্য পোষ্ট পড়ুন। নতুন যারা তাঁরা ,ফিক্সড এ্যালবাম ব্যাবহার করলেও, আপনার সংগ্রহ বাড়ার সাথে সাথে আপনি বাইন্ডার এ্যালবামে নিজের সংগ্রহ কে স্থানান্তরিত করতে পারেন।

প্রাথমিক ভাবে আপনার সংগ্রহ হয়তো তুলনামূলক ছোট সেটা হয়তো আপনার অর্থাভাবের জন্য হতে পারে, কিন্তু আপনার জ্ঞ্যানের পরিধি কেনো ছোট হবে?

আপনি শুরু থেকেই কিছু থিম নিয়ে হয়তো চাজ করতে পারবেন না,কারন আপনার সংগ্রহের পরিমাণ কম। তাই বলে হতাশ হবেনা না এবং লক্ষ্য স্থির করবেন যতো দ্রুত সম্ভব, হাতে কিছু নোট আসার পর আপনার জ্ঞ্যানের পরিধি প্রসারিত হবে,আপনিও বুঝতে পারবেন যে আপনার দ্বারা কি সহজে সম্ভব আর কি করতে আপনার বেগ পেতে হবে। এখানে আমি কিছু প্রশ্ন নিয়ে ভাবতে সাহায্য করছি।

আপনি কি দেশি নাকি বিদেশী নোট করবেন?

বিদেশী নোট করলে কি কোন ধরনের থিম নিয়ে কাজ করবেন? যেমনঃ সকল দেশের একটি নোট, প্রতি দেশের ১,৫,১০,২০,৫০,১০০ এমন কোন ডিনমিনেশন?

আপনি কি নিয়মিত নাকি অনিয়মিত খরচ করবেন?

ধীরে ধীরে খরচ করবেন নাকি? নাকি প্রতি মাসে একসাথে বেশ কিছু টাকা খরচ করবেন? নাকি যখন কিছু পছন্দ হবে তখন ধার দেনা করে হলেও কিনবেন?

আপনি আগামী বছরের ভেতরে আপনার কালেকশন কোথায় দেখতে চান?

আপনার কি কোন মেন্টর আছে? আপনি কি মেন্টরের ভূমিকা জানেন?










থিম কাকে বলে আপনি কি জানেন? দেশি নোট করলে অনেকে প্রিফিক্স,ডিজাইন,সিগ্নেচার, সাল, বিভিন্ন বিশেষত্বের নাম্বার, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটিপূর্ণ নোট ইত্যাদি করে থাকে।

থিম সম্পর্কে ধারনাঃ সংগ্রাহকদের ভাষায়; কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয় কে একটি সেট এ সীমাবদ্ধ করা কে থিম বলি। বিদেশী নোট করলে হয়তো প্রিফিক্স বাঁ গভর্নরের মতো গভীর থিম করা আপনার জন্য কষ্ট সাধ্য হয়ে যেতে পারে। তাই আপনি হয়তো ডিজাইন বাঁ সাল ভ্যারাইটি করতে পারেন। নোটের নকশার উপর নির্ভর করলে-অনেকে বিখ্যাত ব্যাক্তির মুখ (রাষ্ট্র প্রধান/পিতা/মাতা, বিজ্ঞানি,শিল্পি,রাজনীতিবিদ ইত্যাদি), ব্রিটেনের রানীর মুখ, বিভিন্ন ধরনের জীব জন্তু, পাখি, ভবন, শিল্প,কারুকারয, যুদ্ধ, বিদ্রোহ,শান্তি, ফুল, প্রযুক্তি ইত্যাদি নানাবিধ ধরনের থিম নিয়ে সংগ্রহ গড়ে তুলতে পারেন।

কেউ দ্বীপ রাজ্য, ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র, গুচ্ছ রাজ্য, বিলুপ্ত দেশ ইত্যাদিকে ও থিম হিসাবে নেয়।

কেউ আবার পিক নাম্বার অনুসারে সংগ্রহ করে; কেউ কেবল নির্দিষ্ট গ্রেডের কারেন্সি সংগ্রহ করে, কেউ বায়জাপ্ত সিরিজের আইটেম সংগ্রহ করে,কেউ স্মারক,কেউ বাঁ সুভেনিয়র নোট সংগ্রহ করে, অনেকে আছে কেবল টেস্ট নোট সংগ্রহ করে (প্রত্যেকটি নিয়ে আলাদা পোষ্ট আছে)।

আবার কেউ কেউ কোন নির্দিষ্ট দেশের সকল ইস্যু সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন, কেউ হয়তো কোন একটি মহাদেশের সকল দেশের নোট একটি বাঁ একাধিক ডিনমিনেশন সংগ্রহ করেন, কেউ হয়তো নতুন নোট সংগ্রহ করেন কেউ পুরোন করেন,সেটা নিয়ে আমার আলাদা পোষ্ট আছে।

আপনি দেশ অনুযায়ী সংগ্রহ করলে, A থেকে Z পর্যন্ত দেশের নামের লিস্ট করে নিন। তারপর সেগুলু কি এ্যালবামে জায়গা রেখে সাজাবেন নাকি একটির পর একটি কেবল রাখবেন সেটা আপনার ইচ্ছা।

তাই আপনি কি করবেন তা আগে আপনার বুঝতে হবে। টার্ম গুলু জানতে হবে, অল্প কিছু থিম কে নিশ হিসাবে নিতে হবে, অনেক গুলু থিম একসাথে নিয়ে কুলাতে পারবেন না। আর কতো গুলু থিম আপনি একসাথে আপনার অবস্থায় পারিপ্রেক্ষিতে কুলাতে পারেন সেটা আপনার মেন্টরের সাথে আলোচনা করে ঠিক করে নিতে পারেন। সবই যদি সংগ্রহ করা শুরু করেন তাহলে কিছুতেই মাস্টার হতে পারবেন না। এবং অনেক সময় যাওয়ার পরও আহামরি ভাবে আপনার দেখানোর কিছুই থাকবে না। এর সবচেয়ে বড় কথা সবচেয়ে ভালো কন্ডিশনের আইটেম ই সব সময় সংগ্রহ করবেন, সস্তা পেলেও ছেরা,ফাটা, খারাপ কন্ডিশনের আইটেম নেবেন না। (কেনো ?তাঁর কারন নিয়ে আলাদা পোষ্ট আছে)।

 


ডিসেম্বর ২৬, ২০২১

INK and INK Technology ( কালি এবং প্রিন্টিং প্রযুক্তি)

 কালি এবং প্রিন্টিং প্রযুক্তি

যে কয়েকটি মুদ্রন প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশী ব্যাবহার হতে দেখা যায় সেগুলু হচ্ছে-

স্ক্রিন প্রিন্টিং বাঁ সিল্ক স্ক্রিনিং,অফসেট প্রিন্টিং,ইঞ্জেক্ট প্রিন্টিং,রিলিফ/ইনটেগ্লিও প্রিন্টিং,লেটারপ্রেস প্রিন্টিং- ,ইউ ভি প্রিন্টিং,লেজার প্রিন্টিং,লিথোগ্রাফিক প্রিন্টিং,ইলেক্ট্রোটাইপিং,পার্ল প্রিন্টিং,রেইন বো প্রিন্টিং,প্যাড প্রিন্টিং ইত্যাদি।

বিভিন্ন প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যাবহারের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনে কালির ব্যাবহারও লক্ষণীয়ঃ মেটামেট্রিক ইঙ্ক,ফ্লোরোসেন্ট ইঙ্ক, মেটালিঙ্ক ইঙ্ক,মেগ্নেটিক ইঙ্ক,,আল্ট্রা ভায়োলেট ইঙ্ক,থার্মাল ইঙ্ক।

 

স্ক্রিন প্রিন্টিং বাঁ সিল্ক স্ক্রিনিং

এটি এমন একটি মুদ্রণ কৌশল, যা মুদ্রণ প্লেটের মাধ্যমে কালি ঠেলে ছবি ফুটিয়ে তুলে। একটি ফ্রেমের উপর একটি সিল্ক বা নাইলন গজ থাকে। ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নকশা/ছবি গজে স্থানান্তরিত হয়। চাপ দিয়ে মুছার জন্য একটি স্কুইজি থাকে, হয় যার সাহায্যে গজের মধ্য দিয়ে পুরু কালি ঠেলে দেয়া হয়। কেবল যেখানে নকশা/লেখা পড়বে সেখান ছাড়া বাকি সব স্থান ভরাট থাকে ফলে কেবল গজের সেই সকল ফাক দিয়েই কালি বের হতে পারে যে গুলু নকশার সাথে যায়। সাধারণত এটি দিয়ে মনোটন প্রিন্ট হয় অর্থাৎ এক বারে এক রঙের প্রিন্টের কাজ ই হয়।

 

অফসেট প্রিন্টিংঃ

ডিজিটাল ফাইল কে তাঁদের রং অনুযায়ী তিন বাঁ চার টি মৌলিক রঙে ভাগ করা হয়। এবং প্রতিটি মৌলিক রঙের প্রেক্ষিতে একটি মেটালিক প্লেটে সেই ছবির একটি করে সংস্করন লেজারের মাধ্যমে খোদাই করা হয়।এখন ওই প্রতিটি প্লেটেকে আলাদা আলদা রঙের প্রলেপ লাগিয়ে একটি যখন সেই প্রলেপ থেকে প্রথমে একটি রাবার শিটে এবং তাঁর পর কাগজে/কোন মুদ্রন পৃষ্ঠে প্রিন্ট করা হয়,সেই প্রক্রিয়া কে অফসেট প্রিন্টিং বলে। যে কোন রং চারটি মৌলিক রং দিয়ে তৈরি করা যায়,তাই এই প্রক্রিয়াটি কমপক্ষে চার ধাপে সম্পন্ন হয়।

 

ইঞ্জেক্ট প্রিন্টিংঃIt is fully compatible with all other printing techniques and security features normally adopted for security papers.  This paper is particularly recommend for all personal ID documents: passports, ID cards, visas.

 

রিলিফ/ইনটেগ্লিও প্রিন্টিংঃ

 

 

ইনটেগ্লিও প্রিন্টিংঃ এটি একটি ইতালীয় শব্দ।মধ্যযুগে শুরু হলেও এর আধুনিকায়ন ঘটে ১৯৯৬ এ G&amp একটি কম্পিটার নির্ভর প্রক্রিয়া উপস্থাপন করে যেখানে হাই রেসুলেশনে, অর্থাৎ সুক্ষতার সাথে খোদাই করার কাজ সম্ভব হয়েছিলো। এটি এমন একটি মুদ্রন প্রণালী যেখানে কারু শিল্পের বিশেষ ব্যাবহার হয়। প্রিন্টের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ ইত্থিত অংশ প্রথমে একটি মেটাল প্লেটে খোদাই করা হয়। তারপর বেশ ঘন কালি প্রিন্টিং প্লেটে লেপ দেয়া হয়। তখন কালি দিয়ে খোদাই করা  স্থানে ভর্তি হয়ে যায় তখন উপরের পৃষ্ঠের কালি মুছে ফেলা হয় এবং যখন একে উচ্চ চাপে (৮০-১০০ kg/cm2) সাবস্ট্রেটে স্থানান্তরিত হয়। ফলে কেবল খুদাই করা স্থানের নকশা এবং সেখানের কালিই সাবস্ট্রেটে স্থানান্তরিত হয় আর চাপের কারনে সাবস্ট্রেটে কালির নকশাটি এম্বুশ (উত্থিত ভাবে)ফুটে উঠে। এই প্রক্রিয়াকে সরল করার জন্য সেই কালি এবং প্লেট কে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও নিয়ে যাওায় জরুরী। খোদাইয়ের গভীরতার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন শেড নিয়ে আসা হয়। সাবস্ট্রেট ডিফর্মেশনের (সাবস্ট্রেট প্রিন্টের সামনের এবং পিছনের দিকে উত্থিত হয়ে যাওায়) মাধ্যমেই যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় এবং কেবল সাবস্ট্রেতে প্রিন্টই করা হয় না বরং একে চাপ ও তাপের সমন্বয়ে কম্প্রেসও করা হয়। তাই প্রযুক্তিগত কারনে এটি একটি অন্যতম খরচ সাপেক্ষ প্রিন্টিং প্রসেস। তাছাড়া সমগ্র নোটের গায়ে এই ধরনের প্রিন্ট করলে সেটা সেটি বেশীদিন টিকবে ও না, এক নোটের সাথে অন্য নোটের ঘষাঘষির ফলে ক্ষয় দ্রুত হবে, বান্ডিলে জায়গা বেশী যাবে,এরকম আরো বেশ কিছু কারনে কেবল নির্ধারিত বিশেষ অংশ মুদ্রনেই এই প্রথা ব্যাবহার করা হয়। এটা স্পর্শ করার মাধ্যমে যাচাইযোগ্য ফিচার গুলুর মধ্যে অন্যতম।

 

লেটারপ্রেস প্রিন্টিং- এই মুদ্রন কৌশলটি অনেকটা টাইপ রাইটারের মতো কাজ করে। মুদ্রনের প্রান্ত ভাগে হ্যালো এফেক্ট তৈরি হয়। কালি একটি মুদ্রণ প্লেটের সিল থেকে থেকে সাবস্ট্রেটে মুদ্রিত হয় । যেহেতু মুদ্রণ উচ্চ চাপের (১৫ kg/cm2) অধীনে করা হয়, তাই স্ট্রোকগুলিতে সমান ভাবে কালি না ও ছড়াতে পারে। প্রতি স্ট্রোকের প্রান্ত বরাবর একটি রিম/প্রাচীরের মতো তৈরি হতে পারে যা ২০x ম্যাগ্নিফিকেশনে দেখলে সহজে বুঝা যায়, সাবস্ট্রেট ডিফর্মেশন দেখাটা প্রায় স্বাভাবিক (সাবস্ট্রেট প্রিন্টের পিছনের দিকে উত্থিত হয়ে যায়; প্রিন্টের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ ইত্থিত অংশ লক্ষ করা যায় *30x এ দেখলে)। লেটারপ্রেস প্রিন্টিং প্রায়ই ব্যাঙ্কনোটে সিরিয়াল নম্বর এবং বার-কোড মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইউ ভি প্রিন্টিং

লেজার প্রিন্টিং

লিথোগ্রাফিক প্রিন্টিং

ইলেক্ট্রোটাইপিং

পার্ল প্রিন্টিং

রেইন বো প্রিন্টিং

প্যাড প্রিন্টিংঃ সাধারণত কয়েনে দেখা যায়

 

 

 

 

 

 

ইরিডিসেন্ট ইঙ্কঃIridescent print effects are based on special inks that make the printed motif visible or invisible when the banknote is tilted. The iridescent special effect can also be enhanced with UV-fluorescent pigments, making them look different under daylight or ultraviolet light. This effect is amplified by 

বিভিন্ন ধরনের জলছাপ (Variety of watermark)

 বিভিন্ন আলাদা আলাদা ধরনের প্রক্রিয়ায় তৈরি করার ফলে বিভিন্ন আলাদা আলাদা ফলাফল লক্ষ্য করা যায়।

প্রস্তুত প্রনালীর দিক থেকে প্রধানত দুইটি প্রধান প্রসেস দেখা যজায়ঃ

ড্যান্ডি রোল প্রসেস [Dandy roll process]

সিলিন্ডার মোল্ড [Cylinder mould process]

 

ড্যান্ডি রোল প্রসেস [Dandy roll process]

১২৮২ সালে যা প্রথম ইতালিতে প্রসিদ্ধ হয়।যিও এই প্রক্রিয়াকে সহজীকরন এবং আধুনিককরন করেন জন মার্শাল [John Marshall] নামক একজন ব্যেক্তি ১৮২৬ সালে। তিনিই প্রথম বানিজ্যিক ভাবে; জলে ভেজানো ধাতব পাতের সাহায্যে কাগজে জলছাপ ফুটিয়ে তোলার কাজটি করে দেখান।

 

সিলিন্ডার মোল্ড প্রসেস [Cylinder mould ] Created in 1848

১৮৪৮ সালে উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তিতে আরো ভালো এবং উন্নত ভাবে জলছাপ বসানো সম্ভব হয়েছে যা আধুনিক নোট গুলুতে ব্যাবহার হচ্ছে। জলছাপে শেড/বিভিন্ন স্তরের গাড়ত্ব নিয়ে আসার জন্য; এই প্রযুক্তিতে কাগজ শুকানোর পরে আবারো এতে এম্বুশ করা সম্ভব। ফলে অন্তিম ফলাফলকে বেশ স্পষ্ট ডিটাইলস সম্পন্ন এবং ত্রিমাতৃক ভাবে ফুটিয়ে তুলা সম্ভব হয়।

 

পেপার টোনের ভিত্তিতে জলছাপ কয়েক প্রকার হয়ঃ

          সিঙ্গেল টোনঃ কাগজের তুলনার হাল্কা বাঁ গাড়ো,যেকোন এক বর্ণের হয়।

          ডুয়ো টোনঃ কাগজের তুলনার হাল্কা এবং গাড়ো দুটি বর্ণই এক সাথে দেখা যায়।

হালফ এবং মাল্টি টোনঃ[Half Tone & Multitone watermark]: ক্রমশ হাল্কা থেকে ঘন এবং ক্রমশ ঘন থেকে হাল্কা এই সকল এফেক্ট ই একটি ছাপে দেখা যায়, যা দেখতে অনেক বাস্তবসম্মত মনে হয়।

কম্বিনেশনঃ যেখানে একাধিক ধরনের জলছাপ প্রযুক্তি একসাথে ব্যাবহার হয়

হাইলাইট [Highlight watermark] বাঁ ইলেক্ট্রোটাইপ [Electrotype]ঃ বিশেষ করে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (নোটের ডিনমিনেশন/মান, সিরিজ ইত্যাদি) যখন হাইলাইট করা হয় কিন্তু তাও জলছাপের মাধ্যমে তখন এই প্রযুক্তি ব্যাবহার হয়। যদিও এতে কাগজ আরোও পাতলা হয়ে যায় তবে ফলাফল খুবই স্পষ্ট।

পিক্সেল [Pixel watermark]: মাল্টি টোন এবং হালফ টোন এফেক্টের মত অন্যান্ন বিভিন্ন  প্রযুক্তির একত্রে ব্যাবহারের মাধ্যমে ;সাধারণত পিক্সেলের মতো গাড় বিন্দু ব্যাবহার করে এই ধরনের আকর্ষক জলছাপ ফুটিয়ে তুলা হয়। এই প্রযুক্তিতে নতুন নতুন ডিজাইন তৈরি করা সম্ভব যা সুক্ষতার অভাবে আগে সম্ভব ছিলো না।

কোডেড [Coded watermark]ঃ কোন কোন ক্ষেত্রে জলছাপে একটি ছবি ব্যাবহার না করে বাঁ ছবি ব্যাবহারের পাশাপাশি কাগজে টান টান ছোপ ফুটিয়ে তোলা হয়,যা সাধারণত কাগজের মজবুতি বাঁ মেশিন রিডেবল নিরাপত্তার জন্য ব্যাবহ্রিত হয়।

 

নোটের কোথায় জলছাপ আছে সেটার ভিত্তিতে আরোও কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

সাধারন বাঁ সর্বত্রঃ কাগজের সব জায়গায় ই জল ছাপ থাকে

স্থানীয়ঃ নোটের একটি নির্দিষ্ট ধার্য কৃত জায়গায় থাকে

স্ট্রিপঃ একটি ব্যান্ডের মতো নোটের সম্পূর্ণ একদিক জুড়ে থাকে

কর্নার স্টোনঃ নোটের চারিদিকের চার কোনে থাকে,

 

এছাড়াও জলছাপ [Watermark]  কি ধরনের কাজ করছে তাঁর উপর ভিত্তি করে একে আরও বিভিন্ন ভাবে বিশেষায়িত করা যায় যেমনঃ Window watermark, Parameter watermark, Electrotype, ইত্যাদি।

 

জলছাপের অসুবিধা সমূহঃ কাগজ খুব মজবুত হলে জলছাপ ততটা ভালো ভাবে বসানো কঠিন হয়ে যায়। কাগজের মন্ড ভাল ভাবে পিষে বানানো হলে সে মন্ডে ফাইবার ছোট হয়ে যায় ফলে জলছাপ বসানোর সময় ছোট ফাইবার গুলু এদিক সেদিক সরাতে কোন সমস্যা হয় না  ,কিন্তু অপরদিকে ফাইবার ছোট হলে কাগজও দুর্বল হয়ে পড়ে। সে জন্য জলছাপ দেয়া কাগজের জীবনকাল সাধারণত জলছাপ ছাড়া কাগজের চেয়ে কম। এজন্যই যেসব দেশে নোটে পিন,স্টেপ্লার,সেলাই ইত্যাদি করা হয় ,তা অধিকাংশই জলছাপের জায়গায় এবং নোটের সবচেয়ে দুর্বল স্থানও সেটাই হয়।

বাজারে সহজলভ্য কিছু ক্যেমিক্যেল আছে যার মাধ্যমে জলছাপের কাছাকাছি ফলাফল লাভ করা সম্ভব,যদিও সুক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আধুনিক সমাজের দ্রুত গতির জীবনের সাথে জলছাপ নিরীক্ষণ একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাছাড়া এতে হাতের অনেক বেশী নারাচাড়া করার প্রয়োজন হয়।

তাছড়া এই প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ ব্যাবহার করতে,নোট টি কে আলোতে ধরার প্রয়োজন,অতয়েব আবছায়া বাঁ অন্ধকার স্থানে এই প্রযুক্তি প্রায় অচল।

জলছাপ যেহেতু কাগজের তৈরির শুরুর দিকে বসানো হয় তাই এই প্রক্রিয়া পলিমার নোটের জন্য খাটে না,যদিও পলিমার নোটের জন্য আজকাল  স্যাডো ইমেজ [Shadow Image] নামে অন্য একটি প্রযুক্তির ব্যাবহার দেখা যাচ্ছে।

সবশেষে, যেহেতু এটা কেবল “ছাপ”, পূর্ণাঙ্গ “চিত্র” না যে পরিস্কার ভাবে ফুটে উঠবে, তাই এ সত্বেও বাজারের আসাধু চক্র অপরিস্কার প্রিন্ট কে জল বলে চালানোর চেষ্টা করে ই যাচ্ছে। 

Watermark (জলছাপ)

জলছাপঃ[Water mark]  জলছাপ একটি অন্যতম ব্যায় সাশ্রয়ী নিরাপত্তা বৈশিষ্ট যেখানে ব্যাংক নোটের কাগজটি কে কে আলোতে ধরলে একটি ছবি আবছা ভাবে দেখা যায়,এটি একটি অন্যতম প্রাচীন বৈশিষ্টও বটে। সাধারণত এটি কাগজের পুরুত্বের পার্থক্যের কারনে হয়ে থাকে। অর্থাৎ জলছাপে যে ছবি টি থাকে কাগজের পুরুত্বের কম বেশের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।

সাধারণত ব্যাংক নোটের কাগজ পাল্প অবস্থা থেকে শিট অবস্থায় যাওায় সময় সিলিন্ডার মোল্ড প্রক্রিয়ার একটি পর্যায়ে জলছাপ বসানো হয়।এটি একটি নিতান্তই সাধারন প্রক্রিয়া কিন্তু এ নিয়ে এর বেশী গভীরে লিখলে আইন প্রশাসনের কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে।

তাছাড়া, যদিও প্রক্রিয়াটি তবে একটি সুক্ষ জলছাপ তৈরি করে জায়গা মতো বসানো সহজ কাজ না,বা অনেক সময় সাপেক্ষ,আর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতার কথা না হয় না ই বললাম। তাই অনেক ক্ষেত্রেই ভালো জলছাপ আসাধু ব্যাক্তির জন্য সাশ্রয়ী হয় না। এজন্য ই জাল নোট খুবই উচু দ্মানের না হলে জলছাপ সাধারণত ঝাপসা ভাবে আঁকা ই থাকে।

উপরযন্তু ইতিহাসে এমন অনেক জালিয়াতী হয়েছে যেখানে একটি ডিনমিনেশনের নোট কে ব্লিচ করে অন্য একটি ডিনমিনেশন প্রিন্ট করা চালানোর চেষ্টা। সেই সকল ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে জলছাপ অপরিবর্তনীয় ছিলো অতয়েব ব্যাবহারকারী সেই নোট আলোতে ধরে বুঝতে পারতো যে সেটা কোন ছোট ডিনমিনেশনের নোট। কেননা সেই জল ছাপও পরিবর্তন করতে গেলে এই মিশন অর্থকরী ভাবে ততোটা ফলপ্রসু হয়তো হতো না। আধুনিক ব্যাংক নোটে আমরা ইলেক্ট্রোটাইপের [Electrotype] প্রযুক্তির ডিনমিনেশন দেখি যা বেশ হাইলাইট করা থাকে।


ডিসেম্বর ২০, ২০২১

বিভিন্ন দেশের কমন কাগজী মুদ্রার নাম

পাউন্ড

ফ্রাঙ্ক

দিনার

পেসো

রুপিস

রিয়্যাল

ক্রনা

শিলিং

ইংল্যান্ড

সুইজ্যারল্যান্ড

আলজেরিয়া

আর্জেন্টিনা

ইন্ডিয়া

ইউ এ ই

সুইডেন

কেনিয়া

ইজিপ্ট

কঙ্গো

বাহারাইন

চিলি

ইন্দোনেশিয়া

কাতার

ডেনমার্ক

সোমালিয়া

লেবানন

বুরুন্ডি

ইরাক

ফিলিপাইন্স

মাল্ডিভস

ইরান

নরওয়ে

টাঞ্জেনিয়া

সেইন্ট হেলেনা

মধ্য আফ্রিকা

জর্ডান

উরুগুয়ে

মরিশাস

ইয়েমেন

চেক রিপাবলিক

উগান্ডা

সুদান

রয়ান্ডা

কুয়েইত

কলম্বিয়া

নেপাল

ওমান

আইসল্যান্ড

সোমালি আইল্যান্ড

দক্ষিন সুদান

কমোরোস

লিবিয়া

কিউবা

পাকিস্তান

সৌদি আরব

ফেরো আইল্যান্ড

 

সিরিয়া

জাবুতি

মেসেডনিয়া

ডমিনিকান রিপাবলিক

সেইচেলস

 

 

 

উত্তর আইয়ারল্যান্ড

গিনি

সার্বিয়া

মেক্সিকো

শ্রী লঙ্কা

 

 

 

গারঞ্জি

পশ্চিম আফ্রিকা

তিউনেশিয়া

 

 

 

 

 

স্কটল্যেন্ড

 

 

 

 

 

 

 

জারজী

 

 

 

 

 

 

 

আইল অফ ম্যান

 

 

 

 

 

 

 

ফক ল্যান্ড আইল্যান্ড

 

 

 

 

 

 

 

জিব্রাল্টার

 

 

 

 

 

 

 


ডিসেম্বর ১০, ২০২১

কাগজ কি? What is paper?

 কাগজ কি?

বুনন বিহীন,যান্ত্রিক বাঁ রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকৃত বিভিন্ন (যেমনঃ Flax, Jute, Cotton, Hemp, Straw, Esparto, Pulp, Bark ইত্যাদি) ধরনের জৈব (সাধারণত উদ্ভিদ) তন্তু দিয়ে নির্মিত নমনীয় চ্যাপ্টা পৃষ্ট যা সাধারণত মুদ্রন,লেখালেখি,মোড়ক তৈরি ইত্যাদি কাজে ব্যাবহ্রত হয়, তাকে কাগজ বলতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১

পাল্পিং [Pulping] মন্ড প্রস্তুত করণ ও তাঁদের ধরন

 পাল্পিং [Pulping] বাঁ মন্ড তৈরি করা হচ্ছে কাগজ তৈরির প্রাথমিক ধাপ। এই প্রক্রিয়ার মধ্যমে উদ্ভিদ আ কাঠ কে কাঠামোগত ভাবে দুর্বল করে তাকে তন্তুসার করা হয় বাঁ এর থেকে সকল ফাইবার বের করে আনা হয়।

কাঠ থেকে ফাইবার আলাদা করার কেয়াক্টি প্রথাগত প্রসেস আছে,যা সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে, কিছু প্রসেস আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের ফলে ডেভলাপ হয়েছে। আমি তাঁর মধ্যে তিনটির কথা বলছি- যান্ত্রিক, মিশ্র এবং রাসায়নিক। 

যান্ত্রিক [Mechanical Pulping]

যেসকল কাজে উৎপাদিত পন্যের মজবুতির প্রয়োজন কম হয় সেখানে এই প্রাচীনতম প্রক্রিয়া ব্যাবহার করা হয়, যেমন নিউজ প্রিন্ট কাগজ, টেলিফন ডিরেক্ট্রি,ম্যাগাজিন,পেপার টাওাল, পেপারবোর্ড ইত্যাদি। উৎপাদন সস্তা এবং সাশ্রয়ী তাছাড়া পরিমাণও খুবই ভালো (প্রায় ১ কেজি কাঠ থেকে ৯০০ গ্রামের মতো মন্ড বানানো যায়)। তাই পৃথিবীর উৎপাদিত সকল কাগজের ১ চতুর্থাংশ ই এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। কাগজ সাদা করার জন্য অনেক ব্লিচ প্রয়োজন হয় তাছাড়া বেশী ব্লিচ ব্যাবহার করলে সমগ্রউতপাদন কমে যায়, তাই একে এভাবেই রেখে দেয়া হয়,কেবল মাত্র মুদ্রন উপযোগী করার জন্য যতটুকু না করলেই না ততটুকুই করা হয়। আধুনিকায়নের সাথে সাথে এই প্রক্রিয়ার অসুবিধাসমূহকে খুব দ্রুত নিয়ন্ত্রনের আনা হচ্ছে।

উপযোগীতাঃ চেপে আয়তন ছোট করা যায়, কালি বাঁ যেকোন কিছুর শোষণ ক্ষমতা ভালো, স্ত্যায়িত্ব কম, ক্যেমিকেলের ব্যাবহার কম অতয়েব পরিবেশ বান্ধব।

কাগজে উপস্থিত এই লিগ্নিনের কারনে সময়ের আবর্তনে বিভিন্ন কাগজ (বিশেষ করে খবরের কাগজ) হলুদাভ আভা ধারন করে।

 যান্ত্রিক পাল্পিং সাধারণত ৪ প্রকার হয়ে থাকে। 

রিফাইনার মেকানিক্যাল পাল্প [RMP]- কাঠের ছোট টুকরো গুলুকে পেষার সাথে সাথে বিভিন্ন সাইজের ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন সাইজের ছাঁকনির মধ্য দিয়ে নিয়ে মিহি করা হয়।  

থার্মো মেক্যানিক্যাল পাল্প [TMP]- গরম বাস্পের ট্রিটমেন্ট করে তারপর “RMP” করা।

স্টোন গ্রাউন্ড ওড পাল্প [SGW]- কাঠের বড় টুকরো গুলুকে পিষে নরম করা হয় ।

প্রেসার গ্রাউন্ড ওড পাল্প [PGW]- গরম বাস্পের ট্রিটমেন্ট করে তারপর “SGW” করা।


মিশ্র/ তাপ-রাসায়নিক-যান্ত্রিক [Chemithermomechanical] বাঁ CTMP- যেই নাম সেই কাজ। সাধারণত পুরনাঙ্গ ক্যেমিক্যেল প্রসেসে কাঠের ভেতর খুব একটা লিগনিন অবশিষ্ট থাকে না। ফলে উৎপাদন বেশ করে যায়, তাই এই মিশ্র প্রক্রিয়ার জন্ম হয়েছে। এটাকে একটা হাইব্রিড প্রসেসও বলতে পারেন। এই  যান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রথমে কাঠের টুকরো গুলুকে ক্যামিক্যেলের দ্রবনে ডুবিয়ে রাখা হয়,যদিও সেই ক্যেমিক্যেল ততটা উগ্র না যা কাঠের টুকরো গুলু থেকে লিগনিন কে ভেঙ্গে একাকার করে দিতো তাই সেলুলোজ ফাইবার গুলুর গঠনগত বিন্যাস খুব একটা নষ্ট বাঁ এলোমেলো করে না । এটি বেশহ আধুনিক প্রক্রিয়া।

রাসায়নিক পাল্পিং [Chemical pulping]-, ক্যেমিক্যেল এবং তাপ কাঠের গুড়া সমূহকে ক্যেমিকেলের দ্রবনে ডুবিয়ে রাখা হয়, যতক্ষন না সেই ক্যেমিক্যেল কাঠের টুকরো গুলুথেকে লিগনিন কে ভেঙ্গে একাকার করে দেয় যা সেলুলোজ ফাইবার গুলুর গঠনগত বিন্যাস নষ্ট করে তাঁদের এলোমেলো করে দেয়।সুবিধাঃ শক্ত পোক্ত উপাদান তঈরির জন্য এই প্রক্রিয়া ব্যাবহার হয় কেননা অবিন্যস্ত ফাইবার গুলু যখন শুকিয়ে কাগজ গঠন করে তখন এগুলু একটা আরেক্টির সাথে জট পেকে থাকে যার ফলে উৎপাদিত কাগজটি বেশ মজবুত হয়। দুইটি ভিন্ন ধরনের অনুধটক দিয়ে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়,যা কাগজী আইটেম বিশেষ করে নিউমেস্মটিক এবং নোটাফিলিক কালেক্টরদের জন্য বুঝা গুরুত্বপূর্ণ।

অম্লীয় [Acidic pulping] বাঁ সালফাইট মেথড [Sulfite pulping] প্রক্রিয়াঃ আধুনিকতর প্রক্রিয়া, লিগ্নিন তাড়াতাড়ি এসিডের সাথে দ্রবিভুত হয়ে যায় ফলে নিস্কাশন সহজতর হয়, ফলে কাগজের রং হাল্কে এবং উজ্জ্বল হয়, ফলে ব্লিচ করা কম লাগে (যা পরিবেশ বান্ধব), সার্বিক কাজ দ্রুত হয় এবং উৎপাদন তুলনামূলক ভালো।

ক্ষারীয় [Alkaline pulping] বাঁ সালফেট মেথড– শত বছরের পুরনো এই প্রক্রিয়া সবচেয়ে বেশী ব্যাবহ্রিত হয় সাধারণত বাদামী শপিং ব্যেগে। লিগনিন দ্রিবিভূত হয়ে ফাইবারে ছড়িয়ে যায় ফলে উপাদানটি বাদামী বর্ণ ধারন করে এবং তততা উজ্জ্বল হয় না। সাদা করতে প্রচুর ব্লিচ দেয়া লাগে ফলে অনেক উৎপাদক কাগজের রং অপরিবর্তনীয় রেখে দেয়। শত বছর আগের এই উৎপাদন প্রক্রিয়া তখনকার জন্য সবচেয়ে মজবুত কাগজ দিতে পারতো কিন্তু রং বাদামী হওয়ায় এর ব্যাবহার প্যাকেজিং ম্যেটেরিয়ালেই সীমাবদ্ধ। এই জাতীয় কাগজকে ক্র্যাফট পেপার ও বলা হয়। 

উপযোগিতাঃ নরম কাঠ,ঘাস,গুল্ম বাঁ এই ধরনের উদ্ভিদ যেখানে লিগ্নিন কম থাকে বাঁ আলাদা করা সহজ তাঁদের এই প্রক্রিয়ার প্রক্রিয়াজাত করলে সময় ও তাপ কম প্রয়োজন হয়। প্রাচীন প্রক্রিয়া বিধায় এটি যথেষ্ট পরিপক্ক হয়েছে ফলে উৎপাদন প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত তাপ এবং রাসায়নিক বস্তু সমুহকে কমিয়ে আনা এবং পুনঃব্যাবহারের প্রযুক্তি ভালো ভাবেই আয়ত্তে এসেছে। তাছাড়া কাগজের মজবুতিও বেশ ভালো এবং প্রায় সকল ধরনের উদ্ভিদের সাথেই এর ব্যাবহার চলে। তবে কঠিন কাঠের ক্ষাত্রে বাঁ কাঠ বিহীন উদ্ভিদ আঁশের প্রক্রিয়াজাত করনে ক্যেমিকেল হিসাবে কস্টিক সোডা ব্যাবহ্রিত হয়। এই তথ্য টি ও সংগ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই সকল কিছুর বাইরে আরও পাল্পিং মেথড আছে যাকে তাঁর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত টি হচ্ছে “Organosolv pulping” বাঁ ডিঙ্কিং [Dinking] বলা হয়। সাধারণত রিসাইক্লেনিং বাঁ পুনঃ প্রক্রিয়াজাত করনে এর ব্যাবহার বেশী দেখা যায়।. অনেক নিউজপ্রিন্ট, ফেসিয়াল টিস্যু, টয়লেট পেপার, কিচেন  ক্লিনিং রোল, শপিং ব্যেগ এই ধরনের প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। আপনি ফটোকপির কাগজ কিনতে গেলে হতো কখনো “DIP” টার্মটি খেয়াল করতে পারেন। এটিই সেটি।