কালি এবং প্রিন্টিং প্রযুক্তি
যে কয়েকটি মুদ্রন প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশী
ব্যাবহার হতে দেখা যায় সেগুলু হচ্ছে-
স্ক্রিন প্রিন্টিং বাঁ সিল্ক স্ক্রিনিং,অফসেট
প্রিন্টিং,ইঞ্জেক্ট প্রিন্টিং,রিলিফ/ইনটেগ্লিও প্রিন্টিং,লেটারপ্রেস প্রিন্টিং- ,ইউ ভি প্রিন্টিং,লেজার প্রিন্টিং,লিথোগ্রাফিক
প্রিন্টিং,ইলেক্ট্রোটাইপিং,পার্ল প্রিন্টিং,রেইন বো প্রিন্টিং,প্যাড প্রিন্টিং
ইত্যাদি।
বিভিন্ন প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যাবহারের সাথে
সাথে বিভিন্ন ধরনে কালির ব্যাবহারও লক্ষণীয়ঃ মেটামেট্রিক ইঙ্ক,ফ্লোরোসেন্ট ইঙ্ক,
মেটালিঙ্ক ইঙ্ক,মেগ্নেটিক ইঙ্ক,,আল্ট্রা ভায়োলেট ইঙ্ক,থার্মাল ইঙ্ক।
স্ক্রিন প্রিন্টিং বাঁ সিল্ক স্ক্রিনিং
এটি এমন একটি মুদ্রণ কৌশল,
যা মুদ্রণ প্লেটের মাধ্যমে কালি ঠেলে ছবি ফুটিয়ে তুলে। একটি ফ্রেমের উপর একটি সিল্ক বা নাইলন গজ
থাকে। ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নকশা/ছবি
গজে স্থানান্তরিত হয়। চাপ দিয়ে মুছার জন্য একটি স্কুইজি থাকে, হয় যার সাহায্যে গজের মধ্য দিয়ে পুরু কালি ঠেলে দেয়া হয়। কেবল যেখানে নকশা/লেখা
পড়বে সেখান ছাড়া বাকি সব স্থান ভরাট থাকে ফলে কেবল গজের সেই সকল ফাক দিয়েই কালি
বের হতে পারে যে গুলু নকশার সাথে যায়। সাধারণত এটি দিয়ে মনোটন প্রিন্ট হয় অর্থাৎ
এক বারে এক রঙের প্রিন্টের কাজ ই হয়।
অফসেট প্রিন্টিংঃ
ডিজিটাল ফাইল কে তাঁদের রং অনুযায়ী তিন বাঁ চার
টি মৌলিক রঙে ভাগ করা হয়। এবং প্রতিটি মৌলিক রঙের প্রেক্ষিতে একটি মেটালিক প্লেটে
সেই ছবির একটি করে সংস্করন লেজারের মাধ্যমে খোদাই করা হয়।এখন ওই প্রতিটি প্লেটেকে
আলাদা আলদা রঙের প্রলেপ লাগিয়ে একটি যখন সেই প্রলেপ থেকে প্রথমে একটি রাবার শিটে
এবং তাঁর পর কাগজে/কোন মুদ্রন পৃষ্ঠে প্রিন্ট করা হয়,সেই প্রক্রিয়া কে অফসেট
প্রিন্টিং বলে। যে কোন রং চারটি মৌলিক রং দিয়ে তৈরি করা যায়,তাই এই প্রক্রিয়াটি
কমপক্ষে চার ধাপে সম্পন্ন হয়।
ইঞ্জেক্ট প্রিন্টিংঃIt is fully compatible with all other
printing techniques and security features normally adopted for security
papers. This paper is particularly recommend for all personal ID
documents: passports, ID cards, visas.
রিলিফ/ইনটেগ্লিও প্রিন্টিংঃ
ইনটেগ্লিও প্রিন্টিংঃ এটি একটি ইতালীয় শব্দ।মধ্যযুগে
শুরু হলেও এর আধুনিকায়ন ঘটে ১৯৯৬ এ G& একটি কম্পিটার নির্ভর প্রক্রিয়া উপস্থাপন
করে যেখানে হাই রেসুলেশনে, অর্থাৎ সুক্ষতার সাথে খোদাই করার কাজ সম্ভব হয়েছিলো। এটি
এমন একটি মুদ্রন প্রণালী যেখানে কারু শিল্পের বিশেষ ব্যাবহার হয়। প্রিন্টের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ ইত্থিত অংশ প্রথমে একটি মেটাল
প্লেটে খোদাই করা হয়। তারপর বেশ ঘন কালি প্রিন্টিং প্লেটে লেপ দেয়া হয়। তখন কালি
দিয়ে খোদাই করা স্থানে ভর্তি হয়ে যায় তখন উপরের পৃষ্ঠের কালি মুছে ফেলা
হয় এবং যখন একে উচ্চ চাপে (৮০-১০০
kg/cm2) সাবস্ট্রেটে স্থানান্তরিত হয়। ফলে কেবল খুদাই করা
স্থানের নকশা এবং সেখানের কালিই সাবস্ট্রেটে স্থানান্তরিত হয় আর চাপের কারনে
সাবস্ট্রেটে কালির নকশাটি এম্বুশ (উত্থিত ভাবে)ফুটে উঠে। এই প্রক্রিয়াকে সরল করার
জন্য সেই কালি এবং প্লেট কে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও নিয়ে যাওায় জরুরী। খোদাইয়ের গভীরতার
উপর নির্ভর করে বিভিন্ন শেড নিয়ে আসা হয়। সাবস্ট্রেট
ডিফর্মেশনের (সাবস্ট্রেট
প্রিন্টের সামনের এবং পিছনের দিকে উত্থিত
হয়ে যাওায়) মাধ্যমেই যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় এবং কেবল সাবস্ট্রেতে
প্রিন্টই করা হয় না বরং একে চাপ ও তাপের সমন্বয়ে কম্প্রেসও করা হয়। তাই প্রযুক্তিগত কারনে এটি একটি অন্যতম খরচ
সাপেক্ষ প্রিন্টিং প্রসেস। তাছাড়া সমগ্র নোটের গায়ে এই ধরনের প্রিন্ট করলে সেটা সেটি
বেশীদিন টিকবে ও না, এক নোটের সাথে অন্য নোটের ঘষাঘষির ফলে ক্ষয় দ্রুত হবে, বান্ডিলে
জায়গা বেশী যাবে,এরকম আরো বেশ কিছু কারনে কেবল নির্ধারিত বিশেষ অংশ মুদ্রনেই এই
প্রথা ব্যাবহার করা হয়। এটা স্পর্শ করার মাধ্যমে যাচাইযোগ্য ফিচার গুলুর মধ্যে অন্যতম।
লেটারপ্রেস প্রিন্টিং- এই মুদ্রন কৌশলটি অনেকটা টাইপ রাইটারের মতো কাজ করে। মুদ্রনের প্রান্ত
ভাগে হ্যালো এফেক্ট তৈরি হয়। কালি একটি মুদ্রণ প্লেটের সিল থেকে থেকে সাবস্ট্রেটে মুদ্রিত হয় । যেহেতু মুদ্রণ উচ্চ চাপের (১৫
kg/cm2) অধীনে করা হয়, তাই স্ট্রোকগুলিতে সমান
ভাবে কালি না ও ছড়াতে পারে। প্রতি স্ট্রোকের প্রান্ত
বরাবর একটি রিম/প্রাচীরের মতো তৈরি হতে পারে যা ২০x ম্যাগ্নিফিকেশনে দেখলে
সহজে বুঝা যায়, সাবস্ট্রেট ডিফর্মেশন দেখাটা প্রায় স্বাভাবিক
(সাবস্ট্রেট প্রিন্টের পিছনের দিকে উত্থিত
হয়ে যায়; প্রিন্টের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ ইত্থিত
অংশ লক্ষ করা যায় *30x এ দেখলে)। লেটারপ্রেস প্রিন্টিং প্রায়ই
ব্যাঙ্কনোটে সিরিয়াল নম্বর এবং বার-কোড মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ইউ ভি প্রিন্টিং
লেজার প্রিন্টিং
লিথোগ্রাফিক প্রিন্টিং
ইলেক্ট্রোটাইপিং
পার্ল প্রিন্টিং
রেইন বো প্রিন্টিং
প্যাড প্রিন্টিংঃ সাধারণত কয়েনে দেখা যায়
ইরিডিসেন্ট ইঙ্কঃIridescent print effects are based on special inks that make the printed motif visible or invisible when the banknote is tilted. The iridescent special effect can also be enhanced with UV-fluorescent pigments, making them look different under daylight or ultraviolet light. This effect is amplified by
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন