ধরুন আপনি এমন
একটা সময়ে বসবাস করছেন যে সাধারন মানুষ হিসেবে আপনি গননা জানেন না আবার লেখালেখিও জানেন
না। কিন্তু আপনার কাছে মুদ্রা (ধাতব) আছে খরচ বা ধার দেয়ার জন্য। তো কিভাবে লেনদেন
টি হবে?কিভাবে ধার দেয়ার/করার প্রমান রাখবেন?
বলা হয়ে থাকে,
চিন (China) এ প্রথম মাঝখানে ছিদ্র যুক্ত কয়েন প্রচলন শুরু হয়। আপনার কাছে কেউ টাকা
চাইলে সে একটি রশি/দড়ি নিয়ে আসবে বা আপনি আপনার কাছে থাকা দড়িতে কিছু কয়েন ঢুকিয়ে তাকে
দেখিয়ে দিলেন যে কয়টি কয়েন আপনি দিচ্ছেন বা সে নিচ্ছে। তার পর রশির শেষ মাথায় গিট দিয়ে
দিলেন।
এখন তাকে
কয়েন দেয়ার সময় এই রকম দুটি রশি/দড়ি তৈরি করে, একটি রাখলেন আপনার কাছে অন্য টি সে নিয়ে
গেলো। তারপর কিছু পুরনিমা/অমাবস্যা/ বা শীত/ বর্ষা আসার পর সে যখন আপনার কয়েন আপনাকে
ফেরত দিতে আসবে তখন তার দড়ি/রশি এবং আপনার রশি দুটো ই মিলিয়ে দেখে কয়েন ফেরত নিলেন।
এই ছিলো ছিদ্র
যুক্ত কয়েন বাজারে আসার প্রাথমিক কারন। এছাড়াও পরিবহনের সুবিধা, মালার মতো অলঙ্কার
হিসেবে, ধাতুর পরিমান কমানো, সহজে দেখেই চেনার জন্য, সহজে কোন বস্তুর দাম জানানো, ধার
দেনার প্রমান রাখা ইত্যাদি কারন তো আছে ই, যা পরবর্তীতে ধীরেধীরে বিবর্তিত হয়েছে।
দেখবেন কোন
কয়েনের ভেতরের ছিদ্র টা গোল না হলে চারকোণা, তার কারন ইতিহাসবিদ রা বলেন যে, কেন যেন
রশি/দড়ি তে লাগানোর পর ঘুরতে না থাকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন