ইমারজেন্সি ইস্যু হিসাবে সাধারণত "নোটগেল্ড" নাম জানা হয়। যেটা রাজনৈতিক অর্থনৈতিক আপদকালীন সময়ের জন্য ইস্যু করা হয়/হয়েছিল। (এটা নিয়ে আলাদা আর্টিকেল আছে) ।
তবে যেখানে বাংলাদেশের "তথাকথিত ভাবে প্রচলিত ইমারজেন্সি ইস্যু নোট" নিয়ে প্রশ্ন আসে- সেটার উত্তরে আমার উক্তি হচ্ছে- সরকারিভাবে বা বেসরকারিভাবে এমন কোথাও কোন রিপোর্ট আসেনি যে দেশের কোন আপদকালীন সময়ের জন্য আলাদা কাগজে বা আলাদা নিরাপত্তা সূতা দিয়ে কোন নোট বের করা হয়েছিল। অতয়েব এই টার্মটা সম্পূর্ণই অজ্ঞানতা থেকে উঠে এসেছে। জ্ঞানের অভাবের কারণে হয়তো কোথাও কোন একদিন একজন বলেছিল যে এটার নিপাপত্তা সুতা যেহেতু আলাদা; অতএব এটা নিশ্চয়ই অন্য নোটের কাগজে ছাপানো। সেই গুজব থেকে এই সম্পূর্ণ শব্দ টি বাংলার সংগ্রাহকদের মনে দানা বেধেছে। যা আমার জানামতে ভিত্তিহীন।
এজন্যই আমি প্রায়শই বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সূতা,জলছাপ, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি নিয়ে লেখালেখি পোস্ট করি।
আলাদা দাম হওয়ার কারণ হচ্ছে, সীমিত সময়ের জন্য সীমিত সংখ্যায় দেখা গিয়েছে। কারন সেগুলো পরীক্ষামূলক প্রযুক্তির মুদ্রণ বলতে পারেন। সেটা হতে পারে খরচের জন্য অথবা তারা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি পরবর্তীতে কন্টিনিউ করার।(বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুতার পরিবর্তে ডিম্যাটালাইজড নিরাপত্তা ফয়েল)।
প্রথম কথা -সেগুলু ইমারজেন্সি ইসু নয়। বলতে পারেন ভ্যারিয়েশন। কেবল নাম দিয়েছে এরকম কারন নামকরনের সময় হয়তো এটা নিয়ে কেউ প্রতিবাদ বা উচ্চবাচ্য করে নি। তাই আপনি এটা জানার পরের এটাকে এই নামে ডাকা শোভা পায় না।
দ্বিতীয় কথা- অন্যান্য দুই টাকা এবং ৫ টাকার নোটের তুলনায় এগুলোর নিরাপত্তা *সুতা আলাদা। আরো স্পেসিফিকলি বললে সেগুলোতে নিরাপত্তা সুতার বদলে নিরাপত্তা ফয়েল ব্যবহার করা হয়েছে।অর্থাৎ সিকিউরিটি থ্রেড দেখলেই প্রাথমিক ভাবে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।সিকিউরিটি ফয়েল সাধারণত সিকিউরিটি থ্রেড থেকে মোটা হয় তাই একে অনেকে মোটাসুতা বলেও বিক্রি করে।এখানে কোন কোম্পানির কোন প্রযুক্তি ব্যাবহার হয়েছে তা নিয়ে আলাদা পোস্ট আছে। বিস্তারিত জানতে সেগুলো পড়তে পারেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন