ল্যামিনেশন এবং এনক্যাপুলেশনে এর পার্থক্য এবং তাৎপর্য।[Differentiation between lamination and encapsulation].
জুলাই ০৪, ২০২৩
ল্যামিনেশন এবং এনক্যাপুলেশনে এর পার্থক্য এবং তাৎপর্য।[Differentiation between Lamination and Encapsulation]
জুলাই ০২, ২০২৩
ছোট/বড় সিরিয়াল।ছোট/বড় নাম্বার [Establishing a Scientific Benchmark for Low Serial Numbers in Banknote]
কোন সিরিয়াল নাম্বারকে ছোট/বড় ধরার বিষয়টি অনেক দৃষ্টিকোণ
থেকে দেখা যায়। তার প্রধান কয়েকটি মেথড হচ্ছে Percentage of total, Last/First prefix,
Last/First thousands, Limited edition, Numerical threshold ইত্যাদি।
সকল ইস্যুকৃত নোটের শতকরা হার [Percentage of total]- যা
ক্ষেত্র বিশেষে ১%/৫%/১০% ধরে বাঁ প্রথম/শেষ দিকের প্রিফিক্স গুলু ধরে করা যায়। এই
মেথড বিশেষ করে পুরনো সিরিজের নোটের ক্ষেত্রে বেশি ব্যাবহার কার্যকারী।
প্রথম এবং শেষ প্রিফিক্স [Last/First prefix]- এখানে প্রথম
এবং শেষ বের হওয়া প্রিফিক্সের সকল নাম্বারকেই যথাক্রমে ছোট বাঁ বড় ধারা যায়।
প্রথম শেষ হাজার বাঁ ১০ বান্ডেল (১ ব্রিক) নোট [Last/First
thousands] এখানে কোন প্রিফিক্স বাঁ ডিনমিনেশনের প্রথম এবং শেষ ব্রিক (১০ বান্ডেলের)
সকল নোট কে ই প্রধান্য দিয়ে তাদের যথাক্রমে ছোট বড় গন্য করা যায়।
সীমিত সংখ্যায় বের হওয়া [Limited edition] প্রায় সকল স্মারক
নোট ই সীমিত সংখ্যার বের হয়। তাই বস্তুগত ভাবে সেগুলুর সিরিয়াল নাম্বারের গন্ডিঅ সীমিত।
তবে যেখানে কয়েক শ, কয়েক হাজার পিস বাঁ কয়েক লাখ পিস নোটই বের হয়,সেখানে আপেক্ষিকতা
বিচারে সকল নাম্বার ই ছোট। আবার কখনো কখনো এটা লিমিটেড এডিশন স্বীকৃতসহই হয়তো আলাদা
ফোল্ডারে বের করা হয়। সেগুলুকেও ছোট নাম্বার ধরাটা যুক্তি সঙ্গত।
সংখ্যাতাত্বিক ভাবে [Numerical threshold] এখানে যে কোন প্রিফিক্সের
প্রথম এবং শেষ ১০০ থেকে ১০০০ নাম্বারকে যথাক্রমে ছোট এবং বড় ধরা যায়।
এখন আসি আমার যুক্তিতেঃ বাংলাদেশে প্রতি বছর
প্রায় ১ বিলিয়ন পিস নোট বের হয়। প্রতি প্রিফিক্সে ১ মিলিয়ন নোট থাকে। যা তাত্বিক ভাবে
সকল ডিনমিনেশন মিলিয়ে প্রায় ১০০ টি প্রিফিক্স জন্মদেয়। ফলে প্রতি প্রিফিক্সের প্রথম
১০০০টি নোটকেও যদি ছোট সংখ্যা ধরা হয় তাহলে তা প্রতি বছর বের হওয়ার নোটের ০.০১% যা
প্রায় ১০০০০০(১ লাখ) নোট/প্রতি বছর। বাংলাদেশের জনসংখ্যার (১৭ কোটি হিসেবে) প্রতি ১
হাজার মানুষের কাছে ১টি করে নোট থাকলেও তাদের মধ্যে সম্মিলিত ভাবে প্রায় ৬ টি ছোট নাম্বারের
নোট পাওয়া যাওয়ার সভাবনা আছে। বাঁ দশ বান্ডিল ঘাটলে প্রায় ৬টি ছোট নাম্বারের নোট পাবেন।এই
কারনে আমি মনে করি না যে কোন আইটেম যদি বছরে ১ লাখ পিস বের হয় তাহলে তার কোন বিশেষত্ব
আছে আর আমার অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সেটা সংগ্রহ করতে হবে।
এবার আসি আমার মতামতেঃ আমি প্রিফিক্সের প্রথম/শেষ ১০/১০০
টি নোটে ছোট ক্রমিক সংখ্যা গন্য করার পক্ষে।,
যা মোট মিন্টেজের ০.০০০১%-০.০০১% । এছাড়া,
খুব ছোট ক্রমিক সংখ্যা বলতে ০.০০০০১%-০.০০০১%
এর মধ্যে সীমার পরামর্শ দিই। যা আপাতত দৃষ্টিতে
প্রথম/শেষ ১০টি বাঁ প্রথম বান্ডেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
জুন ২৯, ২০২৩
প্রিন্টার্স মডেল এবং প্রুফ নোট [Proof note] and Printer’s model/Composite Essay
বিষয়: প্রিন্টার্স মডেল এবং প্রুফ নোট [Proof note ] এবং প্রুফিং স্টেজ
নোট প্রিন্টিং এর প্রস্তুতি পর্বের সময় তৈরি হওয়া বিভিন স্টেজের ছাপানো কাগজ কে প্রুফ নোট বলা হয়। এদের সাধারন লিগ্যাল টেন্ডার স্ট্যাটাস থাকে না না। কারন পূর্ণাঙ্গ নোটের বিভিন্ন স্টেজে নোটের বিভিন্ন কাজ হয়,যা এই নোটে/আইটেমে সঙ্গত কারনেই অনুপস্থিত থাকে।
যখন একটি প্রুফ নোট এক ধাপ থেকে অনুমোদিত হয় তারপর সেটি পরের ধাপে যায়। এবং সেই প্লেট বাকি নোট গুলু ছাপানোর জন্য ব্যাবহারের অনুমতি পায়। প্রুফের উদ্দেশ্যে ছাপানোর সময় প্রায়শই নোটের প্রকৃত কাগজ ব্যাবহার না করে অন্য এক ধরনের কাগজ ব্যাবহার করা হয় ,যাকে অনেকে ইন্ডিয়া পেপার বলে ডাকে।
নিরাপত্তার খাতিরে যদিও এই ধরণের আইটেম গুলু সাধারন জনসাধারনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে তবে যখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই আইটেম গুলু বাইরে আসে তখন এগুলুকে কার্ডস্টকে লাগানো অবস্থায় দেখা যায়।
কিছু প্রুফে হয়তো রঙ কম বেশি থাকবে, কোথাও হয়তো স্বাক্ষর বসানো হয় নি, কোথাও হয়তো ফন্ট এখনো ঠিক করা হয়নি যে দেখতে কেমন লাগবে, কোথাও হয়তো মটিফ হালকা পরিবর্তন হবে,এমন বিভিন্ন ছোট ছোট পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য প্রুফ স্টেজ ব্যাবহার হয়। অনেক সময় ই মুদ্রণের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন প্লেট থেকে প্রিন্ট হয়। যা কালক্রমে একটি প্লেটে নিয়ে আসা হয়। তাই প্রুফ নোটের বিভিন্ন অংশের অসামঞ্জস্য দেখে সংগ্রাহকরা ধারনা করতে পারে যে ডিজাইনের শুরুতে আইটেমটির কোন অংশ আলাদা আলাদা ছাপানো হয়েছিলো,এবং কালক্রমে এক প্লেটে নিয়ে আসা হয়েছে।
যুক্তিসঙ্গত ভাবে এই ধরনের আইটেমের,গ্রেডিং স্কেলে কোন নাম্বার থাকার কথা না। অর্থাৎ UNC,VF,XF বা EPQ, 01-70 এই ধরনের কোন স্কেলে এগুলো পড়ার কথা না। কিন্তু কোন কোন গ্রেডিং কোম্পানি এই নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটায় যা আদর্শ বিচ্যুত এবং দুখঃজনক।
এমনো হতে পারে যে একটি নোট এর ডিজাইন প্রুফ স্টেজ থেকেই বাদ পড়ে যায়। কারন হয়তো কোন রাজনৈতিক পরিবর্তন বাঁ অর্থ সামাজিক পরিবর্তন বাঁ আভ্যন্তরীণ মত বিরোধ ইত্যাদি ।প্রুফিং এর বিভিন্ন স্টেজ আছে যেমনঃ Progressive Proof, Proprietary Proof, Final proof.
ছবি: Raihan Ahmad এর পোস্ট থেকে নেয়া।
Printer’s models are pieces of art. The beauty of
printer’s models is their exquisite designs. These notes were pieced together
by hand for the purpose of either final approval or at the very beginning
stages of designing a banknote. Some models are hand painted and are truly
works of art. There are Two key steps involved in identifying printer's
models:
Paper on card stock: Currently, polymer
printer's models are not readily accessible to the general public, and their
existence is largely speculative based on the printing process used for polymer
notes. In some cases, the card stock used may be trimmed down, while in other
instances, it may be significantly larger than the actual banknote. It is quite
common to find handwritten annotations related to the note or the card stock
along the borders. These annotations can originate from various sources,
including the printers, the note's designer, or even dealers, among other
possibilities.
Design elements affixed to the paper: The most prominent
and crucial characteristic that distinguishes a printer's model is the presence
of design components (such as signatures, seals, serial numbers, denominations,
etc.) attached to the note using adhesive. For instance, in the case of the 50
Dollar Hong Kong model mentioned above, both signature titles (Accountant and
Manager) and the imprint (Thomas de la Rue Currency Limited) are affixed to the
model.
Another common element that is quite often found is how the
printer’s models come. More often than not the models are seen uniface –
either just the front or just the back. The perception of beauty varies from
person to person, and typically, the higher the number of attached pieces and
the greater emphasis on intricate details (particularly in hand-painted design
elements), the higher the demand for a specific model tends to be.
জুন ২৮, ২০২৩
প্রান্তীয় চিহ্ন সমূহ [MARGINAL MARKING]
মার্জিনাল মার্কিং [MARGINAL Marking]
মার্জিনাল মার্কিং হচ্ছে প্রিন্টিং প্লেটের মার্জিনে পাওয়া ইচ্ছাকৃত লেখা বা নকশা, যেগুলি মুদ্রিত শীটেও ছাপা হয়। কিন্তু তা কেবল নোট বাঁ স্ট্যাম্পের বর্ডারে থাকে। মূল ডিজাইনের অংশ না। এই চিহ্নগুলি স্ট্যাম্পের/নোটের উৎপাদন এবং উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
মার্জিনাল মার্কিং/প্রান্তিক চিহ্নের কিছু সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে প্লেট ফিনিশার বা সাইডোগ্রাফারের আদ্যক্ষর, প্লেট নম্বর, বিইপি বা প্রিন্টারের লোগোর ছাপ, কপিরাইট নোটিশ ইত্যাদি। এছাড়াও অন্যান ধরণের মার্জিনাল মার্কিং ছাঁটা শীটে দেখা নাও যেতে পারে, যেমন গাইড লাইন, তীর, প্রিন্টারের আদ্যক্ষর, ইলেকট্রিক-আই ড্যাশ বা স্লাগ এবং কালি রঙের মার্কার ইত্যাদি। প্রতিটি ধরনের মার্কের আলাদা আলাদা তাৎপর্য আছে।
সংগ্রাহকরা বিভিন্ন ধরণের মার্জিনাল মার্কিং দেখে তাদের স্ট্যাম্প/ নোট সঠিকভাবে সনাক্তকরন (যে মুদ্রনের সময় প্লেটের বা শিটের কোন পজিশনে এই নোট/স্ট্যাম্প টির অবস্থান ছিলো)এবং যথাযথ মূল্যায়ন করে থাকে।
জুন ২৬, ২০২৩
কালি ও কলম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ । [Iink and Pen collector's point of view)]
🖌️🖌️✒️✒️✒️বিষয়ঃ কালি ও কলম।✒️✒️✒️🖌️🖌️
☝🏾বিভিন্ন ধরনের কলমে বিভিন্ন ধরনের কালি ব্যবহৃত হয় যেগুলোর ব্যবহার এবং সুবিধা অসুবিধা আলাদা আলাদা।কলমের মধ্যে কালির গুরুত্ব এতটাই বেশি যে কালির ধরন অনুযায়ী কলম প্রকরন করা হয়/যায়।
কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হচ্ছে Ballpoint Ink,Gel Ink,Rollerball Ink,Fountain Pen Ink,Pigmented Ink,Highlighter Ink,India Ink,Invisible Ink,Erasable Ink,Hybrid ink ইত্যাদি।
☝🏾যদি খুব বেসিকভাবে কালিকে ভাগ করি তাহলে দুইটি প্রধান ভাগ পাওয়া যায়। ডাই বেইজড এবং পিগমেন্ট বেইজড্।
☝🏾যে সকল কলমে ডাই বেইজড ইনক ব্যবহার হয় সেগুলো সাধারণত, সাশ্রয়ী।
☝🏾যে সকল পেনের কালি সাধারন্ত রঙ্গক পদার্থ [Pigment] দিয়ে তৈরি সেগুলো সহজে দ্রবণে দ্রবীভূত হয় না। ফলে স্বাক্ষর সংগ্রহ এবং জরুরী নথি স্বাক্ষরে সেগুলো সবচেয়ে বেশি উপযোগী। সাধারন জেল পেনে,ফাইন লাইনার,ফাউন্টেইন পেনে দেখা যায়। এই রঞ্জক দানাগুলো কাগজের ফাইবারের ফাঁকফোকড়ে ঢুকে যায়। তাই কালি উঠিয়ে জালিয়াতি করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। একটু ব্যয় সাপেক্ষ। তবে ফ্লো ভালো।
☝🏾বল পয়েন্ট কালি, সাধারণত তেলের উপর নির্ভর করে তৈরি, তাই ফ্লো প্রায়শই দূর্বল তাই শুকাতে একটু সময় লাগে।
☝🏾জেল কালি সাধারনত জলের উপর নির্ভর, তাই সহজেই বিভিন্ন বর্ণের পাওয়া যায় এবং হরফ অনেক জমকালো বসে।
রোলার বল কলমের কালি সাধারণত বল পয়েন্ট কলমের থেকে ভাল ফ্লো করে কিন্তু শুকাতে একটু বেশি সময় লাগে।
☝🏾ফাউন্টেন পেন একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস। তাই এর কমপ্লেক্সিটির জন্য অনেকেই ব্যবহার করে বা করে না। এর কালি পিগমেন্ট বেইজড্ হতে পারে আবার ডাই বেইজড্ ও হতে পারে। প্রায় সবসময়ই জলের উপর নির্ভরশীল।
☝🏾ইন্ডিয়া ইন্ক তার জন্ম শুরু করে উচ্চমানের কার্বন থেকে। যা থাকে কালো। এর সাথে সংযুক্ত হয় বাইন্ডার এবং গাম। তাই একটি গন্ধ চলে আসে যাকে দূর করার জন্য আবার সুগন্ধি সংযুক্ত করা হয়। অনেক ঘন হরফ আঁকা/লিখা যায় বিধায় এই ধরনের কালি ক্যালিগ্রাফিতে বেশি ব্যবহার করা হয়।
এমন বিভিন্ন ধরনের কালির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আছে। যাদের প্রস্তুত প্রণালী থেকে সংরক্ষণ প্রণালী এবং ব্যবহার প্রণালী আলাদা আলাদা।
☝🏾কেউ কোন কিছু সংগ্রহ করলে বা সংরক্ষণ করলে সেই বস্তুর ধরন,প্রকরন, এনাটমি সম্পর্কে জানাটা তার জন্য ফরজ। সেটা হোক তালা বা কলম। কোন কিছুই এই শর্তের বহির্ভূত নয়।
যদি কলমের কথায় আসি, তাহলে কিছু অংশের নাম না বললেই নয়। যেমনঃ
Nib,Feed,Reservoir/Converter,Barrel,Cap,Clip,Grip, Finial,Clip Ring/Band,Barrel Ring/Band,Filling Mechanism,Finishing/Trim
সব কলমে যে এর সবগুলো অংশ থাকবে এমনটা কোন কথা নয়। কলমের কমপ্লেক্সসিটি বা আভিজাত্যের উপর ও কয় টি উপাদান থাকবে তা অনেকখানি নির্ভরশীল। আর পর আবার আসে বিভিন্ন ধরনের কালি এবং তার ব্যাবহার উপযোগীতা।
🫴🏽কলম সংরক্ষণের সময় কিছু টিপস
☝🏾কলম নতুন কেনার পর যদি দ্রুত স্মুথনেস আনতে চান, তাহলে খসখসে কাগজে প্রথম লেখা শুরু করুন।
☝🏾যে কোন কলমের সব সময় ক্যাপ বন্ধ করে রাখতে হবে।
☝🏾ক্লিপ এর উপর যেন চাপ কম পড়ে, অতএব ক্লিপ এর মাধ্যমে কলম ঝুলিয়ে রাখা যাবে না।
☝🏾কিছু কিছু কলমের রিজার্ভার এবং কনভার্টার আলাদা করা যায়, দীর্ঘকালীন সংরক্ষণের জন্য সেগুলোকে এয়ারটাইট পরিবেশে রাখা যেতে পারে।
☝🏾বল পয়েন্ট এবং জেল পেনের কালি জমে গেলে গরম হওয়া বা জল সেই কালি আবারো তরল করতে সাহায্য করতে পারে।
☝🏾মার্কার এবং ফেল্ট টিপ পেন গুলুর কালি শুকিয়ে গেলে গরম জলে ততোক্ষন পর্যন্ত ধরে রাখা যায় যতোক্ষণ কালি জলে লিক করা শুরু না হয়।
☝🏾ড্রাই মার্কারের কালি শুকিয়ে গেলে তার সুতোয় বেঁধে ঘুরালে কালি নিবের মুখের দিকে চলে আসে।
☝🏾ইরেজার পেন/ কলম এর কালি গরম হয়ে গেলে স্বচ্ছ হয়ে যায়। তখন মনে হয় কালি ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু আসলে যদি কলম টিকে ঠান্ডা করা হয় তাহলে কালি আবার বর্ন ফিরে পায়।
☝🏾ফাউন্টেন পেন অনেকদিন ব্যবহার না করলে দীর্ঘকালীন সংরক্ষণের পূর্বে সেটির ভিতরে পরিষ্কার করে রাখাটা ভালো।
☝🏾কলম সাধারন গরম স্থান থেকে ঠান্ডা স্থানে এবং আদ্র স্থান থেকে শুস্ক স্থানে ভালো থাকে। বায়ুরোধী কন্টেইনারে রাখতে পারলে সেটা ভালো। তবে ফাউন্টেইন পেনের ব্যাপারে আবার মোল্ড/ছত্রাক জন্মানোর আবহাওয়া তৈরি করার সুযোগ দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে।কারন অনেক ফাউন্টেন পেনেই জল ব্যাবহার হয়।
☝🏾এজন্য ই কালিতে কিছু অম্ল/এসিডিক কিছু মেশালে ছত্রাকের ঝুঁকি কমে যায়। তবে সেটা বুঝে শুনে সংযুক্ত করতে হবে।
☝🏾রাখার পজিশন
🫴🏽বল পয়েন্ট কলমের কালি যেহেতু তুলনামূলক ঘন, তাই সেগুলোকে ৭৫ ডিগ্রি কোনে বা প্রদর্শনীর জন্য ৬০ ডিগ্রি কোণে রাখা যায়, যা অভিকর্ষের কারনে কালিকে নিবের স্পর্শে রাখে। এবং কলম যখন তখন ব্যাবহার করা যায়।
🫴🏽রোলার বল পেন এবং জেল পেনের কালী তুলনামূলক কম ঘন। তাই সে গুলোকে আবার দাঁড় করিয়ে রাখলে নিব দিয়ে কালি বের হয়ে যেতে পারে।তাই সেগুলোকে শুইয়ে রাখা যেতে পারে বা প্রদর্শনীর জন্য ৩০ ডিগ্রির মতো হেলিয়ে রাখা যেতে পারে।
🫴🏽ফাউন্টেন পেন গুলোকেও শুইয়ে বা প্রদর্শনীর জন্য ১৫ ডিগ্রিতে রাখা যেতে পারে। কিন্তু কালি শুকিয়ে গেলে তখন কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা যেতে পারে।
🫴🏽মার্কার কলম এবং ফেল্ট টিপ কলমগুলো শুইয়ে রাখা ভালো।
🫴🏽কখনোই কোন কলম উল্টো করে দাঁড় করিয়ে রাখা যাবেনা, যদিনা সেটা "তুলি"র মতো হয় এবং কোন ক্যাপ না থাকে।
এখানে আমি সংক্ষেপে যারা পেন সংগ্রহ করেন বা করতে চান তাদের জন্য কিছু গাইডলাইন দিলাম। বিস্তারিত জানতে প্রশ্ন করতে পারেন।এগুলো আমার বইয়েও পাবেন।
যদি মনে করেন পোস্টটি কারো উপকারে লাগবে তাহলে শেয়ার করতে পারেন।তবে গ্রুপের নাম মেনশন করতে ভুলবেন না।এভাবেই জ্ঞ্যান ছাড়ায়।

