আগস্ট ০৭, ২০২২

ন্যায় সংজ্ঞত ব্যাবসা বা বিক্রি [Ethical Selling/ Business]

ইথিক্যাল সেলিং/বিস্নেস কি?(একজন ভালো বিক্রেতার গুন)

☝️ সে নিরপেক্ষ ভাবে আপনাকে তথ্য দেবে। বিক্রির চেষ্টা করার আগে আপনাকে জানাবে যে এটার মাহাত্ব, হয়তো এক ধাপ এগিয়ে আপনাকে ইনফরম্ ড ডিশিশিন নিতে সাহায্য করতে পারে।কিন্তু কেবল নিজের ব্যাবসার খাতিরে আপনার কাছে কিছু বেচার চেষ্টা করবে না।
☝️পোস্টে যথেষ্ট তথ্য দেবে যেনো আপনি স্ব জ্ঞ্যানে সিদ্ধান নিতে পারেন।হুজুকে পড়ে যেন না কেনেন।
☝️কেবল কিছু বিক্রির জন্যই আপনার সাথে সম্পর্ক রাখবে না,আপনি কিনুন বা না কিনুন আপনাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।
☝️আপনার জ্ঞ্যানের কমতির কারনে যে সুযোগ নেবে না।
☝️সেলারের পোস্টে আইটেমের যথাযথ সঠিক এবং পর্যাপ্ত বর্ননা থাকবে যেনো ক্রেতা বিভ্রান্ত হয়ে না কেনে।
☝️একজন ভালো সেলার গঠনমূলক সমালোচনা নিতে জানবে এবং জবাবদিহি হবে তার ক্রেতাদের কাছে।
☝️কোন সেলার যদি নিজের গ্রুপ বানিয়ে ক্রেতা আকৃষ্ট করে আর বায়ার যদি সেলারের আচরনে অসন্তোষ হয়ে কোন সেই গ্রুপে কোন সমালোচনামূলক পোস্ট দেয়  তাহলে তাকে গুম করে দেয়া হবে না।
☝️এক চেটিয়া ভাবে বায়ার বা সেলার কে দোষ চাপানো হবে না,কারন কথা বলা,স্ব-পক্ষে যুক্তি দেয়া,নিজের মামলা নিজে লড়ার অধিকার সবার ই আছে।
☝️গ্রুপ এডমিন হলেই, সাধারন সদস্যদের কথা বলার ভাষা কেড়ে নেয়া একদম ই অনৈতিক এবং অপেশাদারি। *এই টেন্ডেন্সি টি বিশেষ করা ২ হাজার মেম্বার উর্ধ গ্রুপের এডমিনদের মধ্যে দেখা যায়। কারন তাদের গ্রুপ মেম্বার কমে যাওয়ার ভয় কাজ করে,মনে ঔধাত্য কাজ করে যে বিশাল কিছুর মধ্যে এমন ছোট ছোট ঘটনা ঘটেই। তারা বুঝতে পারে না যেখানে এক জনের প্রতি অবিচার সমগ্র মানব জাতীর প্রতি অবিচারের সমান। লিখিত আলোচনার পোস্ট দেখলেই সেটাকে ঐশীবাণীর মতো মিউট/গায়েব করে দেয়। 
☝️Water testing (*আমার ভাষায়,যেখানে সেলার প্রথমে বাজারে তার প্রডাক্টের দাম যাচাই করার জন্য উন্মুক্ত অফার পোস্ট দেয়, তারপর শেষমেষ জানায় যে শেষ দাম যা উঠেছে তার থেকে কিছু বেশিতে হলে আইটেম বিক্রি করবে) এমন আচরন সংশোধন করা।
☝️Water testing post হলে সেটা পোস্টে স্পষ্ট করা উচিৎ যে "দাম পছন্দ না হলে বিক্রি হবে না"। [Best offer accepted]  কথাটি একদম ই খাটে না।কারন তাহলে যা বেস্ট অফার এসেছে সেই অফার ই বিক্রেতার গ্রহন করা উচিৎ। 
☝️সবার অফার শেষ বাজার দেখে নিজের দাম হাঁকার চেয়ে বরং চেষ্টা করা উচিৎ পোস্ট দেয়ার সময় আশাবাদী মূল্য উল্লেখ করা। 
☝️অন্যথায় Water testing পোস্ট এড়িয়ে চলি।
 
☝️কারোর অসন্তুষ্টির কারন জেনে তা সমাধানের চেষ্টা করা একজন ভালো সেলারের বৈশিষ্ট্য। 
☝️সেলার যা ই দাম চায় সেটা পাব্লিক/উন্মুক্ত ভাবে চাইবে,ইনবক্সে না।যেনো এতে কারচুপি না থাকে (তবে একজন পুরোনো বায়ার কে সেলার আলাদা খাতির চাইলে করতেই পারে। তবে প্রাথমিক দাম উন্মুক্ত থাকা উচিৎ। (কম্পিটিশনের ভয়ে অনেকে গ্রুপে অন্য সেলারদের রাখে ই না, সেটা অপেশাদারিত্বের প্রতিক।
☝️আপনি আপ্নার প্রডাক্ট, সার্ভিস কোয়ালিটি,আচার ব্যাবহার দিয়ে কম্পিটিশন করুন,অন্যকে ছোট করে না। 
☝️বাজারের এই আইটেম নেই,আর কেবল তার কাছেই আছে বলে ঝোপ বুঝে কোপ মারবে না।
উপকারি বিক্রেতা হবে,যিনি ভোক্তার স্বর্থও দেখবেন।
☝️একজন,একটা আইটেম ৫০ পিস পাইকারি কিনেছেন, অন্যজন হয়তো ১ পিস এনে সেল করছেন। দুজনের দাম অনেক আলাদা হতে পারে। এই নিয়ে পিঠচর্চা করা শিশু সুলভ আচরন।পাড়লে তাকে ইনবক্সে সাহায্য করুন,না হলে সমালোচনা কেনো করবেন। আলোচনা করুন।
☝️বিক্রেতা হওয়ার জন্য দামের পার্থক্য ছাড়া কিছুই জানার প্রয়োজন নাই,কিন্তু ভালো বিক্রেতা হওয়ার জন্য আপনার প্রডাক্ট, কাস্টমার,সাপ্লাইয়ার,বাজার এবং বাজারের ডিমান্ড সহ ইত্যাদি আরো অনেক ফ্যাক্টর জানতে হবে। এখন সবাই সব ফ্যাক্টর এ পার্ফেক্ট হতে পারে। সবার কাছে সব আইটেম ও সব সময় সস্তায় পাবেন না।
☝️আপনি হয়তো সরকারি শুল্ক ছাড়া আইটেম আনিয়েছেন অতয়েব আপনার আমদানী কিন্তু সেই হিসেবে অবৈধ। যার কাছে শুল্ক রশিদ আছে সে বৈধ ভাবে বিক্রি করলে তাকে কিছু বেশী দামে বিক্রি করতেই হবে।
☝️অন্য সেলার বা বায়ারের সাথে কেবল মুখ চালিয়ে জিততে যাবেন না।হতে পারে সে মুখ খুললে আপনার বলার ভাষা থাকবে না। কারন কার মেরুদণ্ড কতো শক্ত তা আপনি না ই জানতে পারেন।

আমি জানি বলা সহজ করা মুশকিল ।এই ক্রাইটেরিয়া গুলু অনেক ইন্ডাস্ট্রিতেই প্রযোজ্য হয়।যারা যারা সহমত বা সহমত না কমেন্টে ডিবেট করতে পারেন।
কেবল আমি একটি রোড ম্যাপ দিলাম যেখানে থেকে আপনি শুরু করতে পারেন। এখানেই শেষ নয়। বেশির ভাগ গ্রুপ ই ডেমোক্রেটিক না। তাই ভেংগে সব বলা যায় না।সকল লেখা সাইটের ফোরামে বা ব্লগে পাবেন।

আগস্ট ০৫, ২০২২

আন্তর্জাতিক ব্যাংক নোট সোসাইটি দ্বারা স্বিকৃত নোটের কন্ডিশনের সংজ্ঞা সমূহ

UNC- Uncirculated (অব্যাহত)-
নোট টি নিখুঁতভাবে সংরক্ষিত, ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ, ব্যাঙ্ক কর্মী, জনসাধারণ বা সংগ্রাহক দ্বারা কখনও ব্যবহার করা হয় নি।  কাগজ থাকবে পরিষ্কার এবং শক্ত, মুদ্রনের রঙ থাকবে ঝকঝকে, কোন ধরনের বিবর্ণতা থাকবে না। নোটের কোণগুলি তীক্ষ্ণ এবং বর্গাকার থাকবে, কোনভাবেই ভোতা যেন দেখা না যায়।  কর্নার গুলু ভোতা হলে তা সাধারণত ব্যাবহার করা হয়েছে বলে ধরা হয়।একটি অপ্রচলিত নোটের আসল প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা সব টুকু জুড়ে থাকবে।

AUNC- About Uncirculated (প্রায় অব্যাহত)- কার্যত ভাবে দেখতে বেশ নিখুঁত নোট, কিছু হাল্কা পাতলা ব্যাবহারের চিহ্ন থাকতে পারে।  একটি কোণে বা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি হালকা ভাঁজ থাকতে পারে অথবা, অনেক সময় ই ব্যাংকে বা হাতে নোট গননার সময় যে ভাজ তৈরি হয় তা থাকতে পারে,কিন্তু দুটো এক সাথে নয়।  নোটে কোন ভাজ বা ভাঙা থাকতে পারবে না। কাগজ থাকবে পরিষ্কার এবং চকচকে উজ্জ্বল।  কোণগুলি থাকবে স্পষ্ট বর্গাকার, ভোতা নয়।

EF/XF-Extremely fine(খুবই সুক্ষ ভাবে ব্যাবহ্রিত)-
হালকা হ্যান্ডলিং এর ছাপ থাকবে।যদিও তারপরও  একটি খুব আকর্ষণীয় নোট।  সর্বাধিক তিনটি হালকা ভাঁজ বা একটি কড়া ভাজ থাকতে পারে।  কাগজ পরিষ্কার এবং টানটান তাছাড়া প্রকৃত চকচকে উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে।  কোণগুলি ক্ষয়ের হাল্কা প্রমাণ দেখা যেতে পারে।  যেখানে একটি ভাঁজ নোটের প্রান্তের সাথে মিলিত হয় সেখানে হাল্কা ক্ষয়ের আলামত ও থাকতে পারে।


VF -Very fine (অতি উত্তম): বরাবর একটি আকর্ষণীয় নোট, কিন্তু ব্যাবহার এবং ক্ষয়ের আরও বেশি আলামত পাওয়া যায়। লম্বালম্বি এবং পাশাপাশি অনেকগুলি ভাঁজ থাকতে পারে।  কাগজে হাল্কা ময়লা থাকতে পারে, বা সম্ভাব্য রঙের দাগ ও থাকতে পারে।  কাগজ হাল্কা একটু নরম থাকতে পারে।  সীমান্ত বরাবর কোন ছেড়া ফাড়া না থাক্লেও, প্রান্তগুলিতে সামান্য ক্ষয়ের আলামত লক্ষনীয়।  কোণগুলি তেও ক্ষয় দেখা যায় কিন্তু পুরোপুরি ক্ষয় প্রাপ্ত নয়।


VG- Very good (খুব ভালো)-
একটি বেশ ব্যবহৃত নোট, বাজারে অনেল হাত চালাচালি হলেও এখনও অক্ষত।  কোণগুলি অনেক ক্ষয় প্রাপ্ত এবং প্রায় গোলাকার হতে পারে। ছোট ফাটা বা ছেড়ার আলামত নকশায় দেখা যেতে পারে। ব্যাবহারের ফলে কিছু বিবর্ণতা চলে আসতে পারে, দাগ থাকতে পারে এবং অতিরিক্ত ভাঁজ থেকে কেন্দ্রে একটি ছোট গর্ত দেখা যেতে পারে।  স্ট্যাপল এবং পিনহোল উপস্থিত থাকতে পারে। নোটটির কাগজ হয়তো আর টান টান থাকবে কিন্তু পুরোপুরি অক্ষত থাকবে।  । যদিও সাধারন এগুলোকে আকর্ষনীয় ধরা হয় না তবে এই কন্ডিশনে একটি নোটও কখনো কখনো সুন্দর হতে পারে।

G -Good (ভাল): একটি বেশ ব্যবহৃত জীর্ণ নোট যা দীর্ঘায়িত বাজারে থেকে স্বাভাবিক ভাবে ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির মধ্যে রয়েছে একাধিক কড়া ভাঁজ এবং কোকড়ানো ভাব, বিভিন্ন দাগ, পিনহোল এবং/অথবা বিভিন্ন ছিদ্র (গজাল), ময়লা, বিবর্ণতা, প্রান্তের ফাটা, কেন্দ্রের গর্ত, গোলাকার ক্ষয় প্রাপ্ত কোণ এবং একটি সামগ্রিক বাজে চেহারা। নোটের কোন খুব ছোট টুকরা অনুপস্থিত হতে পারে। লেখালেখি বা কলমের দাগ থাকতে পারে। 

Fair (ঠিক ঠাক বা ন্যায্য)-
একদম নরম,ময়লা এবং খুবই ব্যবহৃত নোট। গুড ক্যাটাগরির অধীনে উল্লিখিত ত্রুটিগুলি ছাড়াও বড় ধরনের ছেড়া থাকতে পারে, টুকরোগুলি অর্ধেক ছিঁড়ে বা হারিয়ে যেতে পারে। ছেড়া,ফাটা,ছিদ্র বা দাগের কারনে নোটের অস্পষ্ট অংশ বেশ লক্ষনীয় হবে।

PR-Poor (খারাপ) :খুব বেশী ব্যাবহ্রিত নোট যেখানে ক্ষয়,দাগ,টুকরোর অনুপস্থিতি,ন্যাকড়া সমতুল্য নোট। বড় ধরনের রিপেয়ার থাকতে পারে। নোটের কয়েকটি টুকরা একসাথে টেপ করা থাকতে পারে। ব্যাবহার করেতে করতে হয়তো প্রান্ত গুলু ক্ষয়ে নোট টি ই ছোট হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের একটি খারাপ নোট শুধুমাত্র একটি "ফিলার" হিসাবে রাখা যায় অথবা এই ইস্যু ইত নোট টি যদি খুবই দূর্লভ না হয় তাহলে এই ধরনের কন্ডিশনের নোট রাখাই হয় না। কারন এগুলুর স্পর্শ সমগ্র কালেকশনের উপর প্রভাব ফেলে। 


জুলাই ২৯, ২০২২

Characteristics of a good seller and ethical business model (Surface thought)

একটি নোট একজন সংগ্রাহকের হাতে আসার আগে কি কি হয়?
কেনো আপনি UNC আইটেম ফেস ভ্যালু তে পাবেন না?
এখানে আমি একটি খুব সিম্পল ভাবে আইটেম বাজারে আসার ধারাবাহিক বর্ননা দিচ্ছি। বিঃদ্রঃ এটা কেবল Tip of the iceberg.

প্রথমে সেই দেশের একজন অনেক অর্থ লগ্নি করে ভাড়া দিয়ে গিয়ে অনেকগুলু বান্ডেল ব্যাংক থেকে নিয়ে আনে। (ডিলার পর্যায়).

তারপর স্থানীয় ১ম স্তরের (ডিস্ট্রিবিউটর) গন কয়েকটি করে বান্ডেল তাদের থেকে কিনে নিয়ে অনলাইন বা অকশন এ সেল করে।
তারপর ১ম বা ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউটর গন আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোকে ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাবে পাঠায়

২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাব থেকে সেই দেশের স্থানীয় ডিলারগন বান্ডেল বা লট হিসেবে কিনে নেয়।
সেই ডিলারগন তারপর সেই দেশের ১ম স্তরের রিসেলার কাছে সেল করে যারা ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে পন্য পৌঁছে দেয়।
সেই ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে থেকে সাধারন জনগণ কেনে।

তাহলে এবার ভাবুন- এতো হাত হয়ে আসলে আপনার পন্যের দাম তো বাড়বে ই। কারন প্রত্যেকে ব্যাবসায়ীই তাদের সময়,অর্থ কিছু লাভের আশায় বিনিয়োগ করে। তাই UNC নোট হাতে আসতে আসতে তার দাম কয়েকগুন বেড়ে যায়।
সমাধানঃ সাধারণত যতো কম হাত হয়ে আসবে,ভোক্তা হিসেবে ততো সাশ্রয়ী ভাবে আপনি পন্য পাবেন। সেজন্য কেন্দ্রীয় বাজার ব্যাবস্থার জুড়ি নেই,কারন প্রতিযোগিতা এবং সবার সমান সুযোগ কেবল সেখানেই নিশ্চিত করা সম্ভব। কোন গ্রুপ ই ১০০℅ বাক স্বাধীনতা দিতে পারে না তাদের পলিসির কারনে।

পন্যের দাম এছাড়া আর কিভাবে বেড়ে যায়?

Lost shipment
Extra import charges
Changes on currency exchanhe rate
overall market inflession
Price increase on world market
Higher demand on the local market with relatively low supply
Price surge from the source
Higher restrictions on importing goods and people's movement
Capitalism
loses on personal level (Seller's)
High overhead cost
High obtainment cost
Small scale reselling
Limited industry knowledge
Sourcing from a bottom tier supplier
Cost of reputation and approval( Giving gift as gratitude,influence or loyality).

 এরকম অজস্র কারন থাকতে পারে। তাই ক্রেতাদের উদ্দেশ্য এই পরামর্শ যেনো তারা যাচি বাছাই করে কেনাকাটা করেন।

Why we don't get UNC item in fav value and associated cost of a business

একটি নোট একজন সংগ্রাহকের হাতে আসার আগে কি কি হয়?
কেনো আপনি UNC আইটেম ফেস ভ্যালু তে পাবেন না?
এখানে আমি একটি খুব সিম্পল ভাবে আইটেম বাজারে আসার ধারাবাহিক বর্ননা দিচ্ছি। বিঃদ্রঃ এটা কেবল Tip of the iceberg.

প্রথমে সেই দেশের একজন অনেক অর্থ লগ্নি করে ভাড়া দিয়ে গিয়ে অনেকগুলু বান্ডেল ব্যাংক থেকে নিয়ে আনে। (ডিলার পর্যায়).

তারপর স্থানীয় ১ম স্তরের (ডিস্ট্রিবিউটর) গন কয়েকটি করে বান্ডেল তাদের থেকে কিনে নিয়ে অনলাইন বা অকশন এ সেল করে।
তারপর ১ম বা ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউটর গন আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোকে ২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাবে পাঠায়

২য় স্তরের ডিস্ট্রিবিউশন হাব থেকে সেই দেশের স্থানীয় ডিলারগন বান্ডেল বা লট হিসেবে কিনে নেয়।
সেই ডিলারগন তারপর সেই দেশের ১ম স্তরের রিসেলার কাছে সেল করে যারা ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে পন্য পৌঁছে দেয়।
সেই ২য় স্তরের রিসেলার বা সেলারদের কাছে থেকে সাধারন জনগণ কেনে।

তাহলে এবার ভাবুন- এতো হাত হয়ে আসলে আপনার পন্যের দাম তো বাড়বে ই। কারন প্রত্যেকে ব্যাবসায়ীই তাদের সময়,অর্থ কিছু লাভের আশায় বিনিয়োগ করে। তাই UNC নোট হাতে আসতে আসতে তার দাম কয়েকগুন বেড়ে যায়।
সমাধানঃ সাধারণত যতো কম হাত হয়ে আসবে,ভোক্তা হিসেবে ততো সাশ্রয়ী ভাবে আপনি পন্য পাবেন। সেজন্য কেন্দ্রীয় বাজার ব্যাবস্থার জুড়ি নেই,কারন প্রতিযোগিতা এবং সবার সমান সুযোগ কেবল সেখানেই নিশ্চিত করা সম্ভব। কোন গ্রুপ ই ১০০℅ বাক স্বাধীনতা দিতে পারে না তাদের পলিসির কারনে।


এখন যদি বলেন কোন বিদেশী আত্মীয়ের মাধ্যমে নতুন নোট আনাবেন, তাহলে ATM, e যে নতুন পাওয়াই যাবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। তাছাড়া ক্রমে ক্যাশলেস ইকোনোমি হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের হয়তো এটিএম বা ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তারপর এটিএম বা ব্যাংকে যাওয়ার সময়ই নেই কারো। কারণ প্রত্যেকেই ব্যস্ত। আর ব্যাংকে গেলেই যে নতুন নোট দিয়ে দেবে সেটা বাধ্যতামূলক নয়। তার মানে এর জন্য কয়েক ঘন্টা মাথা ঘামাতে হবে। যার মূল্য এমনিতেই অনেক বেশি। 

পন্যের দাম এছাড়া আর কিভাবে বেড়ে যায়?

Lost shipment
Extra import charges
Changes on currency exchanhe rate
overall market inflession
Price increase on world market
Higher demand on the local market with relatively low supply
Price surge from the source
Higher restrictions on importing goods and people's movement
Capitalism
loses on personal level (Seller's)
High overhead cost
High obtainment cost
Small scale reselling
Limited industry knowledge
Sourcing from a bottom tier supplier
Cost of reputation and approval( Giving gift as gratitude,influence or loyality).

 এরকম অজস্র কারন থাকতে পারে। তাই ক্রেতাদের উদ্দেশ্য এই পরামর্শ যেনো তারা যাচি বাছাই করে কেনাকাটা করেন।

স্ট্রিট কালেলশন [Street collection]

স্ট্রিট কালেকশন কি?
বাজারে প্রচলিত আইটেম, কোন সরবরাহকারী থেকে না কিনে, নিজের উদ্যোগে উৎস থেকে সংগ্রহ করাকে অনেকে "স্ট্রিট কালেকশন" বলে থাকে। যেহেতু তা বাজারে প্রচলিত তাই তা UNC বা অব্যাহতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কেবলে মনে খোরাক যোগানো যেখানে প্রধান উদ্দেশ্য সেখানে অতিরিক্ত খরিচ না করে প্রায় ফেস ভ্যালু তে পাওয়া জিনিস ই সাধারনত স্ট্রিট কালেকশন এর অংশ হয়ে থাকে।
সুবিধাঃ কেবল যা গায়ের মূল্য তা ই সাধারণ পরিশোধ করতে হয়। প্রিমিয়াম দিতে হয় না। যাদের বাজেট নিয়ে ভাবতে হয় কিন্তু সংগ্রহের স্বাদ আস্বাদন করতে চান তাদের জন্য পারফেক্ট। বুঝে শুনে করতে পারলে কখোনও কখোনও সামগ্রিক মূল্য বৃদ্ধি পায়।কখনো কখনো এমন জিনিসও পেয়ে যেতে পারেন যা অন্যের কাছে মূল্যবান,সেই ক্ষেত্রে লাভে বিক্রি করে সেই লাভ দিয়ে নিজের কালেকশনে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
অসুবিধাঃ এর ভবিষ্যৎ মূল্য তুলনায় মূলক অনেক কম। আইটেম যেহেতু পুরনো তাই কন্ডিশন অনেক সময় ই দৃষ্টিনন্দন হয় না। কোন বৃহৎ কিছু করতে হলে অনেক সময় এবং ধৈর্যর প্রয়োজন। সাধারণ কেবল স্ট্রিট কালেকশন করে বড় অংকের কিছু করে ফেলা যায় না।কেননে ভালো জিনিস তো আর রাস্তায় পড়ে থাকে না। সাধারণ দূর্লভ জিনিস পাওয়ার সম্ভাবনা কম,পুরনো আইটেম পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

স্ট্রিট কালেকশন বা ফেস ভ্যালুতে আইটেম সংগ্রহ করার কিছু আইডিয়া।

আমি বিদেশী আইটেমের ব্যাপারে বলছিঃ

১) প্রথমেই সংগ্রাহকদের সাথে লিনক আপ শুরু করুন। যেখানে সংগ্রাহক রা সমাবেশ করে সেখানে থাকার বা সেই আলোচনায় থাকার চেষ্টা করুন।
২) স্থানীয় কারেন্সী এক্সচেঞ্জ অফিস গুলুর সাথে সম্পর্ক এবং যথাক্রমে সুসম্পর্ক গড়ে তুলার চেষ্টা করুন।
৩) সিনিয়র কাউকে মেন্টর হিসেবে নেয়ার চেষ্টা করুন এবং তার জন্য কাজ করুন
৪) বিভিন্ন গ্রুপ, সোসাইটি এবং সাইটের অফার,গিফট ইত্যাদি পোস্ট এবং ক্যেম্পেইন গুলুতে এক্টিভিটি বাড়ান এবং এক্টিভ্লি পার্টিসিপেট করুন।
৫) গ্রুপ,সাইট,পেজ বা ফোরামে আপনার কিসে ইন্টারেস্ট আছে তা সক্রিয় ভাবে প্রকাশ করুন
৬) অন্যের সাথে শেয়ার করার মনমানসিকতা গড়ে
তুলুন তাহলে অন্যরা ও হয়তো শেয়ার করবে।
৭) বিভিন্ন মন্দির,মসজিদ,দরগা ইত্যাদিতে যেখানে দান বাক্সের ব্যাবস্থা আছে সেখানে যোগাযোগ রাখবেন।
৮) সংস্লিষ্ট দেশের না যেতে পারলে যারা সেই দেশে থাকে তাদের সাথে সখ্যতা রাখবেন।
৯) যেখানে ক্যাশ লেনদেন করেন সেখানে চোখ খোলা রাখবেন এবং পরিবার ও বন্ধুবান্ধব দের আইটেম চিনতে শেখান যেন তারা আপনার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
১০)নিয়মিত কেরেন্সি এক্সচেঞ্জ অফিস গুলুতে গিয়ে সময় দিতে পারেন, যেন কোন ভালো ডিল আসলে তাদের আগে আপনি দেখতে পান।
১১) গুলিস্তানের টাকার হাটের মতো যায়গা গুলুতে নিয়মিত আনাগোনা করতে পারেন।
১২) কোন নোট টা কি সেটা ভালো করে মাথায় নিয়ে নিতে হবে।
১৩) একটা উদ্দেশ্য ক্যাটালগ করতে হবে যে কি কালেক্ট করতে চাচ্ছেন, যা অতিরিক্ত করবেন তা অন্যের সাথে ফোরাম, সাইট, পেজ ব্যাবহার করে সোয়াপ করে ফেলুন। সবকিছু একসাথে ধরলে উল্লেখযোগ্য ভাবে কিছুই পারবেন না।

এমন উপদেশ অনেকেই দেয়া যায়। কিন্তু আসল হার্ড ওয়ার্ক আপনাকেই করতে হবে।

জুলাই ১৭, ২০২২

নিলাম বা অকশন রুল।Ethics and ethos of auction

দর্শন বিজ্ঞানে গ্রাজুয়েশন এর সময়কালে, একটা সময়ে ইংল্যান্ড এর হেরিটেজ অকশন হাউজের সাথেও কাজ দেখার সুযোগ হয়েছিলো। সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।

যেভাবে ভিডিও সেল দুইভাবে হতে দেখেছি-  অকশন এবং সরাসরি বাই। সাধারন অকশন এর আবার দুটি প্রধান প্রকরন আছে - আবদ্ধ নিলাম, উন্মূক্ত নিলাম। 
বাংলাদেশের নিউমিস্মেটিক এবং ফিলাটিলিক বাজারে আমি উন্মূক্ত নিলাম ই বেশী দেখে যাচ্ছি। কিন্তু খেয়াল করার বিষয় এই যে অ একেই আবদ্ধ/গোপন নিলাম পছন্দ করেন,যেখানে কে বিড করছে তা জানা যাবে না। কেবল আউটবিড নোটিফিকেশন পাওয়া যাবে এবং নতুন বিড করা যাবে। বহির্বিশ্বে আবদ্ধ নিলাম গুলুই বেশী আকর্শন পায়। 

পরামর্শঃ
✔️ব্রকগ্রাউন্ডে বিড স্ল্যাব লিখা রাখা । 
✔️বিড প্রতি কমপক্ষে ১৫ সেকেন্ড স্ল্যাব রাখা ভালো।কোন বিড না পড়লে পরবর্তী আইটেম এ যাওয়া যাওয়াই উত্তম এবং বিড পরলে সেটার ই ৩ বার কল করার পর হ্যামার করা উচিৎ। 
✔️আইটেম কে যেনো ক্রেতারা ভালো ভাবে পর্যবেক্ষন করতে পারে সেটা নিলামকারীর কর্তব্য।

🤙অকশন বা নিলামের কিছু নীতি আছে যা আমাকে শিখতে হয়েছিলো যেমনঃ সততা,সম্মান,গোপনীয়তা, আনুগত্য,সম্মতি, বিশ্বস্ততা এবং পেশাদ্বারিত্ব।এই গুন গুলু একজন সফল নিলামকারীর মধ্যে থাকতেই হবে। যার জন্য লেখাপড়া করর NAA এর মেম্বারশিপ আবেদন করেও আমি পাই নি। 
পেশাদ্বারীত্ব বলতে -একজন অকশনিয়ার হিসেবে "অনেক কমে চলে যাচ্ছে", "এখনো কেনা ই উঠে নি"," আরে ভাই আরও বাড়ান" এইসব আনপ্রফেশনাল উক্তি ব্যাবহার করা উচিৎ না। একজন অকশনিয়ার নিরপেক্ষ হয়। নিলামকারীর পরিচিত বা পরিবারের লোক নিলামে অংশগ্রহণ করলে তা আগেই প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তাই নিলাম কারীকে নিরপেক্ষ হতে হয়।
জালিয়াতি, ভূল তথ্য উপস্থাপন, অন্যের প্রডাক্ট বা দাম এর উপর উক্তি করা ইত্যাদি থেকে অনেক দূরে থাকা উচিৎ। কেননা এগুলু একজন নিলামকারীর দ্বায়িত্বের ভেতর পড়ে।

✔️নিউট্রাল ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যাবহার করা উচিৎ যেনো প্রডাক্ট কালার এবং ত্রুটির সহজে বুঝা যায়।
✔️যেহেতু আইটেম আগে থেকে দেখে চয়েজ করার সুবিধা বায়ার রা পাচ্ছে না তাই যে কোন আইটেম বিবরনি তে নিচের গুলু থাকা উচিৎ। 

প্রডাক্ট কন্ডিশন এবং ত্রুটির(যদি থাকে)
নোটের মটিফ এর বিবরনি (কে বা কি আছে)
দেশের নাম
ক্যাটালগ নাম্বার
সাল
সেই দেশের লোকেশন
নোটের সিকিউরিটি ফিচার
থিম বৈশিষ্ট্য যদি থাকে (ডেনো, ওমেন, ব্রিজ, মিউজিক ইত্যাদি)

প্রতিটি নিলামের একটি কন্টিজেন্সি প্ল্যান থাকে যে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং তারা টাকা না দিলে কি করা যায়। প্রত্যেকে অংশগ্রহণ কারীর KYC নেয়া এবং সেই মোতাবেক তাদের একটা ক্রেডিট রেটিং এর আওতায় ফেললে নিলাম সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

✔️এছাড়াও যদি সম্ভব হয় তাহলে ক্রেতারা, এই টাইপের আইটেম আগে কতো তে বিক্রি হচ্ছে এবং বর্তমানে কতো তে বিক্রি হচ্ছে তা কোথায় দেখার ব্যাবস্থা রাখলে তা ভালো হয়। কিন্তু ফেসবুকে শিশুসুলভ সিস্টেমের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়। এজন্যই সবাইকে বর্তমানে এই সকল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র প্লাটফর্ম www.trust-collector.com ব্যাবহার করতে উদবুদ্ধ করি।

চুরি প্রতিরোধ [Temper proof posting/Anti theft shipment]

চুরি প্রতিরোধ করতে আপনাকে টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং ব্যাবহার করতে হবে। যেন চোরের কষ্ট তো হয় ই সাথে সাথে চুরি হলে তাঁর যাথেষ্ট আলামত থেকে যায়।

আর প্রতিকার পেতে আপনাকে টমম্পার প্রুফ প্যাক্যেজিং ব্যাবহার করতে হবে,কিন্তু সেটা বেশ ব্যায় সাপেক্ষ এবং সস্তা মূল্যের আইটেমের জন্য যথাযথ বিকল্প নয়। তাই টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং এর সাথে সাথে ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেন্দ্রীয় ফিডব্যাক সিস্টেমের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষীয় ফিডব্যাক দিলে পরবর্তী ক্রেতা বিক্রেতা রা সেটা দেখে যাচাই করতে পারে। তাছাড়া কিভাবে পোষ্ট করা হয়েছে তাঁর ছবি দিয়ে দিলে বায়ার সেটা দেখে ই প্রডাক্ট রিসিভ করতে পারে। সেই সকল ব্যাবস্থা ট্রাষ্ট কালেক্টর মার্কেটপ্লেসে আছে।

হেরিটেজে শিক্ষানবিশ থাকাকালীন দেখেছি যে তাঁরা বিশেষ টেম্পার প্রুফ এবং টেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং ব্যাবহার করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারের জন্য হয়তো অনেকই সেই খরচ করেন না। তাই আমি সহজে টেম্পার রেসিস্টেন্ট নীতিমালা গুলু ব্যাবহার করে একটি প্যাকেজিং স্ট্যাইল দেখাচ্ছি যা চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন।

ধাপ ১-  আইটেম কে তাঁর চেয়া বড় পাউচ/পলি তে নেবেন। এবং কার্ডবোর্ড/হার্ড পেপার নেবেন।

ধাপ ২- পলিতে আইটেম ঢুকাবেন এবং মুখ টেপ দিয়ে বন্ধ করবেন (*)।

ধাপ ৩ - চিকন এবং পাতলা সেলোটেপ নেবেন (*) ।

ধাপ ৪- আইটেম যেনো হার্ড পেপারের ভেতর থাকে এভাবে রাখবেন।

ধাপ ৫- আইটেমের চারিদিকে টেপ দিয়ে সেটাকে হার্ড পেপারের সাথে লাগিয়ে দেবেন (*)

ধাপ ৬- পলির মুখ ভাল ভাবে হার্ড পেপারের সাথে টেপ দিয়ে লাগিয়ে দেবেন (*)

ধাপ ৭-একটি খাম বাঁ এমন কাগজ নেবেন যেটা দিয়ে আপনার হার্ড পেপার টি মুড়িয়ে রাখা যায়।

ধাপ ৮- আঠা নেবেন

ধাপ ৯- আঠাকে হার্ড পেপারের পেছনের দিকে ভালো করে লাগাবেন।

ধাপ ১০- এবার হার্ড পেপার টি নোট সহ সেই খাম বাঁ কাগজী আবরিনীর ভেতরে ঢুকিয়ে ভালো করে চাপ দিন যেনো তা (*)

ধাপ ১১- এবার সেই খাম/কাগজী আবরণীর দুই দিকে ভালো করে আঠা লাগান।

ধাপ ১২- যে ফাইনাল খামে এই সব ঢুকাবেন সেটি হাতে নিন এবং ঠিকানা লিখে নিন যা ধাপ নং ১৬ তে আছে।

ধাপ ১৩- দুই দিকে আঠা লাগানো খাম/কাগজী আবরনী টি এবার আপনার  ফাইনাল খামে ঢুকান এবং খালি স্থানে হাল্কা আঠা দিয়ে দিন (*) ।

ধাপ ১৪- ফাইনাল খাম টি কে ভালো করে চাপ দিন যেনো আঠা ভালো ভাবে দুই দিক কে চেপে ধরে রাখে। চেক করুন যে ফাইনাল খামের মুখ আগের মতো আর খোলা যাচ্ছে না।

ধাপ ১৫- ফাইনাল খামের মুখ বন্ধ করুন আঠা দিয়ে। দেখেবন যে আঠার আদ্রতার জন্য খামের উপর এবড়ো থেবড়ো হয়ে আছে। সেটি ভালো

ধাপ ১৬- খামের উপর যথাযথা স্থান তৈরি করে প্রেরক এবং প্রাপকের ঠিকানা মোবাইল নাম্বার সহ ভিন্ন কালিতে লিখুন (যেনো সেটা সহজেই কপি না করা যায়)। এছাড়া অন্য কোথাও কিছু লিখবেন না।

ধাপ ১৭- খামের চারিদিকের পরিধি বরাবর পাতলা সেলোটেপের একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করুন।

ধাপ ১৮- টিকেট লাগালে লাগান সেলোটেপের বাইরে। দুইদিকের ছবি তুলে পোর্টালে দিয়ে দিন যেনো বায়ার সেই রকম হলেই ফাইনাল খাম এক্সেপ্ট করে।

 

(*)= যেনো খুলতে সময় লাগে বাঁ খুলতে গেলে নষ্ট হয়ে যায়।

চুরি প্রতিরোধে সেলারের যেমন ভুমিকা আছে,তেমনি বায়ারের ও ভুমিকা আছে। আপনারা স্ব স্ব ভুমিকা পালন না করলে কেউ এর প্রতিকার আনতে পারবে না। আমি যেভাবে দেখালাম সেটি হচ্ছে তেম্পার রেসিস্টেন্ট প্যাকেজিং এর বিশিষ্ট। আপনি এভাবে করলে আইটেম চুরি করা চোরের জন্য কষ্ট সাধ্য এবং চুরি হলে আপনি বুঝতে পারবেন তা গ্রহন করার আগেই কারন ফাইনাল খাম নষ্ট না করে আইটেম বের করা প্রায় অসম্ভব। আমার এই প্রস্তাবনা টি আন্তর্জাতিক ব্যাংক নোট সোসাইটি দ্বারা প্রশংসিত। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো এভাবে বাঁ এর উন্নততর প্রকরন ব্যাবহার করে প্যাকেজিং করে যাচ্ছে। কিন্তু অনেকের ই এই গাইডলাইন টি  দরকার কিন্তু তাঁদের মুখ খুলে জিজ্ঞাস করার অভ্যাস নেই তাই লিখতে বাধ্য হলাম।

এগুলুর মধ্যে আমি “কেনো” প্রশ্নের উত্তর দেই নি। সেগুলু জানতে কমেন্টে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এই প্রসেস কে আরো রিফাইন ভাবে দিতে পারতাম কিন্তু সরল রাখার চেষ্টা করেছি।