বিষয়ঃ ইনফ্রারেড [IR] অবলোহিত রশ্মি এবং নোটের/টিকেটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে হিসেবে এর ব্যাবহার।
আমার আগের একটি টপিকের কয়েকটি লেকার একটি ছিলো নোট বা টিকেটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সমূহ। তার মধ্যে তাদের আমি তিন ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছিলাম। এর মধ্যে সেকেন্ডারি লেভেলের মধ্যে এটি পড়ে যা সাধারনত মেশিন দিয়ে যাচাই করা হয়। আমি নিযে দুটি ডিভাইস ব্যাবহার করি একটি হচ্ছে DORS 1170 মডেলের একটি কম্বো IR & UV multi currency counterfeit detector এবং অন্য টি হচ্ছে সাধারন IR ক্যামেরা।এছাড়াও আলাদা UV টর্চ তো আছে ই।
ইনফ্রারেড হচ্ছে একধরনের তরংগ রশ্মি যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং তাই অনেক গোপনীয় এবং গোয়েন্দা কাজে এর বহুল ব্যাবহার লক্ষনীয়। অন্ধকারে এবং ঘোলাটে আবহাওয়ায় দেখা তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তরংগ মাত্রার এক দিকের অতিবেগুনী UV রশ্মিকে যেমন আমরা ব্যাংক নোট/টিকেট ইত্যাদির নিরাপত্তায় ব্যাবহার করি ঠিক তেমনি অবলোহিত রশ্মি IR সেই তরংগ মাত্রার অপর প্রান্তের। UV এর পর গেলে আমরা পাই X-Ray আর অন্য দিকে IR এর আগে গেলে আমরা পাই মাইক্রোওয়েভ।
এই বৈশিষ্ট্য টি কাজে লাগিয়ে অনেক দেশের ব্যাংক নোট এটাকে তাদের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে কাজে লাগিয়েছে। আমি চাইলে যে কোন দেশের যে কোন নোট কে ই এই আলোতে ছবি তুলে দিতে পারতাম। কিন্তু প্রযুক্তিটির নমুনা বুঝানোর জন্য আপনাদের সকলের পরিচিত ইউরো দিয়ে ই উদাহরণ দিলাম।
এর মাধ্যমে ছাপার গোপন অংশ গুলু যা খালি চোখে দেখা যায় না তা দেখা যায়।ইন্টাগ্লিও প্রিন্টিং আলাদা করা যায়, কাগজের ধরন আলাদা করা যায়। যদিও যা যা বলছি তা সকল ই প্রশিক্ষিত চোখের জন্য প্রযোজ্য। এজন্য অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
এই নিয়ে অনেক কিছু বলা যাবে।কিন্তু প্রশ্ন করুন যদি জানতে চান।কারন ৫ জন লোকের জন্য এতো গভীরে গিয়ে কে লিখবে?
যাই হোক আমার এবং অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটর দের সকল লেখাই রেফারেন্স হিসেবে Www.trust-collector.com এর ফোরাম সেকশনে পাবেন।কেনা বেচার পাশাপাশি পড়াশুনাও করুন।আর জিজ্ঞাসা করুন। খামাখা মানুষের চায়ের দোকানে পাওয়া ২ টাকার নোট দেখে লাফালাফি করবেন না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন